Tag: বাংলাদেশ নির্বাচন

  • সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ, ভোট ১২ মে

    সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ, ভোট ১২ মে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির জমা দেওয়া ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এ ঘোষণা দেন।

    যাচাই শেষে বিএনপির দাখিল করা সব প্রার্থীই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। এর ফলে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে দলটির পূর্ণ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছে।

    বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

    নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। এসব আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।

    এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

    এই ঘোষণার মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির অংশগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলো এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে এগিয়ে গেল দলটি।

  • দিল্লির দৃষ্টিতে তারেক রহমান: নতুন অধ্যায়ের শুরু, নাকি কৌশলগত অনিশ্চয়তা?

    দিল্লির দৃষ্টিতে তারেক রহমান: নতুন অধ্যায়ের শুরু, নাকি কৌশলগত অনিশ্চয়তা?

    এবিএনএ: জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির জয় এবং দলের নেতৃত্বে তারেক রহমান সামনে আসা—এই পরিবর্তনকে দিল্লি কীভাবে দেখছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচনা চলছে। ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে বিশ্লেষক চন্দ্রশেখর শ্রীনিভাসন বিষয়টি নানা দিক থেকে পর্যালোচনা করেছেন।

    বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ফেরার পর প্রথম জনসমাবেশে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর বিখ্যাত উক্তির ছায়ায় নিজের রাজনৈতিক রূপরেখার ইঙ্গিত দেন। এতে দেশীয় রাজনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে—তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ আসলে কী এবং তা আঞ্চলিক কূটনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে।

    বিএনপির জয়ের পর দ্রুতই দিল্লির প্রতিক্রিয়া আসে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানান—যা কূটনৈতিক ভাষায় একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশকে ঘিরে চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যে কৌশলগত টানাপোড়েন রয়েছে, এই শুভেচ্ছা বার্তা সেখানে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    দিল্লির দৃষ্টিতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের অবস্থান কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব পড়তে পারে পুরো দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে। ভারত আশঙ্কা করছে, নতুন নেতৃত্ব যদি দিল্লির তুলনায় বেইজিং ও ইসলামাবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়, তাহলে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে। সেই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জনমনে গড়ে ওঠা ভারতবিরোধী মনোভাবও দিল্লির ভাবনার তালিকায় আছে।

    বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা আগের মতোই গুরুত্বপূর্ণ থাকছে। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় সুফল মেলে। তাই দিল্লি এখন নতুন সরকারের কূটনৈতিক দিকনির্দেশনার দিকে নিবিড়ভাবে তাকিয়ে আছে।

    আগের শাসনামলে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। তবে বর্তমান বাস্তবতায় ভারত বাংলাদেশের নেতৃত্ব পরিবর্তনকে মেনে নিয়ে সম্পর্কের নতুন ভিত্তি গড়তে আগ্রহী বলে বিশ্লেষকদের মত। তারেক রহমান ভারতের স্বার্থকে সম্মান করার ইঙ্গিত দেওয়ায় দিল্লির কূটনৈতিক মহলে এক ধরনের অপেক্ষামান মনোভাব তৈরি হয়েছে—দেখা যাক, কথার প্রতিফলন নীতিতে কতটা আসে।

    সব মিলিয়ে দিল্লির কাছে এটি এখন ‘অপেক্ষার খেলা’। সম্পর্ক কোন পথে এগোবে—সহযোগিতার নতুন অধ্যায় নাকি কৌশলগত সতর্কতা—তা নির্ভর করবে নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির বাস্তব প্রয়োগের ওপর।

  • ভোট ও গণভোটকে ঘিরে কড়া নির্দেশনা, নির্বাচনের সময় মিশন ছাড়তে পারবেন না বাংলাদেশের কূটনীতিকরা

    ভোট ও গণভোটকে ঘিরে কড়া নির্দেশনা, নির্বাচনের সময় মিশন ছাড়তে পারবেন না বাংলাদেশের কূটনীতিকরা

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশের কূটনীতিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময় এবং এর পরপরই কোনো মিশন প্রধান কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।

    সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশনে (অনারারি কনস্যুলেট ব্যতীত) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। এতে রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও স্থায়ী প্রতিনিধিদের নির্ধারিত সময়জুড়ে মিশনে উপস্থিত থাকার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহণ থেকে শুরু করে ব্যালট সুষ্ঠুভাবে দেশে পাঠানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করতেই মিশন প্রধানদের সরাসরি তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা আবশ্যক। এতে বিদেশের মাটিতে ভোট গ্রহণে স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।

    ঢাকার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিলম্ব এড়াতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। প্রবাসী ভোটারদের ভোট নিরাপদে গ্রহণ ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় দেশে পাঠানোই এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য।

  • ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা! বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের বিশেষ নির্দেশনা

    ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা! বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের বিশেষ নির্দেশনা

