Tag: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • সংসদের আগে বিএনপি এমপিদের বিশেষ প্রশিক্ষণ: অধিবেশন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু

    সংসদের আগে বিএনপি এমপিদের বিশেষ প্রশিক্ষণ: অধিবেশন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নতুন ও পুরোনো সংসদ সদস্যদের সংসদীয় কার্যপ্রণালী সম্পর্কে দক্ষ করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও সংসদ নেতা তারেক রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দলের সংসদ সদস্যদের জন্য আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান অংশ নিচ্ছেন।

    সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি

    রুদ্ধদ্বার এই কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।

    এছাড়া কর্মশালায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

    কী শেখানো হবে কর্মশালায়

    দলীয় সূত্র জানায়, এই কর্মশালায় নতুন ও পুরোনো সংসদ সদস্যদের সামনে সংসদের বিভিন্ন কার্যপ্রণালী বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে রয়েছে—

    • সংসদের আচরণবিধি

    • বিল প্রণয়ন ও তা পর্যালোচনার পদ্ধতি

    • বাজেট সংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ

    • সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যক্রম

    • অধিবেশনে বক্তব্য উপস্থাপন ও আলোচনা পদ্ধতি

    অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতাও নতুনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করবেন।

    অধিবেশন আহ্বান

    আগামী ১২ মার্চ সকাল ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই অধিবেশন আহ্বান করেন।

    নতুন এমপিদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব

    এবারের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মোট ২০৯ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৪৬ জনই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন। ফলে সংসদীয় নিয়ম-কানুন ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলনামূলক কম।

    দলের এক সিনিয়র নেতা জানান, কর্মশালায় এমপিদের শেখানো হবে—
    কীভাবে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপন করতে হয়, কীভাবে বিল নিয়ে আলোচনা করতে হয়, নিজের নির্বাচনী এলাকার সমস্যা সংসদে উপস্থাপন করার কৌশল এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নেওয়ার পদ্ধতি।

    দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি

    দুই দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রথম দিনে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের কয়েকটি জেলার সংসদ সদস্যদের জন্য আলাদা সেশন রাখা হয়েছে।

    পরদিন শনিবার সকালে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এমপিরা অংশ নেবেন। বিকেলে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সংসদ সদস্যদের জন্য পৃথক সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

    বিএনপি নেতারা মনে করছেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদের কার্যক্রমে আরও দক্ষ ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবেন।

  • অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপে ফেলতেই নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে—মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে মির্জা ফখরুল

    অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপে ফেলতেই নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে—মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর দাবি, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের লোমহর্ষক সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঘটানো হচ্ছে, যাতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা যায়।

    বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের তেজতুরি বাজার এলাকার একটি গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দেওয়া এক শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনের পতনের পর একটি মহল নতুন করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ফায়দা লুটতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড সেই ষড়যন্ত্রেরই নির্মম বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অন্যথায় সুযোগসন্ধানী ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের সহযোগীরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে, যা দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।

    মির্জা ফখরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে এবং সহিংস ঘটনাগুলো তারই অংশ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। রাষ্ট্রকে অচল করে দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।

    শোক বিবৃতিতে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে নিহত আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

  • খালেদা জিয়ার জানাজায় জনসমুদ্র, মানুষের ভালোবাসার শক্ত বার্তা দেখছে বিএনপি

    খালেদা জিয়ার জানাজায় জনসমুদ্র, মানুষের ভালোবাসার শক্ত বার্তা দেখছে বিএনপি

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতিকে দেশের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জানাজায় মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের ভবনের ছাদ পর্যন্ত মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে—খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। নীতি, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়া আজীবন সংগ্রাম করেছেন, কারাবরণ করেছেন, দীর্ঘ অসুস্থতার মধ্যেও দেশ ছেড়ে যাননি। দেশের মাটি, মানুষ ও স্বাধীনতার প্রতি তার ভালোবাসাই সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের এই সংকটময় সময়ে তার প্রয়াণ মানুষের মধ্যে গভীর শোক তৈরি করেছে। তাই তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় জানাজায় মানুষের চোখে জল দেখা গেছে। এই আবেগই প্রমাণ করে, খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি ছিলেন মানুষের আস্থার প্রতীক।

    বিএনপি মহাসচিবের মতে, খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া আদর্শ বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীর জন্য বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনকে তিনি যেভাবে ধারণ করেছিলেন, সেই পথ ধরেই তারেক রহমান নেতৃত্ব দেবেন—এমন প্রত্যাশা মানুষের।

    আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি দলকে দুর্বল করবে না; বরং মানুষের ভালোবাসা ও আবেগ বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

  • হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন খালেদা জিয়া: বিদেশে নেয়ার মতো অবস্থায় নন, জানালেন মির্জা ফখরুল

    হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন খালেদা জিয়া: বিদেশে নেয়ার মতো অবস্থায় নন, জানালেন মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা মত দিয়েছেন যে, এখনই বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয় তার স্বাস্থ্য অবস্থা।

    শনিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সন কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও লন্ডনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা জানিয়েছেন, রোগীর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে তাকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে, প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘নেত্রী বর্তমানে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে আমরা দেশবাসী ও নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছি, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’ তিনি জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিতভাবে আপডেট জানানো হবে।

    জানা গেছে, এভারকেয়ার হাসপাতালে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। ৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছেন।

    দলের নেতাদের মতে, বর্তমান শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে। এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছে চিকিৎসক বোর্ড ও পরিবার।

  • হিংসার রাজনীতি নয়, শান্তি ও উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিতে ধানের শীষে ভোট দিন: মির্জা ফখরুল

    হিংসার রাজনীতি নয়, শান্তি ও উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিতে ধানের শীষে ভোট দিন: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ:  বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে একটি রাজনৈতিক শক্তি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে, তবে দেশের মানুষ এখন শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায়। তারা আর কোনোভাবেই হিংসার রাজনীতি বরদাশত করবে না। মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে।

    তিনি বলেন, দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনের জনপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান মিয়া একজন পরীক্ষিত ও সৎ প্রার্থী। ধানের শীষের প্রতীকেই তাঁকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে, যাতে উত্তরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত হয়। একই সঙ্গে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।

    বুধবার মাগরিবের নামাজের পর চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দর সুইহারীবাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    পথসভায় সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর-৪ আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মো. আখতারুজ্জামান মিয়া।

    অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন খানসামা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী বিএসসি, সাইদ আহমেদ সেলিম বুলবুল, সফিকুল ইসলাম, রবিউল আলম তুহিন, সাখাওয়াত হোসেন লিটন, চিরিরবন্দর বিএনপি নেতা নুর আলম সরকার দুলু, আলহাজ্ব মমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

    পথসভায় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ ছাত্রদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহিলা দলের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘মব ভায়োলেন্স থেকে বেরিয়ে আসলেই প্রতিষ্ঠিত হবে গণতন্ত্র’: মির্জা ফখরুল

    ‘মব ভায়োলেন্স থেকে বেরিয়ে আসলেই প্রতিষ্ঠিত হবে গণতন্ত্র’: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: বাংলাদেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সহনশীলতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অটুট রাখার ওপর জোর দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্র মানে ভিন্নমতকে সম্মান করা, আলোচনার সুযোগ তৈরি করা। কিন্তু যখন আমরা মব ভায়োলেন্স বা সহিংস ভিড়তন্ত্রে জড়িয়ে পড়ি, তখন গণতন্ত্রের আসল চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়।’

    বুধবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে বিএনপি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপি ও ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ সেন্টার।

    তিনি বলেন, ‘আমরা এখন একটা পরিবর্তনের পথে হাঁটছি। নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছে, শিডিউল এখনও হয়নি, কিন্তু নির্বাচনই শেষ কথা নয়। নির্বাচনের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, সেটাই আসল অর্জন।’

    গণতন্ত্রের মূল বার্তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তোমার মতের সঙ্গে আমি একমত নাও হতে পারি, কিন্তু তোমার মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় আমি আমার জীবন দিয়েও তা ধরে রাখব— এটাই হলো প্রকৃত গণতন্ত্র।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি টেকসই রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, তাহলে গণতন্ত্রকে বাস্তবভাবে প্রতিপালন করতে হবে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, কার্যকর সংসদ, স্বচ্ছ মিডিয়া ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হবে।’

    রাজনীতিতে বিভাজন ও সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কিছু মহল সচেতনভাবে দেশের ভিন্নমতের মানুষের মধ্যকার বিভক্তি বাড়াতে চাইছে, যাতে প্রকৃত গণতন্ত্রের পথে এগোনো বন্ধ হয়। এগুলো আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।’

    তিনি বিএনপির ভূমিকা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিএনপি বিপ্লবী নয়, এটি একটি লিবারাল ডেমোক্রেটিক দল। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতেই গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে আসছি।’

    অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সাইফুল হক, ফরিদুজ্জামান ফরহাদসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

  • দেশে পরিকল্পিতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে: মির্জা ফখরুল

    দেশে পরিকল্পিতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, “বর্তমান সংকট কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ফল নয়; এটি সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি করা হয়েছে।”

    বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বর ছিল আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক প্রতিরোধের দিন। এই দিনেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের রাজনৈতিক চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। আজ সেই গণতান্ত্রিক ধারাই পরিকল্পিতভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে পথ, সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে জনগণের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের পেছনে আছে একটি সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য।”

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, “এখনই সময় ঐক্যবদ্ধভাবে সব ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার। আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে বাংলাদেশকে প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।”

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ।

  • “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের স্বার্থে, কোনো দলের নয়—এ কথা জোর দিয়ে বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই সরকারের দায়িত্ব হলো একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।

    শনিবার রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের আয়োজিত হিন্দু প্রতিনিধি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ কারও দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন নয়। বিএনপি সবসময় ভিন্ন মতকে শ্রদ্ধা করে, আর মতভেদের জায়গায় আমরা রাখি ‘নোট অফ ডিসেন্ট’। এটাই আমাদের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি।”

    হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় যেন কেউ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সবাই এই স্বাধীন বাংলাদেশের সমান নাগরিক। বিএনপির কাছে দেশ ও জনগণের স্বার্থই সবার আগে।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, “ফ্যাসিবাদের সময়ে বিএনপির প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দেড় লাখ মামলা করা হয়েছিল, শত শত কর্মী গুম ও খুনের শিকার হয়েছিলেন। কারণ দেশে তখন আইনের শাসন ছিল না।”

    তারেক রহমান বলেন, “ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন ছাড়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু—কোনো নাগরিকই নিরাপদ নয়। ন্যায়বিচারই পারে নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “রামু বৌদ্ধ বিহার বা নাসিরনগর হামলার মতো ঘটনাগুলোর কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। বিএনপি সবসময় নাগরিক তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি।”

    বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি সতর্ক করে বলেন, “দেশ অস্থিতিশীল হলে পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।”

    তিনি বলেন, “গুপ্ত কৌশলে অপশক্তি যাতে দেশকে অস্থিতিশীল না করতে পারে, তার জন্য জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি। বিএনপি সহযোগিতা ও সমঝোতার রাজনীতি বজায় রাখবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ক্ষমতায় এলে বিএনপি প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের ফার্মাস কার্ড, এবং বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেবে।

    তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য থাকবে সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির নিশ্চয়তা।”

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু সোমনাথ দে, উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের নেতারা।

  • গণভোট ইস্যু নিয়ে উত্তাপ, নির্বাচন বানচালের চক্রান্তের অভিযোগ করলেন মির্জা ফখরুল

    গণভোট ইস্যু নিয়ে উত্তাপ, নির্বাচন বানচালের চক্রান্তের অভিযোগ করলেন মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণভোটের নামে দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল সচেতনভাবেই ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ব্যাহত করতে মাঠে নেমেছে।

    গতকাল শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে এ শোভাযাত্রাপূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    ফখরুল বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার, যাদের আমরা সমর্থন দিচ্ছি, তারাই এখন এমন পরিস্থিতি তৈরি করছে, যা নির্বাচনের স্বাভাবিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। যারা গণভোটের দাবি তুলেছে, তারা আসলে নির্বাচনের পথ রুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র করছে।”

    তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বিএনপি গণভোটের পক্ষে, তবে সেটি সংসদ নির্বাচনের দিনেই হতে হবে। তার ভাষায়, “দুটি ভোট আলাদাভাবে আয়োজন করলে জনগণের অর্থ ও সময় অপচয় হবে এবং মূল নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই গণভোট ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের দিনেই হওয়া উচিত।”

    সমাবেশ শেষে শোভাযাত্রা শান্তিনগর, মালিবাগ, মগবাজার হয়ে বাংলামোটরে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খানসহ দলের হাজারো নেতা-কর্মী।

    এ সময় মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “৭ নভেম্বরের চেতনা হচ্ছে গণতন্ত্রের চেতনা। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে দেশে সংস্কারের সূচনা করেছিলেন। আজ তারেক রহমান নতুন সংস্কারের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ৩১ দফা প্রস্তাবের মাধ্যমে। আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি।”

    গণভোট প্রসঙ্গে তিনি উপদেষ্টা পরিষদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, “যে ঐকমত্য কমিশন মাসের পর মাস ধরে বৈঠক করেছে, সেই আলোচনার ফলাফল কোথায়? এখন আবার নতুন করে সাত দিনের সময়সীমা ঘোষণা করে কী বোঝাতে চায় উপদেষ্টা পরিষদ?”

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আজ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার নতুন চক্রান্ত চলছে। আমাদের আবারও ৭ নভেম্বরের চেতনায় ফিরে যেতে হবে— সেই পথেই বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”

    সকালে বিএনপি নেতারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এতে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে মহানগর বিএনপি, যুবদল, মহিলা দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনও জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সারা দেশজুড়ে দিবসটি পালিত হয় সিলেট, খুলনা, কুমিল্লা, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায়।

    মির্জা ফখরুলের ভাষায়, “যে ঐতিহাসিক দিনে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা এক হয়ে স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছিল, আজ সেই চেতনায় আবারও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার শপথ নিতে হবে।”

  • চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর হামলা: দ্রুত গ্রেফতারের দাবি মির্জা ফখরুলের

    চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর হামলা: দ্রুত গ্রেফতারের দাবি মির্জা ফখরুলের

    এবিএনএ: চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালীন দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে নগরীর হামজারবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, এ সময় আরও একজন যুবকও গুলিবিদ্ধ হন।

    এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে প্রার্থীর ওপর এই ধরনের হামলা গণতন্ত্রকে রুদ্ধ করার অপচেষ্টা।” তিনি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    বুধবার সন্ধ্যায় দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে এরশাদ উল্লাহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। ঘটনার সময় তিনি সমর্থকদের সঙ্গে গণসংযোগে ছিলেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম জানান, “আমরা হামলার খবর পেয়েছি, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।”

    উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এরশাদ উল্লাহর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ঘোষণার মাত্র দুই দিন পরই তার ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটল, যা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।