Tag: সাধারণ ছুটি

  • ভোট উপলক্ষে টানা ছুটি! কোন সেক্টরে কয় দিন বন্ধ—জেনে নিন পূর্ণ সূচি

    ভোট উপলক্ষে টানা ছুটি! কোন সেক্টরে কয় দিন বন্ধ—জেনে নিন পূর্ণ সূচি

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিভিন্ন খাতে একাধিক দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। নাগরিকদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ২ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

    সারা দেশে সাধারণ ছুটি
    নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা চার দিনের বিরতি পাচ্ছেন।

    দোকান ও শপিং মল
    বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব দোকান, মার্কেট ও শপিং মল বন্ধ থাকবে।

    শিল্পাঞ্চল ও কারখানা
    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ১০ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি টানা তিন দিন কারখানায় কাজ বন্ধ থাকবে। নির্বাচন শেষে প্রয়োজনে এক দিন অতিরিক্ত কাজ করানো যেতে পারে।

    ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে, ফলে এ সময় লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

    স্কুল-কলেজে ৫ দিনের ছুটি
    নির্বাচন ও সাপ্তাহিক ছুটির পাশাপাশি ধর্মীয় দিবস মিলিয়ে ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব স্কুল ও কলেজ বন্ধ থাকবে। এ সময় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা টানা পাঁচ দিনের বিরতি পাবেন।

    মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি
    নির্বাচনী ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির পর মাদরাসাগুলোতে রমজান, স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটি শুরু হবে। ফলে আলিয়া ও কওমি ধারার মাদরাসায় শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে নির্ধারিত ছুটির সময় শেষ হওয়ার পর।

    নির্বাচন ঘিরে এই দীর্ঘ ছুটি একদিকে যেমন ভোটারদের অংশগ্রহণ সহজ করবে, তেমনি বিভিন্ন খাতে স্বাভাবিক কার্যক্রমে সাময়িক বিরতি তৈরি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বুধবার সাধারণ ছুটি হলেও যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না—জেনে নিন বিস্তারিত

    বুধবার সাধারণ ছুটি হলেও যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না—জেনে নিন বিস্তারিত

    এবিএনএ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী বুধবার থেকে টানা তিন দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। পাশাপাশি তার জানাজার দিন বুধবার এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

    মঙ্গলবার দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে এবং তার জানাজার দিনে সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে।

    এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, ৩১ ডিসেম্বর বুধবার নির্বাহী আদেশে এক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

    তবে প্রজ্ঞাপনে ছুটির আওতার বাইরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোর কথাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসসহ জ্বালানি খাত, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক বিভাগ এবং এসব সেবার সঙ্গে যুক্ত যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির বাইরে থাকবেন।

    এছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে। জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত অফিসগুলোকেও ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে।

    ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। অন্যদিকে আদালতের কার্যক্রম সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্ট থেকে জানানো হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • জাতির শোকে স্তব্ধ দেশ, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও বুধবার সাধারণ ছুটি

    জাতির শোকে স্তব্ধ দেশ, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও বুধবার সাধারণ ছুটি

    এবিএনএ: তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) একদিনের সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে পুরো জাতি গভীর শোক ও বেদনায় নিমজ্জিত।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিভাবকতুল্য নেত্রীকে হারিয়েছে। এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং অগণিত অনুসারীর প্রতি জাতির পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে। তিনি মহান আল্লাহর কাছে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

    শোক পালনকালে সবাইকে শৃঙ্খলা ও ধৈর্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জানাজা ও অন্যান্য ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

    খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের মূল্যায়ন করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনীতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফেরার সাহস জুগিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় খালেদা জিয়ার অবিচল অবস্থান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এমন একজন দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

    শেষে জাতির এই শোকাবহ সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা নাশকতা যেন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।