Tag: রুমিন ফারহানা

  • ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি হবে: সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার

    ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি হবে: সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার

    এবিএনএ:  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনে কারচুপির যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করার দুঃসাহস যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়। এবার জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করতে দেওয়া হবে না।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজের নিরাপত্তা ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ জানিয়ে লিখিত আবেদন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, মাঠে থাকার কথা থাকলেও বাধ্য হয়ে ঢাকায় আসতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।

    তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর নির্বাচনী কর্মীদের ওপর একের পর এক হামলা চালানো হচ্ছে। কর্মীদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, মারধর, এমনকি অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিতে হয়েছে, অথচ এসব ঘটনায় এখনো মামলা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, বড় রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে লড়াই করলেও তিনি ভয় পান না। প্রশাসন নিরপেক্ষ না থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ২০১৮ সালের মতো আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট সবার ওপরই পড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও জানান, দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অবহিত করবেন। এ প্রসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের কথাও উল্লেখ করেন রুমিন ফারহানা।

    ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে দেশের মানুষ বছরের পর বছর সংগ্রাম করেছে। প্রতিকূলতা যতই থাকুক, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

  • নির্বাচনের আগেই প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ, ‘বায়াসড’ অভিযোগে সরব রুমিন ফারহানা

    নির্বাচনের আগেই প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ, ‘বায়াসড’ অভিযোগে সরব রুমিন ফারহানা

    এবিএনএ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ–বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের জবাবে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রশাসন আগেভাগেই পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, তাঁকে যেসব অভিযোগে অভিযুক্ত করা হচ্ছে, সেগুলোর যথাযথ ব্যাখ্যা না শুনেই একাধিকবার শাস্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো কর্মকর্তার প্রতি অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেননি; বরং একটি বক্তব্য বোঝাতে উদাহরণ হিসেবে বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।

    রুমিন ফারহানা বলেন, “যদি প্রশাসন শুরু থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট হয়, তাহলে সেই প্রশাসনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে সম্ভব?” তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা শোকসভা ও সামাজিক অনুষ্ঠানের নামে প্রকাশ্যে সমাবেশ করছে, মাইক ও স্টেজ ব্যবহার করছে, এমনকি খাবারের আয়োজনও করছে—কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

    তিনি আরও জানান, সোমবার সকালে রিটার্নিং অফিসারের কাছে গিয়ে জানতে চেয়েছিলেন—কার বিরুদ্ধে কী পরিমাণ জরিমানা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট উত্তর পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    এদিকে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে রুমিন ফারহানাকে আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ১১টায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাঁর অনুপস্থিতিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শোকজ নোটিশ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা জানান, তিনি বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন এবং নির্ধারিত সময়ে তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে জবাব দেবেন। তিনি দাবি করেন, প্রচার শুরু হওয়ার আগেই এ ধরনের নোটিশ আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    অন্যদিকে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ‘মব’ সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ইসলামাবাদ গ্রামে প্যান্ডেল করে বড় সমাবেশ আয়োজনের সময় আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে জরিমানাও করা হয়।

    তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে রুমিন ফারহানা প্রশাসন, পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে—যার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।

  • রুমিন ফারহানার গ্রেপ্তার দাবি করল এনসিপি, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের হুমকি

    রুমিন ফারহানার গ্রেপ্তার দাবি করল এনসিপি, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের হুমকি

    এবিএনএ: বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির অভিযোগ, আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে রুমিন ফারহানার নেতৃত্বেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

    আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা এ দাবি জানান। এ সময় দলটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ বলেন, “রুমিন ফারহানার নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে, নইলে আমরা সিইসি ও কমিশনারদের পদত্যাগ দাবি করব।”

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ রুমিন ফারহানাকে কড়া সমালোচনা করে বলেন, “তিনি আওয়ামী লীগের মতো সুবিধা ভোগ করেছেন, অথচ এখন গণতন্ত্রের কথা বলেন। আমরা বলছি, সন্ত্রাসী রাজনীতি করলে আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিকেও ভারতে পাঠানো হবে, রুমিন ফারহানারও একই পরিণতি হবে।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, “নির্বাচন কমিশন কিছু দলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীদের প্রবেশে পুলিশ বাধা দিলেও বিএনপিকে মুক্তভাবে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে। কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।”

    এনসিপি স্পষ্ট করে জানায়, তারা কোনো দলমুখী কমিশন নয়, বরং “বাংলাদেশপন্থি নির্বাচন কমিশন” চায়। তাই এই কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে বলে দাবি জানায় দলটি।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া শুনানিতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া শুনানিতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আসন সীমানা পুনর্নির্ধারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের শুনানিতে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। হাতাহাতি ও হট্টগোলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করতে হয় পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের।

    আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। শুনানি শেষে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যেটা ১৫ বছরে হয়নি সেটা আজ হলো। যে দলের জন্য লড়াই করলাম, তারাই আমাকে ধাক্কা দিল। নির্বাচন কমিশনের মতো গুরত্বপূর্ণ জায়গায় এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক।”

    শুনানিতে রুমিন ফারহানা নিজের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরলেও, বিএনপির অপর গ্রুপের নেতারা খসড়ার বিরোধিতা করেন। বিশেষ করে বিজয়নগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে যুক্ত করার বিরোধিতা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চরমে পৌঁছে যায় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

    এ সময় এনসিপির কয়েকজন কর্মীও হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। আহতদের মধ্যে ছিলেন প্রকৌশলী আমিনুল হক চৌধুরী, মুস্তফা সুমন ও আতাউল্লাহ। তাদের দাবি, “আমরা দাবি জানাতে ইসিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু রুমিন ফারহানার লোকজন আমাদের আক্রমণ করেছে।”

    এ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, “ওরা আসলেই এনসিপি কর্মী ছিল, নাকি অন্য কেউ— সেটা আমাদের জানা নেই।”

    শুনানির ভেতরের উত্তেজনার পাশাপাশি বাইরে নির্বাচন ভবনের সামনেও হট্টগোল ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ জলকামান প্রস্তুত রাখে।

    নির্বাচন কমিশনের উপস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনার কারণে আগামী নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।