Tag: যুক্তরাষ্ট্র

  • “আমি করতেও পারি, নাও পারি”— ইরান নিয়ে ট্রাম্পের ধোঁয়াশাপূর্ণ মন্তব্যে বাড়ছে উত্তেজনা

    “আমি করতেও পারি, নাও পারি”— ইরান নিয়ে ট্রাম্পের ধোঁয়াশাপূর্ণ মন্তব্যে বাড়ছে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  ইরান ও ইসরায়েলের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চলেছে— এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। বিষয়টি ঘিরে একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে তিনি দিলেন ধোঁয়াশাপূর্ণ ও ইঙ্গিতপূর্ণ উত্তর।

    এক সাংবাদিক জানতে চান, “যুক্তরাষ্ট্র কি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার পরিকল্পনা করছে?”
    এর জবাবে ট্রাম্প বলেন,
    “আমি এ বিষয়ে কিছু বলছি না… আপনি কি সত্যিই ভাবছেন যে আমি এমন প্রশ্নের জবাব দেব?”

    তিনি আরও বলেন,
    “আপনি জানেন না আমি কী করব। আমি হামলা চালাতেও পারি, নাও চালাতে পারি। কেউ জানে না আমি আসলে কী করতে যাচ্ছি।”
    এই বক্তব্যে যেন উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢাললেন ট্রাম্প।

    ট্রাম্প আরও বলেন,
    “ইরান এখন অনেক সমস্যায় আছে। তারা আলোচনা করতে চায়। আমি আগেই বলেছিলাম— কেন তারা আগেই আমার সঙ্গে বসেনি? এত প্রাণহানি, এত ধ্বংসের আগেই তো আলোচনার সুযোগ ছিল। তারা যদি দুই সপ্তাহ আগে কথা বলত, তাহলে তাদের একটা দেশ থাকত।”

    বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের সম্ভাবনা এড়িয়ে না গিয়ে বরং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছেন। তাঁর কথায় রয়েছে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের ছায়া, যা পরমাণু উত্তেজনার সময় আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

    মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।

  • ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে বিশ্ব: রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি

    ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে বিশ্ব: রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ: ইরান ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বুধবার এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বলেন, “বিশ্ব এখন এক চুলের ব্যবধানে বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে।”

    জাখারোভা সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, ইসরায়েল বারবার ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানছে, যা গোটা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে একটি ভুল পদক্ষেপ পুরো বিশ্বকে ভয়াবহ পারমাণবিক সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।

    কূটনৈতিক পর্যায়ে চলছে আলোচনা:
    রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ জানিয়েছেন, ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে মস্কোর নিয়মিত আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স-এর বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানায়, মস্কো এই সংঘাত শান্তিপূর্ণভাবে নিরসনের পক্ষে কাজ করছে।

    রিয়াবকভ আরও বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেয়, তাহলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি এক ভয়াবহ অস্থিরতার দিকে যাবে। এতে শুধু এই অঞ্চলই নয়, গোটা পৃথিবী প্রভাবিত হবে।”

    বিশ্লেষকদের মত:
    আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশিয়ার এমন হুঁশিয়ারি বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর কূটনৈতিক পদক্ষেপকে প্রভাবিত করতে পারে। একইসঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় আনতে পারে।

  • ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়লেন ইলন মাস্ক, ফিরছেন কর্পোরেট জগতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে

    ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়লেন ইলন মাস্ক, ফিরছেন কর্পোরেট জগতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে

    এবিএনএ :

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে গঠিত প্রশাসনের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করা প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক এখন সেই পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার বরাতে বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    বিশ্বখ্যাত টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক গত জানুয়ারিতে ট্রাম্পের পুনর্গঠিত প্রশাসনে ‘সরকারি দক্ষতা বিভাগে’ বিশেষ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে যুক্ত হন। প্রশাসনের সংস্কার ও বাজেট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতেই গঠিত হয় এই বিভাগ। তবে এটি সরকারের মূল কাঠামোর অংশ ছিল না।

    এই দায়িত্বে তার ম্যান্ডেট ছিল ১৩০ দিনের, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩০ মে। তবে কিছুদিন আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে জানান, তিনি প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।

    তার এই সিদ্ধান্ত আসে এমন এক সময়ে, যখন কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের বাজেট ও কর নীতির তীব্র সমালোচনা করেন মাস্ক। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক যেমন সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি কিছু বিনিয়োগকারীর মধ্যে অসন্তোষও দেখা গেছে। তারা চান মাস্ক যেন ট্রাম্প প্রশাসনের দায়িত্ব থেকে সরে এসে টেসলা ও স্পেসএক্সে আরও সরাসরি মনোযোগ দেন।

    রয়টার্সের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, মাস্ক ও ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘ডিওজিই’ (সরকারি দক্ষতা বিভাগ) ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বেসামরিক কর্মী বাহিনীর ১২ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে সক্ষম হয়েছে।

    এমন প্রেক্ষাপটে ইলন মাস্কের দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে তার ব্যক্তিগত ও কর্পোরেট অগ্রাধিকার পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, সরকারি ব্যয় হ্রাস ও পুনর্গঠনের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

    ইলন মাস্কের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে তার ব্যবসায়িক উদ্যোগগুলোতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে ১২ মার্কিন রাজ্যের আইনি লড়াই

    ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে ১২ মার্কিন রাজ্যের আইনি লড়াই

    এবিএনএ: 

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত শুল্কনীতির বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্য। প্রেসিডেন্টের একক সিদ্ধান্তে শুল্ক আরোপকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে তারা ফেডারেল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।

    নিউ ইয়র্ক, ইলিনয়, ওরেগনসহ মোট ১২টি ডেমোক্রেটিক-শাসিত রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলরা দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনোমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (IEEPA)-এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন, যা তার সাংবিধানিক ক্ষমতা লঙ্ঘন করে।

    তাদের অভিযোগ, ট্রাম্প “জাতীয় জরুরি অবস্থা” ঘোষণার মাধ্যমে একচেটিয়াভাবে বাণিজ্যনীতি পরিবর্তন করে দেশীয় শিল্পকে রক্ষার অজুহাতে বহির্বিশ্ব থেকে পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক বসিয়েছেন।

    ⚖️ আদালতে শুনানি শুরু:

    ম্যানহাটন-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতের তিন বিচারকের একটি প্যানেল মামলার শুনানি শুরু করেছে। মামলাকারী রাজ্যগুলোর যুক্তি, মার্কিন বাণিজ্য ঘাটতি জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি নয় বরং এটি একটি অর্থনৈতিক ইস্যু, যা ‘জরুরি পরিস্থিতি’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

    ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমদানির তুলনায় রফতানি কম হওয়া দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় শিল্পখাতের জন্য হুমকি তৈরি করছে, যা জরুরি অবস্থা সৃষ্টি করেছে।

    📌 পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

    এই মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল শুল্কনীতির উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। আদালতের রায় আগামী সপ্তাহে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে একই আদালতে ক্ষুদ্র ব্যবসা সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, যদি আদালত রাজ্যগুলোর পক্ষে রায় দেয়, তবে প্রেসিডেন্টের একক সিদ্ধান্তে শুল্ক আরোপের পথ কঠিন হয়ে পড়বে।

  • গাজাকে স্বাধীনতা অঞ্চল বানাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, ফের বিতর্কিত মন্তব্য ট্রাম্পের

    গাজাকে স্বাধীনতা অঞ্চল বানাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, ফের বিতর্কিত মন্তব্য ট্রাম্পের

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ে মন্তব্য করে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। কাতারের রাজধানী দোহায় এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি গাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, তাহলে সেখানে ‘স্বাধীনতা অঞ্চল’ গড়ে তোলা হবে, যেখানে সকল মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।

    ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় গাজার জন্য কিছু ভালো পরিকল্পনা রয়েছে। চলুন এটিকে একটি স্বাধীনতা অঞ্চলে রূপান্তর করি। যুক্তরাষ্ট্র এতে যুক্ত হোক, আমি গর্বিত হবো যদি আমরা গাজাকে রূপান্তর করতে পারি এমন একটি স্থানে, যেখানে মানুষ নিরাপদ বাড়িতে বাস করতে পারবে। সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান আজও হয়নি।”

    তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, গাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে আগে হামাসকে পরাজিত করতে হবে। তিনি ২০২৩ সালের অক্টোবর ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামাস পরিচালিত ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’-এর ঘটনাকে ইতিহাসের অন্যতম ভয়ঙ্কর হামলা হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ট্রাম্প বলেন, “হামাসের মুখোমুখি হওয়া প্রয়োজন। ইতিহাসে অক্টোবর দিনটি ছিল অন্যতম ভয়ানক। এটি শুধু এই অঞ্চলের জন্য নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্যই ছিল এক নিষ্ঠুর দিন। আমি মনে করি এমন বর্বরতা আগে কখনো দেখা যায়নি।”

    তার এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। অনেকেই বলছেন, গাজা উপত্যকা নিয়ে এমন পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক আইন গাজাবাসীর অধিকারকে অগ্রাহ্য করে।

  • যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের মধ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষর

    যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের মধ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষর

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে ঐতিহাসিক ১৪২ বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র চুক্তি সই হয়েছে।

    এই চুক্তি দুটি দেশের মধ্যে কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের ভিত্তি শক্তিশালী করবে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা বিক্রয় চুক্তি, যা আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজনেরও বেশি প্রতিরক্ষা কোম্পানি সৌদি আরবকে অত্যাধুনিক যুদ্ধ সামগ্রী এবং সেবা সরবরাহ করবে।

    এছাড়া, চুক্তির অংশ হিসেবে জ্বালানি ও খনিজ বিষয়ক স্মারক, ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জন্য আগ্রহপত্র, মহাকাশ গবেষণা এবং সংক্রামক ব্যাধির প্রতিরোধে সহযোগিতা নিয়ে নতুন সমঝোতা হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যখন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, তখন অনুষ্ঠানস্থল ছিল করতালিতে মুখরিত। এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প সৌদি যুবরাজকে তার “বন্ধু” হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

    তবে এই বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়ে এখনও অনেক তথ্য অজানা রয়ে গেছে। ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, “আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে আমরা পরস্পরকে খুব পছন্দ করি।”

    উল্লেখ্য, এই সফরটিই হচ্ছে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বড় বিদেশ সফর। তিনি বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন।

    চুক্তি সইয়ের পর, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমঝোতা বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে, কারণ এটি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।


    এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্কের উন্নয়নকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা শুধুমাত্র দুই দেশের জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্ব রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।


  • যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়, বিতর্কের জন্ম শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে

    যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়, বিতর্কের জন্ম শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এবং এক সময়ের তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। গত শনিবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি ইউএস সিটিজেনশিপ সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে নাগরিকত্বের শপথ নেন তিনি।

    নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শপথ গ্রহণের পর জয় মার্কিন নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট হাতে পান এবং এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টের আবেদনও করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের মোট ২২ জন ব্যক্তি নাগরিকত্ব লাভ করেন। তাদের মধ্যেই ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়সহ তিনজন বাংলাদেশি।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, জয় একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে আসেন। শপথ অনুষ্ঠানে দেশের নাম অনুসারে উপস্থিতদের নাম ডাকা হয় এবং বাংলাদেশের নাম ডাকার পর জয় দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে শপথ নেন।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে জানিয়েছিলেন যে, তার কোনো বিদেশি পাসপোর্ট নেই এবং তিনি সবসময় বাংলাদেশি পাসপোর্টেই যাতায়াত করেন।

    তবে তার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) ছিল বলেও আগেই জানানো হয়েছিল। বর্তমান নাগরিকত্ব গ্রহণের তথ্যটি তার পূর্ব ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

  • যুক্তরাষ্ট্র-ভারত প্রতিরক্ষা সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে দুই দেশ

    যুক্তরাষ্ট্র-ভারত প্রতিরক্ষা সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে দুই দেশ

    দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান কৌশলগত উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ১৩১ মিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) এই চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে, যা ‘ফরেন মিলিটারি সেলস’ পদ্ধতির অধীনে বাস্তবায়ন হবে।

    চুক্তিটি মূলত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশন সম্পন্ন করেছে এবং বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসেও উপস্থাপন করা হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সহায়তার ফলে ভারতের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়বে। পাশাপাশি ভারত-আমেরিকার কৌশলগত বোঝাপড়া আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

    স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “এই সামরিক সহায়তা কেবল ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কই নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

    এই চুক্তি এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইন্দো-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চুক্তি শুধু প্রতিরক্ষা সহযোগিতাই নয়, বরং সামরিক কৌশলগত ভারসাম্যের একটি শক্ত ভিত্তিও তৈরি করবে।

    এ বিষয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিটি দুই দেশের যৌথ সামরিক কৌশলের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনাকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।