Tag: শরণখোলা

  • সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে নিষেধাজ্ঞা অমান্য: তিন ট্রলারসহ ১৩ জেলে আটক, জব্দ জাল ও ডিঙ্গি

    সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে নিষেধাজ্ঞা অমান্য: তিন ট্রলারসহ ১৩ জেলে আটক, জব্দ জাল ও ডিঙ্গি

    এবিএনএ, শরণখোলা: সুন্দরবনের সুপতি অভয়ারণ্যের খালে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় বনরক্ষীদের হাতে তিনটি ট্রলারসহ ১৩ জেলে আটক হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মাছ ধরার জাল ও ৬টি ডিঙ্গি নৌকা। আটক জেলেদের আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি ফরেষ্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মোঃ ফয়সাল আহমেদের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা শনিবার সন্ধ্যায় সুপতি ষ্টেশনের আওতাধীন বড়কটকা খালে নিয়মিত টহলের সময় একটি ট্রলারের জেলেদের অবৈধভাবে মাছ ধরতে দেখে এগিয়ে যায়। বনরক্ষীরা ৯ জেলেসহ একটি ট্রলার আটক করে। এ সময় আরও ৬টি ডিঙ্গি ও মাছ ধরার জাল জব্দ করেন বনরক্ষীরা।

    আটক জেলেরা হচ্ছেন, শরণখোলা উপজেলার বগী গ্রামের আলাউদ্দিন পঞ্চায়েত (৩০), রেজাউল হাওলাদার (২৫) ও মোঃ রাকিব হাওলাদার (২৫); বাগেরহাটের গোপালকাঠী গ্রামের লিটন সরদার (৪৮), মিলন সরদার (৩৫) ও জলিল শেখ (৪৫); শরণখোলা উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের জাফর হাওলাদার (৩৮) ওরবিউল ইসলাম (২৩); পিরোজপুর জেলার কালিকঠি গ্রামের জালাল হাওলাদার (৩০)।

    অপরদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় বনরক্ষীরা সুপতির পোতারখাল এলাকায় টহলের সময় দুইটি ট্রলারসহ ৪ জেলেকে আটক করেন। আটক জেলেরা হচ্ছেন, পাথরঘাটা জেলার সাহেরাবাদ গ্রামের বিজন হালদার (৩৫), শিশির হালদার (৩৫), ইসা খান (২৬) ও সাত্তার খন্দকার (৪৫)। এ সময় জব্দ করা হয়েছে মাছ ও কাকড়া।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি ফরেষ্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মোঃ ফয়সাল আহমেদ বলেন, আটক জেলেরা সুপতি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের আওতাধীন খালে অবৈধভাবে মাছ ধরছিলো। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে দুইটি পৃথক বন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামী জেলেদের শনিবার দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের বাগেরহাট জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

  • ঘূর্ণিঝড়ের আতঙ্কে দিন কাটছে পাঁচ শতাধিক পরিবারের: টেকসই বেরিবাঁধের দাবিতে শরণখোলায় মানববন্ধন

    ঘূর্ণিঝড়ের আতঙ্কে দিন কাটছে পাঁচ শতাধিক পরিবারের: টেকসই বেরিবাঁধের দাবিতে শরণখোলায় মানববন্ধন

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের শরণখোলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদয়ন বাংলাদেশের সহযোগিতায় শরণখোলা বাজার সংলগ্ন খুড়িয়াখালী গ্রামবাসীর আয়োজনে তিন কিলোমিটার টেকসই বেরিবাঁধ এর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর (রবিবার) সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার শরণখোলা বাজার সংলগ্ন খুড়িয়াখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের পরিবার সূত্রে জানা যায় , শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের শরণখোলা বাজার সংলগ্ন খুড়িয়াখালী ও তেরাবেকা এলাকায় টেকসই বেরিবাঁধ না থাকায় দুই গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার মানবতার জীবন যাপন করে আসছে। এই দুর্দশা কমাতে তেরাবেকা ও শরণখোলা নদীর তীরবর্তী খুড়িয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রিংবাঁধ এর উপরে প্রায় তিন শতাধিক গ্রামবাসীর সমন্বয়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। তাদের একটাই দাবি টেকসই বেরিবাঁধ চাই। সিডর ও আইলার মতো ঘূর্ণিঝড় এর আঘাতে বেরিবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ঝড় জলোচ্ছ্বাসে তাদের ভোগান্তির শেষ নেই।

    অমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারে তাদের বাড়ি ঘর তলিয়ে যায় তখন রান্নাবান্না সহ গবাদি পশু নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে। মাঝে মাঝে তাদের রান্না বান্না ও বন্ধ হয়ে যায়। এই ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে টেকসই বেরিবাঁধ এর দাবিতেই মুলত মানবববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আ: মালেক রেজা, বিএনপি নেতা ফরিদ খান, সমাজ সেবক হিরু খান, জাফর খান , পল্লী চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম ও ওমর ফারুক প্রমূখ। সকলের একটাই দাবি প্রশাসনের কাছে টেকসই বেরিবাঁধ চাই।

  • শরণখোলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল এক জনের

    শরণখোলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল এক জনের

    এবিএনএ,শরণখোলা(বাগেরহাট): বাগেরহাটের শরণখোলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ঘটণাটি ঘটেছে উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের চাল রায়েন্দা গ্রামে। মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামের মজিদ মুন্সির ছেলে বাদল মুন্সি (৫৫)।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে জুম’আর নামাজ আদায় করতে নিহত বাদল মুন্সি মসজিদে যাচ্ছিলেন। এ সময় অপরদিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি মোটর সাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে তিনি পুকুরের কিনারে ছিটকে পড়েন। পরবর্তীতে তাকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হওয়ায় মোটর সাইকেল আরোহী জান্নাত আকন (২৫) কে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মোটর সাইকেল আরোহী জান্নাত আকন একই উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের জলিল আকনের পুত্র।

  • শরণখোলায় আজ হানাদার মুক্ত দিবস: মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথায় গর্বের দিন

    শরণখোলায় আজ হানাদার মুক্ত দিবস: মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথায় গর্বের দিন

    মোঃ শাহাদাত হোসাইন, (শরণখোলা) বাগেরহাট: ১৮ ডিসেম্বর বাগেরহাটের শরণখোলা হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে দেশ স্বাধীন হলেও ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব সেক্টরের এই শরণখোলা ছিল হানাদার বাহিনীর দখলে। তৎকালিন থানা সদর রায়েন্দা বাজারে মুক্তিবাহিনী এবং রাজাকারদের মধ্যে সম্মুখযুদ্ধ তখনও চলে। ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিন সম্মুখযুদ্ধে রাজাকারের বুলেটে শহীদ হন – টিপু সুলতান, আসাদুজ্জামান, আলাউদ্দিন,গুরুপদ ও আলতাফ হোসেনসহ পাঁচ বীর যোদ্ধা।
    ১৮ ডিসেম্বর পুরোপৃুরি ভাবে হানাদার মুক্ত হয় মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টরের শরণখোলার রণাঙ্গন। সকাল ১০টার দিকে থানা ভবনে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করে শরণখোলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে হানাদারমুক্ত ঘোষনা করেন সুন্দরবন সাব সেক্টরের কমান্ডার মেজর (অব.) জিয়া উদ্দিন আহমেদ।
    এদিন বিকেল চারটার দিকে রায়েন্দা পাইলট হাই স্কুল মাঠে চার শহীদের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে রায়েন্দার আরকেডিএস বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সমাহিত করা হয় চার শহীদকে। প্রথম শহীদ গুরুপদকে সমাহিত করা হয় সুন্দরবন সংগ্ন সাউথখালী ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের পানিরঘাট এলাকায়।
    সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারীদের তথ্যমতে, শেষ মুহুর্তে হানাদার বাহিনী নাছির উদ্দিন আকনের রায়েন্দা বাজারস্থ বাসভবন দখল করে। এটিই ছিল রাজাকারদের প্রধান ক্যাম্প। এছাড়া থানা ভবন ও রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন দখল করে আরো দুটি ক্যাম্প স্থাপন করে শত্রু বাহিনী।
    শরণখোলাকে হানাদার মুক্ত করতে দীর্ঘ ৯ মাসের সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের নেতৃত্বে ছিলেন সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল আলম তালুকদার।
    রায়েন্দা বাজারের শেষ যুদ্ধে পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চল নামে দুটি দল গঠন করা হয়। পূর্বাঞ্চল দলের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন যুদ্ধকালীন ইয়াং অফিসার ও স্টুডেন্ট ক্যাম্প কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিন বদশা এবং পশ্চিমাঞ্চল দলের কমান্ডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন মোরেলগঞ্জের আব্দুল গফ্ফার সুবেদার।
    এই দুটি দলের আট শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা রায়েন্দা বাজারের রাজাকারদের তিনটি ক্যাম্পে আক্রমণ করেন।
    পূর্বাঞ্চল দলের কমান্ডিং অফিসার বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত উদ্দিন বাদশা বলেন, আমরা ১৪ ডিসেম্বর দুপুর ১টা ৪৫মিনিটের সময় ফায়ার শুরু করি। রামপালের সহযোদ্ধা শ্যামল ছিলেন এলএমজির কভারিং ফায়ারের দায়িত্বে। শ্যামল ওপর থেকে রাজাকার ক্যাম্প লক্ষ্যকরে ফায়ার করতে থাকেন। আর অগ্রবর্তি দলের ২০-২৫ জন যোদ্ধা নাছির উদ্দিন আকনের বাসভবনের রাজাকার ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হন। প্রথম দিন (১৪ ডিসেম্বর) যুদ্ধ শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিটের মাথায় রাজাকারের বুলেটে শহীদ হন গুরুপদ। গুলিতে তার মাথার খুলি উড়ে যায়। এদিন বিকেল চারটা থেকে সাড়ে চারটার মধ্যে শহীদ হন টিপু সুলতান ও আসাদুজ্জামান। রাতে শহীদ হন আলাউদ্দিন। ১৫ ডিসেম্বর সকালে শহীদ হন আলতাফ হোসেন। ওইদিন থানা ভবন ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের রাজাকার ক্যাম্প দখলে নেই আমরা।
    হেমায়েত উদ্দিন বাদশা আরো বলেন, ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর আক্রমণ চালাই নাছির উদ্দিনের বাসভবনের প্রধান ক্যম্পে। এসময় দিন-রাত সমানতালে ওই ক্যাম্পে মটার শেল ও গুলি বর্ষণ করি। পাল্টা গুলি চালায় রাজাকাররাও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুক্তিবাহিনীর গুলির মুখে নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে ১৭ ডিসেম্বর রাতেই বেশিরভাগ রাজাকার ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যায়। ক্যাম্পসংলগ্ন রায়েন্দা খালের সঙ্গে সংযুক্ত প্রায় ১০০ ফুট দীর্ঘ গোপন সুড়ঙ্গ পথে পালিয়ে যায় তারা। এর পর ১৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টা পর্যন্ত কোনো পাল্টা আক্রমণ না আসায় ক্যাম্পে ঢুকে যায় মুক্তিবাহিনী। সেখানে ১৭-১৮ জন রাজাকারকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া য়ায়।
  • পুকুরের পানিতে মিলল নিথর দেহ, শরণখোলায় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

    পুকুরের পানিতে মিলল নিথর দেহ, শরণখোলায় যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য

    এবিএনএ(শরণখোলা) বাগেরহাট: শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের রতিয়া রাজাপুর গ্রামে সাব্বির হাওলাদার (২৫) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের রতিয়া রাজাপুর গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সাব্বির হাওলাদার রতিয়া রাজাপুর গ্রামের ইউনূস হাওলাদারের ছেলে।

    নিহতের বাবা ইউনূস হাওলাদার বলেন, সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সাব্বির চা খাওয়ার জন্য দোকানে যায়। পরবর্তীতে আর বাড়িতে ফিরে না আসলে অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সকালে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে জুতা দেখে পুকুরে নেমে খোঁজা করা হলে সাব্বিরের মরদেহ পাওয়া যায়। পূর্ব শত্রুতার কারণে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেন নিহত সাব্বিরের বাবা। তিনি অপরাধীদের শনাক্ত করে বিচারের দাবী জানান।

    নিহত সাব্বিরের পরিবার থেকে জানা যায়, ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে পুর্বশত্রুতার জেরে সাব্বিরকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। নিহত সাব্বিরকে বছর খানেক পূর্বে বাড়ির সামনে বসেই মারাত্মক জখম করে অভিযুক্ত প্রতিবেশী। পরিবারের সদস্যদের দাবি যে অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তাতে স্পষ্ট যে সাব্বিরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে উক্ত ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানায়।

    শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শামিনুল হক বলেন, সকালে খবর পেয়ে শরণখোলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদনে প্রকৃত কারন জানার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।