Tag: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২৩৭টি আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করেন।

    ঘোষণায় জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আসন্ন নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—বগুড়া-৭, ফেনী-১ এবং দিনাজপুর-৩। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে লড়বেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন বলে জানান। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতা ও তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় রাজনীতিকরা। বিভিন্ন বিভাগ অনুযায়ী তালিকা সাজানো হয়েছে—রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ আটটি বিভাগেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

    কিছু আসন এখনো স্থগিত রাখা হয়েছে, সেসব আসনে আলোচনা শেষে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব।

    ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নির্বাচনী উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, “এই তালিকা বিএনপির ঐক্য ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের দৃঢ়তার প্রতিফলন।”

    উল্লেখ্য, বিএনপি এবার নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    কে পেলেন কোন আসন-
    রংপুর বিভাগ
    পঞ্চগড়-১: ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির
    পঞ্চগড়-২: ফরহাদ হোসেন আজাদ
    ঠাকুরগাঁও-১: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    ঠাকুরগাঁও-৩: মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জাহিদ
    দিনাজপুর-৩: বেগম খালেদা জিয়া
    দিনাজপুর-৪: মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিয়া
    নীলফামারী-১: স্থগিত
    নীলফামারী-২: এএইচএম মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ রুবেল
    নীলফামারী-৩: স্থগিত
    নীলফামারী-৪: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর সরকার
    লালমনিরহাট-১: মোহাম্মদ হাসান রাজীব প্রধান
    লালমনিরহাট-২: স্থগিত
    লালমনিরহাট-৩: আসাদুল হাবিব দুলু
    রংপুর-১: মোকাররম হোসেন সুজন
    রংপুর-২: মোহাম্মদ আলী সরকার
    রংপুর-৩: শামসুজ্জামান শামু
    রংপুর-৪: মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা
    রংপুর-৫: মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী
    রংপুর-৬: মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-১: সাইফুল ইসলাম রানা
    কুড়িগ্রাম-২: মোহাম্মদ সোহেল হোসেন কায়কোবাদ
    কুড়িগ্রাম-৩: তাসভীরুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-৪: মোহাম্মদ আজিজুর রহমান
    গাইবান্ধা-২: আনিসুজ্জামান খান বাবু
    গাইবান্ধা-৪: মোহাম্মদ ফারুক আলম সরকার
    রাজশাহী বিভাগ
    জয়পুরহাট-১: মোহাম্মদ মাসুদ রানা প্রধান
    জয়পুরহাট-২: আব্দুল বারী
    বগুড়া-১: কাজী রফিকুল ইসলাম
    বগুড়া-৩: আব্দুল মুহিত তালুকদার
    বগুড়া-৪: মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
    বগুড়া-৫: মোহাম্মদ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ
    বগুড়া-৬: তারেক রহমান
    বগুড়া-৭: বেগম খালেদা জিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ
    নওগাঁ-১: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান
    নওগাঁ-২: শামসুজ্জোহা খান
    নওগাঁ-৩: ফজলে হুদা বাবুল
    নওগাঁ-৪: একরামুল বারী টিপু
    নওগাঁ-৫: স্থগিত
    নওগাঁ-৬: শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম
    রাজশাহী-১: মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন
    রাজশাহী-২: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনু
    রাজশাহী-৩: মোহাম্মদ শফিকুল হক নজরুল ইসলাম
    রাজশাহী-৬: আবু সাঈদ চাঁদ
    নাটোর-১: ফারজানা শারমিন
    নাটোর-২: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
    নাটোর-৩: স্থগিত
    নাটোর-৪: মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ
    সিরাজগঞ্জ-১: স্থগিত
    সিরাজগঞ্জ-২: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
    সিরাজগঞ্জ-৩: আইনুল হক
    সিরাজগঞ্জ-৪: এস এম আকবর আলী
    সিরাজগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম খান
    সিরাজগঞ্জ-৬: এম এম মহিত
    পাবনা-১: স্থগিত
    পাবনা-২: এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব
    পাবনা-৩: মোহাম্মদ হাসান জাফির তুহিন
    পাবনা-৪: হাবিবুর রহমান হাবিব
    পাবনা-৫: মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস
    খুলনা বিভাগ
    মেহেরপুর-১: মাসুদ অরুণ
    কুষ্টিয়া-১: রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা
    কুষ্টিয়া-২: রাগীব রউফ চৌধুরী
    কুষ্টিয়া-৩: মোহাম্মদ জাকির হোসেন সরকার
    কুষ্টিয়া-৪: মোহাম্মদ মেহেদী আহমেদ রুমি
    ঝিনাইদহ-২: মাহমুদ হাসান খান
    ঝিনাইদহ-১: স্থগিত
    ঝিনাইদহ-২: স্থগিত (পুনরাবৃত্তি)
    ঝিনাইদহ-৪: এম সাইফুল ইসলাম ফিরোজ
    যশোর-১: মোহাম্মদ মফিজুল হাসান তৃপ্তি
    যশোর-২: মোহাম্মদ সাবিরা সুলতানা
    যশোর-৩: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
    যশোর-৪: টি এস আইয়ুব
    যশোর-৫: স্থগিত
    যশোর-৬: কাজী রওনাকুল ইসলাম
    মাগুরা-১: মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন
    মাগুরা-২: নিতাই রায় চৌধুরী
    বাগেরহাট-২: স্থগিত
    বাগেরহাট-৩: স্থগিত
    খুলনা-১: স্থগিত
    খুলনা-২: নজরুল ইসলাম মঞ্জু
    খুলনা-৩: রকিবুল ইসলাম বকুল
    খুলনা-৪: শরীফ শাহ কামাল তাজ
    খুলনা-৫: মোহাম্মদ আলী আজগর
    খুলনা-৬: মনিরুল হাসান বাপ্পী
    সাতক্ষীরা-১: হাবিবুল ইসলাম হাবিব
    সাতক্ষীরা-২: আব্দুর রউফ
    সাতক্ষীরা-৩: কাজী আলাউদ্দিন
    বরিশাল বিভাগ
    পটুয়াখালী-১: এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) আলতাফ হোসেন চৌধুরী
    পটুয়াখালী-২: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৩: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৪: এ বি এম মোশাররফ হোসেন
    ভোলা-১: গোলাম নবী আলমগীর
    ভোলা-২: মোহাম্মদ হাফিজ ইব্রাহিম
    ভোলা-৩: মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম
    ভোলা-৪: মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন
    বরিশাল-১: জহিরউদ্দিন স্বপন
    বরিশাল-২: সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
    বরিশাল-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    বরিশাল-৪: মোহাম্মদ রাজিব হাসান
    বরিশাল-৫: মোহাম্মদ মজিবুর রহমান সরোয়ার
    বরিশাল-৬: আবুল হোসেন খান
    ঝালকাঠি-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঝালকাঠি-২: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো
    পিরোজপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    পিরোজপুর-২: আহমেদ সায়েম মনজুর
    পিরোজপুর-৩: মোহাম্মদ রুহুল আমিন দুলাল
    ঢাকা বিভাগ
    টাঙ্গাইল-২: আব্দুস সালাম পিন্টু
    টাঙ্গাইল-৩: এ এস এম উবায়দুল হক নাসির
    টাঙ্গাইল-৪: মোহাম্মদ লুৎফর রহমান মতিন
    টাঙ্গাইল-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    টাঙ্গাইল-৬: রবিউল আউয়াল লাভলু
    টাঙ্গাইল-৭: আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী
    জামালপুর-৩: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল
    জামালপুর-৪: মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম
    জামালপুর-৫: শাহ্ মোহাম্মদ ওয়ারেস আলী মামুন
    শেরপুর-১: সানসিলা জেবরিন
    শেরপুর-২: মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী
    শেরপুর-৩: মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল
    ময়মনসিংহ-১: সৈয়দ ইমরান সালেহ
    ময়মনসিংহ-২: মোতাহের হোসেন তালুকদার
    ময়মনসিংহ-৩: এম ইকবাল হোসেন
    ময়মনসিংহ-৪: স্থগিত
    ময়মনসিংহ-৫: মোহাম্মদ জাকির হোসেন
    ময়মনসিংহ-৬: মোহাম্মদ আক্তারুল আলম
    ময়মনসিংহ-৭: ডাক্তার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
    ময়মনসিংহ-৮: লুৎফুল্লাহেল মাজেদ
    ময়মনসিংহ-৯: ইয়াসের খান চৌধুরী
    ময়মনসিংহ-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ময়মনসিংহ-১১: ফখরুদ্দিন আহমেদ
    নেত্রকোনা-১: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
    নেত্রকোনা-২: মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক
    নেত্রকোনা-৩: রফিকুল ইসলাম হেলালী
    নেত্রকোনা-৪: মোহাম্মদ লুৎফুজ্জামান বাবর
    নেত্রকোনা-৫: আবু তাহের তালুকদার
    কিশোরগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    কিশোরগঞ্জ-৩: ডক্টর ওসমান ফারুক
    কিশোরগঞ্জ-৪: মোহাম্মদ ফজলুর রহমান
    কিশোরগঞ্জ-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-৬: মোহাম্মদ শরিফুল আলম
    মানিকগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    মানিকগঞ্জ-২: মঈনুল ইসলাম খান
    মানিকগঞ্জ-৩: আফরোজা খান রিতা
    মুন্সিগঞ্জ-১: শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
    মুন্সিগঞ্জ-২: মিজানুর রহমান সিনহা
    মুন্সিগঞ্জ-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১: খন্দকার আবু আশফাক
    ঢাকা-৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
    ঢাকা-৫: নবীউল্লাহ নবী
    ঢাকা-৬: ইশরাক হোসেন
    ঢাকা-৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস
    ঢাকা-৯: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১১: এম এ কাইয়ুম
    ঢাকা-১২: সাইফুল আলম নীরব
    ঢাকা-১৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৪: সানজিদা ইসলাম তুলি
    ঢাকা-১৫: শফিকুল ইসলাম খান
    ঢাকা-১৬: আমিনুল হক
