Tag: সীমান্ত

  • লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের ছররা গুলি, আহত তিন বাংলাদেশি – আতঙ্কে সীমান্তবাসী

    লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের ছররা গুলি, আহত তিন বাংলাদেশি – আতঙ্কে সীমান্তবাসী

    এবিএনএ: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ছররা গুলি ছুড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকাল ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতরা বর্তমানে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্তের শূন্যরেখায় গরু পারাপারের সময় হঠাৎ বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালায়। গুলির শব্দে সীমান্তের আশপাশের গ্রামগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে আহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

    বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) জানিয়েছে, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বিপরীতে ভারতের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার পকেটপাড়া গ্রামে বিএসএফের ১৫৬ ব্যাটালিয়নের রতনপুর ক্যাম্প থেকে এই গুলি চালানো হয়। ঘটনাস্থলটি বাংলাদেশের প্রধান পিলার ৮৫৪ নম্বরের উপপিলার ৩–এর কাছাকাছি এলাকায়।

    বিজিবি রংপুর ৬১ (তিস্তা-২) ব্যাটালিয়নের শমসেরনগর কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার কামাল উদ্দিন জানান, “গুলি ছোড়ার খবর পাওয়ার পর আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই। পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছি, তবে বিএসএফ এখনো সাড়া দেয়নি।”

    উল্লেখ্য, মাত্র পাঁচ দিন আগে, একই ইউনিয়নের সীমান্তে বিএসএফ তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছিল। ধারাবাহিক এ ধরনের ঘটনার ফলে সীমান্ত এলাকায় আবারও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    এক স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ফজরের নামাজ শেষে ফিরছিলাম, তখন দেখি কয়েকজন গুলিবিদ্ধ মানুষকে মোটরসাইকেলে করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।”

    সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

  • মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আহত বিজিবি সদস্য আক্তারকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হলো

    মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আহত বিজিবি সদস্য আক্তারকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হলো

    এবিএনএ:  বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে টহলরত অবস্থায় মাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য নায়েক মো. আক্তার হোসেন। পরে তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় এনে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে বিজিবি সদর দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আহত নায়েক আক্তারকে প্রাথমিকভাবে রামু সেনানিবাসের সিএমএইচে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিজিবির নিজস্ব হেলিকপ্টারে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

    বিজিবির এক কর্মকর্তা জানান, সীমান্তে টহল চলাকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিস্ফোরণে আক্তার হোসেন মারাত্মকভাবে আহত হন। বর্তমানে ঢাকার সিএমএইচে তার চিকিৎসা চলছে এবং চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছেন।

    উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলি ও মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা বেড়েছে, যার ফলে সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ঝুঁকি বেড়েছে।