Tag: যানজট

  • মহাখালীতে ভয়াবহ যানজট, ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থির গাড়ি—আমতলী থেকে সাতরাস্তা অচল

    মহাখালীতে ভয়াবহ যানজট, ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থির গাড়ি—আমতলী থেকে সাতরাস্তা অচল

    এবিএনএ: রাজধানীর মহাখালী এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আমতলী থেকে সাতরাস্তা পর্যন্ত সড়কে কয়েক ঘণ্টা ধরে যানবাহন প্রায় স্থির হয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসফেরত মানুষ ও সাধারণ যাত্রীরা।

    সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই যানজট শুরু হয়। রাত পর্যন্ত পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি বলে জানা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যার পর থেকেই মহাখালী আমতলী থেকে সাতরাস্তা পর্যন্ত দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে আছে বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহন।

    যাত্রীরা জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। অনেকেই বাসের ভেতরে আটকে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    এদিকে যানজট মহাখালী ছাড়িয়ে গুলশানমুখী সড়ক এবং অন্যদিকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পুরো এলাকায় যান চলাচল ধীরগতিতে নেমে আসে এবং দুর্ভোগ আরও বাড়ে।

    চালকদের ভাষ্য, সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে যানজট বাড়তে শুরু করে এবং রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত পরিস্থিতি প্রায় একই ছিল। সড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ এবং ধীরগতির কারণে পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়ে।

    ট্রাফিক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহাখালীর ওয়্যারলেস এলাকায় কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা প্রায় ৩০ মিনিট সড়ক অবরোধ করেন। বস্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে তারা এই কর্মসূচি পালন করেন। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল শুরু হয়। তবে ব্যস্ত সময়ে সড়ক বন্ধ থাকায় দ্রুতই দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।

    এছাড়া মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন একটি তেলের পাম্পে বিভিন্ন পরিবহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হওয়ায় সড়কে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে যান চলাচল আরও ব্যাহত হয়।

    ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, অবরোধ ও জ্বালানি নিতে গাড়ির দীর্ঘ লাইনের কারণে এই যানজট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ট্রাফিক পুলিশ কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।

  • ঝড়-বৃষ্টিতে অচল কমলাপুর—উপড়ে পড়া গাছে বন্ধ সড়ক, বিদ্যুৎহীন বহু ঘর

    ঝড়-বৃষ্টিতে অচল কমলাপুর—উপড়ে পড়া গাছে বন্ধ সড়ক, বিদ্যুৎহীন বহু ঘর

    এবিএনএ: রাজধানীতে হঠাৎ তীব্র ঝড় ও বৃষ্টির দাপটে কমলাপুর এলাকায় বড় ধরনের ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। প্রবল বাতাসে একটি বড় গাছ উপড়ে সড়কের ওপর পড়ে যাওয়ায় কমলাপুর থেকে টিটিপাড়া আন্ডারপাসগামী পথ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

    বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঝড় শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গাছটি সড়কের ওপর আড়াআড়িভাবে ভেঙে পড়ে। এতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথে ঘুরে যেতে বাধ্য হতে হয়।

    ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, রাত সাড়ে আটটার দিকেও সড়কের পশ্চিম পাশে একটি বিশাল রেন্ট্রি গাছ পড়ে আছে। ফলে ওই পথে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং চালকদের উল্টো দিক দিয়ে ঘুরে চলতে হচ্ছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃষ্টি শুরুর পরপরই গাছটি সড়কের মাঝামাঝি ভেঙে পড়ে এবং পাশের বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যায়। এতে আশপাশের বেশ কয়েকটি বাসায় সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, সৃষ্টি হয় চরম দুর্ভোগ।

    এদিকে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে রাতেই সিটি করপোরেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে গাছ অপসারণের কাজ শুরু করেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

  • ঈদযাত্রায় দুঃসহ ভোগান্তি—গাজীপুরে ২১ কিমি যানজটে আটকা হাজারো মানুষ

    ঈদযাত্রায় দুঃসহ ভোগান্তি—গাজীপুরে ২১ কিমি যানজটে আটকা হাজারো মানুষ

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাড়ির পথে ছুটছে লাখো মানুষ। তবে আনন্দযাত্রা রূপ নিয়েছে চরম দুর্ভোগে। গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজট, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ২১ কিলোমিটার।

    বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে যানবাহনের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। এর সঙ্গে বৃষ্টির প্রভাব যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

    শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানায় ছুটি ঘোষণার পর একযোগে হাজার হাজার শ্রমিক ও কর্মজীবী মানুষ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। এতে চন্দ্রা এলাকা, যা উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত, সেখানে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

    সরেজমিনে দেখা যায়, চন্দ্রা বাস টার্মিনাল থেকে কোনাবাড়ী উড়ালসড়ক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে আরও ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট লেগে আছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই স্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন।

    দূরপাল্লার বাসযাত্রী আল মাহাদী জানান, বৃষ্টির মধ্যেই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাড়িতে উঠলেও এক ঘণ্টায় মাত্র এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পেরেছেন। নির্ধারিত সময়ের দ্বিগুণ সময় লাগতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।

    একইভাবে, পরিবহন চালক মাহতাবুর রহমান বলেন, বৃষ্টির পর থেকেই যানজট মারাত্মক আকার নিয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

    চন্দ্রা টার্মিনালে অপেক্ষমাণ যাত্রী আতাউর রহমানের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো গাড়ি পাচ্ছেন না। এ সুযোগে পরিবহন মালিকরা ভাড়া বাড়িয়ে দিচ্ছেন, কিন্তু প্রশাসনের কার্যকর উপস্থিতি নেই।

    এদিকে, যানজট নিরসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। হাইওয়ে পুলিশের একাধিক সদস্য জানান, নির্দিষ্ট দায়িত্ব বিভাজনের কারণে তারা সরাসরি এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন না।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ থাকলেও তাদের তৎপরতা খুব একটা চোখে পড়ছে না। ফলে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের কষ্ট আরও বেড়েছে।

    সার্বিক পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই যানজট আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বকেয়া বেতনের দাবিতে সাভারে সড়ক অবরোধ, থমকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের যান চলাচল

    বকেয়া বেতনের দাবিতে সাভারে সড়ক অবরোধ, থমকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের যান চলাচল

    এবিএনএ: ঢাকার সাভারে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সড়কে নেমে আন্দোলন করছেন একটি কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা। তাদের এই কর্মসূচির ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন স্টেট ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এতে ওই সড়কে চলাচলকারী যানবাহন আটকে পড়ে এবং সৃষ্টি হয় ভোগান্তি।

    আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হচ্ছে না। বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো সমাধান না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে তারা সড়ক অবরোধ করেছেন।

    এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন চালকরা।

  • ঈদযাত্রার চাপে আব্দুল্লাহপুরে মানুষের স্রোত, বাস সংকটে বাড়তি ভাড়া ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ

    ঈদযাত্রার চাপে আব্দুল্লাহপুরে মানুষের স্রোত, বাস সংকটে বাড়তি ভাড়া ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা থেকে ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ। এতে উত্তরের প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত আব্দুল্লাহপুর এলাকায় যাত্রীদের ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। বাসের সংকট ও যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ।

    সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এয়ারপোর্ট, আজমপুর, হাউজ বিল্ডিং ও আব্দুল্লাহপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সড়কের পাশে অসংখ্য যাত্রী বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। যাত্রীদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।

    যাত্রীদের অভিযোগ, আন্তঃজেলা ও স্থানীয় রুটের অনেক বাস নির্ধারিত রুটে চলাচল না করে বেশি লাভের আশায় একাধিক ট্রিপ দিচ্ছে। ফলে নির্দিষ্ট রুটে বাসের সংখ্যা কমে গিয়ে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে।

    তারা আরও জানান, ঢাকা থেকে রংপুরগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে যেখানে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে থাকে, সেখানে বর্তমানে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। বাস না পেয়ে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ট্রাক বা অন্য বিকল্প যানবাহনে বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন। এসব ট্রাকেও জনপ্রতি প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