    ঢাকা-১৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৮: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৯: ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন
    গাজীপুর-২: মনজুরুল করিম রনি
    গাজীপুর-৩: অধ্যাপক ডাক্তার এ এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু
    গাজীপুর-৪: শাহ রিয়াজুল হান্নান
    গাজীপুর-৫: ফজলুল হক মিলন
    নরসিংদী-১: খায়রুল কবির খোকন
    নরসিংদী-২: ডক্টর আব্দুল মঈন খান
    নরসিংদী-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    নরসিংদী-৪: সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন
    নরসিংদী-৫: ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন বকুল
    নারায়ণগঞ্জ-১: মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু
    নারায়ণগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম আজাদ
    নারায়ণগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম মান্নান
    নারায়ণগঞ্জ-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    নারায়ণগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান
    রাজবাড়ী-১: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম
    রাজবাড়ী-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদ ইসলাম
    ফরিদপুর-৩: নায়াব ইউসুফ আহমেদ
    ফরিদপুর-৪: শহিদুল ইসলাম বাবুল
    গোপালগঞ্জ-১: মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্লা
    মাদারীপুর-১: কামাল জামাল মোল্লা
    মাদারীপুর-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    মাদারীপুর-৩: আনিসুর রহমান
    শরীয়তপুর-১: সৈয়দ আহমেদ আসলাম
    শরীয়তপুর-২: শফিকুর রহমান কিরণ
    শরীয়তপুর-৩: মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু
    সিলেট বিভাগ
    সুনামগঞ্জ-১: আনিসুল হক
    সুনামগঞ্জ-৫: কলিমউদ্দিন মিলন
    সিলেট-১: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী
    সিলেট-২: মোসাম্মৎ তাহসিনা রুশদীর
    সিলেট-৩: মোহাম্মদ আব্দুল মালেক
    সিলেট-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৬: ইমরান আহমেদ চৌধুরী
    মৌলভীবাজার-১: নাসিরউদ্দিন আহমেদ মিঠু
    মৌলভীবাজার-২: শওকত হোসেন শকু
    হবিগঞ্জ-২: আবু মনসুর শাখাওয়াত হাসান জীবন
    চট্টগ্রাম বিভাগ
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: এ কে এম হান্নান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: খালেদ হোসেন মাহবুব
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: মুশফিকুর রহমান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান
    কুমিল্লা-১: ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন
    কুমিল্লা-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কুমিল্লা-৩: কাজী শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ
    কুমিল্লা-৪: মঞ্জুরুল ইসলাম মুন্সী
    কুমিল্লা-৫: মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
    কুমিল্লা-৮: জাকারিয়া তাহের
    কুমিল্লা-৯: মোহাম্মদ আবুল কালাম
    কুমিল্লা-১০: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর
    চাঁদপুর-১: আ ন ম এহছানুল হক মিলন
    চাঁদপুর-২: মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    চাঁদপুর-৩: শেখ ফরিদ হোসেন
    চাঁদপুর-৪: মোহাম্মদ মোমিনুল হক
    নোয়াখালী-২: জয়নাল আবেদীন ফারুক
    নোয়াখালী-৩: মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ বুলু
    নোয়াখালী-৪: মোহাম্মদ শাহজাহান
    নোয়াখালী-৫: মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
    নোয়াখালী-৬: মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান সামি
    লক্ষ্মীপুর-৩: শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
    চট্টগ্রাম-১: নুরুল আমিন চেয়ারম্যান
    চট্টগ্রাম-২: সরোয়ার আলমগীর
    চট্টগ্রাম-৫: মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন
    চট্টগ্রাম-৮: এরশাদ উল্লাহ
    চট্টগ্রাম-৯: মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (বক্তা প্রথমে এই নামটি বলেন, পরে স্থগিত ঘোষণা করেন)
    চট্টগ্রাম-১০: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
    চট্টগ্রাম-১৩: সরোয়ার জামাল নিজাম
    চট্টগ্রাম-১৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৬: মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা
    কক্সবাজার-১: সালাউদ্দিন আহমেদ
    কক্সবাজার-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কক্সবাজার-৩: লুৎফর রহমান কাজল
    কক্সবাজার-৪: শাহজাহান চৌধুরী
    খাগড়াছড়ি: আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া
    রাঙ্গামাটি: দীপেন দেওয়ান
    বান্দরবান: সাচিং প্রু
  • রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: শারদীয় বাণীতে তারেক রহমান

    রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: শারদীয় বাণীতে তারেক রহমান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব—এ কথা উল্লেখ করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “শারদীয় উৎসবকে ঘিরে যেন কোনো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছে, এটিই আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সৌন্দর্য।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, উৎসব আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীক। রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

    বিএনপি নেতা বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে প্রত্যেক নাগরিক অন্য নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। যারা প্রতিহিংসা ও উৎপীড়নের মাধ্যমে সমাজকে ধ্বংস করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা ন্যায্য।”

    হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, “আপনারা নিশ্চিন্তে ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় সারাদেশে দুর্গোৎসব উদযাপন করুন। আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকারও সবার।”

    অন্যদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক পৃথক বাণীতে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাম্প্রদায়িক উসকানি ও ধর্মীয় স্থাপনায় আক্রমণ সংগঠিত হয়েছে। তবে বর্তমানে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি আশ্বস্ত করেন, বিএনপি এসব অপচেষ্টা প্রতিহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • শিশু একাডেমি ভাঙার প্রস্তাবে মির্জা ফখরুলের কড়া আপত্তি: ‘জাতি গঠনে বাধা’

    শিশু একাডেমি ভাঙার প্রস্তাবে মির্জা ফখরুলের কড়া আপত্তি: ‘জাতি গঠনে বাধা’

    এবিএনএ: শিশুদের গঠনমূলক বিকাশে অবদান রাখা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান শিশু একাডেমিকে ভেঙে ফেলার পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “শিশু একাডেমি সরানো হলে জাতি গঠনের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

    বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “শিশু একাডেমি সরকারের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান, যা শিশুদের মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীলতার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং সারাদেশে এর কার্যক্রম ছড়িয়ে দিয়েছেন।”

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “এই প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া বা ভেঙে ফেলার চিন্তাই জাতির জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। এটি শিশুদের বিকাশে সরাসরি প্রভাব ফেলবে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (অব.) এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন ও সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু।


    উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের কবর জিয়ারত করলেন ফখরুল

    এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপি মহাসচিব উত্তরা দিয়াবাড়ির তারারটেক এলাকার একটি পারিবারিক কবরস্থানে যান। সেখানে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত তিন শিক্ষার্থী আরিয়ান, হুমায়ূরা ও বাপ্পির কবর জিয়ারত করেন তিনি।

    এছাড়াও শহীদ জুনায়েদ ও শারিয়ারের কবরেও শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল।

    শিশুদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি এবং এই দুঃসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

    এই সফরে তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম জাহাঙ্গীর, কফিল উদ্দিন, আফাজ উদ্দিন ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

  • খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার আগে নেতাকর্মীদের সতর্কবার্তা ফখরুলের, বিমানবন্দর রুটে বিশেষ নির্দেশনা

    খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার আগে নেতাকর্মীদের সতর্কবার্তা ফখরুলের, বিমানবন্দর রুটে বিশেষ নির্দেশনা

    এবিএনএ:  চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফিরছেন। এ উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    সোমবার (৫ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ফখরুল জানান, কাতারের আমিরের বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠানো ‘রয়্যাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে’ মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় খালেদা জিয়া ঢাকায় অবতরণ করবেন।

    ফখরুল নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান, তাঁরা যেন বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত শুধুমাত্র ফুটপাতে অবস্থান করেন এবং সড়কে নেমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকেও অনুরোধ জানান, যেন কেউ রাস্তা আটকে না রাখতে পারে এবং নিরাপত্তা বজায় থাকে।

    উল্লেখ্য, সোমবার লন্ডন সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন খালেদা জিয়া। কাতারের দোহায় এক ঘণ্টার যাত্রাবিরতির পর ঢাকায় পৌঁছাবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি।

    এই সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকছেন তাঁর দুই পুত্রবধূ—ডা. জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান। এছাড়াও মেডিকেল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়াল, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ, সহকারী মাসুদুর রহমান, ব্যক্তিগত সহকারী দিলারা মালিক, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ও রুপা শিকদার এবং আরও দুই চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার ও ডা. জাফর ইকবাল রয়েছেন।

    দলের পক্ষ থেকে এই সফরকে কেন্দ্র করে কোনো শোভাযাত্রা বা সড়ক অবরোধের পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছে বিএনপি সূত্র। নেতাকর্মীদের প্রতি বারবার আহ্বান জানানো হয়েছে— তাঁরা যেন শান্তিপূর্ণভাবে নেতা ফিরিয়ে নিতে উপস্থিত থাকেন এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখেন।