Tag: লন্ডন

  • গুরুতর অসুস্থ ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দোয়া চাইলেন সহশিল্পীরা, আবেগঘন বার্তা মিশার

    গুরুতর অসুস্থ ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দোয়া চাইলেন সহশিল্পীরা, আবেগঘন বার্তা মিশার

    এবিএনএ: বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক ও সামাজিক কর্মী ইলিয়াস কাঞ্চন গুরুতর অসুস্থ। ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত এই অভিনেতা গত ছয় মাস ধরে লন্ডনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সহশিল্পীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

    রোববার বিকেলে রাজধানীর এফডিসিতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির উদ্যোগে এক বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিশা সওদাগর, রোজিনা, আলীরাজ, নানা শাহ, জ্যাকি আলমগীর, জয় চৌধুরী, ডি এ তায়েবসহ অসংখ্য শিল্পী।

    দোয়া মাহফিল শেষে মিশা সওদাগর বলেন,

    “ইলিয়াস কাঞ্চন শুধু আমাদের সিনেমার উজ্জ্বল নক্ষত্র নন, তিনি একজন সমাজসচেতন মানুষ ও আমাদের অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাঁর অসুস্থতার খবর শুনে আমরা খুবই কষ্ট পেয়েছি। আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন, সবাই দোয়া করবেন।”

    মিশা জানান, প্রায় ১০ দিন আগে অভিনেত্রী রোজিনার মাধ্যমে প্রথম ইলিয়াস কাঞ্চনের অসুস্থতার খবর পান তিনি। পরিবারের অনুরোধে তখন বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল। পরে পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে খবর জানালে সমিতির পক্ষ থেকে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ইলিয়াস কাঞ্চন লন্ডনের হার্লি স্ট্রিট ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন। গত আগস্টে উইলিংটন হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়, যেখানে টিউমারের একটি অংশ অপসারণ করা সম্ভব হয়। সম্পূর্ণ টিউমার অপসারণ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বর্তমানে তিনি রেডিয়েশন ও টার্গেট থেরাপি নিচ্ছেন, যা সপ্তাহে পাঁচ দিন করে ছয় সপ্তাহ চলবে। চিকিৎসা শেষে আরও চার সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে।

    ইলিয়াস কাঞ্চনের ছেলে ও নিসচা’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিরাজুল মইন দেশবাসীর কাছে তার বাবার সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

    চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকেই জানিয়েছেন, ইলিয়াস কাঞ্চনের সুস্থতা মানে শুধু এক শিল্পীর বেঁচে থাকা নয়—বরং এক প্রজন্মের আশা ও প্রেরণার পুনর্জাগরণ।

  • চার মাস পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া, ফিরোজায় নেওয়া হবে সরাসরি

    চার মাস পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া, ফিরোজায় নেওয়া হবে সরাসরি

    এবিএনএ:  চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন বাংলাদেশের পথে। সোমবার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো বিশেষ ‘এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে’ তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

    খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন তাঁর সফরসঙ্গীরা, যাদের সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১০ মিনিট) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তাঁর উড়ানটি ছাড়ে।

    এই তথ্য নিশ্চিত করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, খালেদা জিয়া কাতারে এক ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে তাঁকে সরাসরি গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় নিয়ে যাওয়া হবে।

    উল্লেখ্য, খালেদা জিয়া গত ৮ জানুয়ারি রাজকীয় ব্যবস্থাপনায় লন্ডনে গিয়েছিলেন উন্নত চিকিৎসার জন্য। সে সময় তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কাতারের আমির একটি রাজকীয় বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করেন। সেই একই বিমানেই তিনি আবার দেশে ফিরছেন।

  • এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া

    এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া

    এবিএনএ:  চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অবশেষে দেশে ফিরছেন, তবে সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানে নয়—তিনি ফিরছেন কাতারের আমিরের বিশেষভাবে পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে।

    আগামী ৫ মে, সোমবার, তিনি লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।

    প্রাথমিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাধারণ ফ্লাইটে তার ফেরার পরিকল্পনা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। এখন তিনি কাতারের রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরছেন, সঙ্গে থাকবেন তার দুই পুত্রবধূও।

    মির্জা ফখরুল জানান, “বিএনপি চেয়ারপারসনের আগমনে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ কাজ করছে। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে সবাই প্রস্তুত।”

    তাঁর আরামের জন্য এবং ট্রাফিক চাপ এড়াতে বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত রাস্তা এড়িয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, গত চার মাস ধরে বেগম জিয়া যুক্তরাজ্যের এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং পরবর্তীতে তারেক রহমানের বাসায় চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থেকে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

    ভালো পরিবেশ, পরিবারের সান্নিধ্য এবং উন্নত চিকিৎসার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলেও জানান ফখরুল। এ কারণেই তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, “ম্যাডাম সোমবার কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফিরবেন। তবে নির্দিষ্ট সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।”