Tag: হাসপাতাল ভর্তি

  • ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, একদিনে নতুন ভর্তি ৬৮৫ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, একদিনে নতুন ভর্তি ৬৮৫ রোগী

    এবিএনএ:  দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫০ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত একদিনে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৬৮৫ জনকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে শুধু ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪৪ জন। এছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ১২২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৯ জন, খুলনায় ৩৫ জন, রাজশাহীতে ৩৯ জন, বরিশালে ১২৫ জন, ময়মনসিংহে ২১ জন, রংপুরে ছয়জন এবং সিলেটে চারজন ভর্তি হয়েছেন।

    চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৮৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

  • ডেঙ্গুতে ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনেই রেকর্ড ৬ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনেই রেকর্ড ৬ জনের মৃত্যু

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, সেই সঙ্গে মৃত্যুও। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে একদিনে মৃত্যুর এ সংখ্যা সর্বোচ্চ।

    নতুন এই ৬ মৃত্যুর ঘটনায় এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে। এর আগে ২১ আগস্ট ও ১৩ জুন আলাদাভাবে ৫ জন করে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

    শুধু মৃত্যুই নয়, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

  • ডেঙ্গুতে নতুন করে দুই প্রাণহানি, তিন দিনে মৃত্যু ৫ জনের

    ডেঙ্গুতে নতুন করে দুই প্রাণহানি, তিন দিনে মৃত্যু ৫ জনের

    এবিএনএ:  ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বুধবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪৫ জন এবং মারা গেছেন দুই নারী রোগী। এ নিয়ে সেপ্টেম্বর মাসের তিন দিনে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ জনে, আর আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১ হাজার ৪৭০ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১২৭ জন। তাদের মধ্যে ৭০ জন পুরুষ ও ৫৭ জন নারী। এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৯৪৬ জন, যাদের মধ্যে ১৯ হাজার ৬৮৮ জন পুরুষ ও ১৩ হাজার ২৫৮ জন নারী।

    গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম (৯৮ জন) ও বরিশাল বিভাগে (৭৮ জন)। ঢাকার দক্ষিণে ভর্তি হয়েছেন ৮৭ জন, উত্তরে ৫৯ জন, ঢাকার বাইরে বিভাগে ৬৯ জন। এছাড়া ময়মনসিংহে ২৪ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, রংপুরে ৬ জন এবং সিলেটে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত এক দিনে ৪১৭ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ বছর এখন পর্যন্ত ৩১ হাজার ২৩০ জন ডেঙ্গুরোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    মৃতদের মধ্যে একজন ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার ৩৫ বছরের নারী, যিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অপরজন বরিশালের, তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন ২৫০ শয্যার বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ৪১ জনের মৃত্যু হয় ডেঙ্গুতে। জুনে মারা যান ১৯ জন, জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন, এপ্রিলে ৭ জন ও মে মাসে ৩ জন। মার্চ মাসে কোনো মৃত্যু হয়নি। আগস্টে মৃত্যু হয় ৩৯ জনের।

  • একদিনে ডেঙ্গু কেড়ে নিল ২ প্রাণ, করোনায় আরও এক মৃত্যু, সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    একদিনে ডেঙ্গু কেড়ে নিল ২ প্রাণ, করোনায় আরও এক মৃত্যু, সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    এবিএনএ: ডেঙ্গু ও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হিসেব অনুযায়ী, ডেঙ্গুতে ঢাকায় এক তরুণী এবং চট্টগ্রামে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি মারা যান। পাশাপাশি চট্টগ্রামেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি।

    ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ বছর বয়সী তরুণী মারা যান, তিনি রাজধানীর কালশীর বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা নুরুল আলম (৬৫) শুক্রবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হন এবং শনিবার রাতে মারা যান।

    করোনায় মৃত্যু হওয়া ব্যক্তি চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ওই দিন ২১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলেও নতুন করে করোনা আক্রান্তের কোনো তথ্য মেলেনি।

    চলতি মাসের প্রথম ১৩ দিনে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১৪ জন, যা বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড় করিয়েছে ৫৬-তে।

    রবিবার একদিনেই সারা দেশে ৪২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। চলতি বছরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৮০ জনে। জুলাই মাসের প্রথম ১২ দিনেই ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৫৮৪ জন।

