Tag: সেনাবাহিনী

  • ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ল সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

    ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ল সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

    এবিএনএ: বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়িয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ক্ষমতা বহাল থাকবে।

    মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তার ঊর্ধ্বতন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা, পাশাপাশি কোস্টগার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে প্রেষণে থাকা সমপদমর্যাদার কর্মকর্তারাও এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

    এই বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির বিভিন্ন ধারার অধীনে নির্দিষ্ট অপরাধের মামলা গ্রহণ ও বিচারিক পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে ধারা ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৭ সেপ্টেম্বর সশস্ত্র বাহিনীকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়। এরপর থেকে সরকার ধাপে ধাপে এই মেয়াদ বাড়িয়ে আসছে।

  • সিইপিজেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: চার ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে নয়, তিন বাহিনীর যৌথ অভিযান চলছে

    সিইপিজেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: চার ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে নয়, তিন বাহিনীর যৌথ অভিযান চলছে

    এবিএনএ: চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড) এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শুরু হওয়া আগুন চার ঘণ্টা পার হলেও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।

    দুপুর ২টার দিকে সিইপিজেড এলাকার অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিকেল কোম্পানির গুদামে আগুন লাগে। অ্যাডামস কারখানায় তোয়ালে ও ক্যাপ উৎপাদন হয়, আর জিহং মেডিকেল কোম্পানিতে তৈরি হয় সার্জিক্যাল গাউন। সাততলা ভবনের উপরের তলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

    আগুন লাগার পর মুহূর্তেই আগুন ভবনের অন্যান্য তলায় ছড়িয়ে পড়ে। চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক জসিম উদ্দিন জানান, “কারখানায় প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হচ্ছে। আগুনের তীব্রতা এত বেশি যে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের কাছে যেতেও বেগ পেতে হচ্ছে।”

    তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে অন্তত ২৫ জন শ্রমিককে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।

    চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানিয়েছেন, প্রায় ৮০০ শ্রমিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী কারখানায় কাজ করতেন। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে সবাই বেরিয়ে আসায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

    ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে আগুনের খবর পাওয়ার পরপরই সিইপিজেড, বন্দর, আগ্রাবাদ ও কেইপিজেড ফায়ার স্টেশন থেকে ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আরও ৯টি ইউনিট যুক্ত হয়, মোট ১৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

    আগুন নেভাতে শুরু থেকেই সিইপিজেডে অবস্থানরত সেনাবাহিনীর টিম কাজ করছে। বিকেলে নৌবাহিনীর ৫টি ইউনিট এবং বিমানবাহিনীর একটি ইউনিটও অভিযান যোগ দেয়। সন্ধ্যা নাগাদও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি, তবে আগুন যাতে পাশের ভবনে না ছড়িয়ে পড়ে সে জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

  • মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে, পলাতক এক জেনারেল: সেনাসদর

    মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে, পলাতক এক জেনারেল: সেনাসদর

    এবিএনএ: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরিতে থাকা ১৫ কর্মকর্তা বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন। এর মধ্যে একজন কর্মকর্তা এলপিআরে (লিভ প্রিপারেটরি টু রিটায়ারমেন্ট) আছেন। আরেক কর্মকর্তা এখনো পলাতক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে সেনাসদর।

    শনিবার বিকেলে ঢাকার সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “অভিযুক্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান আরও জানান, গুমসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলায় সাবেক ও বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন অবসরে, একজন এলপিআরে এবং বাকিরা চাকরিতে কর্মরত। মামলা হওয়ার পর ১৫ কর্মকর্তা ও ওই এলপিআর কর্মকর্তা সেনা হেফাজতে আসেন।

    তিনি আরও বলেন, “মেজর জেনারেল কবির আহমেদ গত ৯ অক্টোবর আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করতে বাসা থেকে বের হন, তবে এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ। তিনি এখনো সেনাসদরে যোগ দেননি। তাঁর বিষয়ে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, যাতে কেউ দেশত্যাগ করতে না পারে।”

    কর্মরত কর্মকর্তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে কিনা—এমন প্রশ্নে সেনা মুখপাত্র বলেন, “বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন। এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।”

    তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুম, হত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচার চায়। সেনাবাহিনী ইনসাফে বিশ্বাসী এবং কোনোভাবেই আইনের বাইরে কেউ নয়। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনাল থেকে চার্জশিটের কপি পাওয়া যায়নি। কপি হাতে পাওয়ার পর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যাচাই করা হবে।”

  • নেপালের তরুণদের অভিযোগ: শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কেড়ে নিল ‘সুযোগসন্ধানীরা’

    নেপালের তরুণদের অভিযোগ: শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কেড়ে নিল ‘সুযোগসন্ধানীরা’

    এবিএনএ:  নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গভীর ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা থেকেই এই আন্দোলনের সূচনা। তবে শান্তিপূর্ণ সেই প্রতিবাদ দ্রুতই সহিংস রূপ নেয়।

    নিজেদেরকে ‘জেন জি’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া তরুণরা অভিযোগ তুলেছে— তাদের আন্দোলনকে কিছু ‘সুযোগসন্ধানী’ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে। বিবিসিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা স্পষ্ট করে বলেছে, তাদের লক্ষ্য ছিল শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, কিন্তু সরকারি স্থাপনা, রাজনীতিবিদদের বাড়ি এমনকি সংসদ ভবনে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা তাদের উদ্দেশ্যের প্রতিফলন নয়।

    এদিকে সহিংসতা বেড়ে গেলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেন। শূন্যতা তৈরি হওয়ায় সেনাবাহিনী রাস্তায় নেমে আসে। তারা এখন পর্যন্ত ২৭ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৩১টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজেন্দ্র বসনেট জানিয়েছেন, তারা সহিংসতার সুযোগ নেওয়া দুষ্কৃতীদের দমন করছে এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত।

    জেন-জি প্রজন্ম এখন নতুন দাবি-দাওয়ার তালিকা তৈরি করছে। তাদের অন্যতম দাবি, ভবিষ্যতের নেতৃত্ব যেন রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়।

    কাঠমান্ডুর রাস্তায় কিছু তরুণকে আন্দোলনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি পরিষ্কার করতেও দেখা গেছে। ১৪ বছর বয়সী কাসান লামা বলেন, “দুর্নীতি অনেক দিন ধরেই চলছে, এখন সময় পরিবর্তনের।” আরেক তরুণ পরাশ প্রতাপ হামালের মতে, নেপালের এখন স্বাধীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব দরকার।

    তবে অনেকেই সহিংসতায় বিস্মিত। ৩৬ বছরের রাকেশ নিরাউলা বলেন, “এভাবে হওয়া উচিত ছিল না।”

    সবকিছুর মাঝেই সাধারণ নেপালি নাগরিকরা বিশ্বাস করছেন, এই আন্দোলন ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন দিশা হয়ে উঠতে পারে, যা দেশকে রাজনৈতিক অচলাবস্থা থেকে বের করে আনবে।

  • গঙ্গাচড়ায় হিন্দুদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় ১২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, অভিযুক্তদের শনাক্তে অভিযান

    গঙ্গাচড়ায় হিন্দুদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় ১২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, অভিযুক্তদের শনাক্তে অভিযান

    এবিএনএ: রংপুরের গঙ্গাচড়ার বেতগাড়ি ইউনিয়নের আলদাদপুর বালাপাড়া গ্রামে ধর্ম অবমাননার অভিযোগের জেরে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় প্রায় ১২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বিষয়টি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল এমরান নিশ্চিত করেন।

    ওসি বলেন, “নিরাপত্তার স্বার্থে বাদীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।”


    📲 ধর্ম অবমাননা ও উত্তেজনার সূত্রপাত

    ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত শনিবার, যখন সামাজিক মাধ্যমে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক কিশোরকে আটক করে পুলিশ। সে একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।


    🧱 উত্তেজনা থেকে সহিংসতায় রূপান্তর

    কিশোরের বিচারের দাবিতে শনিবার রাতেই উত্তেজিত জনতা মিছিল করে এবং তার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সেইসাথে আশপাশের আরও অন্তত ১৮টি হিন্দু বাড়িতে হামলা হয়

    মাইকিং করে লোক জড়ো করে হিন্দু পল্লীতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।


    🏚️ প্রশাসনের সহায়তায় ঘরবাড়ি মেরামতের কাজ শুরু

    হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বাড়িঘর মেরামতের কাজ শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, “ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রামে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে।”


    👮 আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি

    বর্তমানে গ্রামে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ টহল চলছে। অজ্ঞাত ১২০০ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে


    এই হামলার ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • গোপালগঞ্জে উত্তেজনা অব্যাহত: কারফিউ আরও একদিন বাড়ানো হলো

    গোপালগঞ্জে উত্তেজনা অব্যাহত: কারফিউ আরও একদিন বাড়ানো হলো

    এবিএনএ: গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক সহিংসতার রেশ না কাটায় ফের বাড়ানো হয়েছে কারফিউ। শনিবার রাত ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত নতুন করে কারফিউ কার্যকর থাকবে বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

    জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে শনিবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সীমিত সময়ের জন্য কারফিউ শিথিল থাকবে, তবে শহরের রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল এখনো সীমিত।

    উল্লেখ্য, গত বুধবার এনসিপির একটি পদযাত্রা কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় ওই সংঘর্ষে গোটা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ওইদিনের সংঘর্ষে ৫ ঘণ্টার ভেতর প্রাণ হারান অন্তত চারজন, যাদের একজন বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে মারা যান।

    সংঘর্ষের সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আটকা পড়েন। পরে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে তারা নিরাপদে এলাকা ত্যাগ করেন।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। এরপর বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কারফিউ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সহিংসতা অব্যাহত থাকায় সরকার কারফিউ তুলে না নিয়ে তা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

    শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার বিরতি দিয়ে কারফিউ জারি থাকে। এরপর বিকালে আবারও কারফিউ বাড়িয়ে শনিবার সকাল পর্যন্ত করা হয়। সর্বশেষ ঘোষণায় জানা গেছে, শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আংশিক শিথিলতা থাকলেও, রাত ৮টার পর পুনরায় কঠোর কারফিউ বলবৎ থাকবে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।

  • গুজবে কান না দিয়ে সেনাবাহিনীর পাশে থাকুন: গোপালগঞ্জ পরিস্থিতিতে শান্তির আহ্বান

    গুজবে কান না দিয়ে সেনাবাহিনীর পাশে থাকুন: গোপালগঞ্জ পরিস্থিতিতে শান্তির আহ্বান

    এবিএনএ:  গোপালগঞ্জে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক সহিংসতার প্রেক্ষিতে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
    বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঘোষিত পদযাত্রা ও সমাবেশকে ঘিরে কিছু উচ্ছৃঙ্খল গোষ্ঠী সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়। এতে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ কয়েকজন আহত হন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সরকারি যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

    পরিস্থিতির অবনতি হলে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে মঞ্চে আবারও হামলা চালানো হয় এবং জেলা কারাগারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

    সেনাবাহিনী বারবার মাইকিং করে হামলাকারীদের নিবৃত্ত করতে চেষ্টা করলেও তারা ককটেল ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। নিরাপত্তা রক্ষার্থে সেনাবাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। এরপর সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া সাধারণ মানুষদের নিরাপত্তার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

    আইএসপিআর জানায়, গোপালগঞ্জ জেলার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক এবং কারফিউ বহাল রয়েছে। সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, “সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা যাচ্ছে যেন কোনো গুজব বা ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া না দেখান। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনী সর্বদা সচেষ্ট।”

    সেনাবাহিনীর এই বিবৃতি গোপালগঞ্জের সাধারণ মানুষ ও দেশবাসীকে শান্ত থাকতে ও বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করেছে।

  • গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা, সাঁজোয়া যানে নিরাপত্তায় ঘেরা যাত্রা

    গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা, সাঁজোয়া যানে নিরাপত্তায় ঘেরা যাত্রা

    এবিএনএ: গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে হামলার শিকার হয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা অবশেষে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে নিরাপদে এলাকা ত্যাগ করেছেন।

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে সংঘটিত সহিংসতার পর এনসিপির শীর্ষ নেতারা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সেনাবাহিনীর বর্মযান (এপিসি) ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের সেখান থেকে বের করে আনা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান থেকে নামছেন এবং পরে সেই গাড়িতেই গোপালগঞ্জ ত্যাগ করছেন।

    এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন,

    “হামলার মুখে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা কাছাকাছি একটি ভবনে আশ্রয় নেন, পরে জানা যায় সেটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়। সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তারা এলাকা ছাড়েন।”

    একজন স্থানীয় সাংবাদিক জানান, তিনি নিজ চোখে দুটি সাঁজোয়া যান দেখেছেন, যাতে করে এনসিপির নেতাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হলে, জেলা প্রশাসন গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করে এবং সেনা মোতায়েন করা হয়।

    এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়,

    “আন্দোলনের অংশ হিসেবে পদযাত্রা কর্মসূচি চলমান থাকবে, তবে নেতৃত্বকে সুরক্ষিত রাখা ছিল জরুরি।”

  • ভোরবেলা সেনা অভিযানে কুষ্টিয়া থেকে ধরা পড়লো কুখ্যাত সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ

    ভোরবেলা সেনা অভিযানে কুষ্টিয়া থেকে ধরা পড়লো কুখ্যাত সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ

    এবিএনএ,

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সমন্বিত ও গোপন অভিযানে ধরা পড়েছে দেশের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ওরফে ফতেহ আলী এবং তার সহযোগী মোল্লা মাসুদ ওরফে আবু রাসেল মাসুদ। এই অভিযান পরিচালিত হয় কুষ্টিয়া জেলার একটি গোপন আস্তানায়, মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে।

    আইএসপিআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযানে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয়ে ধরা পড়া দুই অপরাধীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এই তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুব্রত বাইনের দুই সহযোগী—পেশাদার শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ—কেও গ্রেফতার করা হয়।

    অভিযানে উদ্ধার হয়:

    • ৫টি বিদেশি তৈরি পিস্তল

    • ১০টি পিস্তলের ম্যাগাজিন

    • ৫৩ রাউন্ড তাজা গুলি

    • ১টি স্যাটেলাইট ফোন

    সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদের বিরুদ্ধে রয়েছে:

    • একাধিক খুন

    • চাঁদাবাজি

    • নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মামলা

    • তালিকাভুক্ত শীর্ষ ২৩ সন্ত্রাসীর মধ্যে অন্যতম

    • ‘সেভেন স্টার গ্যাং’-এর শীর্ষ নেতৃত্ব

    সেনাবাহিনীর এই ঝুঁকিপূর্ণ ও সুচারুভাবে সংগঠিত অভিযানে কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। অভিযানটি সম্পূর্ণ হয় নিরবিচারে এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে। অভিযানে অংশ নেয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর যৌথ টিম।

    আইএসপিআর জানিয়েছে, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে যেকোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে কাছের সেনা ক্যাম্প অথবা পুলিশের কাছে তথ্য দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সচেতন মহলের মতে, এমন সন্ত্রাস বিরোধী সফল অভিযান দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা দৃঢ় করে। একইসঙ্গে অপরাধ দমনে সেনাবাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদার হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

  • আশ্রয়ের আড়ালে জীবন রক্ষার গল্প — সেনানিবাসে আশ্রিত ৬২৬ জনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ

    আশ্রয়ের আড়ালে জীবন রক্ষার গল্প — সেনানিবাসে আশ্রিত ৬২৬ জনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ

    এবিএনএ: 

    জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের সংকটময় মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন সেনানিবাসে যে ৬২৬ জন নাগরিক আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেই তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভ্যুত্থানের পরে সৃষ্ট ভয়াবহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে বহু সরকারি দপ্তর, থানা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ হয়। চুরি, ডাকাতি ও মব জাস্টিসের মতো নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জীবনে চরম নিরাপত্তাহীনতা নেমে আসে।

    এই বিপর্যয়ের মধ্যে, প্রাণ রক্ষার তাগিদে বহু রাজনৈতিক ব্যক্তি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য ও সাধারণ নাগরিক সেনানিবাসে আশ্রয়ের আবেদন জানান। মানবিক বিবেচনায়, তৎকালীন অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে পরিচয় যাচাইয়ের চেয়ে জীবন রক্ষাকেই গুরুত্ব দেয় সেনাবাহিনী।

    প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়— আশ্রিতদের মধ্যে রয়েছেন ২৪ জন রাজনৈতিক নেতা, ৫ জন বিচারক, ১৯ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ৫১৫ জন পুলিশ সদস্য, ১ জন এনএসআই সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ জন কর্মকর্তা এবং ৫১ জন স্ত্রী ও শিশু। তাদের সবাইকে স্বল্প সময়ের জন্য নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে অধিকাংশই এক বা দুই দিনের মধ্যে নিরাপদে ফিরে যান।

    এছাড়া যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    আইএসপিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, আশ্রয়প্রদান ছিল সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোণে এবং তা দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার লক্ষ্যে নেওয়া একটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    এই প্রেক্ষাপটে আইএসপিআর সকলকে বিভ্রান্তি থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানায় এবং পুনরায় দৃঢ়ভাবে জানায় যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও আস্থার সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটল রয়েছে।