Tag: হাসপাতাল ভর্তি

  • দেশজুড়ে হামের আতঙ্ক বাড়ছে: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি হাজারের বেশি

    দেশজুড়ে হামের আতঙ্ক বাড়ছে: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি হাজারের বেশি

    এবিএনএ: দেশজুড়ে হামের প্রকোপ বাড়তে থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১২৭ জন হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১১৫ জন।

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী।

    তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে সন্দেহজনক হিসেবে আরও ১৭৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৯২ জন এবং উপসর্গসহ সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৪৬৭ জনে।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে মোট আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত রোগী ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগী—উভয় সংখ্যাই বেড়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের ঘটনা দেখা গেছে ঢাকা বিভাগে। অন্যদিকে মৃত্যুর ঘটনাও বিভিন্ন বিভাগে ছড়িয়ে পড়লেও বরিশাল বিভাগে মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে। অভিভাবকদের শিশুদের জ্বর, র‍্যাশ বা চোখ লাল হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • ১৯ দিনে ৯৪ শিশুর মৃত্যু: হামের উপসর্গে দেশজুড়ে আতঙ্ক, দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    ১৯ দিনে ৯৪ শিশুর মৃত্যু: হামের উপসর্গে দেশজুড়ে আতঙ্ক, দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যদিও পরীক্ষাগারে নিশ্চিতভাবে হামের কারণে এখন পর্যন্ত ৯ জন শিশুর মৃত্যুর প্রমাণ মিলেছে।

    শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ হাজার ৭৯২ শিশুকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে ৭৭১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।

    একই সময়ে ৭১১ শিশুর শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে, যা পরিস্থিতির গুরুতর দিক নির্দেশ করে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে মোট ৩১৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৪৭ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। ঢাকা বিভাগেই সবচেয়ে বেশি ১৮ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে এই সময়ে ময়মনসিংহ বিভাগে নতুন কোনো রোগী পাওয়া যায়নি।

    বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগে ৮ জন, খুলনা ও সিলেটে ৫ জন করে, চট্টগ্রামে ৪ জন এবং বরিশাল ও রংপুরে ১ জন করে নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে।

    হামের লক্ষণ ও সতর্কতা:
    চিকিৎসকদের মতে, হামের ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর সাধারণত ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ প্রকাশ পায়। শুরুতে সর্দি, কাশি, জ্বর, চোখ লাল হওয়া এবং চোখ দিয়ে পানি পড়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে গালের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (কপ্লিক স্পট) দেখা দেয়।

    পরবর্তীতে ত্বকে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা প্রথমে মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই র‍্যাশ সাধারণত কয়েকদিন স্থায়ী হয় এবং পরে মিলিয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা জানান, অধিকাংশ রোগী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে এবং শরীরে দীর্ঘমেয়াদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিলে তা প্রাণঘাতী হতে পারে, তাই দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুইজনের মৃত্যু—হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৪৫৫, পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুইজনের মৃত্যু—হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৪৫৫, পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গুর বিস্তার আবারও চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪৫৫ জন ডেঙ্গুরোগী।

    সোমবার (৮ ডিসেম্বর) হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডেঙ্গু রোগীর চাপ এখনও বিভিন্ন বিভাগে সমানভাবে বাড়ছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৫৭ জন, চট্টগ্রামে ৫১ জন, ঢাকার সিটি করপোরেশনের বাইরে ৫৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১০৬ জন এবং দক্ষিণ সিটিতে ভর্তি হয়েছেন ৫৫ জন।

    এ ছাড়া খুলনায় ৪৪ জন, ময়মনসিংহে ৩২ জন, রাজশাহীতে ৪৮ জন, রংপুরে তিনজন এবং সিলেট বিভাগে ছয়জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    এদিকে একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৮৮ জন রোগী। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৯৬ হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসা শেষে ঘরে ফিরেছেন।

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮ হাজার ২৮৪ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক চার শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ছয় শতাংশ নারী।

    গত ২৪ ঘণ্টার দুইজনসহ চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ৩৯৮ জন। এর তুলনায় ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান ৫৭৫ জন এবং আক্রান্ত হন এক লাখ এক হাজারেরও বেশি মানুষ। আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহতায় মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছায় ১,৭০৫-এ, এবং হাসপাতালে ভর্তি হন তিন লাখের বেশি রোগী।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীর সংখ্যা কমলেও মৃত্যুহার এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে আছে, তাই সচেতনতা ও প্রতিরোধই এখন সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

  • ডেঙ্গুতে আবারও মৃত্যু ৫ জনের, একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১১৬২ রোগী

    ডেঙ্গুতে আবারও মৃত্যু ৫ জনের, একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১১৬২ রোগী

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১১৬২ জন রোগীকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    শনিবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অ্যান্ড অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে বরিশাল বিভাগে ১৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৮ জন, ঢাকা বিভাগের বাইরে ৭৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২৬১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৭৫ জন, খুলনায় ১৫৪ জন, ময়মনসিংহে ৮৭ জন, রাজশাহীতে ৯৮ জন এবং সিলেটে ৮ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৬৮ হাজার ৪১০ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬৭৫ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেতনতা ও মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় হাজার রোগী

    ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় হাজার রোগী

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৩ জন রোগীকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩০ জনে।

    তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বাধিক ১৯৭ জন। এর মধ্যে উত্তর সিটিতে ১৪৭ ও দক্ষিণ সিটিতে ১২২ জন। এছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৪১, চট্টগ্রামে ১০৭, খুলনায় ৯৩, ময়মনসিংহে ৪৬, রাজশাহীতে ৬৯, রংপুরে ২৩ এবং সিলেট বিভাগে ৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫৪ হাজার ৫৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও জমে থাকা পানিতে মশার প্রজনন রোধ না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৭০০ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৭০০ রোগী

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা কমছে না। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন ২২০ জনে দাঁড়িয়েছে।

    একই সময়ে নতুন করে আরও ৭০০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

    তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এর মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় সর্বাধিক রোগী ভর্তি হয়েছে—ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৫৫ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১১০ জন।

    এ ছাড়া ঢাকার বাইরের বিভাগগুলোর মধ্যে বরিশালে ১০৫ জন, চট্টগ্রামে ৬১ জন, ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলায় ১৪৯ জন, খুলনায় ৪৫ জন, ময়মনসিংহে ৩৩ জন, রাজশাহীতে ৩১ জন, রংপুরে ৬ জন এবং সিলেটে ৫ জন ভর্তি হয়েছেন।

    চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৫২ হাজার ১০৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা ও মশা নিয়ন্ত্রণে অব্যবস্থাপনা ডেঙ্গুর বিস্তার আরও ত্বরান্বিত করছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

  • অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আবহাওয়া ও পূজার ছুটির কারণে এডিস মশার বংশবিস্তার বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ বলে তারা মনে করছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছেছে এবং মৃত্যু ২১২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা গেছেন আরও ৯ জন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৪২ জন রোগী।

    সেপ্টেম্বর মাসে এককভাবে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৭৬ জন। আক্রান্তের হার অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসই ছিল বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ সময়। তবে অক্টোবরের শুরুতেই রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ছে।

    আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “এখন রোদ-বৃষ্টি মিলিয়ে যে আবহাওয়া চলছে, তাতে এডিস মশার বিস্তার রোধ করা কঠিন। বৃষ্টি থেমে গেলেও আগামী দুই মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি রয়ে যাবে।”

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, “অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিক থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়বে। পূজার ছুটিতে ফাঁকা বাসাবাড়ি ও জমে থাকা পানি থেকে মশা জন্ম নিচ্ছে। ফলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে।”

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল ধোঁয়া দিয়ে নয়—জনসচেতনতা ও স্থানীয়ভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

  • দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৪২ জন

    দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৪২ জন

    এবিএনএ: সারা দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) মশাবাহিত এই রোগে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১০৪২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২১২ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৯ হাজার ৯০৭ জন।

    রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকায় সর্বাধিক রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৯৮ জন, দক্ষিণ সিটিতে ১২১ জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে আরও ২০১ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এছাড়া বিভাগভিত্তিক হিসেবে বরিশালে ১৯৫ জন, চট্টগ্রামে ১০৪ জন, খুলনায় ৭২ জন, ময়মনসিংহে ৪১ জন, রাজশাহীতে ৮২ জন, রংপুরে ২৩ জন এবং সিলেটে ৫ জন নতুন করে ভর্তি হয়েছেন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৯৮ জন ডেঙ্গুরোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪৭ হাজার ২৫৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

    ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, মারা যান ৫৭৫ জন। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু ঘটে, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। বর্তমান বছরের পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবারও ডেঙ্গুর ভয়াবহতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

  • ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর খবর নেই

    ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর খবর নেই

    এবিএনএ: ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১৯ জন রোগী। তবে এদিন সৌভাগ্যক্রমে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩৯ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩ জন রয়েছেন।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪২ হাজার ৪৭৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৯৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ দশমিক পাঁচ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক পাঁচ শতাংশ নারী।

    চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত ১৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

    তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, ২০২৪ সালে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, আর মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল এক হাজার ৭০৫ জনে।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়াল ৩৯ হাজার

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়াল ৩৯ হাজার

    এবিএনএ: দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কমার কোনো লক্ষণ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই রোগে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬১ জনে। একই সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬২২ জন রোগী।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে দুইজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। অন্য তিনজন মারা গেছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন হাসপাতালে।

    একই সময়ে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ১৩১ জন। চট্টগ্রামে ৯৮ জন, ঢাকার বাইরের এলাকায় ১০৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১০০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৯৯ জন, খুলনা বিভাগে ১৪ জন, ময়মনসিংহে ১৯ জন, রাজশাহীতে ৫১ জন এবং রংপুরে ৬ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫০৮ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৩৭ হাজার ৬৮৮ জন রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।