Tag: ফিলিস্তিন

  • তেহরানে কুদস দিবসে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা: নারী নিহত, লাখো মানুষ রাস্তায় প্রতিবাদে

    তেহরানে কুদস দিবসে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা: নারী নিহত, লাখো মানুষ রাস্তায় প্রতিবাদে

    এবিএনএ: ইরানের রাজধানী Tehran-এ বার্ষিক আল-কুদস দিবসের সমাবেশ চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে অন্তত একজন নারী নিহত হয়েছেন। এসময় হাজারো মানুষ ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে রাস্তায় নেমেছিলেন।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর Ferdowsi Square-এ এই বিস্ফোরণ ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন, তবে ঘটনার সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত নয়।

    প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ছিটকে আসা ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক নারী প্রাণ হারান। বিস্ফোরণটির ঠিক অবস্থান ও আরও কোনো হতাহতের খবর এখনও নিশ্চিত হয়নি।

    সমাবেশে অংশ নেওয়া হাজারো বিক্ষোভকারী ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’ এবং ‘আমেরিকা নিপাত যাক’ স্লোগান দেন। তারা ইরানের পতাকা এবং ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের ছবি বহন করে, জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

    ইরানের প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি Ali Larijani সহ অন্যান্য শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। লারিজানি বলেন, “ইসরায়েল ভয়ের কারণে কুদস দিবসে বোমা ফেলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানেন না যে ইরানিরা শক্তিশালী ও সংকল্পবদ্ধ।”

    আল জাজিরা অ্যারাবিকের প্রতিবেদক Tawhid Asadi জানিয়েছেন, সমাবেশ শুধু ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের জন্য নয়, এটি দেশের চলমান হামলার বিরুদ্ধে ইরানিদের ক্ষোভ দেখানোর একটি মুহূর্ত।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, আন্তর্জাতিক কুদস দিবসে জনগণের পাশে থাকার জন্য তিনি গর্বিত।

    উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের Islamic Revolution এর পর থেকে ইরান প্রতি বছর রমজানের শেষ শুক্রবার আল-কুদস দিবস পালন করে আসছে। বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা Ayatollah Ruhollah Khomeini এই দিনটি ঘোষণা করেছিলেন, যা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন এবং ইসরায়েলি দখলের বিরোধিতার প্রতীক।

    ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১,৪৪৪ জন নিহত এবং ১৮,৫৫১ জন আহত হয়েছেন।

  • গাজায় রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলা: তাঁবু-শিবিরে প্রাণ গেল অন্তত ১১ জনের, নতুন উত্তেজনা

    গাজায় রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলা: তাঁবু-শিবিরে প্রাণ গেল অন্তত ১১ জনের, নতুন উত্তেজনা

    এবিএনএ: যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা-তে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। রোববার রাতভর চালানো এসব হামলায় আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন বলে স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো যেখানে তাঁবু খাটিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেসব স্থানও আঘাতের শিকার হয়েছে।

    ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর দাবি, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙেছে—এর প্রতিক্রিয়াতেই নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে স্থানীয়দের ভাষ্য, আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় হামলায় সাধারণ মানুষের প্রাণহানি বেড়েছে।

    স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস এলাকায় পৃথক হামলায় পাঁচজন নিহত হন। উত্তরাঞ্চলে গোলাগুলিতে প্রাণ যায় আরও একজনের। পাশাপাশি গাজা শহরের তেল আল-হাওয়া এলাকায় হামাসের মিত্র সংগঠন ইসলামিক জিহাদ-এর এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    গাজায় হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম নতুন এই হামলাকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে “গণহত্যামূলক অভিযান” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক সহিংসতা যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘনের শামিল। এদিকে ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক আইন মেনেই ‘নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা চালানো হয়েছে।

    দুই পক্ষই একে অপরকে যুদ্ধবিরতির শর্ত ভাঙার অভিযোগে দায়ী করছে। এই চুক্তিটি ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় গাজায় সহিংসতা কমানোর উদ্যোগের অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক দশকের সংঘাতে সাম্প্রতিক যুদ্ধটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী ও ধ্বংসাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    ইসরায়েলি তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই এই যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ে। পাল্টা অভিযানে গাজায় দীর্ঘদিন ধরে বিমান ও স্থল হামলা চলছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা কয়েক দশক হাজার ছাড়িয়েছে; আহত হয়েছেন বহু মানুষ।

  • জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বুধবার (২৮ জানুয়ারি) তার বসুন্ধরা কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদানকে সাক্ষাত করেন।

    সাক্ষাতের সময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

    আলোচনায় ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং জোর দিয়ে বলেন, “দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের জনগণ সবসময় ফিলিস্তিনের ন্যায্য সংগ্রামের পাশে থাকবে।”

    তিনি আরও জাতিসংঘ, ওআইসি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গাজায় ইসরায়েলের জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন। এছাড়া তিনি ফিলিস্তিন পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের দোয়া, ভালোবাসা ও অকৃত্রিম সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন।

    উত্তরে রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান বাংলাদেশের আন্তরিক সমর্থন ও সংহতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আশা ব্যক্ত করেন, এই সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • সংবাদকর্মীদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে নৃশংসতা: ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ৭০০-এর বেশি স্বজন নিহত

    সংবাদকর্মীদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে নৃশংসতা: ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের ৭০০-এর বেশি স্বজন নিহত

    এবিএনএ: গাজায় ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের শত শত স্বজন প্রাণ হারিয়েছেন। ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৭০৬ জন সাংবাদিকের আত্মীয়-স্বজন ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন।

    ইউনিয়নের ফ্রিডমস কমিটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত ঘটনা নয়; বরং সাংবাদিকদের কণ্ঠ স্তব্ধ করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে চালানো হচ্ছে। এখনো সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যাতে তারা ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি সহিংসতা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দিন দিন আরও ভয়াবহ ও নির্মম রূপ নিচ্ছে। এর সরাসরি মূল্য দিচ্ছেন সাংবাদিকদের সন্তান, স্ত্রী ও বাবা-মা।

    ফ্রিডমস কমিটির প্রধান মুহাম্মদ আল-লাহহাম বলেন, ফিলিস্তিনি সত্যকে চাপা দিতে সাংবাদিকদের পরিবারের রক্ত ঝরছে, যা ইতিহাসের সামনে সাক্ষী হয়ে থাকবে।

    প্রতিবেদনে সাম্প্রতিক একটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে খান ইউনিসের কাছে সাংবাদিক হিবা আল-আবাদলা, তার মা এবং আল-আস্তাল পরিবারের প্রায় ১৫ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তাদের বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়।

    স্বজনদের পাশাপাশি, গাজা উপত্যকায় চলমান হামলায় এ পর্যন্ত মোট ২৭৮ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৭৩ জন ফিলিস্তিনি, তিনজন লেবানিজ এবং দুইজন ইসরায়েলি সাংবাদিক রয়েছেন।

  • যুদ্ধের পাশাপাশি শীতের থাবা: গাজার তাঁবুতে জমে প্রাণ ঝরছে নিষ্পাপ শিশুদের

    যুদ্ধের পাশাপাশি শীতের থাবা: গাজার তাঁবুতে জমে প্রাণ ঝরছে নিষ্পাপ শিশুদের

    এবিএনএ: ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিধ্বস্ত বাস্তবতায় নতুন করে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে শীত। খান ইউনুসের আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি জরাজীর্ণ তাঁবুর ভেতরে তীব্র ঠান্ডায় জমে মৃত্যু হয়েছে মাত্র ১৪ দিন বয়সী এক নবজাতকের। শিশুটির নাম মোহাম্মদ। কনকনে শীত ও পর্যাপ্ত আশ্রয়ের অভাবে তার এই মৃত্যু গাজার বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর করুণ বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

    শিশুটির মা ইমান আবু আল-খায়ের জানান, জন্মের সময় মোহাম্মদ পুরোপুরি সুস্থ ছিল। তবে তাঁবুর ভেতরের প্রচণ্ড ঠান্ডা তার ছোট শরীর সহ্য করতে পারেনি। ১৩ ডিসেম্বর রাতে ভারী বৃষ্টি ও শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে শিশুটি হঠাৎ নিস্তেজ হয়ে পড়ে। তখন তার হাত-পা ছিল বরফের মতো ঠান্ডা এবং শরীরের রং ফ্যাকাশে হয়ে যায়।

