Tag: সহিংসতা

  • গোপালগঞ্জে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি

    গোপালগঞ্জে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি

    এবিএনএ:  গোপালগঞ্জে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আজ বুধবার রাত ৮টা থেকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জেলার পুরো এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে।

    বুধবার সন্ধ্যায় প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কারফিউ চলবে এবং জনসাধারণের চলাচলে থাকবে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।

    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) এর পূর্বঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে সংঘর্ষ, হামলা ও ধ্বংসাত্মক ঘটনার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই প্রশাসনের এই পদক্ষেপ।

    কারফিউ চলাকালীন বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হতে পারবেন না, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক তৎপর থাকবে।

    এর আগে এনসিপির সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে পুলিশ, সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকরা আক্রান্ত হন এবং যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

    এমন পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘গোপালগঞ্জে সংঘটিত হামলা ও সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তরুণদের শান্তিপূর্ণভাবে মতপ্রকাশের অধিকার রুদ্ধ করা তাদের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।’’

    সরকার আরও জানায়, দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে এবং এ ধরনের সহিংসতা বাংলাদেশের জন্য লজ্জার।


    👉 গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি প্রশাসনের নজরদারিতে। কারফিউ চলাকালীন নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।

  • রাজপথে লড়াই চলবে, তবে ব্লকেড তুলে নিতে আহ্বান নাহিদের

    রাজপথে লড়াই চলবে, তবে ব্লকেড তুলে নিতে আহ্বান নাহিদের

    এবিএনএ:  গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশকে ঘিরে সহিংসতার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্লকেড কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে এই কর্মসূচি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে নাহিদ বলেন, “ব্লকেড সরিয়ে নিন। রাজপথের একপাশে অবস্থান করুন। লড়াই চলবে।”

    এই আহ্বান জানানোর পর পোস্টটি নিজের ওয়ালে শেয়ার করেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, যা দলীয় কর্মীদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    এদিকে, গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ শেষে গাড়িবহরে হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার জেরে স্থানীয় প্রশাসন গোপালগঞ্জ শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে।

    এনসিপি দাবি করছে, সমাবেশে ফেরার পথে তাদের গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা।

    নাহিদ ইসলামের এই বিবৃতিতে একদিকে যেমন রাজপথে আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ঘোষণা এসেছে, তেমনি জনদুর্ভোগ এড়াতে ব্লকেড কর্মসূচি থেকে সরে আসারও ইঙ্গিত মিলেছে।

    এই অবস্থান রাজনৈতিকভাবে কৌশলগত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের নজর এখন গোপালগঞ্জের পাশাপাশি রাজধানীতেও।

  • আওয়ামী দোসরদের ষড়যন্ত্রে দেশে নৈরাজ্য ছড়াচ্ছে: ফখরুলের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

    আওয়ামী দোসরদের ষড়যন্ত্রে দেশে নৈরাজ্য ছড়াচ্ছে: ফখরুলের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

    এবিএনএ:  গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বঘোষিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিতে সহিংস হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী দোসররা এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠে অরাজকতা ছড়ানোর চেষ্টা করছে।’

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে এক বিবৃতিতে ফখরুল বলেন, দেশের ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থিতিশীলতার পরিবেশকে অশান্ত করতে কিছু দুষ্কৃতিকারী নাশকতার পথে হাঁটছে। তিনি বলেন, “এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশের গাড়িতে আগুন, ইউএনও’র গাড়িতে হামলা—সবই একটি সুপরিকল্পিত অরাজকতার অংশ।”

    বিএনপি মহাসচিবের ভাষ্যমতে, এই পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে সেই অপশক্তি, যারা অতীতে স্বৈরশাসন চালিয়েছে এবং এখন আবারও ফায়দা লুটতে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সুযোগে আওয়ামী দোসররা অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপে ফেলতে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করছে।”

    তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার স্বার্থে এখনই দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তা না হলে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।”

    মির্জা ফখরুল দাবি জানান, গোপালগঞ্জের ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একইসঙ্গে তিনি আহত পুলিশ সদস্যদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এই ধরনের সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানান।

  • গোপালগঞ্জে সহিংসতা মেনে নেওয়া যায় না: কড়া বার্তা অন্তর্বর্তী সরকারের

    গোপালগঞ্জে সহিংসতা মেনে নেওয়া যায় না: কড়া বার্তা অন্তর্বর্তী সরকারের

    এবিএনএ:  গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার কড়া নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তারা জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দেওয়া বাংলাদেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। হামলাকারীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, “গোপালগঞ্জে আজ যে সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তরুণ নাগরিকদের একটি শান্তিপূর্ণ বার্ষিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করা, তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক হামলা চালানো, এটি শুধু মৌলিক অধিকার হরণ নয়, বরং গণতান্ত্রিক চর্চার ওপর সরাসরি আঘাত।”

    অন্তর্বর্তী সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এনসিপির সদস্যরা ছাড়াও গণমাধ্যমকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও এই সহিংসতার শিকার হয়েছেন। হামলাকারীরা গাড়ি ভাঙচুর করে এবং সরাসরি আক্রমণ চালায়।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “হামলাকারীদের অনেকেই নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ উঠেছে। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছি, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।”

    সরকার সেনাবাহিনী ও পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের প্রশংসা করে বলেছে, “এই সহিংসতা থামাতে যেভাবে বাহিনী সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, তা প্রশংসনীয়। পাশাপাশি সেই সাহসী তরুণদেরও অভিনন্দন জানাই যারা ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তাদের বার্ষিক কর্মসূচি সম্পন্ন করেছে।”

    সবশেষে বিবৃতিতে বলা হয়, “বাংলাদেশে সহিংসতার কোনো জায়গা নেই। আইন নিজের পথে চলবে এবং অপরাধীরা তাদের কৃতকর্মের জন্য উপযুক্ত শাস্তি পাবেই।”

  • নগর ভবনে ইশরাক সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাংবাদিককে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি!

    নগর ভবনে ইশরাক সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাংবাদিককে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি!

    এবিএনএ:  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঘনিষ্ঠ শ্রমিক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় সংঘর্ষ কাভার করতে যাওয়া একাধিক সাংবাদিক আক্রান্ত হন, এমনকি একজনকে ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১২টার দিকে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান প্রিন্স তার সমর্থকদের নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করলে সেখানে উপস্থিত দলের আরেক পক্ষের নেতা আরিফ চৌধুরীর অনুসারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তেই তা রূপ নেয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায়। দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হলেও তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

    পরে দেখা যায়, আরিফুজ্জামানের অনুসারী সন্দেহে নগর ভবনের এক কর্মী শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে মারধর করা হয়। পুলিশ হস্তক্ষেপ করলেও ইশরাক সমর্থকরা তাকে পুলিশের কাছে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানান। একইভাবে আরেক ব্যক্তিকেও প্রিন্সের অনুসারী সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হতে হয়। পুলিশ পরে দুইজনকেই উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    ঘটনার বিষয়ে আরিফুজ্জামান প্রিন্স দাবি করেন, নগর ভবনে তাদের শান্তিপূর্ণ প্রবেশকে প্রতিহত করতে প্রতিনিয়ত বহিরাগতরা হুমকি ও হামলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি জানান, তারা একত্রে প্রবেশের চেষ্টা করলেই প্রতিপক্ষ অতর্কিত হামলা চালায়।

    অন্যদিকে, আরিফ চৌধুরীর ভাষ্যমতে, তারা শান্তিপূর্ণভাবে নগর ভবনে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি এসে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে অন্তত আটজনকে আহত করে।

    এই সংঘর্ষ চলাকালে সংবাদ সংগ্রহে থাকা সাংবাদিকদেরও ছাড় দেওয়া হয়নি। নাগরিক টেলিভিশনের রিপোর্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শিশির জানান, তিনি ভিডিও ধারণ করছিলেন, এমন সময় তার মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে সব ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলা হয়। এমনকি তাকে ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়।

    এনটিভির রিপোর্টার নাজিবুর রহমানও জানান, তাকে এবং তার ক্যামেরাম্যানকে ভয় দেখিয়ে ভিডিও ধারণ থেকে বিরত রাখা হয়।

    এই ঘটনায় নগর ভবনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং তথ্য সংগ্রহের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে ইশরাকপন্থীদের বিরুদ্ধে।

  • পিএসজির ঐতিহাসিক জয়ের উৎসবে সহিংসতা, প্রাণ গেল ২ জনের, গ্রেপ্তার ৫০০

    পিএসজির ঐতিহাসিক জয়ের উৎসবে সহিংসতা, প্রাণ গেল ২ জনের, গ্রেপ্তার ৫০০

    প্যারিস সাঁ জারমাঁ (পিএসজি)-এর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের আনন্দ রূপ নিয়েছে ভয়াবহ সহিংসতায়। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ আশপাশের এলাকায় উদযাপনের নামে ঘটে গেছে বিশৃঙ্খলা, সংঘর্ষ এবং প্রাণহানি। ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতায় এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২ জন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১৯২ জন। এ ঘটনায় ৫৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার রাতে পিএসজি যখন ইতালির ইন্টার মিলানকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয়, তখন প্যারিসের রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার উল্লসিত সমর্থক। কিন্তু সেই উৎসব কিছুক্ষণের মধ্যেই দাঙ্গায় রূপ নেয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয় গাড়ি, দোকানপাট ও বাসস্টপ।

    এবিএনএ:

    চ্যাম্পস এলিসেস সড়কে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও পুলিশি বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয় নিরাপত্তা বাহিনী। ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা পুলিশের ওপর বোতল, লাঠি ও অন্যান্য বস্তু ছুড়ে মারে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্যারিস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৯১ জন, যাদের মধ্যে ৩২০ জন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। শহরজুড়ে অগ্নিসংযোগ, গাড়ি পোড়ানো ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে শতাধিক। অন্তত ২২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও ৭ জন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন এ ঘটনায়।

    এমন এক ঐতিহাসিক রাত, যা হওয়া উচিত ছিল আনন্দ ও গৌরবের, সেটিই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় সহিংসতার ভয়াবহ দৃষ্টান্তে। ফ্রান্স সরকার ও পুলিশ বিভাগ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

  • রংপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ, থমথমে পরিস্থিতি

    রংপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ, থমথমে পরিস্থিতি

    এবিএনএ, রংপুর :

    রংপুর নগরীর কেন্দ্রস্থলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য জি এম কাদেরের ব্যক্তিগত বাসভবনে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার কিছু পর গ্রান্ড হোটেল মোড় সংলগ্ন ওই এলাকায় হঠাৎ করেই এই সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করে একদল মুখোশধারী ব্যক্তি জি এম কাদেরের বাড়ির সামনে এসে হামলা চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    হামলার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বাড়িটির আশপাশ ঘিরে ফেলে। এ সময় র‍্যাব ও পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়।

    ঘটনার কারণ ও কারা এর পেছনে জড়িত, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, “ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতে আমরা কাজ করছি।”

    ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দ্রুত বন্ধ হয়ে গেছে এবং সাধারণ মানুষ ঘরে ফিরে গেছে।

    এদিকে জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন একটি ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে যখন নির্বাচন সামনে।

    জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে পুরো এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।