‘নির্বাচনী পরিবেশ ছিল যথেষ্ট সন্তোষজনক’

এবিএনএ: নির্বাচনী পরিবেশ যথেষ্ট সন্তোষজনক ছিল বলে জানিয়েছে ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিদেশী নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের প্রতিনিধিদল এ কথা জানায়। বিদেশী পর্যবেক্ষকরা জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কোনো ধরনের বাধা-বিপত্তি ছাড়াই ভোটাররা ভোট দিয়েছেন। সেখানে যথেষ্ট নিরাপত্তা ছিল। তবে শুনেছি, ঢাকার বাইরে কিছু জায়গায় সংঘাত হয়েছে। তবে আমরা যেখানে গিয়েছি, সেখানে কোনো সংঘাত হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে কানাডার লেবার মার্কেট প্ল্যানিংয়ের সিনিয়র  অ্যানালিস্ট তানিয়া দেওয়ান ফস্টার বলেন, নির্বাচনে আমরা যেখানে গিয়েছি, সেখানে কোনো সংঘাত হয়নি। ঢাকার বাইরের বিষয় নিয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না। কেননা, যেটা দেখিনি, সেটা বলা সমীচীন নয়। কলকাতা প্রেসক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি কমল ভট্টাচার্য বলেন, নির্বাচনে দেখেছি, মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। ভোটারদের জিজ্ঞাসা করেছি, তারা কোনো ভয়-ভীতির মধ্যে রয়েছেন কি না? তাদের কোনো হুমকি দেওয়া হয়েছে কি না? সবাই বলেছেন, তারা কোনো ভয়-ভীতির মধ্যে নেই। কেউ তাদের হুমকিও দেয়নি। সবাই উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ভোট দিয়েছেন।
শ্রীলঙ্কার সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের বিশেষ প্রতিনিধি এহসান ইকবাল বলেন, আমরা ৯টি ভোটকেন্দ্র ঘুরেছি। সবগুলো ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও ছিলো ইতিবাচক ও সুশৃঙ্খল।
সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য রাখেন ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের নির্বাহী পরিচালক ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় পরিচালক ড. মাসুম চৌধুরী, মানবাধিকার কর্মী চ্যালি দেওয়ান ফস্টার, নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও প্রাক্তন মন্ত্রী হাকিমুল্লাহ মুসলিম, নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য নাজির মিয়া, নেপালের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদীন আলী প্রমুখ।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *