Tag: রংপুর বিভাগ

  • রমজান ২০২৬: রংপুর বিভাগে সাহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময়সূচি জেনে নিন

    রমজান ২০২৬: রংপুর বিভাগে সাহরি ও ইফতারের নির্ধারিত সময়সূচি জেনে নিন

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ২০২৬ সালের জন্য রংপুর বিভাগের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, রংপুর বিভাগে প্রথম রোজার দিন সাহরির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৫টা ১৬ মিনিটে এবং ইফতার করা যাবে সন্ধ্যা ৬টা ০০ মিনিটে। পরবর্তী দিনগুলোতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের পার্থক্যের কারণে সাহরি ও ইফতারের সময় ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হবে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, সঠিক সময়ে সাহরি ও ইফতার পালনের জন্য রোজাদারদের অবশ্যই নিজ নিজ জেলার নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা উচিত। এ বছর প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা সূচি প্রকাশ করায় সময় যোগ বা বিয়োগ করার প্রয়োজন নেই।

    রংপুর বিভাগের জেলা ভিত্তিক সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রংপুর বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাগুলোর জন্য আলাদা আলাদা সময়সূচি কার্যকর হবে—

    • রংপুর জেলা

    • লালমনিরহাট জেলা

    • পঞ্চগড় জেলা

    • নীলফামারী জেলা

    • দিনাজপুর জেলা

    • ঠাকুরগাঁও জেলা

    • গাইবান্ধা জেলা

    • কুড়িগ্রাম জেলা

    প্রতিটি জেলার সাহরি ও ইফতারের সময় স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সময়ের ভারসাম্য বজায় থাকে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানিয়েছে, তাদের প্রকাশিত সময়সূচিই রোজাদারদের জন্য চূড়ান্ত ও অনুসরণযোগ্য। তাই রমজান মাসজুড়ে সাহরি ও ইফতারের সময় জানতে নির্ভরযোগ্য এই সূচি অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • খুলনাকে উড়িয়ে রংপুরের এনসিএলে রাজত্ব: টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন উত্তরবঙ্গের দল

    খুলনাকে উড়িয়ে রংপুরের এনসিএলে রাজত্ব: টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন উত্তরবঙ্গের দল

    এবিএনএ: জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টি-টোয়েন্টি সংস্করণে আবারও সেরা প্রমাণ করল রংপুর বিভাগ। টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখল উত্তরবঙ্গের এই দল। রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনা বিভাগকে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা।

    খুলনা প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে মাত্র ১৩৬ রান। রংপুরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে খুলনার ব্যাটাররা শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। দলের পক্ষে অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ৩২ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেললেও বাকিরা তেমন অবদান রাখতে পারেননি। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী শেষদিকে ১৩ বলে ২৪ রান করে দলের স্কোর কিছুটা এগিয়ে নেন।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় রংপুর। ওপেনার নাসির হোসেন ও জাহিদ জাভেদ মিলে ৬১ রানের জুটি গড়ে জয়ের ভিত গড়ে দেন। জাভেদ ২৭ রানে আউট হলেও নাসির খেলেন ৩১ বলে ৪৬ রানের দাপুটে ইনিংস। এরপর নাঈম ইসলাম (৩২ বলে ৪০) ও অধিনায়ক আকবর আলী (১৫ বলে ১৯ অপরাজিত) বাকি কাজ সহজেই শেষ করেন।

    ১৮ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় রংপুর বিভাগ। এই জয়ের মধ্য দিয়ে এনসিএল টি-টোয়েন্টির প্রথম দুই আসরেই শিরোপা জয়ের ইতিহাস গড়ল রংপুর।

  • টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি, ৩ বিভাগে বন্যার আশঙ্কা—ঝুঁকিতে ১০ জেলার নিম্নাঞ্চল

    টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি, ৩ বিভাগে বন্যার আশঙ্কা—ঝুঁকিতে ১০ জেলার নিম্নাঞ্চল

    এবিএনএ, ঢাকা :

    টানা বর্ষণের ফলে দেশের তিনটি বিভাগের নদ-নদীতে পানির প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, এতে ফেনীসহ অন্তত ১০টি জেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিতে পারে।

    এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, ফেনী, হালদা, সাজু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বাড়তে পারে। বিশেষ করে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং মাতামুহুরী নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এর ফলে ফেনী জেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগেও এমন পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেখানকার সারিগোরাইন, যাদুকাটা, মনু, ধলাই, খোয়াই ও সোমেশ্বরী নদীর পানি আগামী তিন দিনে বাড়তে পারে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোণার নদীসংলগ্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

    রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীগুলোর পানিও বাড়ছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তিস্তার পানি সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে বলে সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে শনিবার পর্যন্ত বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রামের উপকূলীয় নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জোয়ার দেখা যেতে পারে।

    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানায়, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানির স্তর বেড়েই চলেছে এবং তা আগামী তিন দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এই নদীগুলোর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।

    এদিকে, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানির স্তর বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও আগামী শনিবার পর্যন্ত তা একই রকম থাকতে পারে এবং রোববার থেকে বুধবার পর্যন্ত তা বাড়তে পারে। যদিও এটি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    গঙ্গা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও পদ্মা নদীর পানি বাড়ছে। তবে আগামী পাঁচ দিন পানির প্রবাহ বিপৎসীমার নিচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বন্যা ঝুঁকি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।