Tag: পুলিশ অভিযান

  • উগান্ডায় বড় অভিযান: বাংলাদেশিসহ ২৩১ বিদেশি আটক—পাচার নাকি সাইবার অপরাধ?

    উগান্ডায় বড় অভিযান: বাংলাদেশিসহ ২৩১ বিদেশি আটক—পাচার নাকি সাইবার অপরাধ?

    এবিএনএ: পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় অবৈধভাবে বসবাস ও কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের মোট ২৩১ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    উগান্ডার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার ও মঙ্গলবার পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এসব বিদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথমে দেশটির উত্তরাঞ্চলে বসবাসরত কিছু নাইজেরীয় নাগরিককে লক্ষ্য করে অভিযান শুরু হলেও পরে রাজধানী কাম্পালার একটি এলাকায় তা বিস্তৃত করা হয়। সেখান থেকেই অধিকাংশ আটক হন।

    আটকদের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ছাড়াও ঘানা, মিয়ানমার, ইথিওপিয়া, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়ার নাগরিক রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনেকেই বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সেখানে অবস্থান করছিলেন। এমনকি কয়েকজনের কাছে পাসপোর্টও পাওয়া যায়নি।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিদের একটি অংশ চাকরির প্রলোভনে মানবপাচারের শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে, কিছু ব্যক্তি সাইবার জালিয়াতি কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে পারেন বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। অভিযানের সময় কিছু সন্দেহজনক সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

    উগান্ডার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইমন পিটার মুন্ডেয়ি জানান, আটক ব্যক্তিদের তিনটি ভাগে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে—পাচারের সম্ভাব্য শিকার, অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও অবৈধভাবে অবস্থানকারী। তাদের আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    তিনি আরও বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যারা পাচারের শিকার বা শুধুমাত্র ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় ছিলেন, তাদের নিজ দেশে ফেরার জন্য সহায়তা করা হবে।

    উল্লেখ্য, উগান্ডা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের শরণার্থী ও বিদেশিদের জন্য উন্মুক্ত নীতির কারণে পরিচিত। প্রতিবেশী দেশ কঙ্গো, বুরুন্ডি ও দক্ষিণ সুদান থেকে আসা বহু মানুষ সেখানে আশ্রয় নিয়েছে। পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের জন্য অনেক দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভিসা সহজলভ্য বা অব্যাহতি রয়েছে।

  • রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৬৩

    রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৬৩

    এবিএনএ: রাজধানীতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযানে এক রাতে ৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত সন্দেহে তেজগাঁও বিভাগের অধীন কয়েকটি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    শনিবার রাতে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অপরাধ দমনে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবেই এসব গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ৮ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ৬ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ১৫ জন, আদাবর থানায় ১৪ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ১৪ জন এবং হাতিরঝিল থানায় ৬ জন রয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ডিএমপি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো এবং সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • গুলশানে অভিযান: ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ৩, জব্দ প্রাইভেটকার

    গুলশানে অভিযান: ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ৩, জব্দ প্রাইভেটকার

    এবিএনএ: রাজধানীর গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল নোটসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার জাল নোট এবং একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. আবু হানিফ পালোয়ান (৫০), রেজাউল শেখ (৪০) এবং আব্দুল্লাহ মজুমদার আশিক (২৪)। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে গুলশান থানার একটি দল ৩৬ নম্বর সড়কে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে।

    অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে ৫০ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক যাচাইয়ে উদ্ধার হওয়া নোটগুলো জাল বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকার লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন।

    এ ঘটনায় আটক তিনজনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • বাগেরহাটে চরের জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: একে একে তিন খুন, আতঙ্কে দুই গ্রাম

    বাগেরহাটে চরের জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: একে একে তিন খুন, আতঙ্কে দুই গ্রাম

    এবিএনএ, বাগেরহাট: বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় মধুমতি নদীর চরের সরকারি খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধ রূপ নিয়েছে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। বিশ্বাস ও শেখ—এই দুই প্রভাবশালী পক্ষের দ্বন্দ্বে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনায় পুরো এলাকা এখন আতঙ্কে আচ্ছন্ন।

    সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংঘটিত সহিংসতায় শেখ পক্ষের যুবক রাজিব শেখ (২৫) নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পরপরই উভয় পক্ষের মধ্যে প্রতিশোধপরায়ণ হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৩০টি বসতবাড়ি ও দোকান পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

    শনিবার এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সৌরভ বিশ্বাস (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। একই দিন দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে নিহত রাজিব শেখকে চিংগড়ী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

    🔥 গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ও ধ্বংসস্তূপ

    ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা গেছে, চিংগড়ী ও মচন্দপুর গ্রামের মাঝামাঝি সড়কজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ইট-পাথরের টুকরো। দুই গ্রামেই বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি। আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়িঘর এখন কেবল ছাইয়ের স্তূপ। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকেই শেষ সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

    নিহত রাজিবের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর জন্য বড় পরিসরে রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে শেখ পরিবারের সদস্যরা নিজেদের হারানো সম্পদ ও ভিটেমাটির শোকে নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন।

    এদিকে সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় মচন্দপুর গ্রামের বিশ্বাস পরিবারের অনেকেই ঘরবাড়ি ফাঁকা করে মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

    ⚔️ দীর্ঘদিনের বিরোধের পটভূমি

    স্থানীয়দের দাবি, ২০১৪ সাল থেকে মধুমতি নদীর চরের সরকারি জমি দখল ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই বিরোধের সূত্রপাত। একপক্ষে রয়েছেন মচন্দপুর গ্রামের সাঈদ বিশ্বাসের অনুসারীরা, অন্যপক্ষে চিংগড়ী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা শেখ মনজুরুল আলমের অনুসারীরা।

    এই বিরোধে এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। পূর্বের এক ঘটনায় আলম শেখ নিহত হন। এরপরও থামেনি সংঘাত। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আরেক দফা সংঘর্ষে নিজাম উদ্দিন নামে একজন নিহত হন।

    স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক বিভাজনও এই সংঘর্ষকে আরও উসকে দিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

    👮 পুলিশের অবস্থান

    বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন জানিয়েছেন, রাজিব শেখ হত্যাকাণ্ডসহ অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

  • মীরসরাইয়ে প্রবাসী অপহরণ ও হামলা: দীর্ঘদিন পলাতক আসামি অবশেষে পুলিশের জালে

    মীরসরাইয়ে প্রবাসী অপহরণ ও হামলা: দীর্ঘদিন পলাতক আসামি অবশেষে পুলিশের জালে

    এবিএনএ,মীরসরাই: চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার হাদি ফকিরহাট এলাকায় প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিমকে হামলা ও অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ সালমান (৩০), যিনি মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি। সোমবার (২৩ মার্চ) তাকে গ্রেফতার করে মীরসরাই থানা পুলিশ।

    মীরসরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাফিন ইশতিয়াক রুবেল জানান, মামলার পর থেকেই অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সালমানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

    ভুক্তভোগী প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, আসামিদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। তার বাড়ির দক্ষিণ পাশে নিজ জমিতে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস ধরে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলছিল।

    গত ১৮ মার্চ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসহ আসামিরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার পিঠে আঘাত ও ডান গালে ঘুষি মেরে আহত করা হয়।

    ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে হাদি ফকিরহাট বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।

    স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে হত্যার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করার পর তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, যার কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান, ৬ জনকে থানায় নেয়া হল

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান, ৬ জনকে থানায় নেয়া হল

    এবিএনএ: রাজধানীর গুলশান এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনকে থানায় হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সহায়তা চাওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে এসেছিলেন।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে তাদের গুলশান থানা–এ নিয়ে আসা হয়। পুলিশের বরাতে জানা যায়, দায়িত্বরত নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা তাদের সরিয়ে দিতে চেষ্টা করলেও তারা সরতে রাজি হননি। এরপর স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে।

    ওসি রাকিবুল হাসান বলেন, “তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা চাওয়ার জন্য বাসভবনের সামনে অবস্থান করছিলেন। পুলিশ ও নিরাপত্তা সদস্যরা তাদের সরানোর চেষ্টা করেছেন। পরে এসএসএফ অবহিত করলে আমরা থানায় নিয়ে আসি। থানায় আনার পর তাদের ইফতার করানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। ছয়জনই শান্তিপূর্ণভাবে পরিবারের কাছে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন।

  • বাগেরহাটে যুবদল নেতার ঘর পুড়ে ছাই, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা

    বাগেরহাটে যুবদল নেতার ঘর পুড়ে ছাই, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা

    এবিএনএ, বাগেরহাট: বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় এবার জেলা সদরের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে যুবদল নেতা আলিমুজ্জামান রানার বাড়ীতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

    রবিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই যুবদল নেতার টিনশেড বাড়ীতে প্রতিপক্ষ দলের দুবৃর্ত্তরা আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। ফায়ার সাভির্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছাবার আগেই অসবাবপত্র ও ১০ লখ টাকার মালামালসহ টিনসেড বাড়ীটি সম্পুর্ন পুড়ে শেষ হয়ে যায়। রাতেই সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এঘটনায় বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    বাগেরহাট সদরের বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী আলিমুজ্জামান রানা তার বাড়ীতে অগ্নিসংযোগের জন্য প্রতিপক্ষ জামায়াতের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে অভিযোগ করে বলেন, এরআগে সংসদ নির্বাচনের পর দিন সকালে বিজয়ী জামায়াত প্রার্থী শেখ মনজুরুল হক রাহাদের নেতাকর্মীরা আমার বাড়ীসহ মাদ্রা গ্রামে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম মিরাজসহ বিএনপির নেতাকর্মীদের ১২টি বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর করা হয়। রবিবার দিবাগত রাতে আমার বাড়ীতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যাবার সময় জামায়াত নেতাকমীদের স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়েছে। আগুনে আমার বসত ঘরের অসবাবপত্র ও ১০ লখ টাকার মালামালসহ টিসেড বাড়ীটি সম্পুর্ন পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। যুবদল নেতার বাড়ী আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার খবর যেয়ে সকালে জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বিএনপির প্রার্থী ব্যারিষ্টার শেখ মোহাম্দ জাকির হোসেনসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ এঘটনায় জামায়াত নেতাকর্মীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন।

    বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান জানান, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মান্দ্রায় যুবদল নেতা রানার বসত বাড়ীতে আগুন দেয়ার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসসহ আমরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাই। জড়িত দুবৃর্ত্তদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে। এরআগে এই এলাকায় নির্বাচনোত্তর সহিংসতার ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে উত্তেজনা: ঢাবি শিক্ষকসহ ৫ জনকে আটকে পরে ছেড়ে দিল পুলিশ

    ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে উত্তেজনা: ঢাবি শিক্ষকসহ ৫ জনকে আটকে পরে ছেড়ে দিল পুলিশ

    এবিএনএ: রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় ফুল দেওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর এক শিক্ষকসহ মোট পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। পরে থানায় নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে উপস্থিত কিছু লোকজন ওই পাঁচজনকে ঘিরে ধরলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পুলিশ দ্রুত তাদের সরিয়ে থানায় নিয়ে যায়।

    রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাময়িকভাবে থানায় নেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় কিছুক্ষণ পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা সতর্ক রয়েছে।

  • মেহেরপুরের চার ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ ও হামলা, আহত ১৭, একজন আটক

    মেহেরপুরের চার ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ ও হামলা, আহত ১৭, একজন আটক

    এবিএনএ, মেহেরপুর : মেহেরপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দুইটি আসনের চারটি ভোটকেন্দ্রে পৃথক হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের ১৬ জন ও বিএনপির ১ জন কর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। একজনকে আটক করা হয়েছে।

    সূত্র জানিয়েছে, সকালে মেহেরপুর-২ আসনের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে যাওয়ার সময় ভোটারদের বাধাদানের কারণে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে জামায়াতের ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    একই সময়ে গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান কেন্দ্রে কেন্দ্রের বাইরে হামলার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে জামায়াতের আরও ৪ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ৩ জনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাংনী উপজেলার খাসমহল গ্রামে আরেকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির একজন কর্মী আহত হন।

    অন্যদিকে মেহেরপুর-১ আসনের চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর বাড়ি ফেরার পথে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় জামায়াত সমর্থক ২ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় একজন বিএনপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

    মেহেরপুর পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় জানিয়েছেন, “সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে চলছে। হামলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

  • গুলশানে গভীর রাতে চেকপোস্টে ধরা যুবক, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দুই পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

    গুলশানে গভীর রাতে চেকপোস্টে ধরা যুবক, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দুই পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

    এবিএনএ: রাজধানীর গুলশানে গভীর রাতে পুলিশের চেকপোস্টে তল্লাশির সময় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দুটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া যুবকের নাম মো. সোহেল (৩৫)।

    রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে বাড্ডা-গুলশান লিংক রোডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান।

    তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের কাছে খবর আসে যে একটি মোটরসাইকেলে করে বিদেশি অস্ত্র নিয়ে গুলশান এলাকায় প্রবেশ করা হচ্ছে। এমন তথ্যের পরপরই নির্দিষ্ট স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়।

    চেকপোস্টে একটি মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দিলে আরোহীরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় সোহেল নামে এক যুবককে আটক করা সম্ভব হলেও মোটরসাইকেলের চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    পরে তল্লাশি চালিয়ে আটক যুবকের কোমর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দুটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় সোহেল মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং কী উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল—তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

    পালিয়ে যাওয়া অপর ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে গুলশান থানা।