Tag: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

  • এসএসসি ২০২৬ নকলমুক্ত করতে কড়া নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর, পরীক্ষাকক্ষে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

    এসএসসি ২০২৬ নকলমুক্ত করতে কড়া নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর, পরীক্ষাকক্ষে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

    এবিএনএ: আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্তভাবে আয়োজনের জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি জোরদারসহ একাধিক নির্দেশনা দেন তিনি।

    শুক্রবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম এবং সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও নজরদারি চালু রাখতে বিকল্প হিসেবে আইপিএস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এতে দুর্গম এলাকার কেন্দ্রগুলোতেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    নকল প্রতিরোধে শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, অতীতেও সম্মিলিত উদ্যোগে পাবলিক পরীক্ষায় নকল বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল। এবারও একইভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ঝুঁকি থাকবে না। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং শিক্ষকরা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।

    খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে পরীক্ষকদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, উত্তরপত্র যাচাই করে যথাযথ নম্বর দিতে হবে। কোনোভাবেই অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া যাবে না।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসকে গুরুতর অপরাধ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সভায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্র সচিবরা অংশ নেন।

  • শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের আভাস: সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন সরাসরি ক্লাসের নতুন পরিকল্পনা

    শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের আভাস: সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন সরাসরি ক্লাসের নতুন পরিকল্পনা

    এবিএনএ: দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন এবং ৩ দিন সরাসরি ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    মঙ্গলবার রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অধ্যক্ষদের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে প্রাথমিকভাবে একটি নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে মোট ছয় দিন ক্লাস পরিচালিত হবে। এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাসে অংশ নেবে এবং বাকি তিন দিন অনলাইনে পাঠ গ্রহণ করবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কমবে এবং জ্বালানি ব্যবহারের চাপও হ্রাস পাবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

    সভায় অংশগ্রহণকারীরা ‘অল্টারনেট ডে’ পদ্ধতিতে ক্লাস নেওয়ার বিষয়েও একমত হয়েছেন। অর্থাৎ একদিন পরপর শিক্ষার্থীরা সরাসরি এবং অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে উপস্থিতির চাপ কমে।

    এ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—অনলাইন ক্লাসের দিনগুলোতেও শিক্ষকদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে এবং সেখান থেকেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাঠদান পরিচালনা করতে হবে।

    এর আগে, সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে এই পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে যাতায়াত কমিয়ে জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে পরবর্তীতে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নতুন ধারা চালু হবে, যা ভবিষ্যতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষায় কঠোরতার ঝড়: নকল-প্রশ্ন ফাঁসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিসিটিভি ও বিশেষ অভিযান

    এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষায় কঠোরতার ঝড়: নকল-প্রশ্ন ফাঁসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিসিটিভি ও বিশেষ অভিযান

    এবিএনএ: দেশের পাবলিক পরীক্ষাগুলো—বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসি—এবার আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও কঠোরভাবে আয়োজন করা হচ্ছে। নকল ও প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে এবং এর বাস্তবায়নে নেওয়া হচ্ছে একাধিক নতুন পদক্ষেপ।

    শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে শুরুতেই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরীক্ষাকেন্দ্রকে এই নজরদারির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয়ভাবে লাইভ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সন্দেহজনক কার্যক্রম শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রয়োজনে আগের মতো ‘হেলিকপ্টার তদারকি’ও চালু থাকবে। যেকোনো সময় হঠাৎ করে পরিদর্শন টিম দেশের যে কোনো কেন্দ্রে পৌঁছে যেতে পারে, যাতে অনিয়মের সুযোগ না থাকে।

    আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে ঘিরে ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার বড় পরিবর্তন হিসেবে অধিকাংশ ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। শুধুমাত্র মূল কেন্দ্রগুলোতেই পরীক্ষা নেওয়া হবে, যাতে তদারকি সহজ হয় এবং অনিয়ম কমে।

    শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, এবার পরীক্ষায় কোনো ধরনের ‘গ্রেস মার্ক’ বা অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। শিক্ষার্থীরা যা লিখবে, তার ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে। অযোগ্য শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

    এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র পরিচালনায় নিয়োজিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপরও থাকছে কঠোর নজরদারি। কোনো কেন্দ্রে নকল বা অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধেও তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা জোরদারে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র ফয়েল প্যাক ও বিশেষ সিকিউরিটি খামে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা একবার খোলার পর পুনরায় বন্ধ করা সম্ভব নয়। নির্ধারিত সময়ের আগে কোনোভাবেই প্রশ্নপত্র খোলার সুযোগ থাকবে না।

    বিশেষ করে দুর্গম এলাকা, উপকূলীয় অঞ্চল ও পাহাড়ি অঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে। মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নকল প্রতিরোধে আলাদা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, কারণ এসব প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলকভাবে নকলের প্রবণতা বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    ঢাকা শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে শতাধিক ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হবে, যাতে পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে নকলমুক্ত রাখা যায়।

    পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করা হচ্ছে, যেখান থেকে সারাদেশের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়াবে, যাতে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে প্রতারণা করা চক্রগুলোকে দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এই কঠোর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে পরীক্ষার মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে এবং প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে।

  • ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশে দেরি: সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি

    ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশে দেরি: সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি

    এবিএনএ: প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশ প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আবারও মাঠে নেমেছে রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। অধ্যাদেশ দ্রুত জারি না হলে আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছেন তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রগতি না থাকলে ৭ ডিসেম্বর থেকে শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার ঢাকা কলেজের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাত কলেজ প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, “বহুদিন ধরেই সাত কলেজকে নিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ থেমে আছে। অধ্যাদেশ জারি না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তাই এবার আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হচ্ছি।”

    এর আগে সকাল থেকেই সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে সমাবেশ শুরু করেন। পরে তারা মিরপুর সড়কে অবস্থান নিয়ে রাস্তায় অবরোধ সৃষ্টি করেন। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে অবরোধ তুলে নেন।

    এদিকে, সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই সরকার গ্রহণ করেছে। গত ১২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে অধ্যাদেশ জারির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • প্রাথমিকের দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এবার নিয়োগ ৪ হাজারের বেশি

    প্রাথমিকের দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এবার নিয়োগ ৪ হাজারের বেশি

    এবিএনএ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন এই ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ৪ হাজার ১৬৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    বুধবার বিকেলে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়। এর আগে প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল ৫ নভেম্বর, যেখানে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে।

    মোট ১০ হাজার ২১৯টি শূন্যপদ পূরণে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় চলতি বছরের ২৮ আগস্ট প্রকাশিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ভিত্তিতেই এ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

    এরপর ৩১ আগস্ট গঠন করা হয় আট সদস্যবিশিষ্ট ‘কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি’। এই কমিটির চেয়ারম্যান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন পলিসি ও অপারেশন পরিচালক। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতিনিধিরাও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত।

    প্রথম পর্যায়ের বিধিমালায় কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব ঘটে। পরে সংশোধিত নীতিমালা ২ নভেম্বর পুনরায় প্রকাশ করা হয়। নতুন বিধিমালায় ‘অন্যান্য বিষয়ে’ শব্দের পরিবর্তে ‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্তত’ শব্দটি যোগ করা হয়, যার ফলে বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারী প্রার্থীরাও এখন সরাসরি নিয়োগে অগ্রাধিকার পাবেন।

    নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৮০ শতাংশ নিয়োগ হবে পদোন্নতির মাধ্যমে এবং বাকি ২০ শতাংশ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

    এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন উদ্যম সৃষ্টি হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

  • সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, কাল থেকে আমরণ অনশনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

    সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, কাল থেকে আমরণ অনশনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

    এবিএনএ:  বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারের ৫ শতাংশ বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষকদের ন্যায্য প্রাপ্য ও বাস্তব চাহিদা পূরণ করে না। ফলে সোমবার থেকে তারা আমরণ অনশন শুরু করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

    রোববার সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন দুই হাজার টাকা) নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়, এই ভাতা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী পরবর্তীতে সমন্বয় করতে হবে এবং এর সঙ্গে কোনো বকেয়া প্রাপ্য যুক্ত হবে না।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিতু মরিয়ম জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু শিক্ষকরা এই ঘোষণাকে ‘অপর্যাপ্ত ও প্রহসনমূলক’ বলে দাবি করেছেন।

    এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, “আমাদের দাবি ছিল ২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা এবং ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা। এর কম কিছু মেনে নেওয়া হবে না। আমরা সোমবার থেকে আমরণ অনশন শুরু করছি।”

    তিনি জানান, সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষকরা অনশন শুরুর আগে সমাবেশ করবেন।

    এর আগে রোববার বিকেলে শিক্ষকদের একদল থালা-বাটি হাতে ‘ভুখা মিছিল’ নিয়ে শিক্ষা ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিন্তু হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। পরে শিক্ষকরা শহীদ মিনারে ফিরে গিয়ে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান।

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, “সরকার শিক্ষকদের দাবি বিবেচনা করছে। আমি আশা করি, তারা ক্লাসে ফিরে যাবেন এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে।”

    অন্যদিকে, আন্দোলনরত শিক্ষক প্রতিনিধিরা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি আশ্বাস দেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • জোরপূর্বক পদত্যাগে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের জন্য স্বস্তি: বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

    জোরপূর্বক পদত্যাগে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের জন্য স্বস্তি: বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

    এবিএনএ: গণঅভ্যুত্থানের পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জোর করে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্ত চলমান থাকলেও তাদের নিয়মিত বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো শিক্ষক-কর্মচারীদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এতে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা অন্যায়। তাই অবিলম্বে তাদের নাম ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমে যুক্ত করে বেতন-ভাতা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।

    পাশাপাশি, এই নির্দেশ বাস্তবায়নে কোনো কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষ বাধা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে যেন দ্রুত এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করা হয়।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পরিবর্তনের পর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষককে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। বেতন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন এবং পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানান।

  • ইউনেস্কোর সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ: ইতিহাস গড়লেন খন্দকার এম তালহা

    ইউনেস্কোর সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ: ইতিহাস গড়লেন খন্দকার এম তালহা

    এবিএনএ: জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো)-এর ৪৩তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। প্যারিসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি খন্দকার এম তালহা বিপুল ব্যবধানে জাপানের প্রার্থীকে পরাজিত করে এই মর্যাদাপূর্ণ পদে নির্বাচিত হন।

    বাংলাদেশের ইউনেস্কো সদস্যপদ অর্জনের পর দীর্ঘ ৫৩ বছরে এই প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি প্রতিনিধি সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন। এই অর্জন বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হলো।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, এই ঐতিহাসিক বিজয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি. আর. আবরার গভীর আনন্দ প্রকাশ করে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    ড. আবরার বলেন, “ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে এক অসাধারণ সাফল্য। এটি শুধু বাংলাদেশের কূটনৈতিক অর্জন নয়, বরং দেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন। এই সাফল্য বাংলাদেশের সফট পাওয়ারকে আরও জোরদার করবে।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “১৯৫টি সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা, সংহতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই বিজয় বাংলাদেশের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগ তৈরি করবে।”

    এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু কূটনৈতিক ক্ষেত্রে নয়, শিক্ষা ও সংস্কৃতির আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এক নতুন যুগের সূচনা করল।

  • দুর্গাপূজায় স্কুল-কলেজে টানা ১২ দিনের ছুটি, মাদরাসায় মিলবে মাত্র দুদিন

    দুর্গাপূজায় স্কুল-কলেজে টানা ১২ দিনের ছুটি, মাদরাসায় মিলবে মাত্র দুদিন

    এবিএনএ:  দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, এ বছর স্কুল-কলেজগুলোতে প্রায় দুই সপ্তাহের জন্য পাঠদান বন্ধ থাকবে। তবে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি তুলনামূলকভাবে সীমিত রাখা হয়েছে।

    শিক্ষাপঞ্জি বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত পূজার ছুটি চলবে। যেহেতু তার আগে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে, তাই কার্যত প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা ২৬ সেপ্টেম্বর থেকেই ছুটিতে যাবে।

    মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ছুটি শুরু হবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এবং চলবে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। তবে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় মোট ছুটি দাঁড়াচ্ছে টানা ১২ দিন। ৮ অক্টোবর থেকে ক্লাস পুনরায় শুরু হবে।

    অন্যদিকে, আলিয়া মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি সীমিত রাখা হয়েছে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ১ ও ২ অক্টোবর পূজার ছুটি থাকবে। পরের দিনগুলোতে ৩ ও ৪ অক্টোবর (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় কার্যত চার দিন বন্ধ থাকবে এসব প্রতিষ্ঠানে। তবে ৫ অক্টোবর থেকে পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে।

    শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই ছুটি শিক্ষার্থীদের কিছুটা বিশ্রামের সুযোগ করে দিলেও দীর্ঘ বিরতির কারণে পড়াশোনায় প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষত এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে এর প্রভাব লক্ষণীয় হতে পারে।

  • ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর অবশেষে বের হলেন দুই উপদেষ্টা, উত্তপ্ত ছিল মাইলস্টোন ক্যাম্পাস

    ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর অবশেষে বের হলেন দুই উপদেষ্টা, উত্তপ্ত ছিল মাইলস্টোন ক্যাম্পাস

    এবিএনএ: উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার স্থান পরিদর্শনে গিয়ে প্রায় ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব শফিকুল আলম। অবশেষে বিকেল ৭টা ৩৫ মিনিটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

    সোমবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে তাঁরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন এবং দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে তারা ক্যাম্পাসেই আটকা পড়ে যান। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলেও দিয়াবাড়ি গোলচত্বরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে ফের ক্যাম্পাসে ফিরে যেতে বাধ্য হন।

    এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন এবং সড়ক অবরোধ করে রাখেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যরা একাধিকবার ধাওয়া দিয়ে শিক্ষার্থীদের সরানোর চেষ্টা করেন, তবে পরিস্থিতি উত্তপ্তই রয়ে যায়। আন্দোলনে মাইলস্টোন ছাড়াও রাজউক উত্তরা মডেল কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যোগ দেন।

    বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, “তোমাদের দাবি একদম যৌক্তিক। আমি সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দিচ্ছি, প্রতিটি দাবি পূরণ করা হবে।” যদিও এই আশ্বাসেও ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি, শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যান।

    পরিস্থিতি মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে পেছনের গেট দিয়ে উপদেষ্টাদের গাড়ি বের করে দেওয়া হয়।