    রংপুরগামী যাত্রী রিয়াজুল বলেন, “সাধারণ সময়ে রংপুর যেতে ৫০০ টাকা লাগে। কিন্তু এখন বাসে উঠতেই ১৫০০ টাকা চাইছে। উপায় না থাকায় সেই ভাড়াতেই যেতে হচ্ছে।”

    অন্যদিকে ময়মনসিংহগামী গার্মেন্টসকর্মী রহিমা খাতুন জানান, বিকেল থেকে বাসের জন্য অপেক্ষা করলেও কোনো বাস পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, “যাত্রী অনেক কিন্তু বাস খুব কম। মনে হচ্ছে শেষ পর্যন্ত ট্রাকেই যেতে হবে।”

    তবে পরিবহন কাউন্টার সংশ্লিষ্টরা অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ঈদের সময়ে অনেক বাস যাত্রী ছাড়াই ঢাকায় ফিরে আসে। সেই কারণে কিছু ক্ষেত্রে ভাড়া সামান্য বাড়তে পারে।

    উত্তরার আজমপুর এলাকার একটি পরিবহন কাউন্টারের ব্যবস্থাপক বাচ্চু মিয়া বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর অংশে বিভিন্ন স্থানে যানবাহনের ধীরগতির কারণে গাড়ি সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না। এতে নির্ধারিত শিডিউল বিঘ্নিত হচ্ছে এবং যাত্রীদের কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

  • ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ডিএসসিসির কঠোর পদক্ষেপ—সায়েদাবাদে উচ্ছেদ হবে অবৈধ কাউন্টার

    ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ডিএসসিসির কঠোর পদক্ষেপ—সায়েদাবাদে উচ্ছেদ হবে অবৈধ কাউন্টার

    এবিএনএ: আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে এবং সড়কে যানজট কমাতে বেশ কয়েকটি কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার নগর ভবন এ অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম । এতে ডিএসসিসি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

    সভায় জানানো হয়, যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো এবং ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পদ্ধতি চালু করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ টিকিট কাউন্টার উচ্ছেদ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    অবৈধ কাউন্টার ও দোকান উচ্ছেদ

    সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সায়েদাবাদ আন্ত;জেলা বাস টার্মিনাল এলাকার সড়কের পাশে থাকা অবৈধ টিকিট কাউন্টার ও দোকানগুলো নির্দিষ্ট সময়ের নোটিশ দিয়ে সরিয়ে ফেলা হবে। সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢাল থেকে টিটি পাড়া পর্যন্ত এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণে অভিযান চালানো হবে।

    নিয়ম অনুযায়ী কাউন্টার বরাদ্দ

    টার্মিনালের ভেতরে কেবল প্রকৃত বাস কোম্পানিগুলোর জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে কাউন্টার বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ কাজে বাস মালিক সমিতি, ডিএসসিসি ও ট্রাফিক পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

    নির্ধারিত বাস-বে ব্যবহার বাধ্যতামূলক

    টার্মিনালকে ডিপো হিসেবে ব্যবহার না করে বাসগুলোকে নির্ধারিত পাঁচটি বাস-বে ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। যাত্রী ওঠানামার জন্য বাস সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০ মিনিট অবস্থান করতে পারবে।

    যাত্রীসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়ন

    যাত্রীদের সুবিধা বাড়াতে টার্মিনালে নতুন তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি মায়েদের জন্য মাতৃদুগ্ধ পান করানোর আলাদা কক্ষ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ঈদের আগেই টার্মিনালের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ শেষ করা, শৌচাগার সংস্কার এবং জলাবদ্ধতা দূর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে নজরদারি

    ঈদ উপলক্ষে বাড়তি যাত্রীচাপের সুযোগ নিয়ে কোনো পরিবহন যেন অতিরিক্ত ভাড়া নিতে না পারে—এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে পরিবহন মালিকদের প্রতি।

    পরিত্যক্ত বাস অপসারণ

    টার্মিনালের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত বাসগুলো জব্দ করে সরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ট্রাফিক বিভাগকে। এতে সড়কের যানজট কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সভাপতির বক্তব্যে প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

  • ভাঙ্গা বিভক্তির সিদ্ধান্তে উত্তাল জনতা: দুই দফায় মহাসড়ক অবরোধ, তিন দিনের আলটিমেটাম

    ভাঙ্গা বিভক্তির সিদ্ধান্তে উত্তাল জনতা: দুই দফায় মহাসড়ক অবরোধ, তিন দিনের আলটিমেটাম

    এবিএনএ:  ফরিদপুর-৪ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণে ভাঙ্গা উপজেলাকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) উত্তাল হয়ে ওঠে ভাঙ্গা। ভোর থেকেই স্থানীয়রা দুই দফায় ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলে।

    প্রথম অবরোধ শুরু হয় সকাল ৮টার দিকে আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। অল্প সময়ের মধ্যেই হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ, মাধবপুর ও পুকুরিয়া এলাকাতেও শত শত মানুষ রাস্তায় নামে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলা এ অবরোধ প্রশাসনের অনুরোধে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হলেও, জুমার নামাজের পর আবারো বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধে নামে বিক্ষুব্ধ জনতা।

    এ সময় হাজারো যানবাহন আটকা পড়ে এবং ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রচণ্ড গরমে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাঙ্গার মানুষ দল-মত নির্বিশেষে আন্দোলনে যোগ দেন এবং শ্লোগান তোলেন, “আমরা ভাঙ্গার মানুষ, ভাঙ্গার সঙ্গেই থাকতে চাই।”

    ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইকবাল হোসেন সেলিম তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, এর মধ্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হলে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ গেজেটে ফরিদপুর-৪ আসনের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে বাদ দিয়ে ফরিদপুর-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এর বিরুদ্ধেই ভাঙ্গার মানুষ আন্দোলনে নেমেছে।

  • রাজধানীতে যানজটের ভয়াবহ চিত্র, পরীক্ষার্থী ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

    রাজধানীতে যানজটের ভয়াবহ চিত্র, পরীক্ষার্থী ও যাত্রীদের চরম ভোগান্তি

    এবিএনএ:  রাজধানী ঢাকায় রবিবার (৩ আগস্ট) সকালে দেখা যায় অসহনীয় যানজট। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি, অন্যদিকে এইচএসসি ও বিসিএস পরীক্ষা—সব মিলিয়ে রাজধানীর সড়কগুলো হয়ে পড়ে প্রায় অচল।

    সকালে ছাত্রদলের উদ্যোগে শাহবাগে ‘ছাত্র সমাবেশ’ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এসব এলাকায় জনস্রোত ও গাড়ির চাপ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার কারণে রাস্তায় তৈরি হয় তীব্র যানজট।

    শাহবাগ, টেকনিক্যাল মোড়, ফার্মগেট, শ্যামলী, কাকরাইল, সোনারগাঁও রোডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ছিল দীর্ঘ লাইনে স্থবির যানবাহন। অনেক যাত্রী বাসে উঠতে পারেননি, সিএনজিচালকরাও ভাড়া নিতে রাজি হননি।

    টেকনিক্যাল মোড়ের এক যাত্রী রাহাত চৌধুরী বলেন, “বাসে ওঠার জায়গা নেই, আবার উঠলেও কখন গন্তব্যে পৌঁছাব—তার কোনো ঠিক নেই।” অপরদিকে সিএনজিচালক আলামিন জানান, “শুধু টেকনিক্যাল থেকে শ্যামলী পর্যন্ত যেতে লাগছে প্রায় ৩৫ মিনিট, যেখানে সাধারণত ১০ মিনিটও লাগে না।”

    ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীতে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির কারণে শাহবাগ, শহীদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় যান চলাচলে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ডিএমপির বিকল্প রুট পরিকল্পনা নিম্নরূপ:

    ১. হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়: শাহবাগে না গিয়ে হেয়ার রোড/মিন্টু রোড
    ২. কাটাবন থেকে: নীলক্ষেত/পলাশী বা বাংলামোটর লিংক রোড
    ৩. মৎস্য ভবন ও হাইকোর্ট থেকে: হেয়ার রোড হয়ে ঢাবি বা কাকরাইল
    ৪. টিএসসি, দোয়েল চত্বর, নীলক্ষেত: শাহবাগ এড়িয়ে চলাচল
    ৫. শহীদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন রাস্তাগুলো: এড়িয়ে চলার অনুরোধ

    ডিএমপি আরও জানায়, এইচএসসি ও বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে রওনা হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

    ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, “নিয়মিত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ডাইভারশনও দেওয়া হয়েছে।”


    রাজধানীর যানজট পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসনের সতর্কতা থাকলেও পরীক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা দিনের শুরুতেই দুর্ভোগের শিকার হন। রাজনৈতিক কর্মসূচি ও পরীক্ষার সময় একযোগে পড়লে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আরও সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

  • ষড়যন্ত্র হলে রাজপথেই জবাব দেবে বিএনপি: স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি

    ষড়যন্ত্র হলে রাজপথেই জবাব দেবে বিএনপি: স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ:  রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এবং ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে রাজপথে সরব হয়ে উঠেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে দলটির নেতারা হুঁশিয়ারি দেন—বিএনপি ও তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্র রাজপথেই প্রতিহত করা হবে।

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল সমাবেশে বলেন, “সন্ত্রাস ও খুনের কোনো দল বা আদর্শ থাকে না। মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আগে নিজের মুখ আয়নায় দেখুন, তারপর অন্যের দিকে আঙুল তুলুন।”

    তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো মহল বিএনপি ও তার নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, তবে সে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে রাজপথেই। আমাদের ধৈর্যের সীমা পরীক্ষা করবেন না। ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।”

    সমাবেশ শেষে বিকেল ৫টায় নয়াপল্টন থেকে মিছিল শুরু হয়ে কাকরাইল, মৎস্য ভবন হয়ে শাহবাগ মোড় গিয়ে শেষ হয়। সেখানেই সোয়া ৬টার দিকে ১৫ মিনিটের অবস্থান কর্মসূচি পালন করে স্বেচ্ছাসেবক দল। এর ফলে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট।

    বিক্ষোভে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন ও পতাকা নিয়ে অংশ নেন। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে তাঁরা স্লোগানে স্লোগানে গর্জে ওঠেন।

    সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এস এম জিলানী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান। বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান ও ফখরুল ইসলাম রবিন।

    বক্তারা সরকারের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র’ ও ‘প্রশাসনিক সহায়তায় বিরোধী দল দমন’ করার অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রস্তুতির আহ্বান জানান।

  • ‘রাজপথ ছাড়বো না’—ডিএসসিসি ইস্যুতে ইশরাকের আহ্বানে উত্তাল রাজধানী

    ‘রাজপথ ছাড়বো না’—ডিএসসিসি ইস্যুতে ইশরাকের আহ্বানে উত্তাল রাজধানী

    এবিএনএ: 

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে শপথ গ্রহণ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর রাজপথ। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ডিএসসিসি মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন তার সমর্থকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন— “একটা কথাই বলবো, যতক্ষণ দরকার রাজপথ ছাড়বেন না।”

    বুধবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই বার্তা দেন। তার এই আহ্বানের পরপরই রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবস্থান নেয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    🚧 বিক্ষোভে অচল রাজধানী:

    মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ এলাকা এবং যমুনা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন ইশরাকের অনুসারীরা। একইসঙ্গে ডিএসসিসি নগর ভবনের সামনেও আরেকটি বড় অংশ জড়ো হয়ে পড়েছে। এতে নগর ভবনের সামনের সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

    এর ফলে রাজধানীর ওইসব এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। ব্যস্ততম এই এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে।

    🔥 রাজনৈতিক বার্তা পরিষ্কার:

    ইশরাক হোসেনের এই অবস্থান এবং আহ্বান বিএনপির আন্দোলন কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি তার বার্তায় আরও বলেন, “গণতন্ত্রের জন্য যে মূল্য দিতে হয়, আমরা তা দিতেই রাজপথে এসেছি। এখান থেকে পিছু হটা চলবে না।”

    বিএনপি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দলীয় ফোরামে ইশরাককে নিয়ে শপথ ইস্যুতে সৃষ্ট জটিলতা আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে রূপ নিতে পারে।

    📌 সতর্ক প্রশাসন:

    অবস্থার গুরুত্ব বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও দেখা গেছে সতর্ক অবস্থানে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে জন্য নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।