    এবিএনএ: বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্তেজনা, জনসমাগম ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিস জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে ২২ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। এ সময় রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও মিছিলের সংখ্যা বাড়তে পারে, যার ফলে বড় ধরনের জনসমাগম, নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত উপস্থিতি এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    এ অবস্থায় ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে লন্ডন। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প ভ্রমণ পরিকল্পনা রাখার কথাও বলা হয়েছে।

    নির্বাচনসংক্রান্ত সতর্কতার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। নিয়মিত সহিংসতা ও অপরাধমূলক ঘটনার প্রতিবেদনের কারণে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকাগুলোতে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সতর্কবার্তায় আরও জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ করলে ভ্রমণ বিমা বাতিল হতে পারে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ এলাকাগুলোতে ব্রিটিশ নাগরিকদের জরুরি সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতাও সীমিত থাকবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার।

  • নির্বাচনী দৌড়ে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা: কাল শেষ হচ্ছে মনোনয়ন দাখিল, ফরম নিয়েছেন ২৭৮০ প্রার্থী

    নির্বাচনী দৌড়ে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা: কাল শেষ হচ্ছে মনোনয়ন দাখিল, ফরম নিয়েছেন ২৭৮০ প্রার্থী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ঘনিয়ে এসেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২ হাজার ৭৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ৩১ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে রোববার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এরপর ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

    মনোনয়ন যাচাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।

    উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ১৮ ডিসেম্বর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে আপিল সংক্রান্ত সময়সূচিতে কিছু পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের সম্ভাবনা, ইসির ইঙ্গিত চূড়ান্তের পথে

    ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের সম্ভাবনা, ইসির ইঙ্গিত চূড়ান্তের পথে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আগামী ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ভোটগ্রহণের একটি সম্ভাব্য সময়সীমাও তুলে ধরেন।

    ইসির এই ইঙ্গিত অনুযায়ী ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যেকোনো দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তিনি জানান, প্রয়োজন হলে এ সময়ের দু-এক দিন আগে বা পরে তারিখ নির্ধারণের সুযোগও রয়েছে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়টিই নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    আগামী ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের সভায় তফসিলসহ সব গুরুত্বপূর্ণ তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১ ডিসেম্বরের দিকেই তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে ইসির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে।

    একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের কারণে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কিছু কাঠামোগত পরিবর্তনের কথাও ভাবছে নির্বাচন কমিশন। আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভোটারদের সুবিধা বিবেচনায় গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ভোটগ্রহণের সময়ও এক ঘণ্টা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

    বর্তমান সূচি অনুযায়ী সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়। তবে নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী ভোট শুরুর সময় সাড়ে ৭টায় এগিয়ে আনা এবং শেষ হওয়ার সময় সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, একই দিনে দুটি বড় প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে গেলে ভোটারদের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের পরিবর্তন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

  • গণভোট ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর: সিইসি

    গণভোট ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর: সিইসি

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একযোগে আয়োজনের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব কমিশনে আসেনি। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেই বিষয়টি কমিশনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য আমি সরাসরি শুনিনি। বিষয়টি যদি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, তখন কমিশন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কাজ করছি। এজন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অপরিহার্য। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই।”

    সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সভাটি সঞ্চালনা করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ বলেন, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই দায়িত্বশীল হলে শতভাগ সুষ্ঠু ভোট সম্ভব।”

    অন্যদিকে কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো বড় প্রতিবন্ধকতা দেখছি না। রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা করলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।”

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সতর্ক করে বলেন, “কোনো রাজনৈতিক দলের কারণে ভোট স্থগিত বা বাতিল হলে তার দায়ভার সেই দলকেই নিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন।”

    বৃহস্পতিবারের সংলাপে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জেএসডি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বিএনএফ ও বিএনএম–এর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

  • ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ: কী জানালেন সচিব

    ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ: কী জানালেন সচিব

    এবিএনএ:  নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই সংলাপ শুরু হবে।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা ১৩ নভেম্বর থেকে সংলাপ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোন দলকে আগে আমন্ত্রণ জানানো হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনা করে ধাপে ধাপে জানানো হবে।’

    ইসি সচিব আরও জানান, কমিশন চায় নভেম্বর মাসের মধ্যেই সব দলের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পন্ন করতে, যাতে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া যায়।

    জাতীয় পার্টিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হয়নি। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

    একই সঙ্গে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের দাবিদার দুই পক্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’

  • জুলাই সনদে অচলাবস্থা: জাতীয় নির্বাচনে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক উত্তাপ

    জুলাই সনদে অচলাবস্থা: জাতীয় নির্বাচনে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক উত্তাপ

    এবিএনএ: বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি ও গণভোটের সময় নির্ধারণে এক বছরের আলোচনার পরও রাজনৈতিক দলগুলো কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকও শেষ হয়েছে সমাধান ছাড়াই।

    বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে দীর্ঘ আট ঘণ্টার বৈঠকে দলগুলো মূলত দুই ভাগে বিভক্ত হয়। বিএনপি, কিছু নিবন্ধিত দল ও নতুন নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের পক্ষে থাকলেও, জামায়াতে ইসলামী ও কয়েকটি ছোট দল নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি জানায়। তবে প্রশ্নের ভাষা ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়েও মতবিরোধ থেকেই গেছে।

    কমিশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাব ও বিশেষজ্ঞদের মতামত মিলিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারে পাঠানো হবে। ১৫ থেকে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এদিকে, নির্বাচন ঘিরে তৈরি হওয়া এই অনিশ্চয়তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে নড়বড়ে করে তুলেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত হওয়া এখন বড় প্রশ্ন। রাজনৈতিক অচলাবস্থা ছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং আন্তর্জাতিক মহলের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সচিব শূন্য, মাঠ প্রশাসনে শৃঙ্খলাজনিত সংকট এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি জনআস্থার ঘাটতি—সব মিলিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কর্মকর্তাও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে অনিশ্চিত বলে জানা গেছে।

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের বক্তব্যও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তারা বলেছে, “অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত।” রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ কিছু রাজনৈতিক শক্তিকে পুনরায় বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

    অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনকে ঘিরে রহস্যময় ভূমিকা নিচ্ছে। তারা বারবার নিজেদের অবস্থান বদল করছে। প্রথমে তারা জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটে রাজি থাকলেও, সর্বশেষ বৈঠকে তারা নির্বাচনের আগেই গণভোটের দাবি জানিয়েছে। দলের প্রতীক ‘শাপলা’ নিয়েও জটিলতা সমাধান হয়নি।

    দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও অবনতির দিকে। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, নারী নির্যাতন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষ বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। এ অবস্থায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্র একাধিকবার সঙ্কটে পড়েছে, কিন্তু প্রতিবারই জনগণ পথ খুঁজে নিয়েছে। এবারও তা সম্ভব, যদি দলগুলো সংলাপের টেবিলে ফিরে আসে।” তবে বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শুধু অনিশ্চিতই নয়, বরং দেশের স্থিতিশীলতার জন্য নতুন হুমকি বয়ে আনতে পারে।

  • নির্বাচনে বড় পরিবর্তন: ফেরারি আসামি অযোগ্য, বাধ্যতামূলক হলো ‘না ভোট’

    নির্বাচনে বড় পরিবর্তন: ফেরারি আসামি অযোগ্য, বাধ্যতামূলক হলো ‘না ভোট’

    এবিএনএ:  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর সংশোধনী চূড়ান্ত করেছে। সংশোধনীটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, যা অনুমোদন পেলে নতুন বিধান কার্যকর হবে।

    বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, নতুন সংশোধনীতে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো, আদালত কর্তৃক ঘোষিত ফেরারি আসামিরা আর কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি প্রার্থী যদি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেন বা তথ্য গোপন করেন, কমিশন তদন্ত সাপেক্ষে তার প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে। এমনকি নির্বাচিত হওয়ার পরও প্রমাণিত হলে সংসদ সদস্যের পদ শূন্য ঘোষণা করা হবে।

    এবার থেকে ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারকে সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তিনি চাইলে সরাসরি ভোটগ্রহণ বন্ধ বা চালু করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। আগে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করতে হতো।

    আরেকটি যুগান্তকারী পরিবর্তন হলো ‘না ভোট’ বাধ্যতামূলক করা। কোনো আসনে একক প্রার্থী থাকলেও তাকে সরাসরি বিজয়ী ঘোষণা করা যাবে না। প্রার্থীকে অবশ্যই ‘না ভোট’-এর বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। যদি দেখা যায় ‘না ভোট’ বেশি পড়েছে, তবে পুনঃতফসিল ঘোষণা হবে।

    সংশোধনীতে আরও যুক্ত হয়েছে—

    • ইভিএম পুরোপুরি বাতিল এবং পোস্টাল ব্যালট চালু। এতে প্রবাসী ভোটার, সরকারি কাজে বাইরে থাকা কর্মকর্তা, কারাগারে থাকা ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন।

    • নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা বা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা (যেটি বেশি হবে)।

    • প্রার্থীর জামানত ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা

    • পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে পরিবেশবান্ধব প্রচার নিশ্চিতকরণ।

    • নির্বাচনি এজেন্টকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটার হতে হবে।

    • প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান বা সদস্য হলে নির্বাচন করতে পারবেন না।

    এছাড়া সাংবাদিকরা এবার থেকে ভোটগণনার সময় ভোটকেন্দ্রের ভেতরে উপস্থিত থাকতে পারবেন, তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনের আশা, এসব সংশোধনী নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক এবং জনগণের আস্থার উপযোগী করবে।