    ইমান জানান, রাতের অন্ধকার, বৃষ্টি ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো যানবাহন না পাওয়ায় শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরদিন সকালে গাধার গাড়িতে করে রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকদের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ১৫ ডিসেম্বর সকালে মোহাম্মদ মারা যায়।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তীব্র ঠান্ডার কারণে শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যাওয়াই শিশুটির মৃত্যুর কারণ। চলতি মাসে গাজায় শীতজনিত কারণে প্রাণ হারানো শিশুদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারজনে।

    ইমানের পরিবার খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চল থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বর্তমানে প্লাস্টিক ও ত্রিপলের তৈরি একটি অস্থায়ী আশ্রয়ে বসবাস করছে। তিনি বলেন, সামান্য কাপড় বা পলিথিন দিয়ে শিশুদের শরীর গরম রাখা অসম্ভব। বৃষ্টির পানি তাঁবুর ভেতরে ঢুকে সবকিছু স্যাঁতসেঁতে করে তোলে। যুদ্ধের আগে স্বাভাবিক জীবনের স্বপ্ন থাকলেও এখন তাদের সন্তানরা অনাহার, বোমা ও শীতের শিকার হচ্ছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ সতর্ক করে বলেছেন, শীতকাল জুড়ে আরও বহু শিশু ও বৃদ্ধের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। অপর্যাপ্ত আশ্রয়, চিকিৎসাসেবার সংকট এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ শ্বাসতন্ত্রের রোগসহ নানা জটিলতা বাড়াচ্ছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় লাখো মানুষ এখনও খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে গাজার অসংখ্য তাঁবু এখন মৃত্যুঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।

  • ইসরায়েল ফেরত দিল আরও ৪৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ, মোট সংখ্যা এখন ৯০

    ইসরায়েল ফেরত দিল আরও ৪৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ, মোট সংখ্যা এখন ৯০

    এবিএনএ:  দখলদার ইসরায়েল গাজায় আরও ৪৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ ফেরত দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত মোট ৯০ জনের মরদেহ ফিলিস্তিনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    বুধবার এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে এই মরদেহ বিনিময় সম্পন্ন হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ইসরায়েলকে ফেরত দেওয়া প্রতিজন নাগরিকের মরদেহের বিনিময়ে ১৫ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ হস্তান্তর করতে হবে।

    এর আগে সোমবার হামাস তিনজন ইসরায়েলি নাগরিক এবং একজন নেপালির মরদেহ হস্তান্তর করে। পরদিন মঙ্গলবার আরও তিনজন ইসরায়েলি ও একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ফেরত দেয়।

    এই মরদেহ বিনিময় প্রক্রিয়াকে চলমান যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গাজার মানবিক সংকটের মধ্যে এই পদক্ষেপ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।

  • যুদ্ধবিরতির পর গাজায় ফেরা শুরু: সেনা প্রত্যাহারে নতুন আশার আলো

    যুদ্ধবিরতির পর গাজায় ফেরা শুরু: সেনা প্রত্যাহারে নতুন আশার আলো

    এবিএনএ: গাজায় দীর্ঘ যুদ্ধবিরতির অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অবরুদ্ধ উপত্যকার কিছু এলাকায় সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার মানুষ। শুক্রবার সকাল থেকেই হাজারো ফিলিস্তিনি ধ্বংসস্তূপে পরিণত নিজের ঘরে ফেরার পথে পা বাড়িয়েছেন।

    সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলের অন্যতম ভয়াবহ সামরিক অভিযানের শিকার হয়েছিল গাজা সিটি। আজ যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর সেই শহরের দিকে বিশাল জনস্রোত ফিরে যেতে দেখা গেছে।

    শেখ রাদওয়ান এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল জায়েদা বলেন, “আল্লাহকে ধন্যবাদ, আমার ঘরটি এখনও দাঁড়িয়ে আছে। তবে চারপাশের সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রতিবেশীদের ঘরবাড়ি নেই, পুরো এলাকা এক টুকরো ধ্বংসস্তূপ।”

    ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। এর আগে ভোরে ইসরায়েলি সরকার হামাসের সঙ্গে এই চুক্তি অনুমোদন দেয়। এতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আংশিক সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শুরু হয়।

    চুক্তি অনুযায়ী, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হামাস জীবিত ২০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে এবং এর বিনিময়ে ইসরায়েল কারাগার থেকে ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে। এছাড়া যুদ্ধ চলাকালীন আটক থাকা আরও ১৭০০ জনকে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

