Tag: প্রধানমন্ত্রী

  • ঢাকার ভয়াবহ যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি সভা, আসছে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার নতুন পরিকল্পনা

    ঢাকার ভয়াবহ যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি সভা, আসছে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার নতুন পরিকল্পনা

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে উচ্চপর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান

    বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আয়োজিত এ সভায় রাজধানীর সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন শেখ রবিউল আলম রবি, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার যানজট ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিয়ে এটি দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। এর আগে অনুষ্ঠিত সভায়ও রাজধানীর পরিবহন সংকট ও নাগরিক দুর্ভোগ কমানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।

    এদিনের সভায় নগরীর সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, গণপরিবহন ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন এবং বিভিন্ন দায়িত্বশীল সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পায়।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রাজধানীর যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু এবং সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে নগরবাসীর ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে।

  • “দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদেরই এগিয়ে আসতে হবে”—রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় তরুণদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    “দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদেরই এগিয়ে আসতে হবে”—রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় তরুণদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রতিবেদক: দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া কোনো উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। এ জন্য তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের আরও সচেতন এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

    মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় ১৭ জন শিক্ষার্থী সরকারের নানা উদ্যোগ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ অনেক পরিবর্তন ও উন্নয়ন দেখতে চায়। তবে ধাপে ধাপে সেই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ। অস্থিরতা থাকলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হয় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, শুধু রাজপথের আন্দোলন বা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দিয়ে দেশ গঠন সম্ভব নয়। সংসদীয় রাজনীতি, আলোচনা ও পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তরুণদের হাতেই। তাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার পাশাপাশি দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

    ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি অন্তত আরও একটি বিদেশি ভাষা শেখার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এতে আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে বাংলাদেশি তরুণদের সুযোগ আরও বাড়বে।

    সাংস্কৃতিক বিকাশ প্রসঙ্গে এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি চর্চা ছাড়া কোনো জাতির পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। সরকার শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, ৪ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সংগীত শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হবে। এসব উদ্যোগের পূর্ণ সুফল পেতে সময় লাগলেও আগামী এক দশকে এর ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    মতবিনিময় সভায় একপর্যায়ে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গও উঠে আসে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে একটি বালিশের অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে আলোচিত ঘটনার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, একটি বালিশের দাম ৮০ হাজার টাকা হওয়া সাধারণ মানুষের কাছে অবিশ্বাস্য।

    এসময় তিনি অতীত সরকারের সময়ে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে অনিয়ম, অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়েও শিক্ষার্থীদের সামনে আলোচনা করেন।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • মৌলিক সুবিধা দেশের সব অঞ্চলে গড়ে তোলার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

    মৌলিক সুবিধা দেশের সব অঞ্চলে গড়ে তোলার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক নাগরিক সুবিধা ধাপে ধাপে দেশের সব অঞ্চলে সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ-সুবিধা ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে রাজধানীমুখী হচ্ছে, এই প্রবণতা কমাতে বিকেন্দ্রীকরণই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দন আহমদ।

    কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে রূপ দিতে জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক-অর্থনৈতিক কার্যক্রম ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান। তিনি বলেন, ঢাকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন এবং মানুষের ঢাকামুখী প্রবণতা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

    জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান, উন্নত চিকিৎসা ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাকেন্দ্রিকভাবে গড়ে উঠেছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ কাজ, পড়াশোনা ও চিকিৎসার প্রয়োজনেই রাজধানীতে চলে আসে। এই বাস্তবতা পরিবর্তনে সময়সাপেক্ষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    সরকারপ্রধান আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে শিল্পায়ন বাড়াতে বিশেষ শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ চলছে। পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ এবং আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কাজও ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, এসব সুযোগ-সুবিধা যদি আঞ্চলিকভাবে গড়ে ওঠে, তাহলে মানুষের ঢাকায় আসার প্রয়োজন কমে যাবে। এর ফলে রাজধানীর ওপর চাপ কমবে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নও ভারসাম্যপূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতি—নোয়াবের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা

    সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতি—নোয়াবের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা

    এবিএনএ: সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেয় এবং এ বিষয়ে তাদের অবস্থান সুস্পষ্ট—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব এবং এ বিষয়ে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংবাদপত্র শিল্পের নানা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সম্মান করে এবং সংবাদপত্র যেন নির্ভয়ে কাজ করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়। তিনি জানান, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ জানান, বৈঠকে নোয়াব সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং বিষয়গুলো পর্যালোচনা করার আশ্বাস দেন।

    তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশনের খবর দেখেন। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের বিষয়ে তিনি খোঁজ নেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

    গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে এটি ছিল তার প্রথম বৈঠক। এতে নোয়াবের সহ-সভাপতি এএসএম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ আলতামাশ কবির, সদস্য এ কে আজাদ, দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, করতোয়া সম্পাদক মোজাজ্জেল হক, পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর প্রকাশক নাসিম মনজুর উপস্থিত ছিলেন।

  • জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: অপচয় কমাতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ভর্তুকিতে চাপ সামাল দিচ্ছে সরকার

    জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: অপচয় কমাতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ভর্তুকিতে চাপ সামাল দিচ্ছে সরকার

    এবিএনএ:  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের সব স্তরে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে চাপ বাড়লেও সরকার জনগণের স্বার্থে দাম বাড়ায়নি; বরং প্রতিদিন বিপুল ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশে জনদুর্ভোগ এড়াতে সরকার এখনো মূল্য সমন্বয় করেনি। এতে প্রতিদিন শত কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে কাজ করছে। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে পারিবারিক পর্যায়েও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। জ্বালানি খাতে অপচয় কমাতে সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ কমবে।

