Tag: লিটন দাস

  • তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    এবিএনএ: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তবে অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম একপ্রান্ত সামলে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯৬ রান। বাবর আজম ৩৭ এবং সালমান আলি আগা ৬ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের তুলনায় এখনও ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

    দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর পর থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। খুব দ্রুতই সেই চাপের ফল পেতে শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। উইকেটের পেছনে দারুণ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ৯ রান করে বিদায় নেন তরুণ এই ব্যাটার।

    এরপর আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি তাসকিন। দেরিতে সুইং করা বলে ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট লেগে থাকা মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান এদিন করেন ১৩ রান।

    দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম। তবে এই জুটিও বড় হতে দেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। ২১ রান করা মাসুদ কাভার অঞ্চলে খেলতে গিয়ে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

    এরপর ক্রিজে আসা সৌদ শাকিলও মিরাজের ঘূর্ণিতে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চাপ কাটাতে সুইপ খেলতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লেগে আকাশে উঠে যায়, আর সহজ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ২৮ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

    ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানকে সামাল দেওয়ার দায়িত্ব নেন বাবর আজম ও সালমান আলি আগা। বিশেষ করে বাবর ধৈর্য ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে সিঙ্গেল-ডাবল আর বাউন্ডারিতে স্কোরবোর্ড সচল রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের বোলাররা যদিও এখনও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছেন।

  • সাইফ–হৃদয়ের লড়াই বৃথা, শেষ দিকে ব্যাটিং ধসে নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হতাশাজনক হার

    সাইফ–হৃদয়ের লড়াই বৃথা, শেষ দিকে ব্যাটিং ধসে নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হতাশাজনক হার

    এবিএনএ: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের দোরগোড়ায় গিয়েও শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ২৬ রানের হার মেনেছে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়ের দুটি দায়িত্বশীল ফিফটি ম্যাচে আশা জাগালেও শেষদিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ছন্দ হারায় স্বাগতিকরা।

    এর আগে ব্যাট করতে নেমে হেনরি নিকলস ও ডিন ফক্সক্রফটের অর্ধশতকে ভর করে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ২১ রানেই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

    এরপর সাইফ হাসান ও লিটন দাস জুটি গড়ে ইনিংস মেরামত করেন। তাদের ৯৩ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। সাইফ ফিফটি স্পর্শ করলেও কিছুটা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আউট হন লিটন। এরপর তাওহীদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন।

    দুজনের ৫২ রানের জুটি ভাঙতেই ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। ৪১তম ওভারে আফিফ হোসেনকে ফেরান ব্লেয়ার টিকনার। তখনও বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল ছিল—৫৭ বলে দরকার ছিল ৬৪ রান, হাতে পাঁচ উইকেট।

    কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় ধস। টিকনারের আক্রমণে দ্রুত বিদায় নেন মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। শেষ দিকে চার ওভারে ৩৫ রান দরকার থাকলেও চাপ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ।

    শেষ জুটিতে তাওহীদ হৃদয় ছক্কা মেরে ৫৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। তবে ম্যাচ শেষ করার আগেই ৪৯তম ওভারে ক্যাচ হয়ে ফিরতে হয় তাকে। ৬০ বলে ৫৫ রানের ইনিংসে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা।

    বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৩৭ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানে অলআউট হয়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্লেয়ার টিকনার ১০ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। স্মিথ তিন উইকেট নিয়ে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

  • শততম টেস্টে সেঞ্চুরি ছোঁয়ার এক ধাপ দূরে মুশফিক, অপেক্ষায় পুরো বাংলাদেশ

    শততম টেস্টে সেঞ্চুরি ছোঁয়ার এক ধাপ দূরে মুশফিক, অপেক্ষায় পুরো বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম আজ তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবনের এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে। দুই দশকের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে অসংখ্য রেকর্ডের জন্ম দেওয়া এই তারকা ক্রিকেটার বুধবার (১৯ নভেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলছেন তার শততম টেস্ট ম্যাচ। আর এই ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রান দূরে থেকে দিন শেষ করলেন তিনি।

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে অসাধারণ ব্যাটিং করে মুশফিক অপরাজিত ছিলেন ৯৯ রানে। দিনের শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২৯২ রান। অপর প্রান্তে লিটন দাসও ছিলেন ধৈর্য ধরে খেলা, তিনি অপরাজিত আছেন ৪৭ রানে।

    ম্যাচ শুরুর আগে শততম টেস্ট উপলক্ষে মুশফিককে সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয় বিশেষ সংবর্ধনার। তার প্রথম টেস্টের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার পরিয়ে দেন স্মরণীয় এই বিশেষ ক্যাপ। এছাড়া স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ক্যাপ ক্যাসকেট তুলে দেন দেশের প্রথম টেস্ট ক্যাপধারী আকরাম খান। বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও তাকে সম্মাননা হিসেবে একটি ক্রেস্ট উপহার দেন।

    মুশফিক শুরু থেকেই খেলে গেছেন ধৈর্য আর কৌশলে। উইকেটে সময় নিয়ে সেট হয়ে দৃষ্টি রাখেন সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু খেলার শেষ বলের আগে যখন স্কোরবোর্ডে তার নামের পাশে ওঠে ৯৯ রান, তখন থেমে যায় দিনের খেলা। তাই শততম টেস্টে সেঞ্চুরি স্পর্শের জন্য অপেক্ষা এখন পুরো রাত জুড়ে।

    এদিন বাংলাদেশের হয়ে লিটন দাসও ব্যাট হাতে ভালো শুরু করলেও হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারেননি। আয়ারল্যান্ডের পেসার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের চারটি উইকেট।

    মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ টেস্ট খেলার গৌরব অর্জন করেছেন। আর বিশ্ব ক্রিকেটে তিনি এই মাইলফলকে পৌঁছানো ৮৪তম ক্রিকেটার। আগামী দিনের খেলা হবে তার জন্য রেকর্ড আর আবেগের এক অনন্য ক্ষেত্র।

  • বাংলাদেশ দলে নেতৃত্বের নতুন কাঠামো: তিন ফরম্যাটে তিন সহঅধিনায়ক, বিসিবির চমকপ্রদ ঘোষণা

    বাংলাদেশ দলে নেতৃত্বের নতুন কাঠামো: তিন ফরম্যাটে তিন সহঅধিনায়ক, বিসিবির চমকপ্রদ ঘোষণা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে নেতৃত্বের নতুন কাঠামো ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগেই তিন ফরম্যাটের জন্য তিনজন অধিনায়ক ঠিক করা হয়েছিল। এবার সেই নেতৃত্বকে আরও দৃঢ় করতে প্রতিটি ফরম্যাটে আলাদা সহঅধিনায়কের নাম ঘোষণা করেছে বোর্ড।

    টেস্ট দলে সহঅধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তরুণ এই অলরাউন্ডার দীর্ঘদিন ধরেই দলের অন্যতম ভরসার নাম। সম্প্রতি শান্তকে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে পুনর্বহাল করার পর মিরাজকে তার সহকারী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ২০২৭ সালের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্র পর্যন্ত তারা একসঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

    ওয়ানডে ফরম্যাটে অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাবেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা সফর ছিল সফল। সেই ধারাবাহিকতায় তার ডেপুটি হিসেবে হয়েছেন নেতৃত্ব হারানো নাজমুল হোসেন শান্ত। শান্তকে এবার ওয়ানডের সহঅধিনায়ক হিসেবে নতুন ভুমিকায় দেখা যাবে।

    অন্যদিকে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য টি–২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টি–২০ দলের অধিনায়ক থাকবেন লিটন দাস। তাকে সহায়তা করতে সহঅধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আলোচিত তরুণ ব্যাটার সাইফ হাসান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি–২০ সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্সের পর ওয়ানডে অভিষেকেই সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে তারকা হয়ে ওঠেন সাইফ। এবার পেয়েছেন বড় দায়িত্ব।

    বিসিবি মনে করছে, নতুন এই নেতৃত্ব কাঠামো তরুণদের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ যেমন দেবে, তেমনি ভবিষ্যতের নেতৃত্ব প্রস্তুত করতেও সহায়ক হবে। দেশের ক্রিকেটে নেতৃত্বের স্থিতিশীলতা তৈরিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ক্রিকেটপ্রেমীদের আশাবাদ, নতুন এই নেতৃত্ব বিন্যাস বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

  • চট্টগ্রামে ধস, হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে ব্যর্থ বাংলাদেশ

    চট্টগ্রামে ধস, হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে ব্যর্থ বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  চট্টগ্রামের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে পারল না বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৫ উইকেটের ব্যবধানে হার মেনে নিতে হয়েছে লাল-সবুজের দলকে।

    প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে তোলে ১৫১ রান। ব্যাট হাতে একাই লড়েছেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তার ঝড়ো ৮৯ রানের ইনিংস দলকে লড়াইয়ে রাখলেও অন্য প্রান্তে ব্যর্থ ছিলেন সবাই। সাইফ হাসান ২৩ রান করলেও বাকিদের ব্যাট ছিল নীরব।

    জবাবে রোস্টন চেজ (৫৭) ও আকিম অগাস্তে (অপরাজিত ৫২) সহজেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ১৬.৫ ওভারে। ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই সম্পূর্ণ আধিপত্য ছিল সফরকারীদের।

    বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তিনি ৪ ওভারে ৪৩ রান খরচায় নেন ৩টি উইকেট। কিন্তু তার লড়াইও জয়ের মুখ দেখাতে পারেনি দলকে।

    ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। পারভেজ ইমন দ্রুত আউট হয়ে ফিরলে চাপ বাড়ে ওপরে। অধিনায়ক লিটন দাসও ব্যর্থ—৯ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তানজিদ ও সাইফের ৬৩ রানের জুটি কিছুটা আশার আলো দেখালেও, মাঝ ও শেষের ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় ইনিংস ভেঙে পড়ে।

    একপ্রান্তে অবিচল তানজিদ তুলে নেন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস। ৩৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পথে তিনি টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ১০০০ রান পূর্ণ করেন মাত্র ৪২ ইনিংসে। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় গিয়ে ৮৯ রানে আউট হন রোমারিও শেফার্ডের বলে।

    শেষদিকে শরিফুল, রিশাদ, সোহান ও নাসুমের দ্রুত বিদায়ে বড় স্কোর গড়া সম্ভব হয়নি। তাসকিন আহমেদের শেষ ওভারে একটি ছক্কায় স্কোর ১৫১ রানে থামে।

    বোলিংয়ে আলো ছড়ান ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড। তিনি হ্যাটট্রিকসহ ৩ উইকেট নেন এবং টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইতিহাসে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক বোলার হিসেবে নাম লেখান। এছাড়া পিয়েরে ও হোল্ডার নেন ২টি করে উইকেট, আকিল হোসেন ও রোস্টন চেজ নেন ১টি করে।

    বাংলাদেশের জন্য এই হার কেবল আরেকটি পরাজয় নয়, বরং ধারাবাহিক ব্যাটিং ব্যর্থতার প্রতিফলন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে লড়াই করেও জয় পাওয়া সম্ভব হয়নি—তানজিদের একার প্রচেষ্টা যেন হারিয়ে গেছে দলের ভুলে ভরা পারফরম্যান্সে।

  • ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    ফাইনালের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং

    এবিএনএ: এশিয়া কাপে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। জয়ী দল ফাইনালে খেলবে ভারতের সঙ্গে, আর হার মানেই বিদায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জাকের আলী। তবে ইনজুরির কারণে আবারও দলে নেই লিটন দাস।

    ভারতের বিপক্ষে না খেলা তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে। মূলত এই ম্যাচকে সামনে রেখেই তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী। বাদ পড়েছেন ওপেনার তানজিদ তামিম, স্পিনার নাসুম আহমেদ এবং পেসার সাইফউদ্দিন। তাদের জায়গায় নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদী ও তাসকিন আহমেদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তান অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই মাঠে নামছে।

    ভারত ইতিমধ্যেই দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। শ্রীলঙ্কা দুই ম্যাচ হেরে বিদায় নিয়েছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুদলই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে, তাই আজকের জয়ী দল ফাইনালে জায়গা করে নেবে।

    বাংলাদেশের একাদশ: সাইফ হাসান, পারভেজ ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, শেখ মাহেদী, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।

    পাকিস্তানের একাদশ: শাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সাইম আইয়ূব, সালমান আঘা, হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস, মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ।

  • এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপে আফগানিস্তানকে হারিয়ে সুপার ফোরে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই পর্বে লাল-সবুজের প্রথম প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। শনিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচের টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অধিনায়ক লিটন দাস।

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। জায়গা পাননি উইকেটকিপার ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান ও লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। পরিবর্তে দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান ও বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছে। দলের হয়ে খেলছেন দুনিথ ভেল্লালাগে, যিনি আফগানিস্তান ম্যাচ শেষে বাবার মৃত্যুর সংবাদ পান।

    টস-পরবর্তী মন্তব্যে লিটন দাস বলেন, “প্রথম রাউন্ডে দেখেছি, যে দল পরে ব্যাট করেছে তারাই জিতেছে। তাই ফিল্ডিং নেওয়াই সঠিক মনে হয়েছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী এবং সবাই দারুণ করছে।”

    শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা জানান, “টসে জিতলে আমরাও ফিল্ডিং নিতাম। তবে এখন ব্যাটিং করতে হচ্ছে। উইকেট কিছুটা ব্যবহৃত, তবে ব্যাটিংয়ের জন্য সুবিধাজনক হবে।”

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী, শামীম হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

    শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কামিল মিশারা, কুশল পেরেরা, চারিথ আসালাঙ্কা, কামিন্দু মেন্ডিস, দাসুন শানাকা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুশমন্ত চামিরা, নুয়ান থুসারা, দুনিথ ভেল্লালাগে।