    যুদ্ধবিরতির পর গাজায় শত শত ট্রাকে করে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছাচ্ছে। ঘরবাড়িহারা লাখো মানুষের জন্য এই সহায়তা এখন বেঁচে থাকার একমাত্র আশ্রয়।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে গাজা সিটির বহু এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। তবে ইসরায়েল এখনো উপত্যকার প্রায় অর্ধেক অংশের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক ভাষণে বলেন, “ট্রাম্পের পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে গাজাকে সামরিকীকরণমুক্ত করা হবে এবং হামাসকে অস্ত্র ত্যাগে বাধ্য করা হবে। সহজ পথে না হলে কঠিন পথেই এই লক্ষ্য পূরণ করা হবে।”

    খান ইউনিস ও নুসিরাত ক্যাম্পের আশপাশের কয়েকটি এলাকা থেকেও ইসরায়েলি সেনা পিছু হটছে। তবে কিছু স্থানে এখনও বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ চলছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    ৪০ বছর বয়সী মাহদি সাকলা বলেন, “আমরা শুনেছি যুদ্ধবিরতি হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই গাজা সিটিতে ফিরতে প্রস্তুত হয়েছি। যদিও ঘর নেই, শুধু ধ্বংসস্তূপ, তবুও সেটাই আমাদের ঘর।”

    হামাসের নেতা খলিল আল-হায়া জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যস্থতাকারীরা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

    এই যুদ্ধের কারণে ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, যুদ্ধ শেষ হলে গাজার শাসনভার কার হাতে যাবে, আর ইসরায়েলি বাহিনীর নিরস্ত্রীকরণ দাবি হামাস মানবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

  • হামাস-ইসরায়েল চুক্তি: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা?

    হামাস-ইসরায়েল চুক্তি: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা?

    এবিএনএ: দীর্ঘ দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর অবশেষে হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে পৌঁছেছে। তবে এই সমঝোতা শান্তির পথে এক নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করলেও ঝুঁকি ও সংশয় রয়ে গেছে নানা বিষয়ে। হামাস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা সম্পূর্ণভাবে ফিলিস্তিন ভূমি না ছাড়লে তারা নিরস্ত্রীকরণে রাজি নয়।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, হামাস এখন ইসরায়েলের কাছ থেকে সেনা প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা চায়। এই অবস্থায় স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে উভয়পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তবুও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়।

    প্রথম ধাপে ইসরায়েল কিছু সামরিক অভিযান স্থগিত করলেও হামলা পুরোপুরি বন্ধ করেনি। আরব দেশগুলো বলছে, এই চুক্তি তখনই অর্থবহ হবে যখন এটি ফিলিস্তিনের পূর্ণ স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করবে। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—“স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনোই বাস্তবায়িত হবে না।”

    অন্যদিকে, হামাস জানিয়েছে তারা গাজার প্রশাসন আরব ও মুসলিম দেশসমর্থিত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে হস্তান্তরে আগ্রহী, তবে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে কোনো বিদেশি তত্ত্বাবধান মানবে না।

    চুক্তির আলোচনায় বন্দি মুক্তিও বড় ইস্যু। হামাস চাইছে, যেসব শীর্ষ ফিলিস্তিনি নেতাকে আগের যুদ্ধবিরতিতে মুক্তি দেওয়া হয়নি—তাদের এবার অগ্রাধিকার দেওয়া হোক। তাদের তালিকায় ফাতাহ নেতা মারওয়ান আল-বারঘৌতি ও পিএফএলপি প্রধান আহমেদ সাদাতের নামও রয়েছে।

    তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন—যুদ্ধ থামলেও গাজা কে শাসন করবে? যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আরব দেশগুলো হামাসের কোনো শাসন ভূমিকা রাখতে রাজি নয়। ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী গঠিত হতে যাওয়া নতুন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে হামাস কতটা গ্রহণ করবে, তা নিয়েও সন্দেহ থেকেই গেছে।

    ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছে, হামাস ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। অপরদিকে, ইসরায়েল প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দিতে পারে, যার মধ্যে অনেকেই যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করছেন।

    ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহও বাড়ানো হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিদিন ৪০০–৬০০ ট্রাক খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে গাজায় প্রবেশ করবে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, এই চুক্তিই হতে পারে তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সাফল্য।

    তবে সবকিছুর পরও যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ইসরায়েলি বাহিনী এখনও কিছু এলাকায় সক্রিয়। গাজার মানুষ চুক্তি উদযাপন করলেও তাদের মনে ভয়—যদি আবারও যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায়, যেমনটি ঘটেছিল মার্চ মাসে।

  • গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় নতুন আশার আলো, মিসরে মুখোমুখি হামাস-ইসরায়েল প্রতিনিধি দল

    গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় নতুন আশার আলো, মিসরে মুখোমুখি হামাস-ইসরায়েল প্রতিনিধি দল

    এবিএনএ:  দীর্ঘ দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হয়েছে মিসরে। এই বৈঠকে অংশ নিয়েছে ইসরায়েল ও হামাসের প্রতিনিধি দল, যার মাধ্যমে নতুন করে শান্তির আশার আলো দেখা দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে।

    আজ সোমবার আল জাজিরা ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানায়, হামাসের প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন নির্বাসিত নেতা খলিল আল-হায়া, যিনি সম্প্রতি কাতারে ইসরায়েলি হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান। এই বৈঠকে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার সূক্ষ্ম বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন।

    অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন কৌশলবিষয়ক মন্ত্রী রন ডারমার, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ এই রাজনীতিক সোমবার মিশর পৌঁছান বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

    এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অংশ নিচ্ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ

    সূত্র জানায়, ট্রাম্পের প্রণীত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা আলোচনার মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হামাস এর কিছু শর্তে নীতিগত সম্মতি জানিয়েছে, যা যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ার একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করছে কূটনীতিক মহল।

    ট্রাম্প হামাসের ইতিবাচক সাড়া স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আমরা দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য প্রস্তুত, এবং হামাসও সেটি প্রমাণ করেছে।” একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলকে গাজায় বোমা হামলা বন্ধের আহ্বান জানান, যদিও তেল আবিব এখনো তার অবস্থান পরিবর্তন করেনি।

    আলোচনার স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত শার্ম আল-শেখ, যেখানে প্রতিনিধিরা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি চুক্তির খসড়া নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। মিসরের কূটনৈতিক এক কর্মকর্তা জানান, এবার ধাপে ধাপে নয়, বরং একবারেই চূড়ান্ত একটি চুক্তির দিকে এগোতে চান তারা।

    অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবিসি নিউজকে বলেন, “এই আলোচনা সপ্তাহ নয়, বরং দিনের মধ্যেই ফল দিতে হবে। আমরা দ্রুত অগ্রগতি দেখতে চাই।”

    বিশ্বজুড়ে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই বৈঠক গাজায় স্থায়ী শান্তির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে—যদি উভয় পক্ষই সমঝোতার পথে এগিয়ে আসে।

  • বাংলাদেশ কখনো অবিচারের কাছে নত হয়নি, হবেও না: তারেক রহমান

    বাংলাদেশ কখনো অবিচারের কাছে নত হয়নি, হবেও না: তারেক রহমান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ সবসময় ন্যায়ের পথে অবিচল থেকেছে— এমন বার্তা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশ অবিচার ও নিপীড়নের কাছে কখনো মাথা নত করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।’

    শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি গাজা অভিমুখে যাত্রা করা মানবাধিকারকর্মী ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে অভিনন্দন জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “গাজা অভিমুখী ফ্লোটিলায় শহিদুল আলমের অংশগ্রহণ কেবল সংহতির প্রকাশ নয়; এটি ন্যায়ের পক্ষে বাংলাদেশের মানুষের বিবেকের এক দৃঢ় উচ্চারণ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের পতাকা হাতে শহিদুল আলম বিশ্ববাসীর সামনে প্রমাণ করেছেন, আমাদের জাতি অন্যায়ের কাছে মাথা নোয়াতে জানে না।”

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও আশ্বাস দেন, “বিএনপি সবসময় শহিদুল আলমের মতো সাহসী কণ্ঠদের পাশে থাকবে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনের জনগণের ন্যায়ের লড়াইয়ে বিএনপির সমর্থন অব্যাহত থাকবে।”

    এই বার্তার মাধ্যমে তারেক রহমান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানবিক অবস্থানকে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।