Tag: লিটন দাস

  • হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন ভেঙে ধস, পাকিস্তানের কাছে ৭৪ রানে হার টাইগারদের

    হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন ভেঙে ধস, পাকিস্তানের কাছে ৭৪ রানে হার টাইগারদের

    এবিএনএ: সিরিজ জয় নিশ্চিতের পর তৃতীয় ও শেষ টি-২০ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে মাঠে নামে বাংলাদেশ। তবে পাঁচটি পরিবর্তন করে একাদশে ‘নতুনত্ব’ আনতেই ঘটে যায় বিপর্যয়। ব্যাটিং লাইনআপ মুখ থুবড়ে পড়ে মাত্র ১৬.৪ ওভারে ১০৪ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

    বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নেন অধিনায়ক লিটন দাস। তবে নতুন বলের সুবিধা নিতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের বোলাররা। পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি শাহিবজাদা ফারহান ও সাঈম আইয়ূব মিলে যোগ করেন ৮২ রান। ফারহান ৪১ বলে ৬৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা মারেন। সাঈম করেন ১৫ বলে ২১ রান।

    শুরুটা জমকালো করেই পাকিস্তান তুলে ফেলে ২০ ওভারে ১৭৮ রান। মাঝের ওভারগুলোয় হাসান নওয়াজ ১৭ বলে ৩৩ এবং মোহাম্মদ নওয়াজ ১৬ বলে ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন।

    বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ, যিনি ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। তবে অন্য বোলাররা ছিলেন মার খাওয়া অবস্থায়—তাসকিন ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট, শরিফুল ৩৯ রানে ১ উইকেট, সাইফউদ্দিন ১ উইকেট পেলেও রান দেন ২৮।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওপেনার তানজিদ তামিম পেছনে ক্যাচ দেন, পরের ওভারে বিদায় নেন লিটন দাস (৮ বলে ৮)। এরপর একে একে সাজঘরে ফেরেন মেহেদী মিরাজ (১০), জাকের আলী (১), শেখ মেহেদি (০)। স্কোরবোর্ডে তখন মাত্র ২৫ রান, উইকেট ৫টি পড়ে গেছে।

    নাঈম শেখও দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হন, ১৭ বলে করেন মাত্র ১০ রান। শেষ দিকে সাইফউদ্দিন কিছুটা লড়াই করে ৩৪ বলে ৩৫ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন, মেরে দেন ২টি চার ও ২টি ছক্কা। তবে তা যথেষ্ট ছিল না পরাজয় এড়াতে।

    পাকিস্তানের বোলিং ছিল ধারালো—সালমান মির্জা ৪ ওভারে ৩ উইকেট (২০ রান), ফাহিম আশরাফ ২ ওভারে ২ উইকেট, মোহাম্মদ নওয়াজ ১.৪ ওভারে ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন।

    এই হারে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে শেষ করল বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, সেটি ভেঙে শেষ হলো বড় ব্যবধানে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে।

  • মিরপুরে ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

    মিরপুরে ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

    এবিএনএ: ২০১৬ সালের পর প্রথমবারের মতো আবারও পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে হারানোর গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারিয়েছে টাইগাররা।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে একের পর এক উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১০ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট হাতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫ ওভার ৩ বলে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের ইনিংসে শুরুটা ভাল না হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন পারভেজ ইমন ও তাওহিদ হৃদয়। দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি গড়ে দেন তাঁরা। হৃদয় ৩৬ রান করে ফিরলেও ইমন করেন অপরাজিত ৫৬ রান। তাকে সঙ্গ দেন জাকের আলি, যিনি ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

    এর আগে, মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন এবং গড়েন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে কম রান খরচ করে বোলিংয়ের রেকর্ড। তাসকিন আহমেদ ২২ রানে পান ৩ উইকেট।

    পাকিস্তানের হয়ে ফখর জামান একমাত্র উজ্জ্বল ছিলেন, তিনি ৪৬ রান করলেও রান আউট হয়ে যান। বাকি ব্যাটাররা একে একে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে।

    বাংলাদেশের এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জয় নয়, বরং এটি আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেওয়ার মতো বড় এক সাফল্য। দীর্ঘ ৯ বছর পর পাকিস্তানকে হারানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যেন আবারও টি-টোয়েন্টি মর্যাদার জায়গায় ফিরে আসার বার্তা দিল।

    ক্রিকেটবিশ্লেষকদের মতে, এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে। সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এটি একটি শক্ত ভিত তৈরি করল টাইগাররা।

  • লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    এবিএনএ: ডাম্বুলার রাঙগিরি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে একেবারে গুড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা ভুলে লঙ্কানদের ৯৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এর ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে সফরকারীরা।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা হতাশাজনক হলেও, লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দল। উদ্বোধনী দুই ব্যাটার পারভেজ ইমন (০) ও তানজিদ তামিম (৫) দ্রুত আউট হলেও, তৃতীয় উইকেটে ৬৯ রানের জুটি গড়েন লিটন-হৃদয়। হৃদয় ২৫ বলে করেন ৩১ রান, যার মধ্যে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা।

    অফ ফর্ম কাটিয়ে ফিরে আসা লিটন দাস তুলে নেন ঝকঝকে এক অর্ধশতক। তার ৫০ বলে ৭৬ রানের ইনিংসে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও একটি চার। অপরদিকে শামীম হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৪৮ রান, যার মধ্যে পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চার ছিল। এই দুই ইনিংসেই বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ, স্কোর দাঁড়ায় ১৭৮ রান।

    লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। মাত্র ৩০ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারায় দলটি। ওপেনার কুশল মেন্ডিস (৮) রানআউট হন। কুশল পেরেরা (০), আভিস্কা ফার্নান্দো (২) ও আশালঙ্কা (৫) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন।

    তবুও একমাত্র ওপেনার নিশাঙ্কা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে তিনিও ফেরেন ২৯ বলে ৩২ রান করে। এরপর দাশুন শানাকার ২০ রানের ইনিংসটি ছিল লঙ্কানদের শেষ প্রতিরোধ।

    বাংলাদেশি বোলারদের দাপটে শতরানও ছুঁতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। শরিফুল ইসলাম মাত্র ১২ রান খরচায় দুই উইকেট নেন, রিশাদ হোসেন ৩.২ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট, সাইফউদ্দিন ২১ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। মুস্তাফিজ ও মেহেদী হাসান মিরাজও একটি করে উইকেট দখল করেন।

    তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুলাই, একই ভেন্যুতে।

  • টস হারলেও শুরুতেই ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুস্তাফিজ ও জাকের! চমক নাঈম-সাইফউদ্দিন

    টস হারলেও শুরুতেই ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুস্তাফিজ ও জাকের! চমক নাঈম-সাইফউদ্দিন

    এবিএনএ: টেস্টে শান্ত, ওয়ানডেতে মিরাজ—দুই সিরিজেই হারের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ। এবার টি-২০ ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব লিটন দাসের কাঁধে। তবে পাল্লেকেলেতে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই টসের সময় ভাগ্য সহায় হয়নি লিটনের, জিতেছে শ্রীলঙ্কা, আর বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে আগে ব্যাট করার আমন্ত্রণ।

    এই ম্যাচের একাদশে রয়েছে বেশ কিছু চমক। অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও মিডল অর্ডার ব্যাটার জাকের আলী একাদশের বাইরে। পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন নাঈম শেখ ও অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

    বাংলাদেশ এদিন চার অলরাউন্ডার নিয়ে মাঠে নেমেছে—শামীম পাটোয়ারি, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিম সাকিব ও লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। ওপেনিংয়ে খেলছেন তানজিদ তামিম, পারভেজ ইমন, লিটন দাস ও ফিরতি ম্যাচে সুযোগ পাওয়া নাঈম শেখ। মিডল অর্ডারে থাকছেন তাওহীদ হৃদয়।

    শ্রীলঙ্কা তাদের দলে এনেছে কিছু পরিবর্তন। ইনজুরির কারণে দলের বাইরে থাকা ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার স্থানে জায়গা পেয়েছেন স্পিনার জেফরি ভ্যান্ডারসে। আবার একাদশে ফিরেছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দাশুন শানাকা। তবে পেস আক্রমণে মাথিশা পাথিরানার অনুপস্থিতি লক্ষণীয়।

    🔹 বাংলাদেশ একাদশ:
    তানজিদ তামিম, পারভেজ ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারি, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রিশাদ হোসেন, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ।

    🔹 শ্রীলঙ্কার একাদশ:
    পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কুশল পেরেরা, আভিস্কা ফার্নান্দো, চারিথ আশালঙ্কা, দাশুন শানাকা, চামিকা করুনারত্নে, জেফরি ভ্যান্ডারসে, মহেশ থিকসানা, নুয়ান থুসারা, বিনোরা ফার্নান্দো।

    এই ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে টি-২০ সিরিজের উত্তাপ। পরিবর্তিত একাদশের বাজি কতটা কাজে আসে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

  • অপরিণত ব্যাটিংয়ে প্রথমদিনেই চাপে বাংলাদেশ, লঙ্কানদের হাতে ম্যাচের রাশ

    অপরিণত ব্যাটিংয়ে প্রথমদিনেই চাপে বাংলাদেশ, লঙ্কানদের হাতে ম্যাচের রাশ

    এবিএনএ: বাংলাদেশের টেস্ট ব্যাটিং দুর্বলতা যেন পুরনো ব্যাধির মতো ফিরে আসে বারবার। কলম্বো টেস্টেও তার ব্যতিক্রম হলো না। প্রথম দিনে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও একের পর এক দায়িত্বহীন শটে সাজঘরে ফিরেছেন ব্যাটাররা। ফলাফল—বৃষ্টিতে কমে আসা দিনে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ মাত্র ২২০ রান।

    টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের শুরু থেকেই হোঁচট খাওয়া শুরু। এনামুল হক বিজয় দশ বল খেলেও রানে খাতা খুলতে ব্যর্থ হন। দু’বার জীবন পেয়েও ‘প্লেড অন’ হয়ে ফেরেন তিনি। গল টেস্টেও প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে ফেরার পরেও তাকে সুযোগ দেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে নির্বাচকদের কৌশল নিয়ে।

    দ্বিতীয় উইকেটে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক সামান্য প্রতিরোধ গড়লেও সেটি ভেঙে যায় পার্ট টাইম স্পিনার ধনাঞ্জয়ার হাতে। এরপর শান্ত ও সাদমান দুই রানের ব্যবধানে আউট হয়ে মধ্যাহ্নভোজ পরবর্তী সময়ে চাপ বাড়িয়ে দেন। সাদমান তুলনামূলক ভালো ব্যাটিং করলেও ৪৬ রান করে তিনিও বিদায় নেন।

    সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। তাদের ব্যাটে আসে ৬৭ রান। কিন্তু মুশফিক সুইপ শটে ৩৫ রানে আর লিটন ৩৪ রানে বাজে শটে আউট হন। এই দুই উইকেট পতনেই ভেঙে পড়ে দলের মনোবল।

    শেষ দিকে মেহেদী মিরাজ ওয়ানডে ধাঁচে ব্যাট চালাতে গিয়ে ৩১ রানে ফিরলে হতাশা আরও বাড়ে। ব্যাট ছুঁড়ে নিজের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিরাজ, যা তার আত্মগ্লানিরই বহিঃপ্রকাশ। তবে নাঈম হাসানের ২৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে দুইশ’ পেরোয় দল।

    লঙ্কানদের হয়ে সেরা ছিলেন অভিষিক্ত সুনীল দিনুশা, যিনি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন মুশফিক ও লিটনের। এছাড়া ফার্নান্দো-দ্বয়ের পেস জুটি এবং ধনাঞ্জয়া-থারিন্ডুর স্পিন আক্রমণ ছিল কার্যকর।

    বৃষ্টির কারণে খেলা থেমে থাকায় দ্বিতীয় দিন ম্যাচ শুরু হবে নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে। বাংলাদেশ দল এখন দ্বিতীয় দিনের দিকে তাকিয়ে, যেখানে তাদের বোলারদের দায়িত্ব নিতে হবে লঙ্কানদের চাপের মুখে ফেলার জন্য।

  • হোয়াইটওয়াশ এড়াতে গর্জে উঠল টাইগাররা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝলমলে ব্যাটিংয়ে ১৯৬ রান

    হোয়াইটওয়াশ এড়াতে গর্জে উঠল টাইগাররা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝলমলে ব্যাটিংয়ে ১৯৬ রান

    এবিএনএ:

    পাকিস্তানের মাঠে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে আজ মরিয়া হয়ে নামে বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়েছে টাইগাররা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ শুরু থেকেই দেখিয়েছে আক্রমণাত্মক মনোভাব।

    প্রথম দুই ম্যাচে হেরে সিরিজ আগেই হারিয়েছে লাল-সবুজের দল। আজকের ম্যাচ ছিল সম্মান রক্ষার লড়াই। এমন পরিস্থিতিতে দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। পাওয়ার প্লেতে আসে ৫৩ রান। ইমন মাত্র ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, এবং একাদশ ওভারের শুরুতে বিশাল ছক্কায় দলীয় স্কোর নিয়ে যান তিন অঙ্কে।

    উদ্বোধনী জুটিতে তামিম-ইমন যোগ করেন ১১০ রান। এরপর তামিম ৩২ বলে ৪২ রান করে আউট হলে ভাঙে প্রথম উইকেট। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইমনও ফিরে যান শাদাব খানের বলে ক্যাচ দিয়ে। তিনি করেন ৩৪ বলে ৬৬ রান, যেখানে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা।

    তৃতীয় উইকেটে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। তবে অধিনায়ক লিটন ১৮ বলে ২২ রান করে বোল্ড হন হাসান আলীর বলে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও, ব্যাটাররা থামেননি।

    শেষ দিকে আফিফ হোসেন, হৃদয় ও জাকির হাসানের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ পৌঁছে যায় ১৯৬ রানের সংগ্রহে। প্রতিপক্ষের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য এখন ১৯৭।

     

    টাইগারদের এ পারফরম্যান্স দলীয় আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি, ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে আশার আলো জ্বালিয়েছে। এখন দেখার পালা, এই সংগ্রহ রক্ষা করতে কতটা সফল হয় বাংলাদেশের বোলাররা।