    স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান

    অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় জীবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) সহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

    সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি, দুর্বল প্রশাসন ও অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জনজীবনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থাকেও আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাকে বাস্তবমুখী করতে হবে। এ লক্ষ্যে শিক্ষা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাকে উন্নয়নের অন্যতম শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

    ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে। দলীয় ইশতেহার ও ঘোষিত জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার মতে, কেবল নীতিগত পরিবর্তন নয়, মানসিকতার পরিবর্তনও জরুরি।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলামসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে কয়েকজন অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

  • সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: শূন্যপদ পূরণে ৫ লাখ সরকারি চাকরি, শিক্ষা ও খেলাধুলায় বড় পরিকল্পনা

    সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: শূন্যপদ পূরণে ৫ লাখ সরকারি চাকরি, শিক্ষা ও খেলাধুলায় বড় পরিকল্পনা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের শূন্যপদ পূরণে বড় আকারের নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ কার্যক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ১৮০ দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী পরিকল্পনা তৈরি করেছে।

    এই কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শূন্যপদ পূরণে পাঁচ লাখ জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তরগুলোতে ২ হাজার ৮৭৯ জন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই

    শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসায় বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা চালু করা হবে।

    এর ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী সহজে ব্যবহার করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ইউনিয়ন ও উপজেলায় খেলার মাঠ

    তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহ দিতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ৮ বিঘা এবং প্রতিটি উপজেলায় ১০ বিঘা আয়তনের উন্মুক্ত খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। শহর ও গ্রামে মাঠ নির্ধারণে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি কাজ করছে বলে সংসদে জানান সরকার প্রধান।

    বিদেশে পড়তে শিক্ষাঋণের সীমা বাড়ল

    বিদেশে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। ল্যাঙ্গুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে জামানতবিহীন ঋণের সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে ভিসা পাওয়ার আগেই যোগ্যতার প্রমাণপত্রের ভিত্তিতে এই ঋণ পাওয়া সহজ হবে। এতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আর্থিক সহায়তা পাবে।

    বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়োগ কার্যক্রমসহ শিক্ষা ও ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ১৭ এপ্রিল রাতেই শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ এপ্রিল রাতেই শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ: চলতি বছরের হজ ফ্লাইট আগামী ১৭ এপ্রিল রাত থেকে শুরু হচ্ছে। উদ্বোধনী ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) সচিবালয়ে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান।

    রোববার অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, আল্লাহর মেহমানদের সঙ্গে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। হজযাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী খুব শিগগিরই হজ ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে যাত্রীরা যেভাবে অবস্থান করবেন এবং প্রস্তুতি কার্যক্রম কেমন চলছে, তা সরেজমিনে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হজ ফ্লাইট পরিচালনায় কোনো প্রভাব ফেলবে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান। তাদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং কোনো জটিলতা তৈরি হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

    এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বৈসাবি উৎসবে ঐক্যের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, পাহাড়-সমতলের সবার জন্য সম্প্রীতির আহ্বান

    বৈসাবি উৎসবে ঐক্যের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, পাহাড়-সমতলের সবার জন্য সম্প্রীতির আহ্বান

    এবিএনএ: পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি সম্প্রীতি, ঐক্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদারের আহ্বান জানান।

    শনিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব—বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান—দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ উপলক্ষে তিনি সংশ্লিষ্ট সব নৃগোষ্ঠীর মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাও জানান।

    জাতীয় সংস্কৃতির অংশ বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্য

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব জাতীয় জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এসব উৎসব পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায় এবং সমাজে শান্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি করে।

    তিনি বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের নৃগোষ্ঠীগুলোর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জীবনধারা বাংলাদেশের সামগ্রিক ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। তাদের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য জাতীয় ঐতিহ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং সমাজে সম্প্রীতির বন্ধনকে শক্তিশালী করেছে।

    সমান অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি

    শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিকের সমান উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাহাড় বা সমতল—যেখানেই বসবাস হোক না কেন, প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে। এই ঐক্য ধরে রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    সুখ-শান্তির প্রত্যাশা

    বৈসাবি ও বাংলা নববর্ষ দেশের মানুষের জীবনে আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তার শুভেচ্ছা বার্তা শেষ করেন।

  • জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর বার্তা: চোরাচালান ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর বার্তা: চোরাচালান ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    এবিএনএ:দেশে জ্বালানি তেলকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা কঠোরভাবে দমন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, চোরাচালান ও অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে।

    শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি জানান, সরকার জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই।

    বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির বিষয়টি। এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িতদের চিহ্নিত করতে দ্রুত অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত পথে জ্বালানি তেলের চোরাচালান ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    চিফ হুইপ আরও জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    অধ্যাদেশ সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, এদিন বৈঠকে তা উত্থাপন করা হয়নি। তবে পরদিন অধিবেশন শুরুর আগে সরকারদলীয় বিশেষ কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

    এদিকে, বৈঠকের শুরুতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। উপস্থিত সবাই তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের এই কঠোর অবস্থান বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • স্বাধীনতা দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি—নীরবতায় স্মরণ বীর শহীদদের

    স্বাধীনতা দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি—নীরবতায় স্মরণ বীর শহীদদের

    এবিএনএ: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের পরপরই তারা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে পৌঁছান এবং ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।

    পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ আয়োজন ঘিরে পুরো এলাকা ছিল নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘেরা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীসহ প্রবাসে থাকা সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতির ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। এই দিনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত নারী ও স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি জাতি চিরঋণী। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে তিনি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।