Tag: বাংলাদেশ পুলিশ

  • জাওয়াদ নির্ঝরের পোস্ট ঘিরে মৌলভীবাজার এসপিকে দায়িত্ব ছাড়তে নির্দেশ

    জাওয়াদ নির্ঝরের পোস্ট ঘিরে মৌলভীবাজার এসপিকে দায়িত্ব ছাড়তে নির্দেশ

    এবিএনএ: মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রিয়াজুল ইসলামকে অবিলম্বে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর। পরবর্তী জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে তাকে ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

    শুক্রবার পুলিশ সদরদপ্তর থেকে জারি করা এক স্মারকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। স্মারকে স্বাক্ষর করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।

    স্মারক অনুযায়ী, মৌলভীবাজার জেলার দায়িত্ব দ্রুত হস্তান্তর শেষে আগামী ১৬ মে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে এসপি রিয়াজুল ইসলামকে।

    এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে নানা অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য নিয়ে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

    প্রবাসী সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর নিজের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, কয়েক কোটি টাকার চুক্তির মাধ্যমে রিয়াজুল ইসলামকে মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। তবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিশ্রুত অর্থ পরিশোধ না করায় বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    পোস্টে আরও বলা হয়, গত ৫ মে ১২ জেলার পুলিশ সুপারসহ ৩৯ কর্মকর্তার বদলির ঘটনায় আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত একজন এসপির বদলিকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

                                https://www.facebook.com/search/top?q=jawad%20nirjhor

    জাওয়াদ নির্ঝরের অভিযোগ অনুযায়ী, আড়াই কোটি টাকার সমঝোতার ভিত্তিতে রিয়াজুল ইসলামকে মৌলভীবাজারে পদায়ন করা হয়। পরে তিনি একটি আত্মীয়ের ব্যাংক হিসাব থেকে আংশিক অর্থ পরিশোধ করলেও বাকি অর্থ নিয়ে টালবাহানা করছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এছাড়া পোস্টে রিয়াজুল ইসলামের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয় নিয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করা হয়। সেখানে তাকে বুয়েটের সাবেক ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের আজীবন সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সদরদপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়েও এখনো সরকারি পর্যায়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

  • যোগদানের এক সপ্তাহেই প্রত্যাহার মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল, কারণ নিয়ে তোলপাড়

    যোগদানের এক সপ্তাহেই প্রত্যাহার মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল, কারণ নিয়ে তোলপাড়

    এবিএনএ: মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র সাতদিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে মো. রিয়াজুল ইসলামকে। শুক্রবার (১৫ মে) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা এক আদেশে তাকে অবিলম্বে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, রিয়াজুল ইসলামকে আগামী ১৬ মে’র মধ্যে দায়িত্বভার জেলার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে বুঝিয়ে দিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে হবে।

    তবে হঠাৎ এই প্রত্যাহারের পেছনের কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অভিযোগ ঘিরে আলোচনা

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অভিযোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, আড়াই কোটি টাকার চুক্তির মাধ্যমে রিয়াজুল ইসলাম মৌলভীবাজারের এসপি পদে বদলি হয়েছেন। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রমাণ প্রকাশ হয়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।

    এর মধ্যেই তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

    আগেও প্রত্যাহার করা হয় দুই এসপি

    এর আগে একইভাবে ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার দুই পুলিশ সুপারকেও প্রত্যাহার করেছিল পুলিশ সদর দপ্তর।

    প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— ফেনীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

    ক্রমাগত কয়েকজন জেলা পুলিশ প্রধানকে প্রত্যাহারের ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    প্রশাসনিক মহলে বাড়ছে কৌতূহল

    মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে রিয়াজুল ইসলামের নিয়োগ ছিল সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত বদলিগুলোর একটি। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রত্যাহার প্রশাসনিক মহলে কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশ প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ স্পষ্ট করা গুরুত্বপূর্ণ।

  • পুলিশের ৯৯% সদস্য সৎ—কিছু অনিয়মে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না: আইজিপি

    পুলিশের ৯৯% সদস্য সৎ—কিছু অনিয়মে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না: আইজিপি

