Tag: রাজনৈতিক সংলাপ

  • গণভোটে নতুন আইন আসলে শুরু হবে প্রস্তুতি: কী বললেন সিইসি

    গণভোটে নতুন আইন আসলে শুরু হবে প্রস্তুতি: কী বললেন সিইসি

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় গণভোট আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনা এলেও, এখনই কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি জানান, গণভোটের জন্য প্রয়োজনীয় আইন বা অধ্যাদেশ জারি হলে তবেই নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কাজ শুরু করতে পারবে।

    বুধবার নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিক সংলাপের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় পর্বের সমাপনী বক্তব্যে সিইসি এ কথা বলেন। তিনি জানান, গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে বারবার প্রশ্ন এলেও, আইন ছাড়া এখন এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা কিংবা সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।

    সংলাপে সিইসির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অন্য চার নির্বাচন কমিশনারসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ও বাসদ মার্কসবাদীসহ ছয়টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় এদিনের সংলাপ। চার দিনে মোট ৪৮টি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করে নির্বাচন কমিশন।

    সমাপনী বক্তব্যে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘গণভোটের বিষয়ে ঘোষণা এলেও, আইন না হলে ইসির আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শুরু হয় না। আইনের মাধ্যমে বলা হবে—কী বিষয়ে ভোট হবে, কতগুলো ব্যালট বাক্স লাগবে, কীভাবে ভোট গ্রহণ হবে, এগুলো সবই নির্ধারণ করবে সেই আইন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা কম নয়। তবে আমাদের চলতে হবে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থসামাজিক বাস্তবতার আলোকে। তাই ধীরে সুস্থে, কম কথায় বেশি কাজ করার নীতি নিয়েই আমরা এগোচ্ছি।’

    সিইসি আরও ইঙ্গিত দেন যে, ইসি প্রস্তুত রয়েছে দক্ষতার সঙ্গে যে কোনো নতুন দায়িত্ব পালনের জন্য, তবে আইনি কাঠামো ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

    তিনি বলেন, ‘বাস্তবতার আলোকে আমরা স্লো অ্যান্ড স্টেডি অগ্রযাত্রায় আছি। এখন পর্যন্ত সফলভাবেই এগোতে পেরেছি, ইনশাআল্লাহ সামনে আরও এগোবো।’

  • ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ: কী জানালেন সচিব

    ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ: কী জানালেন সচিব

    এবিএনএ:  নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই সংলাপ শুরু হবে।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা ১৩ নভেম্বর থেকে সংলাপ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোন দলকে আগে আমন্ত্রণ জানানো হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনা করে ধাপে ধাপে জানানো হবে।’

    ইসি সচিব আরও জানান, কমিশন চায় নভেম্বর মাসের মধ্যেই সব দলের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পন্ন করতে, যাতে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া যায়।

    জাতীয় পার্টিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হয়নি। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

    একই সঙ্গে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের দাবিদার দুই পক্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’

  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন জটিলতা: বিএনপি-জামায়াত ভোটে রাজি নয়

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন জটিলতা: বিএনপি-জামায়াত ভোটে রাজি নয়

    এবিএনএ:  তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি নিয়ে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ। ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় ভোটাভুটির বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। তারা বলছে, একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে উপদেষ্টা বাছাই করবে, অন্যথায় সাবেক প্রধান বিচারপতির মধ্য থেকে একজনকে নির্বাচন করা হবে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংলাপে এই মতামত দেয় দল দুটি। তবে এনসিপিসহ বেশিরভাগ দল ভোটের মাধ্যমে উপদেষ্টা নির্বাচন করতে চায়।

    কমিশনের পক্ষ থেকে প্রস্তাব ছিল, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার, বিরোধী ডেপুটি স্পিকার এবং তৃতীয় বৃহত্তম দলের প্রতিনিধি মিলে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি বিভিন্ন দলের প্রস্তাবিত নামের মধ্য থেকে ভোটের মাধ্যমে উপদেষ্টা নির্বাচন করবে।

    বিএনপি এই প্রস্তাবে একমত হয়নি। তারা চায়, সর্বসম্মতিতে নির্বাচন হোক, যাতে কোনো পক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সুবিধা নিতে না পারে। জামায়াতও একই যুক্তি দেখিয়ে বলে, ভোট হলে হর্স ট্রেডিংয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, বিএনপি-জামায়াতসহ কয়েকটি দলের আপত্তির কারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে যেসব দল একমত নয়, তাদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

    সংলাপে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে যেভাবে সর্বসম্মতিক্রমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল, এবারও সে রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হোক।

    জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যেন সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কেউ ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে।

