Tag: রাজনৈতিক দল

  • সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের প্রস্তুতি শুরু: ইসিতে পৌঁছাল ২৯৬ এমপির তালিকা

    সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের প্রস্তুতি শুরু: ইসিতে পৌঁছাল ২৯৬ এমপির তালিকা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২৯৬ জন সংসদ সদস্যের তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করেছে সংসদ সচিবালয়। বিষয়টি সোমবার নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন–এর নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা।

    ইসি সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা কমিশনে পাঠাতে হয়। সেই নিয়ম অনুসরণ করেই সংসদ সচিবালয় তালিকাটি পাঠিয়েছে। এখন এ তালিকা যাচাই–বাছাই শেষে পরবর্তী নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হবে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট আয়োজন প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমান মাছউদ জানান, কমিশন দ্রুত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী পবিত্র রমজান মাসের মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

    ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, তালিকা যাচাই শেষ হলে কমিশনের বৈঠকে নির্বাচনের বিস্তারিত তফসিল চূড়ান্ত করে ঘোষণা দেওয়া হবে। এতে প্রার্থিতা দাখিল, যাচাই-বাছাই ও ভোটের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

    উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৬টির ফল ইতোমধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে। বাকি আসনগুলো আইনগত ও কারিগরি প্রক্রিয়া শেষে তালিকায় যুক্ত হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত সাধারণ আসনের সংখ্যার ভিত্তিতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন করা হবে।

  • সিইসি বললেন: ত্রয়োদশ নির্বাচনে জয়-পরাজয় গ্রহণের আহ্বান, শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রত্যাশা

    সিইসি বললেন: ত্রয়োদশ নির্বাচনে জয়-পরাজয় গ্রহণের আহ্বান, শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রত্যাশা

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দল ও প্রার্থীকে জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    ১১ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে ভোটদান শুধু নাগরিক অধিকার নয়, বরং দায়িত্বও। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ভোটার, প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলো সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে অংশগ্রহণ করবেন।

    সিইসি আরও বলেন, ভিন্নমত থাকা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ। তাই উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করে ভোটকেন্দ্রে অংশগ্রহণ করা উচিত। জয় বা পরাজয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক ফলাফল হিসেবে সকলকে গ্রহণ করতে হবে।

    তিনি ভোটার, প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকসহ সকলকে আহ্বান জানান, ব্যক্তিগত ক্ষতি বা অসুবিধা উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচনের সুষ্ঠু কার্যক্রমে সহায়তা করতে।

    সিইসি বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত হবে। ভোটগ্রহণ আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।

    এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল, মোট ২,০২৯ জন প্রার্থী এবং ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১,২২০ জন। সারাদেশে ৪২,৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২,৪৭,৪৮২টি ভোটকক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

  • রেকর্ডের পথে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ৫০ দল, ১১৯ প্রতীক আর ২ হাজারের বেশি প্রার্থীর মহারণ

    রেকর্ডের পথে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ৫০ দল, ১১৯ প্রতীক আর ২ হাজারের বেশি প্রার্থীর মহারণ

    এবিএনএ: বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় রচিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের ইতিহাসে এবারই প্রথম এত বিপুলসংখ্যক দল ও প্রতীকের উপস্থিতিতে ভোট হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তথ্যমতে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৫০টি নিবন্ধিত দল এবং স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২০২৮ জন প্রার্থী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন।

    ভোটাররা এবার ব্যালটে দেখতে পাবেন ১১৯টি ভিন্ন ভিন্ন প্রতীক। ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলিসহ পরিচিত প্রতীকের পাশাপাশি সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোট দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকছে—যা নির্বাচনী ইতিহাসে আরেকটি ব্যতিক্রমী সংযোজন।

    নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও বর্জনের চিত্র
    বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৬০টি। তবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি ভোটে নেই। নিবন্ধিত আরও আটটি দল কোনো প্রার্থী দেয়নি। ইসির তালিকা অনুযায়ী সাম্যবাদী দল (এম.এল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ন্যাপ, ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম ও তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী নেই।

    ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যেখানে ২৮টি দল ও ৬৯টি প্রতীক ছিল, সেখানে এবারের অংশগ্রহণ ও প্রতীকের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ—যা ভোটের মাঠকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।

    প্রার্থী বিন্যাস ও দলীয় শক্তিমত্তা
    ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির ২৮৮ জন প্রার্থী লড়ছেন। জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লায় ২২৪ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখায় ২৫৩ জন এবং জাতীয় পার্টির লাঙলে ১৯২ জন প্রার্থী রয়েছেন।
    এ ছাড়া গণ অধিকার পরিষদের ট্রাকে ৯০ জন, সিপিবির কাস্তেতে ৬৫ জন, বাসদের মইয়ে ৩৯ জন, খেলাফত মজলিসের রিকশায় ৩৪ জন, এনসিপির শাপলা কলিতে ৩২ জন, আমার বাংলাদেশ পার্টির ঈগলে ৩০ জনসহ আরও কয়েকটি দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।

    ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জনের কথা বললেও চূড়ান্ত তালিকায় জাসদের ছয়জন প্রার্থীর নাম দেখা যাচ্ছে—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

    সংক্ষিপ্ত ইতিহাসে ফিরে দেখা
    স্বাধীনতার পর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ, ভোটের হার ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বারবার বদলেছে। ১৯৭৩ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত নানা সময় বর্জন, বিতর্ক ও অংশগ্রহণের ভিন্ন ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, যা বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থাকে নতুন বাস্তবতায় দাঁড় করিয়েছে।

    সব মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু একটি ভোট নয়—এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে রেকর্ডসংখ্যক দল, প্রতীক ও প্রার্থীর অংশগ্রহণে এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে।

  • গণভোট ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর: সিইসি

    গণভোট ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর: সিইসি

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একযোগে আয়োজনের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব কমিশনে আসেনি। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেই বিষয়টি কমিশনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য আমি সরাসরি শুনিনি। বিষয়টি যদি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, তখন কমিশন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কাজ করছি। এজন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অপরিহার্য। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই।”

    সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সভাটি সঞ্চালনা করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ বলেন, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই দায়িত্বশীল হলে শতভাগ সুষ্ঠু ভোট সম্ভব।”

    অন্যদিকে কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো বড় প্রতিবন্ধকতা দেখছি না। রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা করলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।”

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সতর্ক করে বলেন, “কোনো রাজনৈতিক দলের কারণে ভোট স্থগিত বা বাতিল হলে তার দায়ভার সেই দলকেই নিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন।”

    বৃহস্পতিবারের সংলাপে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জেএসডি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বিএনএফ ও বিএনএম–এর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

  • নির্বাচনে বাধা আসবেই, সতর্ক থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

    নির্বাচনে বাধা আসবেই, সতর্ক থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

    এবিএনএ:  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনে নানা ধরনের বাধা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়, তারা বিভিন্ন কৌশলে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে। ইতোমধ্যেই কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে এবং সামনে আরও চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। এ কারণে সবারই সতর্ক থাকা জরুরি।

    মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাতটি রাজনৈতিক দল ও একটি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস স্পষ্ট করে বলেন, যেকোনো বাধা সত্ত্বেও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়া নাগরিকদের জন্য এটি হবে একটি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা। অতীতে যারা ভোটের সময় নানা তিক্ততার মুখোমুখি হয়েছেন, তাদেরও এবার নিরাশ হতে দেওয়া হবে না।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা এবং নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।”

    নির্বাচন আয়োজনকে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচন কেবল অন্তর্বর্তী সরকারের নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিক ও রাজনৈতিক দলের। তিনি এটিকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে তোলার নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেন।

    এ সময় তিনি সতর্ক করে বলেন, “প্রতি পদে পদে বাধা আসবে, বিভ্রান্তি তৈরি হবে। তবে সবাইকে স্থির থাকতে হবে এবং একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

    আসন্ন দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা হবে, তবে উৎসবমুখর পরিবেশেই এবারও দুর্গাপূজা উদযাপন করতে হবে।

    বৈঠকে এবি পার্টি, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় গণফ্রন্ট এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নিবন্ধন বাতিল ১২১ দলকে ইসির চিঠি, মাঠপর্যায়ে তদন্তে ২২ দল

    নিবন্ধন বাতিল ১২১ দলকে ইসির চিঠি, মাঠপর্যায়ে তদন্তে ২২ দল

    এবিএনএ:  নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রাথমিক যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছে। এর অংশ হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা ১৪৩টি দলের মধ্যে ১২১টি দলকে বাতিলের চিঠি পাঠানো হয়েছে। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন ইসির উপসচিব মাহবুব আলম শাহ।

    তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে সব দলকেই শর্ত পূরণের সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মাত্র ৮৪টি দল সেই আহ্বানে সাড়া দেয়। এর মধ্যে ৬২টি দল অতিরিক্ত তথ্য জমা দিলেও তা শর্ত পূরণে যথেষ্ট হয়নি।

    বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ২২টি দলের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে কোন দলগুলো চূড়ান্ত নিবন্ধন পাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন।

  • টিআইবি প্রধানের মন্তব্য: “সবাই জানে এনসিপি হচ্ছে কিংস পার্টি”

    টিআইবি প্রধানের মন্তব্য: “সবাই জানে এনসিপি হচ্ছে কিংস পার্টি”

    এবিএনএ:   সরকারের ছত্রছায়ায় একটি রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠেছে—এমন অভিযোগ তুলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তাদের সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে যে দলটির প্রতি ইঙ্গিত করেছে, সেটি ‘সবাই জানে’—এনসিপি, এমন মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

    সোমবার (৪ আগস্ট) ঢাকার ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে “কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এ সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ইফতেখারুজ্জামান বলেন,
    “এটা আর গোপন কিছু নয়—সবাই জানে এনসিপি হচ্ছে সেই ‘কিংস পার্টি’। দলটির সঙ্গে সরকারের উপদেষ্টাদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, একজন উপদেষ্টা পদ ছেড়ে সরাসরি দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, আর বাকি দুইজন রয়েছেন সরকারের বর্তমান উপদেষ্টা পদে—এ থেকেই প্রমাণ হয় কারা কাদের সহযোগিতায় রাজনীতির নতুন মোড় তৈরি করেছে।

    প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আরও নানা বিষয়

    টিআইবির গবেষণায় বলা হয়েছে,
    দলটি গঠিত হয়েছে একটি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছায়া থেকে।
    – জনগণের কাছে জবাবদিহি, সুশাসন ও স্বচ্ছতার যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি।
    – অর্থের উৎস অস্বচ্ছ, দখলদারিত্ব, দলবাজি, এবং চাঁদাবাজির মতো অপরাধমূলক সংস্কৃতি ধারণ করছে।
    – এর মাধ্যমে আত্মঘাতী পথে হাঁটছে নতুন রাজনৈতিক শক্তি।

    এছাড়া, প্রতিবেদনে দাবি করা হয়,
    “নির্বাচনের কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না থাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। এখন একটি রোডম্যাপ থাকলেও পরিস্থিতি যে পুরোপুরি স্থিতিশীল, তা বলা যায় না।”

    সতর্কতা টিআইবির

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে বলেও প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে।
    বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ও প্রশাসনে যেসব সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নে অনেক ঘাটতি দেখা গেছে বলে মন্তব্য করা হয়।

    ইফতেখারুজ্জামান বলেন,
    “একটি দায়িত্বশীল, জবাবদিহিমূলক এবং দুর্নীতিমুক্ত সরকার গঠনের যে প্রত্যাশা ছিল, তা এখনো বাস্তবতার মুখ দেখেনি।”

  • নাগরিক অধিকার ও নতুন সংবিধানের প্রতিশ্রুতি—২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করলো এনসিপি

    নাগরিক অধিকার ও নতুন সংবিধানের প্রতিশ্রুতি—২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করলো এনসিপি

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে ২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করলো জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই ইশতেহার পাঠ করেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

    তিনি বলেন, “এক বছর আগে এই শহীদ মিনার থেকেই আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী এক দফা দিয়েছিলাম। সেটা ছিল কোনো একক দলের নয়, ছিল জনগণের পক্ষ থেকে—a call for democratic uprising।”

    নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা যে রাজনীতি করি, তা দায়বদ্ধতা ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক। আমরা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই যেখানে স্বৈরতন্ত্রের আর কোনো জায়গা থাকবে না।”

    তিনি আরও বলেন, “যদিও সরকারের পতন ঘটেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদী কাঠামোর সম্পূর্ণ বিলোপ ঘটেনি। তাই নতুন সংবিধান ও দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র গঠনের মধ্য দিয়েই আমরা সেই লক্ষ্য পূরণ করব।”

    এনসিপির ঘোষিত ২৪ দফা মূলনীতির কিছু দিক:

    ১. নতুন সংবিধান ও দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
    ২. জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি ও বিচার
    ৩. গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠন
    ৪. বিচারব্যবস্থায় সংস্কার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত
    ৫. দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জনসেবামুখী শাসন
    ৬. জবাবদিহিমূলক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
    ৭. গ্রাম পার্লামেন্ট ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকার
    ৮. স্বাধীন গণমাধ্যম এবং সক্রিয় নাগরিক সমাজ
    ৯. সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা
    ১০. যুগোপযোগী শিক্ষানীতি
    ১১. তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবন-ভিত্তিক গবেষণা
    ১২. ধর্ম ও জাতিসত্তার সম্মান
    ১৩. নারীর নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন
    ১৪. মানবমুখী অর্থনীতি ও কল্যাণ রাষ্ট্র
    ১৫. যুবকদের কর্মসংস্থান
    ১৬. বহুমুখী বাণিজ্য ও শিল্পায়ন
    ১৭. খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষিতে স্বাবলম্বিতা
    ১৮. শ্রমিক ও কৃষকের অধিকার
    ১৯. রাষ্ট্রীয় সম্পদ সঠিক ব্যবস্থাপনা
    ২০. পরিবহন, নগরায়ন ও আবাসন পরিকল্পনা
    ২১. পরিবেশ, নদী ও সমুদ্র রক্ষা
    ২২. প্রবাসী বাংলাদেশিদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা
    ২৩. বাংলাদেশকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি
    ২৪. আধুনিক প্রতিরক্ষা কৌশল

