Tag: রাজনৈতিক সংবাদ

  • মব কালচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর—‘আইনের বাইরে কিছুই চলবে না’

    মব কালচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর—‘আইনের বাইরে কিছুই চলবে না’

    এবিএনএ: নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, দেশে ‘মব কালচার’ আর চলতে দেওয়া হবে না। দাবি আদায়ের নামে সহিংস ভিড় বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি।

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর সম্মেলন কক্ষে প্রথম কর্মদিবসে কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। কোনো ধরনের অবৈধ তদবির বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ অপরাধে জড়ালে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।

    মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, যৌক্তিক দাবিতে শান্তিপূর্ণ মিছিল, সমাবেশ বা স্মারকলিপি দেওয়ার অধিকার থাকবে—কিন্তু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে চাপ প্রয়োগের সংস্কৃতি আর গ্রহণযোগ্য নয়। গণতান্ত্রিক ধারায় থেকেই দাবি আদায়ের আহ্বান জানান তিনি।

    সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমাতে হবে। বাহিনীর ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে পেশাদারিত্ব ও মানবিক আচরণ বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন রুটিন দায়িত্বে থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালে নতুন মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

  • শপথের রাতেই আবেগঘন শ্রদ্ধা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেলেন বাবা–মায়ের কবর জিয়ারতে

    শপথের রাতেই আবেগঘন শ্রদ্ধা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেলেন বাবা–মায়ের কবর জিয়ারতে

    এবিএনএ: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই পারিবারিক আবেগের এক বিশেষ মুহূর্ত কাটালেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গিয়ে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র কবর জিয়ারত করেন।

    সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং প্রয়াত ভাই আরাফাত রহমান কোকো-র স্ত্রী শর্মিলা রহমান

    দলীয় সূত্র জানায়, কবর জিয়ারত শেষে পরিবারের সদস্য ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন। শপথের পর প্রথম কর্মসূচি হিসেবে এমন পারিবারিক শ্রদ্ধা নিবেদনকে অনেকেই আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

    এর আগে বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। একই আয়োজনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।

  • অসুস্থ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন তারেক রহমান

    অসুস্থ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে দেখতে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    বুধবার রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে পান্থপথের এই হাসপাতালে তিনি উপস্থিত হন। বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    রিজভী আহমেদকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, জ্বর, ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাকে ভর্তি করা হয়েছে।

    অসুস্থতার খবরের পর তারেক রহমান হাসপাতালে এসে নেতাকে স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন। রিজভী সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

    এই ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে নেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে শোক্তির পাশাপাশি সমর্থকেরাও তার আরোগ্য কামনা করছেন।

  • উৎসবমুখর ভোট নিশ্চিত করাই বড় পরীক্ষা, নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    উৎসবমুখর ভোট নিশ্চিত করাই বড় পরীক্ষা, নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    এবিএনএ: আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, প্রচারণা পর্যায়ে কোথাও কটু বক্তব্য বা অশোভন আচরণ চোখে পড়েনি, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

    শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠক শেষে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের তার বক্তব্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

    ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এখন পর্যন্ত সন্তোষজনকভাবে এগিয়েছে। তবে সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াকে শতভাগ নিখুঁত করা। ভোট যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়—এটাই মূল লক্ষ্য।

    তিনি জানান, সামনে আসা সপ্তাহটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রত্যাশা, ভোটের দিনটি হবে উৎসবের মতো। নারী ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যাবেন, পরিবারসহ মানুষ অংশ নেবে ভোটের আনন্দে। এই নির্বাচন ভবিষ্যতে একটি স্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, সারা দেশের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সরাসরি কয়েকটি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্যামেরার কার্যকারিতা যাচাই করেন।

    এছাড়া নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ এখন পুরোপুরি সক্রিয় রয়েছে বলে জানান তিনি। এই অ্যাপের মাধ্যমে কোনো কেন্দ্র বা কেন্দ্রের আশপাশে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে সংকেত পৌঁছে যাবে। এর ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

    প্রেস সচিব আরও বলেন, অতীতে দুর্গাপূজার সময় একই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল, যা কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা

    বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, অফিসে তালা দেওয়া, ভাঙচুর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম, মাহবুবুর রহমান টুটুল, সামিদ আল হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

    এম এ এইচ সেলিম অভিযোগ করে বলেন, বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে তার নির্বাচনী কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ, প্রচারণার মাইক ভাঙচুর এবং যাত্রাপুর এলাকার অফিসে তালা লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

    তিনি আরও বলেন, এসব বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ ধরনের পরিস্থিতি চলতে থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এজন্য তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম এ এইচ সেলিমের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কর ফাঁকির অভিযোগ সত্য হলে তার মনোনয়নপত্র বৈধ হতো না। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

  • বিএনপির চাপেই কি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত? নিরপেক্ষতা হারানোর অভিযোগ এনসিপির

    বিএনপির চাপেই কি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত? নিরপেক্ষতা হারানোর অভিযোগ এনসিপির

    এবিএনএ: সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলাম। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে নির্বাচন কমিশন ক্রমেই একপেশে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা অব্যাহত থাকলে আসন্ন নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।

    রোববার (১৯ জানুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। এ সময় এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, কয়েক দিনের রাজনৈতিক ঘটনার প্রভাবে নির্বাচন কমিশন ও মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত না হলে এর দায় শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টাকেই বহন করতে হবে। সরকার সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়ার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে সেই পরিবেশ এখনও দৃশ্যমান নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    তিনি আরও বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি প্রার্থীদের বিষয়ে সংবিধান ও আইন স্পষ্ট থাকলেও নির্বাচন কমিশন ভুল ব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়ে তাদের নির্বাচনে সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা কমিশনের এখতিয়ার বহির্ভূত। সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র সুপ্রিম কোর্টের—নির্বাচন কমিশনের নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের সামনে মব তৈরি, আগাম প্রভাব বিস্তার এবং রাজনৈতিক চাপের কারণে কমিশনের আচরণ পক্ষপাতমূলক হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ না হলে নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট হবে।

    গণভোটের পক্ষে প্রচারণাকে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সেখানে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকলেও নির্বাচন কমিশন তা বাধাগ্রস্ত করছে। অথচ বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে পোস্টার, ফেস্টুন, শোকসভা ও ত্রাণ বিতরণের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চললেও সেগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

    সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, আগের বিতর্কিত নির্বাচনের মতো এবারও দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে গভীর শঙ্কা তৈরি করেছে। তিনি এনসিপির প্রার্থীদের শো-কজ নোটিশকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন এবং তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

    এনসিপির নেতারা বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তারা স্পষ্ট করে জানান, কোনো পরিকল্পিত বা ইঞ্জিনিয়ারড নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। দেশের মানুষ ২০০৮ সালের মতো নয়, বরং ১৯৯১ সালের মতো অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে।

  • লাখো মানুষের চোখের জলে শেষ বিদায়: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

    লাখো মানুষের চোখের জলে শেষ বিদায়: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

    এবিএনএ: লাখো মানুষের ভালোবাসা, অশ্রু ও গভীর শ্রদ্ধায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায় সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অসংখ্য মানুষ। জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে জনসমুদ্র।

    জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। জানাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান, বিশিষ্ট নাগরিক ও বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

    বিদেশি অতিথিদের মধ্যে পাকিস্তানের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানাজায় অংশ নেন। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    জানাজার আগে বেগম খালেদা জিয়ার জীবনসংগ্রাম ও রাজনৈতিক অবদান তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    বুধবার সকাল থেকেই ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ অভিমুখে আসতে থাকেন। খামারবাড়ি, ফার্মগেট, আসাদগেট, কারওয়ান বাজার থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এলাকায় সৃষ্টি হয় নজিরবিহীন জনজট। মূল স্থানে পৌঁছাতে না পেরে হাজারো মানুষ রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে জানাজায় শরিক হন।

    বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহ জানাজাস্থলে আনা হলে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান, ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমানসহ স্বজনরা।

    নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংসদ ভবন এলাকা ও মানিক মিয়া এভিনিউজুড়ে পুলিশ, র‍্যাব ও ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জানাজা শেষে মরদেহ শেরেবাংলা নগরে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

  • দীর্ঘ ১৬ বছর পর ঢাকায় তারেক রহমান

    দীর্ঘ ১৬ বছর পর ঢাকায় তারেক রহমান

    এবিএনএ: দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগের প্রবাসজীবন শেষে অবশেষে দেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সপরিবারে তিনি ঢাকায় পৌঁছান, যা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য।

    তারেক রহমানের এই দেশে ফেরা বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • সিলেট ঘুরে ঢাকার পথে তারেক রহমান

    সিলেট ঘুরে ঢাকার পথে তারেক রহমান

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সপরিবারে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির পর তিনি ঢাকাগামী বিমানে ওঠেন।

    বুধবার সকালে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট সিলেটে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টা গ্রাউন্ড টার্নঅ্যারাউন্ড শেষে সকাল ১১টা ১০ মিনিটে ফ্লাইটটি ঢাকার পথে উড্ডয়ন করে।

    এর আগে সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। জানা গেছে, এর আগের দিন বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৬ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানে করে তারেক রহমান সপরিবারে দেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।

    তার এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

  • তপশিল ঘোষণায় আশ্বস্ত বিএনপি: ‘গণতন্ত্রের নতুন দ্বার উন্মোচন হবে’—মির্জা ফখরুল

    তপশিল ঘোষণায় আশ্বস্ত বিএনপি: ‘গণতন্ত্রের নতুন দ্বার উন্মোচন হবে’—মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) ঘোষিত তপশিল বিএনপিকে আশ্বস্ত করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তপশিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে পরিষ্কার হয়েছে—সরকার, রাজনৈতিক দলগুলো এবং নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সম্মত এবং জনগণকে ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিইসির তপশিল ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, “তপশিল ঘোষণায় আমরা মোটামুটি সন্তুষ্ট। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।”

    তিনি জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের তারিখ ঘোষণা হওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে—এটি দেশের রাজনীতিতে বড় একটি পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    ফখরুল আরও বলেন, এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে এবং সব প্রার্থী এ প্রক্রিয়াকে উৎসবমুখর করতে সহযোগিতা করবেন।

    বিএনপি মহাসচিব মনে করেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

    এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আজকের দিনটি আমাদের জন্য আনন্দের দিন।”