    কমিশনের নতুন একটি প্রস্তাব ছিল, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমাতে সাত সদস্যের কমিটি গঠন। যদিও দুর্নীতি দমন কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া এই কমিটির আওতার বাইরে থাকবে।

    সবমিলিয়ে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো ও উপদেষ্টা নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনও পরিষ্কার সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। বিএনপি ও জামায়াতের আপত্তির মুখে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা আপাতত অনিশ্চিত।

  • জামায়াতের আপত্তি: নির্বাচনের সময় নয়, যৌথ বিবৃতিতে অসন্তোষ

    জামায়াতের আপত্তি: নির্বাচনের সময় নয়, যৌথ বিবৃতিতে অসন্তোষ

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌নের সংলাপে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশিত হয়েছে। লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যৌথ বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামী অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় নির্ধারণে তাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে যৌথ বিবৃতিতে তাদের প্রতি অবহেলা করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির যৌথ বিবৃতি আমাদের জন্য অগ্রহণযোগ্য।” এতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর।

    জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে, যেখানে ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে তারা মনে করেন, প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফিরে টেলিভিশনে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলে তা আরও গ্রহণযোগ্য হতো।

    দলটি জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা নিরপেক্ষভাবে সকল রাজনৈতিক দলের মতামত বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাদের মতে, যৌথ বিবৃতি দেয়ার আগে সকল দলের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল।

    এদিকে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তারা মনে করে, নির্বাচনের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও মানবতাবিরোধীদের বিচার নিশ্চিত করা উচিত।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে মতপার্থক্য নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। তবে, তারা আশা করছেন, উভয় দল আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাবে।

    এখন দেখার বিষয় হলো, জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌ন ও রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করে।

  • জুলাই সনদের মাধ্যমে ঐকমত্যের বার্তা দিতে চান অধ্যাপক ইউনূস

    জুলাই সনদের মাধ্যমে ঐকমত্যের বার্তা দিতে চান অধ্যাপক ইউনূস

    এবিএনএ, ঢাকা:

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে একমত হয়ে আগামী জুলাই মাসেই জাতীয় ঐকমত্যের সনদ ঘোষণার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, সব দলের অংশগ্রহণ ও সমঝোতার ভিত্তিতে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য সনদ তৈরি করাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য।

    রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি।

    অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমরা আজ এখানে রাজনৈতিক ভিন্নমত ভুলে দেশ ও জাতির কল্যাণে একসাথে কাজ করতে এসেছি। আমি বিশ্বাস করি, ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি দৃঢ় জুলাই সনদ আমরা প্রকাশ করতে পারব।”

    তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন দূর করে, সব পক্ষের মতামতকে সম্মান জানিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ পথরেখা নির্ধারণ সম্ভব হবে।

    এই সংলাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছাড়াও অংশগ্রহণ করে সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্ত বিভিন্ন অংশীজনরা।

    কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, “কমিশনের মেয়াদ আগামী ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত, তবে আমরা চাই জুলাইয়ের মধ্যেই ঐ সনদ চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হোক।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “এই দায়িত্ব শুধু প্রাতিষ্ঠানিক নয়, এটি একটি নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব—যা সফলভাবে সম্পন্ন করতেই হবে।”

    প্রসঙ্গত, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়েছে সংবিধান, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন, সরকারি প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত পাঁচটি প্রধান সংস্কার প্রস্তাব চূড়ান্ত করার জন্য।

    কমিশনের প্রথম দফা সংলাপ ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মে পর্যন্ত চলে, যেখানে ৩৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

  • রাজনৈতিক সংলাপ চূড়ান্তে তাগিদ, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে গুরুত্ব পেল পরবর্তী পরিকল্পনা

    রাজনৈতিক সংলাপ চূড়ান্তে তাগিদ, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে গুরুত্ব পেল পরবর্তী পরিকল্পনা

    এবিএনএ:  জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হলো কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা কমিশন প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    বৈঠকে কমিশনের বর্তমান কার্যক্রম রাজনৈতিক সংলাপের প্রথম ধাপের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে দ্রুততার সঙ্গে পরবর্তী ধাপের সংলাপ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার ওপর জোর দেন ড. ইউনূস। তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে রাজনৈতিক দলগুলোর থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে, যা একটি আশাব্যঞ্জক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে।

    প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, বিচারপতি এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

    এছাড়াও বৈঠকে অংশ নেন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা, যার মধ্যে ছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পরিকল্পনা উপদেষ্টা প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, গৃহায়ন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং তথ্য সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

    কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকল রাজনৈতিক পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে আগামীদিনের আলোচনাগুলোকে সফল করার জন্য একটি সময়োপযোগী রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে।