Tag: সংসদ নির্বাচন

  • বাগেরহাট-১ আসনের ভোট নিয়ে নতুন মোড়: পুনর্গণনার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    বাগেরহাট-১ আসনের ভোট নিয়ে নতুন মোড়: পুনর্গণনার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই আসনের বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদালতে আজ কপিল কৃষ্ণের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গাজী মোস্তাক ও অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম।

    আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম আরো জানান, গত ১২ ফেব্রæয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ ( ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ১৪৭টি। ভোটের ফল প্রকাশের পর ওই আসনের ১৫, ১৭, ২১, ২২, ২৫, ২৬, ২৭, ১১৬, ১১৭, ১২৮ ও ১৩৫ নম্বর কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরে যান বিএনপির প্রার্থী। প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত (আজ) ভোট পুনর্গণনার আদেশ দেন।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পায় জামায়াতের প্রার্থীরা। এরমধ্যে বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন।

     

  • সংরক্ষিত নারী আসনে কারা আসছেন সংসদে? বিএনপির ভেতরে শুরু হয়েছে মনোনয়ন সমীকরণ

    সংরক্ষিত নারী আসনে কারা আসছেন সংসদে? বিএনপির ভেতরে শুরু হয়েছে মনোনয়ন সমীকরণ

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১২ মার্চ প্রথম অধিবেশন বসতে যাচ্ছে, যা আহ্বান করেছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। গেজেট প্রকাশের পর নতুন সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি হলো সংরক্ষিত নারী আসনে সদস্য মনোনয়ন। এই প্রক্রিয়া ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের নারী নেত্রীদের মধ্যে তৎপরতা বেড়েছে।

    বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জানিয়েছে, অধিবেশন শুরু হলেই সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। দলীয় সূত্রে বলা হচ্ছে, মাঠের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ও দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি বলেন, যারা জনগণের সঙ্গে নিয়মিত সম্পৃক্ত থেকে আন্দোলন–সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন, মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্ব পাবে। এতে করে সংরক্ষিত আসনে অভিজ্ঞ ও সক্রিয় নারী নেতৃত্ব উঠে আসবে—এমন প্রত্যাশা দলের ভেতরেই জোরালো।

    বিএনপির নারী নেত্রীদের অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘ সময়ের দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিলেন, তাদেরই প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করা দরকার। দলীয় রাজনীতিতে নবীনদের জায়গা করে দেওয়ার পাশাপাশি অভিজ্ঞদের মূল্যায়ন করাও জরুরি বলে মত দেন তারা। এই ভারসাম্য রক্ষাই মনোনয়নের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    আরেক নারী নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন না, সুসময় এলে তারাই বেশি দৃশ্যমান হন। প্রকৃত ত্যাগীদের খুঁজে বের করে সম্মান জানানো না গেলে দলের ভেতরে হতাশা তৈরি হতে পারে। দল সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত নারী সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও কথা বলছেন নেত্রীরা। সংসদ কেবল উপস্থিত থাকার জায়গা নয়; এখানে আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ ও বিতর্কে দক্ষতার সঙ্গে ভূমিকা রাখতে হয়। এ বিষয়ে হেলেন জেরিন খান বলেন, যোগ্যতা, সততা ও সংসদীয় শিষ্টাচার জানা নারীদেরই এগিয়ে আনা উচিত, যাতে সংসদের বিতর্কে গঠনমূলক ভূমিকা রাখা যায়।

    আসন বণ্টনের হিসাব অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের বড় অংশ যাবে বিএনপির ভাগে। পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির ভাগেও নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন পড়বে। সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে খুব শিগগিরই স্পষ্ট হবে—সংসদে নারী প্রতিনিধিত্বের নতুন মুখগুলো কারা হচ্ছেন।

  • বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে তুমুল দৌড়ঝাঁপ: কারা পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন, জল্পনা তুঙ্গে

    বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে তুমুল দৌড়ঝাঁপ: কারা পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন, জল্পনা তুঙ্গে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির ভেতরে শুরু হয়েছে ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ। এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পাওয়ায় আসন অনুপাতে দলের ঝুলিতে যাচ্ছে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন। এসব আসনে মনোনয়ন পেতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নারী নেত্রীরা শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, কেউ কেউ বিভিন্ন পর্যায়ে লবিংও চালাচ্ছেন।

    বিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শেষ করতে হবে। ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত আসন নির্ধারিত হয়। এই হিসাবে বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি একটি আসন পাবে। বাকি আসনগুলো স্বতন্ত্রদের সমঝোতা ও জোটের ওপর নির্ভর করছে।

    নির্বাচন কমিশনের কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রক্রিয়া কার্যত শুরু হয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো যে নাম প্রস্তাব করবে, নিয়ম অনুযায়ী তারাই নির্বাচিত হবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন শেষ করা হবে।

    দলীয় সূত্র বলছে, কারা মনোনয়ন পাবেন কিংবা কোন যোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে—এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তবে সাধারণ নির্বাচনে যোগ্য হয়েও মনোনয়ন না পাওয়া নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখা মহিলা দল ও ছাত্রদলের বর্তমান-সাবেক নেত্রীদের গুরুত্ব দেওয়ার কথাও আলোচনায় আছে। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের পরিবারভুক্ত কেউ কেউ মনোনয়ন পেতে পারেন—এমন কথাও ভেতরে ভেতরে শোনা যাচ্ছে।

    মনোনয়ন চূড়ান্ত না হলেও প্রত্যাশীরা বসে নেই। কেউ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন, কেউ অতীতের রাজনৈতিক ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান জানাচ্ছেন।

    দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—মাহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, বীথিকা বিনতে হোসাইন, নাভীলা চৌধুরী, রেহানা আক্তার রানু, নাদিয়া পাঠান পাপন, আরিফা সুলতানা রুমা, সাবরিনা বিনতে আহমেদ, সাবিনা খান পপি সহ আরও অনেকে।

    সুলতানা আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে যুক্ত থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন তিনি এবং নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দল তার ত্যাগের মূল্যায়ন করবে—এমন প্রত্যাশা তার।


    ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন জানান, দীর্ঘ সময় মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং দুঃসময়ে দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন—সে বিবেচনায় তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন।


    বীথিকা বিনতে হোসাইন বলেন, সংগঠনের মাধ্যমে মানবিক ও আইনি সহায়তায় যুক্ত ছিলেন তিনি; সাম্প্রতিক সময়ে দলের কার্যক্রমেও সক্রিয় রয়েছেন।


    সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, আগেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে—দল চাইলে আবারও সে দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত তিনি।

    সব মিলিয়ে, সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে বিএনপির ভেতরে প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে। চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণার আগ পর্যন্ত জল্পনা-কল্পনাও থামছে না।

  • ঢাকার কোন আসনে কত ভোটার স্থানান্তর? নির্বাচন ঘিরে বিএনপি–ইসির মুখোমুখি অবস্থান

    ঢাকার কোন আসনে কত ভোটার স্থানান্তর? নির্বাচন ঘিরে বিএনপি–ইসির মুখোমুখি অবস্থান

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন সংসদীয় আসনে ভোটার স্থানান্তরের বিষয়টি নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিরোধী দল বিএনপির দাবি, রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে অস্বাভাবিক হারে ভোটার স্থানান্তর হয়েছে, যা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ অভিযোগ নাকচ করে বলছে, এই স্থানান্তর সম্পূর্ণ নিয়ম অনুযায়ী এবং স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যেই রয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের আগস্ট থেকে সারা দেশে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা অঞ্চলে ভোটার স্থানান্তর করেছেন ৮৬ হাজার ৮২৫ জন। এর মধ্যে শুধু ঢাকা জেলার ২০টি সংসদীয় আসনেই ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন মোট ৪৯ হাজার ৯৯২ জন।

    ঢাকার হেভিওয়েট প্রার্থীদের আসনগুলোতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার স্থানান্তরের তথ্য রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনে ভোটার স্থানান্তর হয়েছে ৩ হাজার ৩৯ জন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ঢাকা-১৫ আসনে স্থানান্তর হয়েছে ৩ হাজার ৫২০ জন। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ঢাকা-১১ আসনে ৩ হাজার ১৪১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার ঢাকা-৯ আসনে স্থানান্তর হয়েছে ২ হাজার ৬৩৪ জন ভোটার।

    ইসির তালিকা অনুযায়ী, ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার স্থানান্তর হয়েছে ঢাকা-১ আসনে—৪ হাজার ৭৩২ জন। বিপরীতে সবচেয়ে কম স্থানান্তর হয়েছে ঢাকা-৭ আসনে, যেখানে সংখ্যা মাত্র ৬৭৬ জন।

    ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ড, সাভার, কেরানীগঞ্জ, ধামরাই, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলা নিয়ে গঠিত ২০টি আসনে ভোটার স্থানান্তরের হার ভিন্ন ভিন্ন হলেও ইসি বলছে, কোথাও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি চোখে পড়েনি।