  • বাংলাদেশের লড়াকু ব্যাটিং, আফগানিস্তানের সামনে ১৫৫ রানের টার্গেট

    বাংলাদেশের লড়াকু ব্যাটিং, আফগানিস্তানের সামনে ১৫৫ রানের টার্গেট

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপে সুপার ফোরের আশা জিইয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে লড়াই করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে ১৫৪ রান, ফলে আফগানিস্তানকে জয়ের জন্য ১৫৫ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের ইনিংসে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তরুণ ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তিনি খেলেন ৫২ রানের দারুণ এক ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে, যিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রান যোগ করেন।

    এই ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে আনা হয় চারটি পরিবর্তন। ওপেনার পারভেজ ইমনকে বাদ দিয়ে দলে সুযোগ পান সাইফ হাসান। বোলিংয়ে শরিফুল ইসলামের জায়গায় ফেরেন তাসকিন আহমেদ। স্পিন আক্রমণে পরিবর্তন এনে বাঁহাতি নাসুম আহমেদকে নামানো হয়, তিনি জায়গা নেন শেখ মাহেদীর পরিবর্তে। পাশাপাশি দলে ফেরেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান, বাদ পড়েন তানজিম সাকিব।

    বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), তাওহিদ হৃদয়, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

    আফগানিস্তান একাদশ: রহমানুল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), সেদিকুল্লাহ অটল, ইবরাহিম জাদরান, গুলবাদিন নাইব, করিম জানাত, আজহমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান (অধিনায়ক), নুর আহমাদ, এএম গজনফার, ফজলহক ফারুকি।

    এখন আফগানিস্তানকে জিততে হলে করতে হবে ১৫৫ রান। ম্যাচটি উভয় দলের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জয়ী দলই টিকে থাকবে সুপার ফোরের দৌড়ে।

  • এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এশিয়া কাপে দুর্দান্ত শুরু: হংকংকে প্রথম আঘাত দিলেন তাসকিন

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপের টি-২০ আসরে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। হংকংয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বোলিং নেয় লিটন দাসের দল। সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাফল্য এনে দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি আউট করেন হংকং ওপেনার আংশুমান রাঠকে, যিনি মাত্র ৪ রান যোগ করতে সক্ষম হন।

    দুই ওভার শেষে হংকংয়ের সংগ্রহ ১৩ রান, হাতে ১ উইকেট গেছে। ক্রিজে আছেন জিসান আলী ও বাবর হায়াত।

    টস জয়ের পর লিটন দাস জানান, উইকেটের আচরণ পরিষ্কার না হওয়ায় শুরুতে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একাদশে তিন পেসার—তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও তানজিম সাকিব এবং স্পিন বিভাগে রয়েছেন রিশাদ হোসেন ও অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী।

    বাংলাদেশ একাদশে আছেন পারভেজ ইমন, তানজিদ তামিম, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারি, জাকের আলী, শেখ মাহেদী, রিশাদ হোসেন, তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।

    অন্যদিকে, হংকং একাদশে খেলছেন জিসান আলী, আংশুমান রাঠ, বাবর হায়াত, নিজাকাত খান, কালহান ছাল্লু, কিঞ্চিত শাহ, ইয়াসিম মর্তুজা, আইজাজ খান, এসান খান, আয়ূশ শুকলা ও আতিক ইকবাল।

  • এশিয়া কাপ অভিযানে টাইগাররা: রোববার উড়াল, প্রথম ম্যাচ হংকংয়ের বিপক্ষে

    এশিয়া কাপ অভিযানে টাইগাররা: রোববার উড়াল, প্রথম ম্যাচ হংকংয়ের বিপক্ষে

    এবিএনএ: সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ টি-২০ ক্রিকেটের জমজমাট আসর। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টের, আর বাংলাদেশ তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১১ সেপ্টেম্বর হংকংয়ের বিপক্ষে।

    রোববার সকালেই দু’দফায় দেশ ছাড়বেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা। বিসিবির দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, প্রথম গ্রুপ সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে এবং দ্বিতীয় গ্রুপ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় উড়াল দেবে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে। সেখানে পৌঁছে শুরু হবে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি এবং নিবিড় অনুশীলন।

    এবারের আসরের আয়োজক ভারত হলেও পাকিস্তান সফরে না যাওয়ায় নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। শুরুতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও এখন সব ঝামেলা কেটে গেছে।

    তবে বাংলাদেশের জন্য এবারের পথ সহজ নয়। লিটন দাসের নেতৃত্বে টানা তিনটি সিরিজ জেতা দলকে এবার গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি হতে হবে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীর। সুপার ফোরে জায়গা করে নিতে হলে এই দুই দলের অন্তত একটি দলকে বিদায় করতে হবে টাইগারদের।

    টাইগার সমর্থকরা আশা করছেন, সাম্প্রতিক ফর্ম ধরে রেখে বাংলাদেশ দল এশিয়া কাপে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলবে এবং নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।