Tag: বৃষ্টি

  • ফাল্গুনে হঠাৎ বৃষ্টির ইঙ্গিত! তিন বিভাগ ভিজতে পারে—গরমের দাপট কবে শুরু?

    ফাল্গুনে হঠাৎ বৃষ্টির ইঙ্গিত! তিন বিভাগ ভিজতে পারে—গরমের দাপট কবে শুরু?

    এবিএনএ: ফাল্গুনের মাঝামাঝি এসে আবহাওয়ার আচরণে হঠাৎ পরিবর্তনের আভাস মিলছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে দেশের তিন বিভাগে সাময়িক বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার ইঙ্গিত থাকায় বসন্তের শেষদিকে গরমের দাপট শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকলেও আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় লঘুচাপের প্রভাব থাকায় এ অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    তাপমাত্রা নিয়ে জানানো হয়েছে, আজ রাত ও দিনের তাপমাত্রা সারা দেশে সামান্য বাড়তে পারে। তবে পরদিন রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমার আভাস রয়েছে। এ ধরনের ওঠানামায় সর্দি-কাশি, জ্বরসহ মৌসুমি অসুস্থতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা মাঝামাঝি পর্যায়ে ছিল এবং পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে মাঝারি গতিতে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, লঘুচাপটি উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গিয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তবে এর রেশ ধরে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে—যা আসন্ন গ্রীষ্মের আগাম বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

  • হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এবিএনএ: দেশজুড়ে চলমান হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন করে দুশ্চিন্তার খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

    ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপথ এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময় সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে কুয়াশার প্রভাবে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।

    বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কুয়াশার প্রকোপ অব্যাহত থাকবে। এ সময় দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়লেও শীতের অনুভূতি পুরোপুরি কমবে না।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পরবর্তী দুই দিন তাপমাত্রা প্রায় স্থির থাকতে পারে। এরপর আবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, সামান্য কমবে তাপমাত্রা

    আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, সামান্য কমবে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের আটটি বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, আগামীকাল (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বহু স্থানে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

    তিনি বলেন, “কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। পাশাপাশি সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পাবে।”

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু স্থানে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায়ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে তাপমাত্রা আরও ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    পরবর্তী দিনগুলোতেও একই প্রবণতা থাকবে। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে শনিবার (১ নভেম্বর) পর্যন্ত দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার (২ নভেম্বর) পর্যন্ত ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বহু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিও দেখা যেতে পারে।

    তবে রবিবারের পর আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাতের ধারা বজায় থাকবে। এ সময় কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়লেও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

  • টানা বৃষ্টিতে সবজি ও মাছের বাজারে আগুন! কাঁচামরিচ-টমেটোর দাম আকাশচুম্বী

    টানা বৃষ্টিতে সবজি ও মাছের বাজারে আগুন! কাঁচামরিচ-টমেটোর দাম আকাশচুম্বী

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা দুই দিনের বৃষ্টিপাতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাজার খরচ বেড়ে গেছে। বৃষ্টির কারণে একদিকে যেমন সবজিক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে, অন্যদিকে সরবরাহ কম থাকায় সবজি ও মাছের বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।

    বুধবার আগারগাঁও, তেজকুনিপাড়া ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ খুচরা বিক্রেতারা সবজির দামে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া পরিস্থিতির জন্য বৃষ্টিকে দায়ী করছেন। তাঁদের মতে, ক্ষেত পানিতে ডুবে যাওয়ার ফলে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে পণ্য বাজারে আসছে। ফলে চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্যহীনতায় দাম বেড়েছে।

    বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০–১৭০ টাকায়, যেখানে দুদিন আগেও ছিল ১২০–১৪০ টাকা। টমেটোর কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০–১৬০ টাকায়। বেগুনের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ৮০–১০০ টাকা হয়েছে। ধুন্দল ও চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৪০–৬০ টাকায়, যা আগের তুলনায় ১০ টাকা বেশি।

    কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানান, “বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষ বাজারে আসতে পারছে না, তার উপর পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়েও প্রভাব পড়ছে।”

    সবজির পাশাপাশি মাছ ও মুরগির বাজারেও মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাঝারি আকৃতির রুই ও কাতলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০–৪৫০ টাকা কেজিতে, যা আগে ছিল ৩৮০–৪৩০ টাকা। পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছের কেজি বেড়ে এখন ১৮০–২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

    তেজকুনিপাড়ার মাছ ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন বলেন, “বর্ষাকালে সাধারণত মাছ কম পাওয়া যায়। নদী-খালে পানি বাড়ে, মাছ ধরা কঠিন হয়। সেই কারণেই দাম কিছুটা বেশি।”

    সোনালি মুরগির দামও কিছুটা বেড়েছে—প্রতি কেজি ২৮০–৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ২৬০–২৮০ টাকা। তবে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার কেজিতে এখনো ১৫০–১৬০ টাকা এবং ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১২৫–১৩০ টাকায়ই বিক্রি হচ্ছে।

    বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

  • সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, দেশে আসছে নিয়মিত বৃষ্টির আভাস

    এবিএনএ: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালীসহ নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। এর ফলে আগামী এক সপ্তাহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের জুলাই মাসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এছাড়া এক থেকে দুটি মৃদু তাপপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে।

    তবে এর মধ্যে আশার খবর হলো—এই মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    অন্যদিকে, জুন মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৯.৩ শতাংশ কম। সবচেয়ে কম বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকাতেও কমেছে ৩৩ শতাংশ বৃষ্টিপাত। খুলনা ও বরিশাল বিভাগ ছাড়া বাকি ছয়টি বিভাগেই বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের নিচে ছিল।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আষাঢ় মাসে এমন কম বৃষ্টিপাত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের অংশ হতে পারে। তবে জুলাই মাসে স্বাভাবিক বর্ষণ আবার ফিরে আসবে বলেই পূর্বাভাস।

