প্রয়োজনে উ. কোরিয়ায় সামরিক আগ্রাসন চালাবো: যুক্তরাষ্ট্র

এবিএনএ : উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবেলায় প্রয়োজনে দেশটিতে সামরিক আগ্রাসন চালানোর কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এমন কথারই ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি। প্রথম সারির কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হচ্ছে।
ওইসব প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ওই বৈঠকে নিকি হ্যালি বলেছেন, ‘উত্তর কোরিয়া তার সীমা অতিক্রম করেই যাচ্ছে।’ গত ৪ জুলাই মঙ্গলবার আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে পশ্চিমাঞ্চলীয় পিয়ংগান প্রদেশ থেকে জাপান সাগর অভিমুখে ফের হোয়াসং-১৪ নামের আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া।
উত্তর কোরিয়ার সফল আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম পরীক্ষাকে ‘মারাত্মক সামরিক উস্কানি’ হিসেবে উল্লেখ করে নিকি হ্যালি এসময় বলেন, ‘প্রয়োজনে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন চালানো হবে। এছাড়া উত্তর কোরিয়ায় সেনা অভিযান পরিচালনার বেপারটি নিয়ে ইতোমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে পেন্টাগন।’
এর আগে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব জিম ম্যাটিস ও জাপানি সমকক্ষ তোমোমি ইনাডা এক যৌথ বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে ‘অগ্রহণযোগ্য উদ্দীপক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। জাপান সাগরকে নিশানা করে উত্তর কোরীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরপরই এ নিয়ে উদ্বেগ ভাগাভাগি করতে ইনাডাকে ফোন করেন ম্যাটিস।
আর সর্বশেষ নিরাপত্তা পরিষদ বৈঠকে ১৫ সদস্য দেশের নেত্রীবৃন্দের সামনে নিকি হ্যালি এক ধরণের ঘোষণাই দিয়েছেন, ‘এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ফলে উত্তর কোরিয়া সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের পথ হঠাৎ করে রুদ্ধ হয়ে গেল। সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন,যুক্তরাষ্ট্র আর তার মিত্রদের রক্ষা করার জন্য ওয়াশিংটন নিজের সর্বশক্তি প্রয়োগ করার জন্য তৈরি আছে।’

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *