Tag: স্পোর্টস নিউজ

  • ম্যানইউর ডাগআউটে নতুন অধ্যায়: অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাইকেল ক্যারিক

    ম্যানইউর ডাগআউটে নতুন অধ্যায়: অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাইকেল ক্যারিক

    এবিএনএ: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে শুরু হলো নতুন অধ্যায়। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট ক্লাবটির অন্তর্বর্তী প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক মিডফিল্ডার মাইকেল ক্যারিক। চাকরি হারানো রুবেন আমোরিমের জায়গায় দায়িত্ব বুঝে নিলেন ক্লাবের এই পরিচিত মুখ।

    ইউনাইটেডের জার্সিতে টানা ১২ মৌসুম খেলেছেন ক্যারিক। এই সময়ে তিনি পাঁচবার প্রিমিয়ার লিগ ও একবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ের অংশ ছিলেন। কোচিং ক্যারিয়ারেও তিনি ইতিবাচক ছাপ রেখেছেন; চ্যাম্পিয়নশিপের দল মিডলসবার্গের প্রধান কোচ হিসেবে তার কাজ প্রশংসিত হয়েছে।

    খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ক্যারিক ম্যানইউতেই কোচিংয়ে যুক্ত ছিলেন। ওলে গুনার শুলসার ও হোসে মরিনহোর অধীনে সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। শুলসারের বিদায়ের পর টানা পাঁচ ম্যাচে অস্থায়ীভাবে দলের ডাগআউটে দাঁড়িয়ে চারটি জয় ও একটি ড্র এনে দেন ক্যারিক।

    আগামী ১৭ জানুয়ারি ইউনাইটেডের পরবর্তী ম্যাচ। ঘরের মাঠে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে ক্যারিকের প্রথম বড় পরীক্ষা। ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৌসুম শেষে তার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে স্থায়ী নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই নিজের কোচিং স্টাফ গঠন করেছেন ক্যারিক। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের সাবেক সহকারী কোচ স্টিভ হল্যান্ডকে দলে ভিড়িয়েছেন তিনি। ড্রেসিংরুম সম্পর্কে গভীর ধারণার কারণে জনি ইভান্সকে রাখা হয়েছে কোচিং প্যানেলে। এছাড়া ট্রাভিস বিন্নিয়ন ও মিডলসবার্গের সতীর্থ জোনাথন উডগেটও যুক্ত হয়েছেন কোচিং স্টাফে। স্প্যানিশ ভাষায় দক্ষ হওয়ায় খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করতে উডগেটকে বিশেষভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

    ক্যারিকের নিয়োগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাবেক তারকারা। মাইকেল ওয়েন মনে করেন, আগের অভিজ্ঞতার কারণে ম্যানইউতে মানিয়ে নিতে ক্যারিকের সমস্যা হবে না। ওয়েন রুনিও ক্যারিকের ডাগআউটে ফেরা নিয়ে আশাবাদী মন্তব্য করেছেন। এমনকি সুযোগ পেলে ক্যারিকের সহকারী হিসেবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রুনি, যদিও আপাতত সেই সুযোগ মিলছে না।

  • আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান সময়কে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, এই সময়ে নেওয়া যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব আগামী ১০ বছর পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটে ভোগাতে পারে। তাই আবেগের বশে নয়, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা মাথায় রেখেই বিসিবিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম বলেন, হঠাৎ মন্তব্য বা তড়িঘড়ি পদক্ষেপ সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বরং পারস্পরিক আলোচনা ও কার্যকর সংলাপের মাধ্যমেই সংকট থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। তাঁর বিশ্বাস, সঠিক সময়ে সঠিক ডায়ালগ বড় বড় সমস্যারও পথ খুলে দেয়।

    বিসিবির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যৎ ভাবনার ওপর জোর দিয়ে তামিম বলেন, আজ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার প্রভাব শুধু বর্তমান নয়, পরবর্তী এক দশকের ক্রিকেট কাঠামোতেও পড়বে। তাই স্বল্পমেয়াদি চাপে না পড়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    তিনি আরও মনে করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে একটি স্বাধীন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে হবে। সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় জরুরি হলেও, বোর্ডের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা থাকা দরকার। দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে প্রয়োজনীয় হলে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াও বোর্ডের দায়িত্ব।

    জনমতের বিষয়টি তুলে ধরে তামিম বলেন, দর্শকদের আবেগ মাঠের খেলায় স্বাভাবিকভাবেই প্রতিফলিত হয়। তবে সেই আবেগের ভিত্তিতে কোনো বড় ক্রীড়া সংস্থার নীতি নির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত নয়। জনমত সময়ের সঙ্গে বদলায়, কিন্তু পরিকল্পনা হওয়া উচিত স্থির ও লক্ষ্যভিত্তিক।

    নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তামিম জানান, বর্তমানে তিনি বোর্ডের কোনো দায়িত্বে নেই। তাই নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য করাও তাঁর উদ্দেশ্য নয়। তবে বোর্ডের অংশ হলে তিনি সর্বাগ্রে দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের স্বার্থকেই গুরুত্ব দিতেন—এমনটাই জানান এই অভিজ্ঞ ওপেনার।

  • হতাশা থেকে বিশ্বজয়—জীবনের কঠিন সময় পেরিয়ে যে বার্তা দিলেন মেসি: ‘কখনও হাল ছাড়তে নেই’

    হতাশা থেকে বিশ্বজয়—জীবনের কঠিন সময় পেরিয়ে যে বার্তা দিলেন মেসি: ‘কখনও হাল ছাড়তে নেই’

    এবিএনএ: ফুটবল দুনিয়ায় তিনি ইতিহাস, রেকর্ড আর সাফল্যের নাম—তবে ঘরের ভেতরে লিওনেল মেসি আর দশজন সাধারণ বাবা ও স্বামীর মতোই। সম্প্রতি আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম লুজু টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জীবনের নানা অজানা অধ্যায় তুলে ধরেছেন বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক।

    সাক্ষাৎকারে মেসি অকপটে স্বীকার করেছেন, জীবনের এক সময় এমন হতাশা তাঁকে গ্রাস করেছিল, যখন বেঁচে থাকার অর্থই হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। সেই অন্ধকার সময় থেকে বেরিয়ে আসার মূলমন্ত্র হিসেবেই তিনি বললেন—কখনও হাল ছেড়ে দেওয়া যায় না। চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়, বারবার পড়ে গিয়েও উঠে দাঁড়ানোর মানসিকতা রাখতে হয়।

    প্রায় এক দশক আগে বার্সেলোনার হয়ে ক্লাব ফুটবলে শীর্ষে থাকলেও জাতীয় দলের ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারার পর আর্জেন্টিনা দল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ের হতাশা ছিল ভয়ংকর, তবে সমালোচনার তোয়াক্কা না করে দলে ফেরার সিদ্ধান্তটাই বদলে দেয় তাঁর জীবন।

    এরপরই আসে সাফল্যের জোয়ার—দুটি কোপা আমেরিকা ও বহুল কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ জয়। জাতীয় দলের জার্সিতে খেলাটাই এখনও তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় গর্ব।

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে খেলার সুবাদে পরিবারকে আগের চেয়ে বেশি সময় দিতে পারছেন মেসি। তিন সন্তানের কোলাহলে ভরা সংসারে তিনি নিজেকে দেখেন একেবারে সাধারণ মানুষ হিসেবে। ব্যস্ত দিনের ফাঁকে একাকিত্ব উপভোগ করাটাও তাঁর কাছে এখন স্বস্তির।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে মেসি জানান, কোচ হওয়ার কথা ভাবেন না তিনি। বরং নিজের একটি ক্লাব গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন—যেখানে শিশুরা সুযোগ পাবে ফুটবলার হিসেবে গড়ে ওঠার। ইতোমধ্যে বন্ধু লুইস সুয়ারেজের একটি ক্লাবের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেই পথচলা শুরু করেছেন তিনি।

    প্রযুক্তি নিয়েও মেসির রয়েছে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তাঁর পছন্দ নয়, যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মজা করে সময় কাটাতে ভালোবাসেন। পুরো সাক্ষাৎকার জুড়ে তিনি নিজেকে তুলে ধরেছেন একজন সাধারণ আর্জেন্টাইন মানুষ হিসেবেই—যার জীবনের মূল শিক্ষা একটাই, কখনও হাল ছাড়তে নেই।

  • বাহরাইনকে হারিয়ে এশিয়া কাপের দুয়ারে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল, সামনে স্বপ্নের ম্যাচ

    বাহরাইনকে হারিয়ে এশিয়া কাপের দুয়ারে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল, সামনে স্বপ্নের ম্যাচ

    এবিএনএ: এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল। শক্তিশালী বাহরাইনের বিপক্ষে বায়েজিদ ও মানিকের জোড়া গোলের দারুণ পারফরম্যান্সে ২-১ গোলে জয় পায় লাল-সবুজের কিশোররা। এই জয়ে প্রথমবারের মতো মূল পর্বে ওঠার স্বপ্ন আরও জোরালো হলো বাংলাদেশের।

    চীনের ইয়ংচুন স্পোর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে ভালো লড়াই করলেও কোনো দল গোল করতে পারেনি। গোলাম রব্বানী ছোটনের তরুণ দল ধৈর্য ধরে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলে রাখে।

    দ্বিতীয়ার্ধের ৫৯ মিনিটে সাব্বিরের লং থ্রো ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হয় বাহরাইনের রক্ষণভাগ। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বদলি হিসেবে নামা বায়েজিদ বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত শটে দলের হয়ে প্রথম গোল করেন।

    এরপর ৭২ মিনিটে অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সালের নিখুঁত থ্রু পাস পেয়ে মানিক চমৎকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দূরপাল্লার শটে দ্বিতীয় গোল করে বাংলাদেশকে স্বস্তির লিড এনে দেন। শেষ দিকে ৮৫ মিনিটে বাহরাইন এক গোল শোধ করলেও জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

    এ জয়ের ফলে গ্রুপ ‘এ’-তে চীনের সমান ১২ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় বর্তমানে এগিয়ে আছে স্বাগতিক দল চীন।

    রোববার গ্রুপের শেষ ও নির্ধারণী ম্যাচে স্বাগতিক চীনের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি হবে মূলত এশিয়ান কাপে ওঠার লড়াই। জয় পেলে নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মূল পর্বে খেলার টিকিট, তবে সমতা হলে সুবিধা পাবে স্বাগতিক চীন।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ম্যাচকে সামনে রেখে মানসিক ও কৌশলগতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে তরুণ দল। দেশব্যাপী ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এখন বইছে আশার জোয়ার।

  • কিউই মেয়েদের চ্যালেঞ্জিং স্কোর: টাইগ্রেসদের সামনে ২২৮ রানের বড় লক্ষ্য

    কিউই মেয়েদের চ্যালেঞ্জিং স্কোর: টাইগ্রেসদের সামনে ২২৮ রানের বড় লক্ষ্য

    এবিএনএ: নারী বিশ্বকাপের টিকে থাকার লড়াইয়ে শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আসামের গুয়াহাটিতে টস হেরে আগে ফিল্ডিংয়ে নেমে টাইগ্রেসদের সামনে ২২৮ রানের লক্ষ্য দেয় নিউজিল্যান্ড। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে কিউই মেয়েরা তোলে ২২৭ রান।

    ইনিংসের শুরুটা ছিল নিউজিল্যান্ডের জন্য ভয়ংকর। মাত্র ৩৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় তারা। কিন্তু অধিনায়ক সোফিন ডেভিনের নেতৃত্বে পরিস্থিতি সামলে নেন ব্রুকলি হ্যালিডে। দুজনের ১৬৬ বলে ১১২ রানের জুটি কিউইদের ইনিংসকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। এই পার্টনারশিপ ভাঙার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও লড়াকু সংগ্রহ গড়ে নিউজিল্যান্ড।

    বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন রাবেয়া খান। তিনি ১০ ওভারে মাত্র ৩০ রান দিয়ে তুলে নেন ৩টি মূল্যবান উইকেট।

    এই ম্যাচটি টাইগ্রেসদের জন্য শুধু পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফেরানোরও একটি বড় সুযোগ। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। যদিও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারতে হয়েছে, তবুও লড়াইয়ে নিজেদের দৃঢ়তা দেখিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

    এই ম্যাচ জিতলে সেমিফাইনালের স্বপ্ন আরও বাস্তবের কাছাকাছি চলে আসবে বাংলাদেশের জন্য। কারণ, উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপে দীর্ঘদিন ধরে কিউইদের সঙ্গে এক অঘোষিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে টাইগ্রেসদের।

    ম্যাচের আগে সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছিলেন, “আমরা আগের ম্যাচে ভালো ক্রিকেট খেলেছি, বিশেষ করে বোলাররা দুর্দান্ত ছিল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই।”

    অতীত রেকর্ডে নিউজিল্যান্ড কিছুটা এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বাংলাদেশই এগিয়ে। ফলে আজকের ম্যাচে ফলাফল কী হবে, তা জানার অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।

  • টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় জয়ের লক্ষ্য নারী টাইগারদের

    টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় জয়ের লক্ষ্য নারী টাইগারদের

    এবিএনএ: নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ নারী দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর আজ মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড, ফলে ব্যাটিংয়ে নামছে বাংলাদেশ।

    এই ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। অফ ফর্মে থাকা ফারজানা হককে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে, তার পরিবর্তে দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার ঋতু মনি। স্পিন আক্রমণে বৈচিত্র্য আনতে নিশিতা নিশির জায়গায় নেওয়া হয়েছে বাঁ-হাতি স্পিনার সানজিদা আক্তার মেঘলাকে।

    নিগার সুলতানার দল প্রথম ম্যাচের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও জয় তুলে নিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অন্যদিকে, টামি বিউমাউন্ট ও হিথার নাইটের নেতৃত্বে ইংল্যান্ডও শুরুতেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে চায়।

    বাংলাদেশ একাদশ: রুবায়া হায়দার, শারমিন আক্তার, নিগার সুলতানা, সোবহানা মুস্তারি, ঋতু মনি, স্বর্ণা আক্তার, ফাহিমা খাতুন, নাহিদা আক্তার, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা।

    ইংল্যান্ড একাদশ: টামি বিউমাউন্ট, এমি জোনস, হিথার নাইট, নাট স্কাইভার ব্রান্ট, সোফিয়া ডাঙ্কলে, এমা ল্যাম্ব, এলিসা ক্যাপ্সি, কার্লোথি ডিন, সোফিয়া এক্লেস্টোন, লিনসি স্মিথ, লওরা বেল।

    বাংলাদেশ যদি এই ম্যাচেও জয় পায়, তাহলে সেমিফাইনালের পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে যাবে নিগার বাহিনী।

  • এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপের টি-২০ আসরে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। হংকংয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বোলিং নেয় লিটন দাসের দল। সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাফল্য এনে দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি আউট করেন হংকং ওপেনার আংশুমান রাঠকে, যিনি মাত্র ৪ রান যোগ করতে সক্ষম হন।

    দুই ওভার শেষে হংকংয়ের সংগ্রহ ১৩ রান, হাতে ১ উইকেট গেছে। ক্রিজে আছেন জিসান আলী ও বাবর হায়াত।

    টস জয়ের পর লিটন দাস জানান, উইকেটের আচরণ পরিষ্কার না হওয়ায় শুরুতে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একাদশে তিন পেসার—তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও তানজিম সাকিব এবং স্পিন বিভাগে রয়েছেন রিশাদ হোসেন ও অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী।

    বাংলাদেশ একাদশে আছেন পারভেজ ইমন, তানজিদ তামিম, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারি, জাকের আলী, শেখ মাহেদী, রিশাদ হোসেন, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।

    অন্যদিকে, হংকং একাদশে খেলছেন জিসান আলী, আংশুমান রাঠ, বাবর হায়াত, নিজাকাত খান, কালহান ছাল্লু, কিঞ্চিত শাহ, ইয়াসিম মর্তুজা, আইজাজ খান, এসান খান, আয়ূশ শুকলা ও আতিক ইকবাল।

  • লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    এবিএনএ: ডাম্বুলার রাঙগিরি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে একেবারে গুড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা ভুলে লঙ্কানদের ৯৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এর ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে সফরকারীরা।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা হতাশাজনক হলেও, লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দল। উদ্বোধনী দুই ব্যাটার পারভেজ ইমন (০) ও তানজিদ তামিম (৫) দ্রুত আউট হলেও, তৃতীয় উইকেটে ৬৯ রানের জুটি গড়েন লিটন-হৃদয়। হৃদয় ২৫ বলে করেন ৩১ রান, যার মধ্যে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা।

    অফ ফর্ম কাটিয়ে ফিরে আসা লিটন দাস তুলে নেন ঝকঝকে এক অর্ধশতক। তার ৫০ বলে ৭৬ রানের ইনিংসে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও একটি চার। অপরদিকে শামীম হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৪৮ রান, যার মধ্যে পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চার ছিল। এই দুই ইনিংসেই বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ, স্কোর দাঁড়ায় ১৭৮ রান।

    লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। মাত্র ৩০ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারায় দলটি। ওপেনার কুশল মেন্ডিস (৮) রানআউট হন। কুশল পেরেরা (০), আভিস্কা ফার্নান্দো (২) ও আশালঙ্কা (৫) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন।

    তবুও একমাত্র ওপেনার নিশাঙ্কা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে তিনিও ফেরেন ২৯ বলে ৩২ রান করে। এরপর দাশুন শানাকার ২০ রানের ইনিংসটি ছিল লঙ্কানদের শেষ প্রতিরোধ।

    বাংলাদেশি বোলারদের দাপটে শতরানও ছুঁতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। শরিফুল ইসলাম মাত্র ১২ রান খরচায় দুই উইকেট নেন, রিশাদ হোসেন ৩.২ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট, সাইফউদ্দিন ২১ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। মুস্তাফিজ ও মেহেদী হাসান মিরাজও একটি করে উইকেট দখল করেন।

    তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুলাই, একই ভেন্যুতে।