    বিভাগভিত্তিক মৃত্যু

    ঢাকা বিভাগে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি, ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর বরিশালে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। বাকি বিভাগগুলোতে মোট মৃত্যু ১২ জন।

    ডেঙ্গু নিয়ে সতর্কবার্তা

    রোগতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, জুলাইয়ের শেষভাগ থেকে আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। তাই এখন থেকেই সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

    চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করছি এবং আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করছি।”

    করোনা: শনাক্ত নেই, মৃত্যু আছে

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২০ লাখ ৫২ হাজার ২২০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৯ হাজার ৫২৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ৬৭৫ জন আক্রান্ত ও ২৭ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

    দেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হয় এবং ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যু হয়।

  • ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনে প্রাণ হারালেন ৩ জন, হাসপাতালে ভর্তি ৪৯২

    ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনে প্রাণ হারালেন ৩ জন, হাসপাতালে ভর্তি ৪৯২

    এবিএনএ: সারা দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ৪৯২ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    সোমবার (৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৪৮ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের (সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে) সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—১৫৪ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৫১ জন, ঢাকা বিভাগে ৬৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৬ জন, দক্ষিণ সিটিতে ৫৩ জন, খুলনা বিভাগে ৫৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে ৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এ সময়ের মধ্যে ৪১১ জন রোগী চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের শুরু থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত মোট ১১ হাজার ৪০৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৭৬৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫২ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। এই মুহূর্তে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • ডেঙ্গুর দাপটে হাসপাতাল ভরছে, জুলাইয়ের প্রথম তিন দিনে ভর্তি ১১৬০ জন

    ডেঙ্গুর দাপটে হাসপাতাল ভরছে, জুলাইয়ের প্রথম তিন দিনে ভর্তি ১১৬০ জন

    এবিএনএ: সারা দেশে ফের বাড়তে শুরু করেছে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ। গত তিন দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। শুধু আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং একজন মারা গেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার একদিনেই ভর্তি হয়েছিলেন ৪১৬ জন, যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ একদিনে ভর্তি। ফলে জুলাই মাসের প্রথম তিন দিনেই রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৬০ জনে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৪৫৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।

    সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে বরিশাল বিভাগে—১৫০ জন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ভর্তি ৭৮ জন এবং অন্যান্য বিভাগে যথাক্রমে ঢাকা বিভাগে ৪৫ জন, চট্টগ্রামে ৩২ জন, রাজশাহীতে ২৯ জন, খুলনায় ১৪ জন, ময়মনসিংহে ৫ জন এবং সিলেটে ২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৯ জন।

    চীন দিল ১৯ হাজার ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট

    ডেঙ্গু শনাক্তকরণে সহায়তার অংশ হিসেবে চীন সরকার বাংলাদেশকে ১৯ হাজার ‘কম্বো কিট’ দিয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে একসঙ্গে এনএস-১, আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষা করা যাবে। বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাখালী কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কিট হস্তান্তর করা হয়।

    অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। তিনি জানান, ডেঙ্গুর হটস্পট এলাকায় দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল, অ্যাম্বুলেন্স ও ডায়াগনস্টিক কিট পাঠানো হবে।

    তার দাবি, “পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়ার কারণে অনেকে জটিলতায় পড়ছেন।”

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা সহ চারটি ভাইরাস সক্রিয়। সাধারণ জ্বর ভেবে রোগীরা দেরিতে হাসপাতালে আসছেন, যা চিকিৎসা জটিল করছে।

    অতীত রেকর্ড ভেঙে নতুন আশঙ্কা?

    ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন এবং মারা গিয়েছিলেন ৫৭৫ জন। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল ২০২৩ সাল, যেখানে আক্রান্ত হয়েছিল ৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি এবং মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৭০৫ জনের। ২০২২ সালেও আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজারের বেশি।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি এখনই নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে এ বছরও ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই জনসাধারণকে সচেতন থাকার পাশাপাশি বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, এ বছর ‘ভেক্টর কন্ট্রোল প্রোগ্রাম’ আরও জোরদার করা হবে এবং স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।