প্রধানমন্ত্রীর ভুটান সফরে ৬ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

এবিএনএ : দ্বৈতকর প্রত্যাহার, বাংলাদেশের নৌপথ ভুটানকে ব্যবহার করতে দেওয়া, ভুটানে বাংলাদেশের চ্যান্সেরি ভবনের জন্য জমি দেওয়াসহ বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে ৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর আগে ভুটানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া রাষ্ট্র ভুটান। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটানের বন্ধুত্বর এই সম্পর্ক চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। ভুটানের ঐতিহ্যবাহী নাচ-গানের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজদরবারে স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ছিল ৩ শ বছরের রাজপরিবারের ঐতিহ্য ও স্থানীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয় গার্ড অব অর্নার ও সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।

এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুটানের রাজা জিগমে গ্যাসার নায়মগাল ওয়াংচুক ও রানি জিৎসেন প্রেমো ওয়াংচুক এর সঙ্গে দেখা করেন। পরে ভুটানের জাতীয় সংসদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোপগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানেই দুই দেশের মধ্যে ৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন দিনের সফরে ভুটানের পারু বিমানবন্দর পৌঁছলে স্বাগত জানান ভুটান প্রধানমন্ত্রী শিরিং তোপগে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *