Tag: ফায়ার সার্ভিস

  • বনানীর ব্যস্ত এলাকায় আতঙ্ক: বহুতল ভবনের গোডাউনে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট ঘটনাস্থলে

    বনানীর ব্যস্ত এলাকায় আতঙ্ক: বহুতল ভবনের গোডাউনে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট ঘটনাস্থলে

    এবিএনএ: রাজধানীর বনানীতে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ভবনটির পাঁচ তলায় অবস্থিত একটি গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

    ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিটে আগুন লাগার সংবাদ পায় তারা। খবর পাওয়ার পর দ্রুত চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়ে সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

    ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক জানান, ভবনটি পাঁচ তলা এবং উপরের তলায় থাকা একটি গোডাউনে আগুন লাগে। ভবনটিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিসের পাশাপাশি বসবাসযোগ্য ফ্ল্যাটও রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, গোডাউনটি কী কাজে ব্যবহৃত হতো, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

  • উত্তরায় আগুনে লেপ-তোষকের ১২টি দোকান পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিসের দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ

    উত্তরায় আগুনে লেপ-তোষকের ১২টি দোকান পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিসের দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ

    এবিএনএ: রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডে মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে একটি ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কাঁচাবাজারের পাশে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করার সময় আগুনের ছিটে লেপ-তোষকের দোকানগুলিতে লাগে।

    প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আগুন দুই তলার একটি দোকান থেকে শুরু হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে একে একে ১২টি লেপ-তোষকের দোকান পুড়ে ধ্বংস হয়।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেড় ঘণ্টার তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সুনির্দিষ্টভাবে নিরূপণ করা যায়নি।

    উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কাজী রফিক আহমেদ জানিয়েছেন, আগুনের সূত্রপাত ওয়েল্ডিংয়ের কাজ থেকে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। তবে তদন্ত চলমান রয়েছে।”

    ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে আগুনের খবর পাওয়া যায় এবং দেড় ঘণ্টার তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

    নগরীর এই এলাকায় ব্যবসায়ীরা তীব্র ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতার প্রশংসা করছেন।

  • ভোরের আগুনে মৃত্যুপুরী উত্তরা: সাততলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গেল ৬ জনের

    ভোরের আগুনে মৃত্যুপুরী উত্তরা: সাততলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গেল ৬ জনের

    এবিএনএ: রাজধানীর উত্তরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়জনের প্রাণহানি হয়েছে। শুক্রবার ভোরে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের একটি সাততলা আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান ছয়জন, আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় আরও ১৩ জনকে।

    ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে উত্তর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সকাল ১০টার দিকে সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করা হয়।

    নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—ফজলে রাব্বী (৩৮), হারিস হোসাইন (৫২), রাহাব (১৭), আফসানা, রোদেলা আক্তার (১৪) এবং আড়াই বছর বয়সী শিশু রিসান। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ধোঁয়ার কারণে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম জানান, সকালে হঠাৎ কাচ ভাঙার শব্দ শুনে দরজা খুলতেই চারদিকে ঘন ধোঁয়া দেখতে পান। দ্রুত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভবন ত্যাগ করেন তিনি। ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা মিলিয়ে একটি ডুপ্লেক্স ইউনিট ছিল, যেখানে কাঠের সিঁড়ি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    এ ঘটনায় কয়েকজন ছাদে ওঠার চেষ্টা করলে গেট তালাবদ্ধ থাকায় সিঁড়িতে আটকে পড়েন। ফলে ধোঁয়ার মধ্যে তারা বের হতে পারেননি।

    ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, ঘরের ভেতরে বিপুল পরিমাণ আসবাব থাকায় আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • হঠাৎ আগুনে আতঙ্ক গুলিস্তানে, শপিং কমপ্লেক্সে নিয়োজিত ৯ ইউনিট ফায়ার সার্ভিস

    হঠাৎ আগুনে আতঙ্ক গুলিস্তানে, শপিং কমপ্লেক্সে নিয়োজিত ৯ ইউনিট ফায়ার সার্ভিস

    এবিএনএ: রাজধানীর ব্যস্ত এলাকা গুলিস্তানে একটি শপিং কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট।

    শুক্রবার বিকেল ৫টা ২৮ মিনিটের দিকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টসংলগ্ন খদ্দর বাজার শপিং কমপ্লেক্সের আটতলা ভবনের ছাদের ওপর অবস্থিত একটি গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশন থেকে পাঠানো মোট ৯টি ইউনিট আগুন নেভাতে একযোগে কাজ করছে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    এদিকে অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না বা ভবনের ভেতরে কেউ আটকে পড়েছেন কি না—এ বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফায়ার সার্ভিস পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী তথ্য জানাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

  • ৪৫ ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর গভীর নলকূপ থেকে জীবিত উঠল দুই বছরের সাজিদ

    ৪৫ ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর গভীর নলকূপ থেকে জীবিত উঠল দুই বছরের সাজিদ

    এবিএনএ: রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের পাইপে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে অবশেষে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। প্রায় ৪৫ ঘণ্টা ধরে টানা অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে উদ্ধার করা হয় তাকে। শিশুটিকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

    তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    কীভাবে ঘটে দুর্ঘটনা?