    ঘোষণার শেষে নাহিদ ইসলাম বলেন, “এক বছর আগে এই শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে আমরা শপথ নিয়েছিলাম—দেশকে স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্ত করব। আজ আবারও সেই স্থানে দাঁড়িয়ে বলছি—আসুন, সবাই মিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ি যেখানে সবার জন্য সাম্য, মর্যাদা ও সুবিচার থাকবে।”

  • ২১টি রাজনৈতিক দল সময়মতো আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি, নিবন্ধন বাতিলের ঝুঁকিতে কয়েকটি দল

    ২১টি রাজনৈতিক দল সময়মতো আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি, নিবন্ধন বাতিলের ঝুঁকিতে কয়েকটি দল

    এবিএনএ:  ২০২৪ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের অডিট রিপোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেয়নি ২১টি রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে ১০টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করলেও বাকি ১১টি দল কোনো হিসাব জমা দেয়নি এবং সময় চেয়ে আবেদনও করেনি।

    ইসির জনসংযোগ পরিচালক শরিফুল আলম জানান, নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৯টি দল সময়মতো অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ছিল এই হিসাব জমার শেষ দিন। একইদিন ইসির নির্বাচন সহায়তা-১ শাখা থেকে সারসংক্ষেপও প্রকাশ করা হয়।

    ২০০৮ সাল থেকে ইসির নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে স্বীকৃত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিরীক্ষিত অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কেউ নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা দিতে না পারলে সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারে। আইন অনুযায়ী, টানা তিন বছর হিসাব না দিলে দলের নিবন্ধন বাতিল হতে পারে।

    এই বছর অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়া ২৯টি দলের মধ্যে রয়েছে—বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত, কল্যাণ পার্টি, গণফোরাম, তরিকত ফেডারেশন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, নাগরিক ঐক্য, আমার বাংলাদেশ পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, এনডিএম, জিইওপি, বিএনএফ, খেলাফত মজলিস, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, সাম্যবাদী দল (এমএল) সহ অন্যান্য দল।

    এদিকে, এক মাস সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে:

    • এলডিপি

    • সিপিবি

    • জেএসডি

    • বিজেপি

    • খেলাফত মজলিস

    • মুক্তিজোট

    • বিএনএম

    দুই মাস সময় চেয়েছে:

    • ন্যাপ

    • বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি

    • বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল)

    অন্যদিকে হিসাব জমা দেয়নি এবং সময়ও চায়নি যেসব দল, তারা হলো:

    • কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ

    • বিকল্পধারা বাংলাদেশ

    • জাসদ

    • জাকের পার্টি

    • বাসদ

    • বাংলাদেশ মুসলিম লীগ

    • গণফ্রন্ট

    • বাংলাদেশ ন্যাপ

    • তৃণমূল বিএনপি

    • বাংলাদেশ জাসদ

    • গণসংহতি আন্দোলন

    এবারই প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি এই তালিকার বাইরে রয়েছে। অন্যদিকে আদালতের আদেশে পুনঃনিবন্ধিত জামায়াত ও সদ্য নিবন্ধিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ক্ষেত্রে হিসাব জমা প্রযোজ্য ছিল।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি বদলে নতুন পথ খুঁজছে রাজনৈতিক দলসমূহ: আলী রীয়াজ

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি বদলে নতুন পথ খুঁজছে রাজনৈতিক দলসমূহ: আলী রীয়াজ

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তনের ব্যাপারে প্রায় সকল রাজনৈতিক দল ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে একটি নতুন নির্বাচন প্রক্রিয়া গঠন করতে তারা আগ্রহী।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার চতুর্থ দিনে এই তথ্য জানান তিনি। অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, এই আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিদ্যমান পদ্ধতি পরিবর্তনের জন্য একমত পোষণ করেছে। তবে নতুন পদ্ধতির বিস্তারিত নিয়মাবলী নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনা হবে।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতির সঙ্গে সংযুক্ত দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা গঠনের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ আসনের প্রস্তাবে অধিকাংশ দল সমর্থন জানিয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর পদে পরপর দুই মেয়াদে থাকার নিয়ম নিয়ে কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। কেউ কেউ বিরতি দিয়ে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর পদে আসার সম্ভাবনার বিষয়ে কমিশনের কাছে বিবেচনার আবেদন করেছে।

    অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনার পরিবেশ খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং প্রতিটি দল স্বাধীনভাবে মত প্রকাশে স্বতন্ত্র।

    আগামী রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় দ্বিতীয় দফার পঞ্চম বৈঠকে পুনরায় সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চলবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেসব বৈঠকের মাধ্যমে রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ঐকমত্য গড়ে উঠবে।

    আজকের আলোচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) সহ মোট ৩০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।