    এদিকে বিএনপি নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটার স্থানান্তরের বিস্তারিত তথ্য চাইলেও প্রাপ্ত তালিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দলটি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দাবি করেছেন, কিছু হোল্ডিং নম্বরে ভোটারের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা ভুয়া ভোটার সংযোজন বা পরিকল্পিত ভোটার মাইগ্রেশনের ইঙ্গিত দেয়।

    তবে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, সারা দেশে যে ভোটার স্থানান্তর হয়েছে, তা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ। কোথাও ব্যাপক বা অস্বাভাবিক হারে স্থানান্তরের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইসির হিসাব অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখের বেশি, নারী ভোটার প্রায় ৬ কোটি ২৯ লাখ এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১২০ জন।

    ঢাকার বাইরে দেশজুড়ে সর্বনিম্ন ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে এবং সর্বোচ্চ ভোটার গাজীপুর-২ আসনে—যা এবারের নির্বাচনে ভোটার বণ্টনের বৈচিত্র্যকেও স্পষ্ট করে।

  • ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠেছে বাগেরহাট-৪ আসন

    ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠেছে বাগেরহাট-৪ আসন

    এবিএনএ, বাগেরহাট: মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা এবং মোরেলগঞ্জ পৌরসভা নিয়ে গঠিত বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসনটি এবারও আলোচনার কেন্দ্রে। অবকাঠামো, শিক্ষা ও সার্বিক উন্নয়নে পিছিয়ে থাকলেও রাজনৈতিক সচেতনতার দিক থেকে এ এলাকার ভোটাররা বরাবরই সক্রিয়। অতীতে এই আসন থেকে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের প্রার্থীরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

    আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হয়েছে। বিএনপির মনোনয়নে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য, জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা এবং বর্তমানে মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের সভাপতি সোমনাথ দে। অন্যদিকে বিএনপির শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জেলা বিএনপির নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় তাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    শিপন জানান, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনুরোধেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তার দাবি, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তার মতে, দলীয় মনোনীত প্রার্থী একজন ফ্যাসিস্ট ঘরানার হওয়ায় তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী থেকে এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচার চালিয়ে আসছেন তিনি। জামায়াত নেতাকর্মীদের দাবি, অতীতে জোট ও একক নির্বাচনে এই আসনে জামায়াতের ভালো ফল রয়েছে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দুর্বল প্রার্থীর কারণে এবার দাড়িপাল্লার জয় অনেকটাই নিশ্চিত।

    তবে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে এসব দাবি নাকচ করে বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি বলেন, দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোটে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে আছি। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এবার আমাদের সাংগঠনিক শক্তি বেশি। ইনশাআল্লাহ, জয় আমাদেরই হবে।”

    এছাড়া এই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ওমর ফারুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) থেকে মো. আ. লতিফ খান এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) থেকে সাজন কুমার মিস্ত্রি নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তারাও ভোটারদের কাছে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৬৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৮১২ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৬৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন।

  • গানম্যান নিয়ে ক্যান্টনমেন্টে ঢোকার চেষ্টা, সেনাসদস্যদের সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জামায়াত প্রার্থী

    গানম্যান নিয়ে ক্যান্টনমেন্টে ঢোকার চেষ্টা, সেনাসদস্যদের সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জামায়াত প্রার্থী

    এবিএনএ: গানম্যানসহ ক্যান্টনমেন্ট এলাকা অতিক্রম করার চেষ্টা করতে গিয়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়ান জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও সূত্রে জানা যায়, ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা প্রার্থীর পরিচয় জানতে চান। তখন তার সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী। সেনাসদস্যরা দলীয় পরিচয় জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ করা হয়।

    এরপর ক্যান্টনমেন্টের নিয়ম অনুযায়ী অস্ত্র বা গানম্যান নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ—এ কথা জানালে প্রার্থী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। একপর্যায়ে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু কর্মকর্তার আচরণের কারণে পুরো সেনাবাহিনী বিতর্কিত হচ্ছে এবং বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।

    ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মধ্যে সেনাসদস্যরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে প্রার্থী নিজেও ফোনে ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে কথা বলেন এবং নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে গানম্যানসহ যাওয়ার অনুমতি চান।

    এ সময় ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ভিডিও ধারণ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়। সেনাসদস্যরা জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে ভেতরে ভিডিও করা নিষিদ্ধ। তবে প্রার্থী দাবি করেন, তার গাড়ি আটকে রাখা হচ্ছে এবং তিনি ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না।

    দীর্ঘ তর্ক-বিতর্কের পর সেনাসদস্যরা জানান, ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে প্রার্থী সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন এবং সেখানে কোনো অস্ত্রধারী ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবেন না—এটাই নিয়ম। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি আর এগোয়নি। প্রার্থী গাড়ি ঘুরিয়ে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা ত্যাগ করেন।

    ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিধি, নির্বাচনী সময়ের সংবেদনশীলতা এবং রাজনৈতিক আচরণ—সব মিলিয়ে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

  • নির্বাচনের আগে কড়া ইসি: পোস্টার ছাপালেই বিপদ, ছাপাখানাকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা

    নির্বাচনের আগে কড়া ইসি: পোস্টার ছাপালেই বিপদ, ছাপাখানাকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর অংশ হিসেবে মুদ্রণালয় ও ছাপাখানাগুলোকে নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত যেকোনো ধরনের পোস্টার ছাপানো থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।

    বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের সমর্থকেরা নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার করছেন। অথচ রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৭ (ক) অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, দলীয় মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে চাইলে অবশ্যই আচরণবিধি মেনে তা করতে হবে।

    এ কারণে নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃতব্য কোনো ধরনের পোস্টার যেন কোনো মুদ্রণালয় বা ছাপাখানা থেকে ছাপানো না হয়। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

  • গণভোটে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কঠোর ইসি: ভোটের দায়িত্বে থাকা কেউই প্রচারে নামতে পারবেন না

    গণভোটে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কঠোর ইসি: ভোটের দায়িত্বে থাকা কেউই প্রচারে নামতে পারবেন না

    এবিএনএ: গণভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভোটের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য কড়া নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠান।

    নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য জানাতে ও সচেতন করতে পারবেন। তবে ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে উৎসাহিত করা বা কোনো পক্ষের পক্ষে অবস্থান নেওয়া আইনত নিষিদ্ধ।

    ইসি জানায়, এ ধরনের পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা বিদ্যমান আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং সব জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে একযোগে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: জাতীয় পার্টির ১৯৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, জানালেন জিএম কাদের

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: জাতীয় পার্টির ১৯৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, জানালেন জিএম কাদের

    এবিএনএ:  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৯৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। জিএম কাদের জানান, বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে ছয়জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আরও দুই থেকে তিনজন প্রার্থী তালিকায় যুক্ত হতে পারেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, দলটি এখনো সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) পাচ্ছে না। বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করে জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, মনোনয়নপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থী বর্তমানে কারাগারে থেকেও নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। মামলার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন জিএম কাদের।

    মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যত্রতত্র মামলা দিয়ে ভয়ভীতি তৈরি করা হচ্ছে। এতে পুলিশসহ বিভিন্ন পক্ষ জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি। কারো বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কারণে, কারো বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক স্বার্থে, আবার কারো বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেও মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জাপা চেয়ারম্যান।

    সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবিলম্বে এসব অনিয়ম বন্ধ করে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

  • পিআর পদ্ধতি নিয়ে সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ সংসদের—গণতন্ত্র রক্ষায় আহ্বান ফখরুলের

    পিআর পদ্ধতি নিয়ে সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ সংসদের—গণতন্ত্র রক্ষায় আহ্বান ফখরুলের

    এবিএনএ: সংখ্যানুপাতিক বা পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিষয়টি আগামী সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    রবিবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে খ্রিস্টান ফোরামের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আবারও প্রমাণ করবে যে এই দেশ সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক চেতনার। আমরা চাই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। যদিও কিছু মহল এ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “হঠাৎ পিআর পদ্ধতির দাবি তুলে আন্দোলনের চেষ্টা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। নির্বাচনী ব্যবস্থার রূপ কেমন হবে—তা নির্ধারণ করা উচিত আগামী সংসদের মাধ্যমে। সেই সংসদই সিদ্ধান্ত নেবে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের ধরন।”

    সংসদ কাঠামো নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আমরা উচ্চকক্ষের প্রস্তাব দিয়েছি, যা একটি নতুন অভিজ্ঞতা হতে পারে। তবে নিম্নকক্ষের বাস্তবতা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।”

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখতে হলে সব পক্ষের উচিত জনগণের মতামতকে সম্মান জানানো এবং সংলাপের মাধ্যমে পথ বের করা।”