Tag: সেনাবাহিনী

  • স্থল হামলার হুঁশিয়ারি: শত্রু ঢুকলে কাউকেই ছাড় নয়—ইরান সেনাপ্রধানের কঠোর নির্দেশ

    স্থল হামলার হুঁশিয়ারি: শত্রু ঢুকলে কাউকেই ছাড় নয়—ইরান সেনাপ্রধানের কঠোর নির্দেশ

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আমির হাতামি সম্ভাব্য স্থল হামলার বিরুদ্ধে বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ যদি স্থলপথে আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তাদের কাউকেই জীবিত ফিরে যেতে দেওয়া হবে না।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এমন নির্দেশনা দেন তিনি। সেখানে তিনি সেনাদের প্রতি আহ্বান জানান, শত্রুপক্ষের প্রতিটি নড়াচড়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে।

    সেনাপ্রধান বলেন, শত্রুর কৌশল বুঝে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং প্রয়োজনে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। তার মতে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ঠেকাতে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে।

    সম্প্রতি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানও বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর খবর পাওয়া যায়।

    বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রায় এক মাস অতিক্রম করেছে। এ অবস্থায় ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য স্থল হামলার আশঙ্কা বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন হামলার ক্ষেত্রে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। কারণ, এই দ্বীপ থেকেই ইরানের অধিকাংশ তেল রপ্তানি করা হয়।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। কয়েক হাজার মেরিন সেনা পাঠানোর পাশাপাশি একটি বিমানবাহী রণতরীও ওই অঞ্চলে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

    বিশ্ব পরিস্থিতির এমন উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ইরানের এই কড়া বার্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

  • জাতীয় নিরাপত্তায় বড় ঘোষণা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও শক্ত ভিতের—প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি

    জাতীয় নিরাপত্তায় বড় ঘোষণা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও শক্ত ভিতের—প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি

    এবিএনএ: প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণে আরও সুসংহত করা হবে। দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিয়েছে—এ কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, পেশাগত উৎকর্ষ ও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত সদস্যদের মাধ্যমেই সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সেনা দিবস–২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি মাহে রমজানের এই সময়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণআন্দোলন ও ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। বিশেষভাবে ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত পিলখানার মর্মান্তিক ঘটনায় শহীদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন বীর সন্তানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে শোকের প্রতীক। সময় পেরোলেও সেই দিনের ক্ষত শুকায়নি। শহীদদের স্মৃতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংরক্ষণ করা জাতীয় দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি জানান, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি ইতিহাসে মর্যাদার সঙ্গে স্মরণে রাখতে সরকার উদ্যোগ নেবে।

    সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শেকড় মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে প্রোথিত—এ কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বাধীনতার সূচনালগ্নে তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সীমান্ত বাহিনীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাংগঠনিক সংস্কারে বিশেষ গুরুত্ব দেন। বাহিনীকে সামরিক কাঠামোয় পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর পথ প্রশস্ত হয়।

    তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। পিলখানার ঘটনার প্রেক্ষাপটে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছিল। তাই আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপত্তা কাঠামো আধুনিক ও সময়োপযোগী করা জরুরি। সরকার এ লক্ষ্যে পরিকল্পিত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

    শহীদ পরিবারের কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে রাষ্ট্র পাশে থাকবে। শেষাংশে তিনি প্রার্থনা করেন—আল্লাহ যেন শহীদদের আত্মাকে শান্তি দেন এবং রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানসমূহকে ন্যায়, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের পথে পরিচালিত করেন।

  • ময়মনসিংহে ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল সেনাসদস্য ও বাসচালকের—নিহতদের পরিচয় প্রকাশ

    ময়মনসিংহে ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল সেনাসদস্য ও বাসচালকের—নিহতদের পরিচয় প্রকাশ

    এবিএনএ:ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় সেনাবাহিনীর একটি থ্রি টন ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন। তারা হলেন অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের সার্জেন্ট রেজাউল করিম এবং শেরপুর সদর উপজেলার কানাশাহখোলা এলাকার বাসিন্দা বাসচালক আব্দুল বাসেত (৫০)।

    বুধবার বিকেলে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনায় ট্রাক ও বাসের দুই চালকই ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফুলপুর উপজেলার শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বালিয়া মোড় এলাকায় কাকলি রাইস মিলের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফুলপুর থেকে ময়মনসিংহের দিকে ফিরছিল সেনাবাহিনীর গাড়িটি। বিপরীত দিক থেকে আসা শেরপুরগামী যাত্রীবাহী বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগলে উভয় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

    এই দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন যাত্রী আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে ময়মনসিংহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল-এ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

    দুর্ঘটনার পরপরই ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ উদ্ধার তৎপরতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। স্থানীয়রা দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও মহাসড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

  • যশোরে ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা, জামায়াত কর্মীসহ দুই জন আহত

    যশোরে ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা, জামায়াত কর্মীসহ দুই জন আহত