    এবিএনএ:পুলিশ বাহিনীর অধিকাংশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, সামান্য কিছু অনিয়মের কারণে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। এজন্য অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, তদারকি ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত জানুয়ারি–মার্চ ২০২৬ সময়ের দুই দিনব্যাপী ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আইজিপি বলেন, দায়িত্বশীলতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, তবে সম্মিলিত উদ্যোগে তা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সফলভাবে একটি জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করায় পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে এবং জনগণের আস্থাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, অপরাধ তদন্তে সিআইডি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। সিআইডির সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, আইনি ক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে। তাই তদন্ত কার্যক্রমের গতি বাড়ানো, মান উন্নয়ন এবং সময়মতো নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে পেশাদারিত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

    আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা ও সদস্যকে নিজের দায়িত্বকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। তদন্তের অগ্রগতি নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্ত পদ্ধতির ওপর জোর দেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, অপরাধের মূল কারণ বিশ্লেষণ করে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা এবং মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন আইজিপি।

    পুলিশ বাহিনীর নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে পুরো প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনে পেশাদার আচরণ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, দুই দিনের সম্মেলনে জেলা ইউনিট, বিশেষায়িত ইউনিট ও সদর দপ্তরের কার্যক্রম, সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। আলোচনা থেকে পাওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী তিন মাসের জন্য একটি বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, একজন সদস্যের ভুলে পুরো পুলিশ বাহিনীর সুনাম নষ্ট হতে পারে—এ বিষয়টি মাথায় রেখে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সাম্প্রতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পুলিশ বাহিনী সফলভাবে এগিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে সিআইডির বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাদের সাহসী ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হয়। সভায় সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং জেলা ইউনিটগুলোর কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অংশ নেন।

  • পুলিশকে আধুনিক শক্তিতে গড়ে তুলতে জোর—ত্রিমাত্রিক সক্ষমতায় সরকারের বড় পরিকল্পনা

    পুলিশকে আধুনিক শক্তিতে গড়ে তুলতে জোর—ত্রিমাত্রিক সক্ষমতায় সরকারের বড় পরিকল্পনা

    এবিএনএ: দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ পুলিশকে আধুনিক ও বহুমাত্রিক সক্ষমতায় গড়ে তুলতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ও উন্নত সরঞ্জাম ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

    জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীকে ত্রিমাত্রিক সক্ষমতায় উন্নীত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশে হেলিকপ্টার সংযোজন, আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, উন্নত যানবাহন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের কাজ চলমান রয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার সময়োপযোগী নানা পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এর ফলে পুলিশ বাহিনী আগের তুলনায় আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছে।

    তিনি জানান, বাংলাদেশ পুলিশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে বৈজ্ঞানিক তদন্ত পদ্ধতির ব্যবহার, মানবাধিকার বজায় রেখে আইন প্রয়োগ, এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ।

    এছাড়া জরুরি সেবা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯’-এর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই সেবার মাধ্যমে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপণ সহায়তা দ্রুত সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, প্রযুক্তি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • বর্তমান পোশাকে সন্তুষ্ট নয় পুলিশ, নতুন ইউনিফর্ম পুনর্বিবেচনার পথে সরকার

    বর্তমান পোশাকে সন্তুষ্ট নয় পুলিশ, নতুন ইউনিফর্ম পুনর্বিবেচনার পথে সরকার

    এবিএনএ: বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা বর্তমান ইউনিফর্মে সন্তুষ্ট নন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ বাহিনী যাতে ঐতিহ্যবাহী ও কার্যকর ইউনিফর্ম ব্যবহার করতে পারে, সেজন্য সরকার ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

    শনিবার রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীতে ৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

    পুলিশ সংস্কার ও কমিশনের গুরুত্ব

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “গণতান্ত্রিক সংস্কারের আওতায় রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের মধ্যে অন্যতম হলো পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন। পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখতে এই কমিশন গঠন করা হয়েছে। অচিরেই এর সুফল সবাই অনুভব করবে।”

    মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারের লক্ষ্য হলো পুলিশ ইউনিফর্মের মান ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা এবং সদস্যদের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ পুলিশের কর্মদক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

  • দেশের নতুন আইজিপি হিসেবে আলী হোসেন ফকিরের নিয়োগ

    দেশের নতুন আইজিপি হিসেবে আলী হোসেন ফকিরের নিয়োগ

    এবিএনএ: বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। বাগেরহাটের কৃতি সন্তান মো. আলী হোসেন ফকিরকে দেশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি এতদিন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন–এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–এর পুলিশ-১ শাখা। প্রজ্ঞাপনে উপ-সচিব তৌছিফ আহমেদের স্বাক্ষর রয়েছে।

    পুলিশ ক্যাডারের ১৫তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা আলী হোসেন ফকির কর্মজীবনে নানা চড়াই-উতরাই পার করেছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় তিনি প্রথমে চাকরিচ্যুত হন এবং পরবর্তীতে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

    তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস–এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি পুনর্বহাল হন। প্রথমে এসপি পদমর্যাদায় দায়িত্ব ফিরে পান এবং পরে সুপার নিউমারারি হিসেবে ডিআইজি পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

    দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে দেশের পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তার নিয়োগকে বাগেরহাটবাসী গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন।

  • দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১,৭০০, উদ্ধার অস্ত্র–গুলিসহ

    দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১,৭০০, উদ্ধার অস্ত্র–গুলিসহ

    এবিএনএ: সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এ অভিযানে মোট এক হাজার ৭০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, গ্রেফতারদের মধ্যে ৯৮২ জন বিভিন্ন মামলা ও আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। এছাড়া অন্যান্য অপরাধসংক্রান্ত ঘটনায় আরও ৭১৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

    রবিবার এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এই বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, ১২ বোর শর্টগানের ৯৫০ রাউন্ড কার্তুজ, পিস্তলের ৬ রাউন্ড গুলি, একটি বার্মিজ চাকু, একটি বন্দুকের ব্যারেলের অংশ এবং একটি বন্দুকের বাট।

    তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশে ৪ হাজার এএসআই নিয়োগের ঘোষণা

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশে ৪ হাজার এএসআই নিয়োগের ঘোষণা

    এবিএনএ:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশের কাঠামো শক্তিশালী করতে সরকার নতুন করে ৪ হাজার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই–নিরস্ত্র) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-৩ শাখার উপসচিব আবু সাঈদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, “বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত বিভিন্ন ইউনিটের বিপরীতে ৪ হাজার এএসআই (নিরস্ত্র) গ্রেড–১৪ পদ রাজস্ব খাতে অস্থায়ীভাবে সৃজনের সরকারি অনুমোদন প্রদান করা হলো।”

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়, অনুমোদিত পদগুলো সাংগঠনিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি পদ সংরক্ষণ ও স্থায়ীকরণ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

    অর্থ বিভাগের জিও (GO) পৃষ্ঠাঙ্কনের তারিখ থেকে এই পদগুলো কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া ১৯৪৩ সালের Police Resolution of Bengal অনুযায়ী পদ পূরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এ সংক্রান্ত সকল প্রশাসনিক ও আর্থিক আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং জনপ্রশাসন ও অর্থ বিভাগের আরোপিত শর্তসমূহ সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের প্রস্তুতি আরও জোরদার করবে।

  • দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১,৬৬৫ জন, অস্ত্র ও আলামত উদ্ধার

    দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১,৬৬৫ জন, অস্ত্র ও আলামত উদ্ধার

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে একযোগে পরিচালিত অভিযানে ১,৬৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তাদের মধ্যে মামলাভুক্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির সংখ্যা ১,১৫১ জন, বাকিরা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ধরা পড়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলমান সাঁড়াশি অভিযানে সারাদেশের বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ইউনিট অংশ নেয়। গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অভিযান চলাকালীন সময়ে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ওয়ান শুটারগান, একটি একনলা বন্দুক, পাঁচ রাউন্ড গুলি, একটি বার্মিজ ছুরি এবং অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত আরও কিছু আলামত।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে কঠোর অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১৬৪৪ জন

    সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১৬৪৪ জন

    এবিএনএ:  দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে টানা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় এসব অভিযানে মোট ১৬৪৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১ হাজার ৮৭ জন বিভিন্ন মামলা ও আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। এছাড়া অন্যান্য অপরাধের ঘটনায় আরও ৫৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

    শুধু গ্রেফতারই নয়, অভিযানকালে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও বিস্ফোরকও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে— একটি পিস্তল, একটি ওয়ান শুটারগান, একটি একনলা বন্দুক, দুটি রামদা, একটি স্টিল পাইপ, এক রাউন্ড কার্তুজ, দুটি রাইফেলের গুলি এবং কালো কস্টেপে মোড়ানো চারটি ককটেল।

    পুলিশ জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সন্ত্রাস-অপরাধ দমনেই এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।