Tag: ভোটকেন্দ্র

  • ঢাকা-৮ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে হামলার মুখে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে হামলার মুখে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    এবিএনএ: ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহজাহানপুর রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।

    পাটওয়ারীর অভিযোগ, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরও কেন্দ্র এলাকায় বহিরাগতদের উপস্থিতির খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর পরিকল্পিতভাবে তাকে ঘিরে ধরে প্রতিপক্ষের একদল কর্মী উত্তেজনা সৃষ্টি করে এবং হামলার চেষ্টা চালায়। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনী থাকলেও পরিস্থিতি ছিল উত্তপ্ত।

    তিনি বলেন, কেন্দ্র এলাকায় প্রবেশের পর তার ওপর আক্রমণের চেষ্টা করা হয় এবং একটি পক্ষ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও জানান, দুটি ভোটকেন্দ্রকে তিনি বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং সেখানে অতিরিক্ত নজরদারি প্রয়োজন। তিনি প্রশাসনের প্রতি কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি জানান, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন।

    ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভয় না পেয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

  • ঢাকা-১৭ আসনে ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা, সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে

    ঢাকা-১৭ আসনে ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা, সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে

    এবিএনএ: ঢাকা-১৭ আসনের ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আদর্শ বিদ্যানিকেতন ভোটকেন্দ্রে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নির্বাচনী উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রের আশপাশে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

    মফিজুল ইসলাম নামের এক ভোট এজেন্ট জানান, সকাল থেকেই কেন্দ্রের ভিতরে একটি পক্ষ প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছিল। কেন্দ্রের ভেতরে বিএনপির চারজন এজেন্ট ছিলেন। প্রাথমিকভাবে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরে বিষয়টি পুলিশের এবং সেনাবাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

    তবে, কেন্দ্রের ১০০ গজের ভেতরে বিএনপির বুথ অব্যাহত থাকা ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে।

    প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সোহেল আহমেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “কোনো অনিয়ম হয়নি। এখানে আইনশৃঙ্খলা বজায় রয়েছে। আমি ভোটকেন্দ্র মনিটর করছি এবং ভোটের পরিবেশ অনেক ভালো রয়েছে।”

    এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করে ভোটগ্রহণের স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। ভোটাররা নিরাপদে কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন।

  • যশোরে ভোটকেন্দ্রে অফিসিয়াল সিল চুরি, ভোটারদের লাইনে অপেক্ষা দীর্ঘ

    যশোরে ভোটকেন্দ্রে অফিসিয়াল সিল চুরি, ভোটারদের লাইনে অপেক্ষা দীর্ঘ

    এবিএনএ, যশোর: যশোরের রেল রোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে একটি অফিসিয়াল সিল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী বুথের ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয় এবং ভোটাররা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও কেন্দ্রের ভোটাররা জানিয়েছেন, ভোট দেওয়ার সময় একজন নারী ভোটার সুযোগ বুঝে সিলটি কেন্দ্র থেকে নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিল নিখোঁজ হওয়ার কারণে নারী বুথে ভোটগ্রহণ কিছুক্ষণ থমকে যায়। এর ফলে কেন্দ্রে ভোটারদের মধ্যে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

    কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ওবায়দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “সিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারার পরপরই আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে খবর দিয়েছি। কিছু সময় ভোটগ্রহণে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছিল, তবে বিকল্প সিল আনার পর ভোট কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পুনরায় শুরু হয়েছে।”

    বিজ্ঞানিকভাবে পর্যবেক্ষকরা জানান, এমন পরিস্থিতি ভোটগ্রহণে স্বাভাবিক গতিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তবে বর্তমানে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় ভোটগ্রহণ চালাচ্ছে। ভোটাররা জানিয়েছেন, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন যাতে ভোটাভুটির সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে।

  • যশোরে ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা, জামায়াত কর্মীসহ দুই জন আহত

    যশোরে ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা, জামায়াত কর্মীসহ দুই জন আহত

    এবিএনএ, যশোর: যশোরে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় জামায়াতের এক কর্মী ও এক ভোটার আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোর-৩ আসনের তালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘটনাটি ঘটে।

    আহতরা হলেন, সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী আবু হোসেন (২৫) এবং আব্দুল গণি (৫০)।

    আহত আবু হোসেন জানান, তিনি সকালেই ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। তখন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকরা তার ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাকে পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। অপরদিকে, আব্দুল গণি ভোট দিতে বাড়ি থেকে বের হলে জামায়াত সমর্থকরা তাকে চড়-থাপ্পড় মেরে বাড়িতে ফিরে যেতে বাধ্য করে।

    ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

    যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, “তালবাড়িয়া স্কুলকেন্দ্রে কোনো গুরুতর অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আমাদের কাছে আসেনি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • ভোটের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রাণ হারালেন পোলিং অফিসার—সরাইলে কেন্দ্রে নেমে এলো শোকের ছায়া

    ভোটের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রাণ হারালেন পোলিং অফিসার—সরাইলে কেন্দ্রে নেমে এলো শোকের ছায়া

    এবিএনএ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলাকালে দায়িত্বে থাকা এক পোলিং অফিসারের আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম মো. মুজাহিদুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সিরাজুল ইসলাম অডিটোরিয়াম কেন্দ্রে নির্ধারিত ভোটকক্ষে কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন।

    কেন্দ্রে উপস্থিত সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সরাইল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু বকর সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তার মৃত্যু হওয়ায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে শোকের আবহ নেমে এসেছে।

    মুজাহিদুল ইসলাম স্থানীয় পানিশ্বর ইউনিয়নের ইসলামী ফাউন্ডেশনের একজন শিক্ষক ছিলেন। দায়িত্বশীল ও ভদ্র মানুষ হিসেবে এলাকায় তার পরিচিতি ছিল বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা। আকস্মিক এই ঘটনায় কেন্দ্রে কর্মরত অন্যদের মধ্যে নীরবতা ও শোক দেখা যায়।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দেশজুড়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এই নির্বাচন উপলক্ষে দেশব্যাপী বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।

  • সকালেই ভোট দিলেন ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন, বললেন ‘নিরপেক্ষ ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

    সকালেই ভোট দিলেন ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন, বললেন ‘নিরপেক্ষ ভোট হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’

    এবিএনএ, বাগেরহাট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাগেরহাটের খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিজের ভোট দেন। একই কেন্দ্রে তার স্ত্রী তাহমিনা লিমাও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    ভোট দেওয়ার পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন বলেন, সকালে ভোটকেন্দ্রের যে পরিবেশ দেখেছেন তাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটারদের উপস্থিতিও সন্তোষজনক এবং নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে ফলাফল তাদের অনুকূলে আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

    সকাল থেকেই ভোটারদের কেন্দ্রে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নারী ও পুরুষ ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে পর্যায়ক্রমে বুথে প্রবেশ করে ভোট প্রদান করছেন। শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পেরে অনেক ভোটার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন পর নিরুপদ্রব পরিবেশে ভোট দিতে পারাটা স্বস্তিদায়ক।

    নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৬৬ জন এবং নারী ভোটার ১ হাজার ৮৪ জন। চারটি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

  • ভোটে বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর জবাব—নাশকতার দায় নেবে অভিযুক্তরাই, হুঁশিয়ারি র‍্যাব ডিজির

    ভোটে বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর জবাব—নাশকতার দায় নেবে অভিযুক্তরাই, হুঁশিয়ারি র‍্যাব ডিজির

    এবিএনএ: ভোটকেন্দ্রে নাশকতা, জালভোট বা ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালনে কোনো ঝুঁকি নেয় না; ঝুঁকি বহন করতে হবে আইন ভাঙতে আসা ব্যক্তিদেরই।

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে র‍্যাব ডিজি জানান, যারা নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, ফলাফল মেনে না নিয়ে সহিংসতায় জড়াবে কিংবা ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে—তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোরতা প্রয়োগ করা হবে।

    তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেপ্তারে জোরালো তৎপরতা চালানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বিশেষ অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।

    নির্বাচনী নিরাপত্তা পরিকল্পনাকে তিন ধাপে সাজানো হয়েছে—নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়। নির্বাচনের দিন র‍্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে। ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জেলায় র‍্যাবের টিম মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    র‍্যাব ডিজি আরও বলেন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আনসার ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের স্থানীয় ইউনিটের সঙ্গেও সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।

    ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত স্থির ফোর্স বসানো হয়েছে। প্রযুক্তিগত নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে—অনেক কেন্দ্রে সিসিটিভি, পুলিশের বডি ক্যামেরা, ড্রোন নজরদারি, ডগ স্কোয়াড ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে হেলিকপ্টার ব্যবহারের প্রস্তুতিও আছে।

    বহিরাগতদের অযৌক্তিক উপস্থিতি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন বা ভোটার প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো কেন্দ্রে পরিস্থিতি অবনতি হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে ভোট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

    র‍্যাব ডিজি বলেন, নির্দিষ্ট কোনো জঙ্গি হুমকি নেই; তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

  • ভোটের আগেই জেনে নিন নিজের ভোটার নম্বর ও কেন্দ্র—ইসির ৪ সহজ পদ্ধতি এক নজরে

    ভোটের আগেই জেনে নিন নিজের ভোটার নম্বর ও কেন্দ্র—ইসির ৪ সহজ পদ্ধতি এক নজরে

    এবিএনএ: আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের ভোগান্তি কমাতে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার চারটি সহজ পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব সেবার মাধ্যমে ঘরে বসেই দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নিজের ভোটার নম্বর, ভোটার ক্রমিক নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা জানা যাবে বলে জানিয়েছে ইসি।

    ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, প্রযুক্তিনির্ভর এই সেবাগুলো ব্যবহার করে ভোটাররা কেন্দ্র খুঁজে নিতে পারবেন আগেভাগেই। এতে ভোটের দিন সময় বাঁচবে এবং বিভ্রান্তি কমবে।

    পদ্ধতি–১: Smart Election Management BD অ্যাপ
    প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে Smart Election Management BD অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন। ড্যাশবোর্ডে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ নির্বাচন করে ‘ভোটকেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে গিয়ে এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ দিলে সঙ্গে সঙ্গে ভোটার নম্বর, ভোটার ক্রমিক নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের নাম-ঠিকানা দেখা যাবে।

    পদ্ধতি–২: ১০৫ হটলাইন
    যেকোনো মোবাইল বা ল্যান্ডফোন থেকে ১০৫ নম্বরে কল করুন। অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ জানালে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সেবা চালু থাকবে।

    পদ্ধতি–৩: ১০৫-এ এসএমএস
    মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে নির্ধারিত ফরম্যাটে তথ্য লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি এসএমএসে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য পাওয়া যাবে।

    পদ্ধতি–৪: নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট
    ecs.gov.bd ওয়েবসাইটে ঢুকে ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনু থেকে অনুসন্ধান করা যাবে। এলাকা ও উপজেলা/থানা নির্বাচন করে কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে, অথবা এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে সরাসরি নিজের তথ্য পাওয়া যাবে। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে কেন্দ্রের অবস্থান, দূরত্ব ও যাওয়ার পথও দেখা যাবে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের আগেই নিজের তথ্য নিশ্চিত করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

  • কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে রয়েছে কৌতূহল ও উত্তেজনা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত সময় পার করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ তুঙ্গে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর গুলশান এলাকার ভোটার হিসেবে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রটিতে নির্বাচন দিনে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি থাকার কথা।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট দেবেন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানা গেছে। তার ভোট ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে আলাদা উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতা ভোট দেবেন। প্রবীণ নেতা মির্জা আব্বাস রাজধানীর শাহজাহানপুরে অবস্থিত মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেরানীগঞ্জে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরাকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নরসিংদীর পলাশে ড. আব্দুল মঈন খান চারনগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের ভোটও স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। চট্টগ্রামে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কক্সবাজারের পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    উত্তরাঞ্চলে সিরাজগঞ্জে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সালেহা ইশহাক সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং দক্ষিণে ভোলার লালমোহনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম আব্দুল ওয়াহাব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন মতিহারা সরকারি হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    দলীয় মিডিয়া সেল জানিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রে পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলে নেতারা নির্ধারিত সময়েই ভোট দেবেন। নেতাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি শুধু নাগরিক দায়িত্ব পালন নয়—দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল জোগাতেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিলে আটক! নির্বাচনের দিন ইসির কড়া নিষেধাজ্ঞা

    ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিলে আটক! নির্বাচনের দিন ইসির কড়া নিষেধাজ্ঞা

    এবিএনএ: আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে মোবাইলফোন বহনে কড়াকড়ি আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা নির্দেশনায় রোববার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিষয়টি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের চারশ গজ ব্যাসার্ধের ভেতরে সাধারণভাবে কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।

    তবে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে কয়েকটি পক্ষকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে। প্রিসাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী অঙ্গীভূত আনসার, সাধারণ আনসার ও ভিডিপির দুই সদস্য মোবাইল বহন করতে পারবেন।

    নির্বাচন কমিশনের মতে, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্ত রাখা, গুজব ও অনিয়ম ঠেকানো এবং ভোটগ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই বিধিনিষেধ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা কঠোরভাবে কার্যকরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।