Day: April 4, 2026

  • সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা—দেশজুড়ে অফিসের নতুন সময়সূচি কার্যকর, জারি প্রজ্ঞাপন

    সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা—দেশজুড়ে অফিসের নতুন সময়সূচি কার্যকর, জারি প্রজ্ঞাপন

    এবিএনএ: দেশব্যাপী সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন অফিস সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অফিস কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে Ministry of Public Administration। এতে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের আলোকে এই সময়সূচি কার্যকর করা হবে।

    তবে জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে। অর্থাৎ স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা ও অন্যান্য জরুরি খাত তাদের নিজস্ব সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

    ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও গ্রাহক সেবার সময় আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহকরা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংকিং সেবা নিতে পারবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে Bangladesh Bank

    অন্যদিকে, আদালতের কার্যক্রম ও অফিস সময়সূচি নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে Supreme Court of Bangladesh-কে।

    বেসরকারি শিল্প ও কলকারখানার কর্মঘণ্টা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবে Ministry of Labour and Employment

    সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তে অফিস কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আসবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন হামলা—ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় চ্যালেঞ্জ!

    বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন হামলা—ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় চ্যালেঞ্জ!

    এবিএনএ:  মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে নতুন করে হামলার দাবি তুলেছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, Ben Gurion Airport-এ ড্রোনের মাধ্যমে সমন্বিত আক্রমণ চালানো হয়েছে।

    ইরানের সামরিক সূত্র মতে, এই হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসরায়েলের সামরিক বিমান চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করা। বিশেষ করে বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার, নেভিগেশন সিস্টেম, রাডার ও যোগাযোগ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    এক বিবৃতিতে তেহরান জানায়, ইসরায়েল ও তার মিত্রদের সামরিক কার্যক্রমে এই বিমানবন্দর ব্যবহারের প্রতিবাদ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এতে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং আকাশপথে সমন্বয় ব্যবস্থাকে দুর্বল করার কৌশল গ্রহণ করা হয়।

    ইরানি সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের ফলে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান পরিচালনা, নজরদারি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব পড়েছে বলে দাবি করা হয়।

    তারা আরও জানায়, এই ধরনের হামলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে এবং আঞ্চলিক সংঘাতে ইরান তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না। নিহতদের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ‘প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ’ চালিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনো পর্যন্ত Israel সরকার বা United States-এর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার দাবি যদি সত্য হয়, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ নিরাপত্তা এবং বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • বুশেহর হামলা ঘিরে ইরানের তীব্র হুঁশিয়ারি—তেজস্ক্রিয় বিপর্যয়ে নিশ্চিহ্ন হতে পারে উপসাগরীয় অঞ্চল!

    বুশেহর হামলা ঘিরে ইরানের তীব্র হুঁশিয়ারি—তেজস্ক্রিয় বিপর্যয়ে নিশ্চিহ্ন হতে পারে উপসাগরীয় অঞ্চল!

    এবিএনএ: ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দেশটির Abbas Araghchi কঠোর ভাষায় সতর্ক করে জানিয়েছেন, পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা অব্যাহত থাকলে তা গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

    শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, Bushehr Nuclear Power Plant-এর আশপাশে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। এই ধরনের আক্রমণ কেবল একটি দেশের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলের মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানলে সেখান থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বা রেডিওঅ্যাকটিভ ফলআউট দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে Gulf Cooperation Council-এর সদস্য দেশগুলোর রাজধানীগুলোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, অতীতে Zaporizhzhia Nuclear Power Plant ঘিরে উত্তেজনার সময় আন্তর্জাতিক মহলের যে উদ্বেগ দেখা গিয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তার চেয়েও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।

    এদিকে, ইরানের অভিযোগ—তাদের জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে বৃহত্তর কৌশলগত চাপ তৈরি করার চেষ্টা চলছে বলে মনে করছে তেহরান।

    তবে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত United States বা Israel আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

    বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক স্থাপনা কেন্দ্র করে সংঘাত বাড়তে থাকলে তা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

  • ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নির্দেশ অমান্য! শীর্ষ জেনারেলদের বিদ্রোহে যুক্তরাষ্ট্রে অভূতপূর্ব সংকট

    ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নির্দেশ অমান্য! শীর্ষ জেনারেলদের বিদ্রোহে যুক্তরাষ্ট্রে অভূতপূর্ব সংকট

    এবিএনএ: ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর দেওয়া স্থল অভিযান সংক্রান্ত নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন একাধিক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা, যা নতুন করে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।

    জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর পরিকল্পনা সামনে আসে। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় এক ডজন জেনারেল এই নির্দেশ বাস্তবায়নে আপত্তি জানান। এর জেরে হোয়াইট হাউস এবং Pentagon-এর মধ্যে মতবিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে।

    এই পরিস্থিতিতে Joint Chiefs of Staff-এর চেয়ারম্যানসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকরা এটিকে আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সামরিক নেতৃত্বে অন্যতম বড় রদবদল হিসেবে দেখছেন।

    এখন প্রশ্ন উঠেছে—এই অস্বীকৃতি কি কোনো ‘অবৈধ নির্দেশ’ প্রত্যাখ্যানের আইনি অধিকার, নাকি এটি সামরিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল? একপক্ষ বলছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে কমান্ডার-ইন-চিফের নির্দেশ মানা বাধ্যতামূলক। অন্যদিকে বিরোধীরা মনে করছেন, এমন সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে এবং অভিজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তারা ঝুঁকি এড়াতে এই অবস্থান নিয়েছেন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিজ্ঞ জেনারেলদের সরিয়ে রাজনৈতিকভাবে অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দিলে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত এবং অপ্রত্যাশিত সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা বাড়ছে।

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শূন্য পদগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে এবং চলমান সামরিক কার্যক্রমে এর প্রভাব কী হবে—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি শক্তিধর দেশের অভ্যন্তরীণ এই দ্বন্দ্ব বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ২০ হাজার কোটি টাকা না পেলে অন্ধকারে দেশ! গ্রীষ্মেই ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা

    ২০ হাজার কোটি টাকা না পেলে অন্ধকারে দেশ! গ্রীষ্মেই ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা

    এবিএনএ:  আসন্ন গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুম সামনে রেখে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ২০ হাজার ১৩৬ কোটি টাকার ভর্তুকি চেয়েছে। তবে এই অর্থ সময়মতো না পেলে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেখানে গড়ে ব্যয় হচ্ছে ১২ টাকার বেশি, সেখানে তা বিক্রি করা হচ্ছে প্রায় ৭ টাকায়। ফলে প্রতিটি ইউনিটে উল্লেখযোগ্য লোকসান গুনতে হচ্ছে, যা ভর্তুকির মাধ্যমে পূরণ করছে সরকার।

    বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের নীতিগত দুর্বলতা ও পরিকল্পনার অসামঞ্জস্য এই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। বিশেষ করে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে দেওয়া ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা কেন্দ্র ভাড়ার চাপ বড় একটি কারণ। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র বছরের বেশিরভাগ সময় অলস থাকলেও চুক্তি অনুযায়ী তাদের অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

    তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় দশকে শুধুমাত্র এই খাতেই বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়েছে। এর পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিও উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য এই ভর্তুকি প্রয়োজন। বিশেষ করে নতুন যুক্ত হওয়া তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে বড় অঙ্কের অর্থ দরকার। এছাড়া বিদেশ থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ আমদানি এবং সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাতেও বিপুল ব্যয় হচ্ছে।

    এদিকে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থার পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর চাপও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভর্তুকির ঘাটতি মেটাতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

    বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে, যা সরাসরি ভোক্তাদের ওপর চাপ তৈরি করবে। অন্যদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বাস্তবতায় দাম সমন্বয় ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

    সব মিলিয়ে, প্রয়োজনীয় ভর্তুকি দ্রুত নিশ্চিত না হলে গ্রীষ্মকালেই দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট ভয়াবহ আকার নিতে পারে—এমন আশঙ্কাই এখন সবচেয়ে বেশি জোরালো হয়ে উঠেছে।

  • কচুয়ায় ভেঙে পড়া কাঠের সেতুতে যোগাযোগ বিপর্যয়—দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, দ্রুত সমাধানের দাবি

    কচুয়ায় ভেঙে পড়া কাঠের সেতুতে যোগাযোগ বিপর্যয়—দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, দ্রুত সমাধানের দাবি

    এবিএনএ,কচুয়া : বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠের পুল ভেঙে পড়ায় স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। শাখারীকাঠী স্মৃতিসৌধের পাশ দিয়ে দৈবজ্ঞহাটি এলাকায় যাওয়ার এই পুলটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকায় অবশেষে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাধাল ইউনিয়নের এই পুলটি ছিল আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের একমাত্র চলাচলের পথ। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ী এই পথ ব্যবহার করে তাদের গন্তব্যে যেতেন। কিন্তু বর্তমানে পুলটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

    বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পুলের ভাঙা অংশ পার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই মানুষ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    এদিকে, কৃষকদের উৎপাদিত ফসল বাজারে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। একইসঙ্গে স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারছে না, যা তাদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত পুলটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণ না করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।