Tag: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

  • বিপিএলে বকেয়া ঝুলে! ঢাকার ক্রিকেটারদের প্রাপ্য টাকা কবে মিলবে?

    বিপিএলে বকেয়া ঝুলে! ঢাকার ক্রিকেটারদের প্রাপ্য টাকা কবে মিলবে?

    এবিএনএ: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)-এর সর্বশেষ আসর শেষ হলেও এখনো বকেয়া পারিশ্রমিক হাতে পাননি ঢাকা ক্যাপিটালস দলের অনেক ক্রিকেটার। বিষয়টি নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং একাধিক ক্রিকেটার তাদের পাওনা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

    বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে এখনো তিন কোটিরও বেশি টাকা বকেয়া রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বোর্ড বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।

    গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানিয়েছেন, বর্তমানে তাদের মূল লক্ষ্য ঢাকার বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, বিপিএলের সামগ্রিক হিসাব চূড়ান্ত করার আগে এই বকেয়া পরিশোধ জরুরি।

    তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে পাঁচটি দলের আর্থিক হিসাব সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা দলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে এবং খেলা শেষ হওয়ার পর তাদের তিনটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। প্রতিবারই তারা দ্রুত অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে।

    বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা দলের ক্রিকেটাররা এখনো প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা পাওনা রয়েছেন। খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও পৃথকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে সঠিক অঙ্ক নিশ্চিত করা যায়।

    মিঠু বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ব্যাংকের মাধ্যমে এই অর্থ পরিশোধ করা হতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আর সময় দেওয়ার সুযোগ নেই।

    এদিকে, ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তারা কিছুটা সময় চাইলেও বোর্ডের অবস্থান কঠোর। বোর্ড বলছে, দ্রুত অর্থ পরিশোধ না হলে তারা বিকল্প ব্যবস্থা নেবে।

    তিনি আরও বলেন, খেলোয়াড়দের পূর্ণ পাওনা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ক্রিকেট বোর্ড, এবং সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

    এখন দেখার বিষয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঢাকা ক্যাপিটালস তাদের বকেয়া পরিশোধ করতে পারে কি না—নাকি বিষয়টি আরও জটিল রূপ নেয়।

  • দ্বাদশ বিপিএলে নতুন চমক: পাঁচ দলের নাম ঘোষণা করল বিসিবি

    দ্বাদশ বিপিএলে নতুন চমক: পাঁচ দলের নাম ঘোষণা করল বিসিবি

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। অবশেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে এবারের পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের নাম। দীর্ঘদিন ধরে মালিকানা পরিবর্তন ও নাম পরিবর্তনের কারণে নানা সমালোচনার মুখে থাকলেও এবার সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়েছে বিসিবি।

    বিসিবির ঘোষণায় জানা যায়, আগের মতোই দুটি দলের নাম অপরিবর্তিত থাকবে— ঢাকা ক্যাপিটালসরংপুর রাইডার্স। ঢাকা ক্যাপিটালস পরিচালনা করবে রিমার্ক হারলেন, আর রংপুর রাইডার্সের মালিকানা রয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের হাতে।

    এবারের আসরে চট্টগ্রামের দলটির নাম হবে চট্টগ্রাম রয়্যালস, যার মালিক ট্রায়াঙ্গেল সার্ভিসেস লিমিটেড। রাজশাহীর নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি পেয়েছে নাবিল গ্রুপ, এবং দলটির নাম রাখা হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়রস। অপরদিকে, সিলেটের দল সিলেট টাইটানস নামে অংশ নেবে, যার মালিক ‘ক্রিকেট উইথ সামি’।

    বিসিবি আরও জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মালিকানা অনুমোদন দেওয়া হলেও পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ১০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজি প্লেয়ার্স ড্রাফটে অংশ নিতে পারবে না।

    আসন্ন দ্বাদশ বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর, আর টুর্নামেন্ট শুরু হবে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এবারের আসর চলবে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত, যেখানে দেশের সেরা খেলোয়াড়রা মাঠ মাতাবেন স্থানীয় ও বিদেশি ক্রিকেট তারকাদের সঙ্গে।

  • বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও বিসিবি সভাপতি বুলবুল, সহসভাপতি সাখাওয়াত ও ফারুক

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও বিসিবি সভাপতি বুলবুল, সহসভাপতি সাখাওয়াত ও ফারুক

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নেতৃত্বে আবারও দেখা গেল পরিচিত মুখ। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুল। পাশাপাশি সহসভাপতির পদে নির্বাচিত হয়েছেন সাখাওয়াত হোসেনফারুক আহমেদ

    সোমবার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত চলে বিসিবির ভোটগ্রহণ কার্যক্রম। পরে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে।

    গত মে মাসে অন্তর্বর্তীকালীন ভিত্তিতে বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন বুলবুল। এবার পরিচালকদের ভোটে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হলেন তিনি। এ নিয়ে ক্রিকেট বোর্ডে তিনি তার প্রথম পূর্ণ মেয়াদ শুরু করতে যাচ্ছেন।

    সহসভাপতি (এক) পদে নির্বাচিত হয়েছেন বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধি সাখাওয়াত হোসেন। তিনি এর আগে বিসিবি সভাপতির পর্যটন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের পর্যটন খাতে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব।

    অন্য সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার ফারুক আহমেদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হিসেবে পরিচিত ফারুক গত বছর বিসিবির সভাপতি পদেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তবে মে মাসে সেই দায়িত্ব থেকে সরে যান।

    এবারের নির্বাচনে প্রথমে পরিচালকদের ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় সভাপতি ও সহসভাপতি পদের ভোট। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই নির্বাচিত হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় শান্তিপূর্ণভাবে।

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এ নির্বাচনে গুঞ্জন ছিল বিকেএসপির সাবেক কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম সহসভাপতি পদে আসতে পারেন। তবে শেষ মুহূর্তে চমক দেখিয়ে বোর্ডে জায়গা করে নেন সাখাওয়াত হোসেন।

    বিসিবির নবনির্বাচিত সভাপতি বুলবুল জানিয়েছেন, “বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। আমাদের মূল লক্ষ্য হবে দেশীয় ক্রিকেটের উন্নয়ন ও কাঠামোগত সংস্কার।”

    নতুন নেতৃত্বে ক্রিকেট বোর্ডে নতুন দিকনির্দেশনা ও প্রত্যাশার সুর ছড়িয়ে পড়েছে ক্রিকেট অঙ্গনে।

  • রাতের ভোটের চেয়েও নাটকীয়! বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন রেদুয়ান

    রাতের ভোটের চেয়েও নাটকীয়! বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন রেদুয়ান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন ঘিরে আবারও তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটের মাত্র একদিন আগে, ঢাকা বিভাগের পরিচালক পদপ্রার্থী জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ান ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না।

    যদিও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক সময়সীমা পেরিয়ে গেছে গত বুধবার, তবুও রেদুয়ানের নাম থাকবে ভোটের ব্যালটে।

    রোববার বিসিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রেদুয়ান। তিনি বলেন,

    “রাতের ভোট তো মানুষ দেখেছে, কিন্তু এরা যেভাবে ই-ব্যালটের নামে কাজ করছে, তাতে সেই ভোটকেও হার মানিয়েছে!”

    রেদুয়ান অভিযোগ করেন, ই–ব্যালট ভোটে অনিয়ম হচ্ছে। তাঁর দাবি,

    “আমি একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তারা দেখা করেননি। আমি আবেদন করেছিলাম যেন ই-ব্যালট ভোট শুধু বিদেশে থাকা বা হাসপাতালে ভর্তি ব্যক্তিরা দিতে পারেন। কিন্তু যারা দেশে আছেন, তারাও ই-ব্যালট দিচ্ছেন—এটা স্বচ্ছ নয়।”

    রেদুয়ানের সরে দাঁড়ানোর ফলে ঢাকা বিভাগ থেকে পরিচালক পদে আমিনুল ইসলাম বুলবুলনাজমুল আবেদীন ফাহিম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

    বিসিবির এই নির্বাচন ঘিরে আগেই নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবে রেদুয়ানের বক্তব্যে নতুন করে বিতর্কের আগুন জ্বলে উঠেছে ক্রিকেট অঙ্গনে। অনেকের মতে, এই ঘটনা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

  • বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্তাপ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এ বিষয়ে খুব একটা সরব নন।

    সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
    “আমি তেমন কিছু ফলো করিনি। যারা দায়িত্বে আসবেন, আশা করব তারা বিসিবির উন্নতির জন্য কাজ করবেন। সবার জন্য শুভকামনা রইল।”

    এর আগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বিসিবি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এ বিষয়ে সাকিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,
    “নির্বাচনের খবর তেমন দেখি না বা পড়ি না। তাই মন্তব্য করাটা আমার জন্য কঠিন। যা জানি না, সে বিষয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না।”

    সাম্প্রতিক সময়ে সাকিবের সঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর সূত্রপাত হয় ২৮ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সাকিবের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। ওই পোস্টে সাকিব লিখেছিলেন, “শুভ জন্মদিন, আপা।”

    এর জবাবে আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন, “খুনিদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া কাউকে কেবল ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করা যায় না। আইন সবার জন্য সমান।”

    এই ভার্চুয়াল দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও সাকিব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং তিনি রাজনীতি এড়িয়ে বলেন,
    “রাজনীতি নিয়ে কিছু বলার মানে নেই। আমি ক্রিকেটেই থাকি।”

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সাকিব ছিলেন দেশের বাইরে। যদিও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর দেশে ফিরতে না পারলেও বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা চলছে।

  • বিসিবি সভাপতি নির্বাচন: বুলবুল বনাম তামিমের সম্ভাব্য লড়াই জমে উঠছে

    বিসিবি সভাপতি নির্বাচন: বুলবুল বনাম তামিমের সম্ভাব্য লড়াই জমে উঠছে

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে সভাপতির আসন ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। সাবেক ক্রিকেটার তামিম ইকবাল সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি বিসিবি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, তার লক্ষ্য সরাসরি বোর্ডের শীর্ষ পদটি।

    তবে নিয়ম অনুযায়ী, তামিমকে প্রথমে কাউন্সিলর হতে হবে। এরপর পরিচালক নির্বাচনে জিততে হবে। পরে পরিচালকদের ভোটেই সভাপতি পদ নির্ধারিত হবে। ইতিমধ্যে দুটি ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তামিম নিজেকে ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে গড়ে তুলেছেন, যা তার কাউন্সিলর হওয়ার পথে সহায়ক হতে পারে।

    অন্যদিকে, বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের ক্রিকেটে অবদান রাখতে তিনি আরও কাজ করতে চান। তবে বুলবুল সরাসরি ক্লাব পর্যায়ে যুক্ত না থাকায় তার কাউন্সিলরশিপের সুযোগ নেই। পরিবর্তে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা কিংবা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়ন থেকে পরিচালক হয়ে তিনি সভাপতি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

    বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন ক্লাব ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে, আর ২ জন আসেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে। এই ২৫ জন পরিচালকই সভাপতির জন্য ভোট দেন।

    ইতিমধ্যেই বুলবুল ও তামিম নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফলে ক্রিকেট অঙ্গনে জোরালোভাবে আলোচনা হচ্ছে—আগামী বিসিবি নির্বাচন কি বুলবুল বনাম তামিমের লড়াইয়ে পরিণত হতে যাচ্ছে?

  • “ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ কোচিংয়ে”— খেলোয়াড়দের মানসিকতা বদলে যাচ্ছে: হাবিবুল বাশার

    “ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ কোচিংয়ে”— খেলোয়াড়দের মানসিকতা বদলে যাচ্ছে: হাবিবুল বাশার

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন এক ধারা তৈরি হচ্ছে— খেলোয়াড়রা এখন খেলার পাশাপাশি কোচিংকেও ভবিষ্যৎ হিসেবে ভাবতে শুরু করেছেন। বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের প্রধান হাবিবুল বাশার মনে করেন, এই প্রবণতা দেশের ক্রিকেটের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

    শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বিসিবি আয়োজিত তিনদিনের ‘লেভেল-এ’ কোচিং কোর্সের দ্বিতীয় দিন তিনি বলেন, “শুধু মাঠে খেলা যথেষ্ট নয়, ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দিতে হলে ক্রিকেট সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও শিক্ষা প্রয়োজন। যারা এই কোর্সে অংশ নিচ্ছেন, তারা তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছেন। তাদের দক্ষতা বাড়াতে পারলে বাংলাদেশের ক্রিকেটই উপকৃত হবে।”

    হাবিবুল জানান, এখন অনেক ক্রিকেটার, যারা প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ার শেষ করেছেন বা শেষের পথে, তারা কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করতে চাইছেন। যা কয়েক বছর আগেও বিরল ছিল।

    “লেভেল-ওয়ান কোর্সের জন্য রেকর্ড সংখ্যক সিভি জমা পড়েছে,” বলেন তিনি। “এমনকি যারা এখনো খেলছেন, তারাও কোচিংয়ের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আমাদের লক্ষ্য, তাদেরকে এমনভাবে প্রশিক্ষিত করা, যাতে তারা দেশ-বিদেশে সম্মানজনক কোচ হিসেবে কাজ করতে পারেন।”

    তিনি যোগ করেন, “ভবিষ্যতে আরও বেশি কোচিং সেমিনার আয়োজন করা হবে। কোচ তৈরির এই প্রক্রিয়াই দেশের ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।”