    এদিকে মৎস্যজীবী ও উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সমুদ্রগামী নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সাধারণ জনগণকে প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • উপকূল অতিক্রম করে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

    উপকূল অতিক্রম করে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

    এবিএনএ,ঢাকা:

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে সাতক্ষীরা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় স্থল গভীর নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তবে এর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    বিশেষ করে অমাবস্যার প্রভাবে চট্টগ্রাম, বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, বাগেরহাট, ভোলা, নোয়াখালী, ফেনীসহ ১৪টি উপকূলীয় জেলা এবং তাদের সংলগ্ন দ্বীপ ও চরসমূহ ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার বায়ু-তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। একইসাথে এসব অঞ্চলের মানুষকে সর্তক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সমুদ্র এখনো উত্তাল, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশে বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি পর্যন্ত উঠছে।

    মৎস্যজীবীদের জন্য জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা—উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

    এদিকে, অব্যাহত ভারী বর্ষণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই জনজীবন বিপর্যস্ত। চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। শুক্রবারও দেশের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, তবে শনিবার থেকে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে বরিশাল নদীবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সকল লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটেও লঞ্চ চলাচল সাময়িক বন্ধ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের ছয় অঞ্চলে (ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম) ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিমি গতির দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নৌবন্দরগুলোকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    সারাদেশের মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি, অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এবিএনএ, ঢাকা:

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে।

    এই নিম্নচাপের প্রভাবে ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন ও কক্সবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর–পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    ভারি বৃষ্টির কারণে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের চার বিভাগের নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে। বিশেষ করে ফেনী জেলার মুহুরী নদী, সিলেটের সারিগোয়াইন, সুনামগঞ্জের যাদুকাটা, হবিগঞ্জের খোয়াই ও নেত্রকোনা জেলার সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জনগণকে সতর্ক করে বলেছে, ভারি বৃষ্টির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। সুতরাং, উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে এবং সমুদ্রপথে চলাচলকারী সকলকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে। জনগণকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ করতে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • আইপিএলের প্লে-অফে বৃষ্টি হলে কী হবে? জানুন বিসিসিআইয়ের নিয়ম ও সম্ভাব্য ফলাফল

    আইপিএলের প্লে-অফে বৃষ্টি হলে কী হবে? জানুন বিসিসিআইয়ের নিয়ম ও সম্ভাব্য ফলাফল

    এবিএনএ :

    শেষ হলো আইপিএলের উত্তেজনাপূর্ণ লিগ পর্ব। আগামীকাল (২৯ মে) শুরু হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত প্লে-অফ রাউন্ড। তবে বর্ষার আগমনে বৃষ্টির আশঙ্কা আয়োজকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিসিসিআই (ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড) জানিয়েছে, ফাইনাল ম্যাচ ছাড়া প্লে-অফের অন্যান্য ম্যাচে ‘রিজার্ভ ডে’ রাখা হয়নি। ফলে বৃষ্টির কারণে যদি ম্যাচ বাতিল হয়, তবে জয়ী নির্ধারণ করা হবে লিগ পর্বের পয়েন্ট টেবিল অনুযায়ী।

    কীভাবে নির্ধারিত হবে জয়ী দল?

    • কোয়ালিফায়ার ১: যদি ম্যাচ না হয়, তবে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা দল সরাসরি ফাইনালে পৌঁছাবে।

    • এলিমিনেটর: বাতিল হলে পয়েন্টে এগিয়ে থাকা দল খেলবে কোয়ালিফায়ার ২-এ; অপর দল ছিটকে যাবে।

    • কোয়ালিফায়ার ২: একই নিয়ম প্রযোজ্য। ম্যাচ না হলে এগিয়ে থাকা দল ফাইনালে যাবে।

    • ফাইনাল ম্যাচ: একমাত্র ফাইনালের জন্য ৪ জুন একটি রিজার্ভ ডে নির্ধারিত আছে।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী কী জানা গেছে?

    • মুল্লানপুর (কোয়ালিফায়ার ১ ও এলিমিনেটর): বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার এলিমিনেটরের দিন ২৫% সম্ভাবনা থাকলেও ম্যাচের সময় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    • আহমেদাবাদ (কোয়ালিফায়ার ২ ও ফাইনাল): আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে, বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই।

    প্লে-অফ সূচি (২০২৫):

    • কোয়ালিফায়ার ১: পাঞ্জাব কিংস বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু – ২৯ মে, মুল্লানপুর

    • এলিমিনেটর: গুজরাট টাইটান্স বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স – ৩০ মে, মুল্লানপুর

    • কোয়ালিফায়ার ২: কোয়ালিফায়ার ১-এর পরাজিত দল বনাম এলিমিনেটর জয়ী – ১ জুন, আহমেদাবাদ

    • ফাইনাল: কোয়ালিফায়ার ১ ও ২-এর জয়ী দল – ৩ জুন, আহমেদাবাদ (রিজার্ভ ডে: ৪ জুন)

    এই নিয়মে, কোনো ম্যাচ ভেসে গেলে সিদ্ধান্ত হবে সম্পূর্ণ লিগ টেবিলের উপর ভিত্তি করে। ক্রিকেটপ্রেমীদের আশা, বৃষ্টি যেন ম্যাচগুলোর সৌন্দর্য নষ্ট না করে।