    এবিএনএ, যশোর: যশোরে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় জামায়াতের এক কর্মী ও এক ভোটার আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোর-৩ আসনের তালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘটনাটি ঘটে।

    আহতরা হলেন, সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী আবু হোসেন (২৫) এবং আব্দুল গণি (৫০)।

    আহত আবু হোসেন জানান, তিনি সকালেই ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। তখন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকরা তার ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাকে পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। অপরদিকে, আব্দুল গণি ভোট দিতে বাড়ি থেকে বের হলে জামায়াত সমর্থকরা তাকে চড়-থাপ্পড় মেরে বাড়িতে ফিরে যেতে বাধ্য করে।

    ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

    যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, “তালবাড়িয়া স্কুলকেন্দ্রে কোনো গুরুতর অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আমাদের কাছে আসেনি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • ভোট চলাকালেই শেরপুর সদরে ব্যালট বই ছিনতাই—নিরাপত্তা জোরদার, এক বই উদ্ধার

    ভোট চলাকালেই শেরপুর সদরে ব্যালট বই ছিনতাই—নিরাপত্তা জোরদার, এক বই উদ্ধার

    এবিএনএ: শেরপুর সদরের চর মোচরিয়া ইউনিয়নের একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলার মধ্যেই ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে এর মধ্যে একটি উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি দুটি উদ্ধারে অভিযান চলছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভোটের কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। হঠাৎ কয়েকজন ব্যক্তি কেন্দ্রে ঢুকে দুটি কক্ষ থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট বই নিয়ে দ্রুত সরে পড়ে।

    কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যালট বইয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিছু ভোট দেওয়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন্দ্রে পৌঁছে নিরাপত্তা জোরদার করে। সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, শেরপুরের কয়েকটি আসনে নির্বাচন ঘিরে বাড়তি সতর্কতা রয়েছে। সকালে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।

  • ভোটের আগের রাতে ঢাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: চেকপোস্টে তল্লাশি, পথে পথে টহল

    ভোটের আগের রাতে ঢাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: চেকপোস্টে তল্লাশি, পথে পথে টহল

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে রাজধানী ঢাকাকে কার্যত নিরাপত্তার বলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে। ভোটের পরিবেশ শান্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানীর প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। বিশেষ রোবাস্ট ও মোবাইল টহলের পাশাপাশি ফুট পেট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকায় মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ি থামিয়ে যাচাই করা হচ্ছে; যুক্তিসংগত কারণ দেখাতে না পারলে যানবাহন জব্দও করা হচ্ছে।

    র‍্যাবের মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও কোনো ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ভোট জালিয়াতি, কেন্দ্র দখল কিংবা ফলাফল মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সহিংসতায় জড়াতে চাইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে পরিস্থিতি অশান্ত হলে প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের ঘটনা ঠেকাতে মাঠে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে যৌথভাবে টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

    রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বিজিবির টহল চোখে পড়ছে—সামনে পিকআপ, পেছনে এপিসি নিয়ে সাইরেন বাজিয়ে চলাচল করছে টহল দল। সেনাবাহিনীও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় দায়িত্বরত সেনা কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি ওয়ার্ড ও ভোটকেন্দ্রের আশপাশে নিয়মিত টহল চলছে, যাতে কেউ অবৈধ অস্ত্র বা বিস্ফোরক নিয়ে প্রবেশ করতে না পারে।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীতে বড় ধরনের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির তথ্য নেই। তবু আগাম সতর্কতায় প্রায় ২৬ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। ডিএমপির মিডিয়া সেল বলছে, চেকপোস্টের পাশাপাশি মোবাইল ও ফুট পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহজনক চলাচলের ওপর নজরদারি চলছে।

    ভোটারদের উদ্দেশে ডিএমপি আশ্বস্ত করেছে—নিরাপত্তা বাহিনী পাশে আছে। নাগরিকরা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন, নির্বাচন ঘিরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রয়েছে।

  • বাগেরহাটে পরিত্যক্ত ভবনের পাশ থেকে ৬ ককটেল উদ্ধার, বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা

    বাগেরহাটে পরিত্যক্ত ভবনের পাশ থেকে ৬ ককটেল উদ্ধার, বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা

    এবিএনএ,বাগেরহাট: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নাশকতার আশঙ্কার মধ্যে বাগেরহাটে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৬টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। সদর উপজেলার হাড়িখালি সুইচগেট এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ভবনের পাশ থেকে এসব ককটেল উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিট থেকে ভোর ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে ২৩ আরই ব্যাটালিয়নের নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত ভবনের পাশের মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা একটি প্লাস্টিকের বালতি থেকে ৬টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।

    নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে, দুর্বৃত্তরা জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্যে এসব ককটেল মজুত করে রাখতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনের আগের দিন কিংবা ভোটের দিন নাশকতার উদ্দেশ্যে এগুলো ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল।

    ঘটনার পরপরই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে পুলিশের একটি টহল দল মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল (বিডি) ইউনিটকে অবহিত করা হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

  • গানম্যান নিয়ে ক্যান্টনমেন্টে ঢোকার চেষ্টা, সেনাসদস্যদের সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জামায়াত প্রার্থী

    গানম্যান নিয়ে ক্যান্টনমেন্টে ঢোকার চেষ্টা, সেনাসদস্যদের সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জামায়াত প্রার্থী

    এবিএনএ: গানম্যানসহ ক্যান্টনমেন্ট এলাকা অতিক্রম করার চেষ্টা করতে গিয়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়ান জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও সূত্রে জানা যায়, ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা প্রার্থীর পরিচয় জানতে চান। তখন তার সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী। সেনাসদস্যরা দলীয় পরিচয় জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ করা হয়।

    এরপর ক্যান্টনমেন্টের নিয়ম অনুযায়ী অস্ত্র বা গানম্যান নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ—এ কথা জানালে প্রার্থী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। একপর্যায়ে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু কর্মকর্তার আচরণের কারণে পুরো সেনাবাহিনী বিতর্কিত হচ্ছে এবং বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।

    ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মধ্যে সেনাসদস্যরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে প্রার্থী নিজেও ফোনে ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে কথা বলেন এবং নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে গানম্যানসহ যাওয়ার অনুমতি চান।

    এ সময় ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ভিডিও ধারণ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়। সেনাসদস্যরা জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে ভেতরে ভিডিও করা নিষিদ্ধ। তবে প্রার্থী দাবি করেন, তার গাড়ি আটকে রাখা হচ্ছে এবং তিনি ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না।

    দীর্ঘ তর্ক-বিতর্কের পর সেনাসদস্যরা জানান, ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে প্রার্থী সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন এবং সেখানে কোনো অস্ত্রধারী ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবেন না—এটাই নিয়ম। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি আর এগোয়নি। প্রার্থী গাড়ি ঘুরিয়ে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা ত্যাগ করেন।

    ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিধি, নির্বাচনী সময়ের সংবেদনশীলতা এবং রাজনৈতিক আচরণ—সব মিলিয়ে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

  • নির্বাচনের মাঠে সেনাবাহিনীর জন্য কড়া বার্তা: নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ

    নির্বাচনের মাঠে সেনাবাহিনীর জন্য কড়া বার্তা: নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ

    এবিএনএ:  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে দায়িত্বশীল ও নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে মোতায়েন করা সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণকালে এসব দিকনির্দেশনা দেন সেনাপ্রধান। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    আইএসপিআরের তথ্যমতে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়নের পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের প্রস্তুতি ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন সেনাবাহিনী প্রধান। পরিদর্শনকালে তিনি মাঠপর্যায়ের সেনা সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    সফরের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি এবং অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। পরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষেও অনুরূপ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মতবিনিময় সভাগুলোতে নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেনাপ্রধান বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখাই সেনাবাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং সেটিই জনগণের আস্থার মূল ভিত্তি।

  • শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বই হবে নির্ভরতার প্রধান শক্তি: প্রধান উপদেষ্টা

    শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বই হবে নির্ভরতার প্রধান শক্তি: প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ: সশস্ত্র বাহিনী দিবস–২০২৫ উপলক্ষে রাজধানীর সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমই হতে পারে জাতির প্রধান ভরসা। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, দেশের পুনর্গঠন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ভবিষ্যতেও সমান কার্যকরভাবে অব্যাহত থাকবে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযুদ্ধের সাহসী বীরদের স্মরণ করেন এবং বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম যুদ্ধক্ষেত্রে। ২৫ মার্চের রাত থেকেই মুক্তিযোদ্ধা সৈনিকদের সংগ্রাম শুরু হয় এবং ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর যৌথ অভিযানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার চূড়ান্ত রূপ নিশ্চিত হয়। সেই ঐতিহাসিক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনী আজও দেশের নিরাপত্তা, শান্তিরক্ষা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের আত্মত্যাগ আমাদের জন্য দেশ পুনর্গঠনের নতুন এক দ্বার খুলে দিয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ধরে রাখতে সশস্ত্র বাহিনীকে শুধু দায়িত্ব পালন করলেই চলবে না, বরং সর্বোচ্চ দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করতে হবে।

    আগামী জাতীয় নির্বাচনকে দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ কৌশলগত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের স্বার্থে তাদের দায়িত্ব পালন হবে নিষ্ঠা, মর্যাদা ও আন্তরিকতায় ভরা।

    গত ৩৭ বছরে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ৪৩টি দেশে ৬৩টি মিশনে অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নারী শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। তিনি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা, প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক সরঞ্জামের উন্নয়নে আরও শক্তিশালী উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

    অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারের কল্যাণ কামনা করেন এবং বলেন, উন্নয়নযাত্রায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলেই বাংলাদেশ সাফল্যের নতুন দিগন্তে পৌঁছাবে।