    স্থানীয়রা জানান, কোয়েলহাট গ্রামের মাঠের পাশ দিয়ে মায়ের সঙ্গে হাঁটছিল সাজিদ। অসাবধানতাবশত সে হঠাৎ একটি পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যায়। সন্তানের আর্তনাদ শুনে মা রুনা খাতুন চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু সফল না হওয়ায় তারা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।

    রাতভর অভিযান—৩৫ ফুট গর্ত, ক্যামেরা তল্লাশি, তবুও পাওয়া যায়নি

    রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট এসে অত্যাধুনিক চার্জ ভিশন ক্যামেরা দিয়ে প্রায় ৩৫ ফুট পর্যন্ত খোঁজ চালায়। প্রথমে শিশুর অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি। পরে এস্কেভেটর দিয়ে পাশে আরও একটি ৩৫ ফুট গভীর গর্ত খনন করা হয়। সুড়ঙ্গ খুঁড়েও মিলছিল না সাজিদের অবস্থান।

    পরিত্যক্ত নলকূপের ভেতরে দ্বিতীয়বার ক্যামেরা নামানো হলে দেখা যায় ভেতরটা মাটিতে ঠাসা। ফলে নতুন করে খনন অভিযান শুরু হয় এবং দীর্ঘ পরিশ্রমের পর উদ্ধারকর্মীরা শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় তুলে আনেন।

    কেন খুলে গিয়েছিল নলকূপের মুখ?

    স্থানীয়রা জানান, বছরখানেক আগে সেচের জন্য নলকূপ বসানো হলেও পানি না ওঠায় মালিক সেটি মাটি দিয়ে ঢেকে রাখেন। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে মাটি ধসে গিয়ে গর্তটি আবার উন্মুক্ত হয়ে পড়ে, যা সাজিদের দুর্ঘটনার কারণ হয়।

    মায়ের চোখে ঘটনার বর্ণনা

    রুনা খাতুন বলেন,
    “বুধবার দুপুরে সাজিদের হাত ধরে মাঠে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ ‘মা’ বলে ডাক শুনে ফিরে দেখি—সাজিদ গর্তে পড়ে গেছে। ভেতর থেকে ‘মা, মা’ বলে ডাকছিল।”

    ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় প্রশাসন ও শত শত মানুষের সহযোগিতায় সাজিদকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনাটি পুরো এলাকায় স্বস্তির সাড়া ফেলেছে।

  • কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: চার ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে নয়, আতঙ্কে হাজারো পরিবার

    কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: চার ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে নয়, আতঙ্কে হাজারো পরিবার

    এবিএনএ: রাজধানীর মহাখালী এলাকার কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চার ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়নি ফায়ার সার্ভিস। আগুনের ভয়াবহতা এতটাই বেশি যে একের পর এক ঘর-বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত বাড়লেও এখনো আগুনের তাপে বস্তির বিভিন্ন স্থানে দাউদাউ করে জ্বলতে দেখা যাচ্ছে।

    ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে আগুনের খবর পাওয়ার পর প্রথমে সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকায় ধাপে ধাপে ইউনিট বাড়িয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তা ১৬টিতে উন্নীত করা হয়। পরে আরও তিনটি ইউনিট যুক্ত হয়ে বর্তমানে মোট ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। আগুন নিভানোর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাওBuckets, পাইপ ও কাঁধে পানি নিয়ে আগুন নেভাতে সহায়তা করছেন।

    আগুন ছড়িয়ে পড়তেই বস্তির হাজারো বাসিন্দার মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। অনেকেই ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়ে দৌড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, স্বর্ণালঙ্কার এবং ব্যক্তিগত সামগ্রী রক্ষা করার চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ বাসিন্দাই কিছুই বাঁচাতে পারেননি।

    ফায়ার সার্ভিস এখনো আগুন লাগার কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্রও এখনো জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুনে শতাধিক ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে এবং বহু পরিবার রাতের আঁধারে গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

    প্রায় ৯০ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত কড়াইল বস্তিতে প্রায় ১০ হাজারের বেশি ঘর রয়েছে। এই বস্তিতে অতীতে কয়েকবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাতের অগ্নিকাণ্ডে ডজনখানেক ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত বছরের মার্চ ও ডিসেম্বরেও একইভাবে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বস্তিটি।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বারবার অগ্নিকাণ্ড হলেও প্রতিরোধমূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। দ্রুত পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

  • ঢাবির বিজয় একাত্তর হলে অগ্নিকাণ্ড: ক্যান্টিনে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের চার ইউনিটের অভিযান

    ঢাবির বিজয় একাত্তর হলে অগ্নিকাণ্ড: ক্যান্টিনে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের চার ইউনিটের অভিযান

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের এক্সটেনশন ভবনের ক্যান্টিনে সোমবার সন্ধ্যায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট। তবে শুরুতে আগুন লাগার সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

    কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক জানান, সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুতই চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। আগুন যাতে আশপাশের স্থাপনায় ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য সতর্কতার সাথে কাজ চলছে।

    এবিএনএ:  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ক্যান্টিনের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে।

    এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর ক্যান্টিন এলাকায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং আতঙ্কিত হয়ে অনেকে দ্রুত হলের বাইরে চলে যান। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।

  • ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে রাজধানীর ৩০০ ভবন, সতর্ক করলেন রাজউক চেয়ারম্যান

    ভূমিকম্পের বড় ঝুঁকিতে রাজধানীর ৩০০ ভবন, সতর্ক করলেন রাজউক চেয়ারম্যান

    এবিএনএ: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঢাকায় প্রায় ৩০০টি ছোট-বড় ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, “যদি সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ না করে, তবে ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি সামলানো খুবই কঠিন হবে।” তাই ভবন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, ভবন মালিক এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান রাজউক চেয়ারম্যান।

    ভবন নির্মাণের অনুমোদন প্রসঙ্গে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “রাজউকে অর্থের বিনিময়ে কোনো অনুমোদনের কাজ হয় না। নিয়ম মেনেই সব কিছু সম্পন্ন হয়। ভবনের প্ল্যানও রাজউক তৈরি করে না। ইঞ্জিনিয়ার বা আর্কিটেক্টের মাধ্যমে বাড়িওয়ালারাই প্ল্যান তৈরি করে জমা দেন। আমরা শুধু নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করি।”

    তিনি উল্লেখ করেন, পরে যদি সেই নকশা বা নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়, তবে তার দায়ভার রাজউকের নয়, বরং সংশ্লিষ্ট ভবন মালিকের। আর এ ক্ষেত্রে জরিমানা কিংবা শাস্তি দেওয়া উচিত মালিকদেরকেই।

    রাজউক চেয়ারম্যান আরও বলেন, “সিটি করপোরেশন, রাজউক ও ফায়ার সার্ভিস যদি আলাদাভাবে কাজ করে, তাহলে নগর ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা ও অসংগতি তৈরি হবেই। তাই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

    তিনি মনে করেন, এখনই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে ঢাকার জন্য বড় বিপদ অপেক্ষা করছে।

  • ধোলাইপাড়ে যাত্রীবাহী বাসে হঠাৎ আগুন, আতঙ্কে পথচারীরা

    ধোলাইপাড়ে যাত্রীবাহী বাসে হঠাৎ আগুন, আতঙ্কে পথচারীরা

    এবিএনএ: রাজধানীর ধোলাইপাড় মোড়ে বুধবার সন্ধ্যায় একটি যাত্রীবাহী বাসে আকস্মিকভাবে আগুন লাগে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্বৃত্তরা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলেই মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের মধ্যে।

    ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আগুনের খবর পেয়ে পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় ২০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। সৌভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা আহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, প্রাথমিকভাবে আগুনের কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে—এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে তা জানতে।

    এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আগুনের সময় আশপাশের দোকান ও পথচারীরা নিরাপদ স্থানে সরে যান। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

  • রাজধানীতে আবারও বাসে অগ্নিকাণ্ড: সূত্রাপুরে মালঞ্চ পরিবহনের বাসে আগুনে আতঙ্ক

    রাজধানীতে আবারও বাসে অগ্নিকাণ্ড: সূত্রাপুরে মালঞ্চ পরিবহনের বাসে আগুনে আতঙ্ক

    এবিএনএ: রাজধানীর পুরান ঢাকার সূত্রাপুর এলাকায় আবারও ঘটেছে বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে মালঞ্চ পরিবহনের একটি বাসে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    তিনি আরও বলেন, রাজধানীতে এর আগে আজ পর্যন্ত মোট পাঁচটি বাসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এসব বাস পার্কিং করা অবস্থায় ছিল। প্রতিবারই দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে।

    তবে সূত্রাপুরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে ঘটেছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।