Tag: নির্বাচন প্রস্তুতি

  • সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের প্রস্তুতি শুরু: ইসিতে পৌঁছাল ২৯৬ এমপির তালিকা

    সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের প্রস্তুতি শুরু: ইসিতে পৌঁছাল ২৯৬ এমপির তালিকা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২৯৬ জন সংসদ সদস্যের তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করেছে সংসদ সচিবালয়। বিষয়টি সোমবার নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন–এর নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা।

    ইসি সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা কমিশনে পাঠাতে হয়। সেই নিয়ম অনুসরণ করেই সংসদ সচিবালয় তালিকাটি পাঠিয়েছে। এখন এ তালিকা যাচাই–বাছাই শেষে পরবর্তী নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হবে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট আয়োজন প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমান মাছউদ জানান, কমিশন দ্রুত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী পবিত্র রমজান মাসের মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

    ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, তালিকা যাচাই শেষ হলে কমিশনের বৈঠকে নির্বাচনের বিস্তারিত তফসিল চূড়ান্ত করে ঘোষণা দেওয়া হবে। এতে প্রার্থিতা দাখিল, যাচাই-বাছাই ও ভোটের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

    উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৬টির ফল ইতোমধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে। বাকি আসনগুলো আইনগত ও কারিগরি প্রক্রিয়া শেষে তালিকায় যুক্ত হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত সাধারণ আসনের সংখ্যার ভিত্তিতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন করা হবে।

  • কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে রয়েছে কৌতূহল ও উত্তেজনা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত সময় পার করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ তুঙ্গে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর গুলশান এলাকার ভোটার হিসেবে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রটিতে নির্বাচন দিনে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি থাকার কথা।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট দেবেন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানা গেছে। তার ভোট ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে আলাদা উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতা ভোট দেবেন। প্রবীণ নেতা মির্জা আব্বাস রাজধানীর শাহজাহানপুরে অবস্থিত মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেরানীগঞ্জে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরাকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নরসিংদীর পলাশে ড. আব্দুল মঈন খান চারনগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের ভোটও স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। চট্টগ্রামে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কক্সবাজারের পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    উত্তরাঞ্চলে সিরাজগঞ্জে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সালেহা ইশহাক সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং দক্ষিণে ভোলার লালমোহনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম আব্দুল ওয়াহাব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন মতিহারা সরকারি হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    দলীয় মিডিয়া সেল জানিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রে পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলে নেতারা নির্ধারিত সময়েই ভোট দেবেন। নেতাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি শুধু নাগরিক দায়িত্ব পালন নয়—দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল জোগাতেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • নির্বাচনের মাঠে বিএনপি: গুলশানে চালু হলো দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী অফিস

    নির্বাচনের মাঠে বিএনপি: গুলশানে চালু হলো দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী অফিস

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে নতুন ধাপ যোগ করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয় ও পরিচালনার জন্য রাজধানীতে আলাদা একটি কেন্দ্রীয় নির্বাচনী অফিস চালু করেছে দলটি।

    শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের ৯০ নম্বর সড়কে অবস্থিত ১০/সি নম্বর ভবনে ফিতা কেটে এই অফিসের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুহুল কবির রিজভী জানান, বিএনপির গঠিত নির্বাচনী স্টিয়ারিং কমিটির সব সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম এই অফিস থেকেই পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, আর সেই কাজকে আরও কার্যকর ও সংগঠিত করতেই এই পৃথক কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

    রিজভী আরও জানান, নির্বাচনী যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানের সুবিধার্থে অফিসে একটি কল সেন্টারও চালু করা হয়েছে, যা দলীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

  • নির্বাচন সামনে রেখে কড়া নজরদারি: মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসাতে তালিকা চাইল সরকার

    নির্বাচন সামনে রেখে কড়া নজরদারি: মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসাতে তালিকা চাইল সরকার

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে যেসব মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তালিকা দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এ জন্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত মাদ্রাসাগুলোর নাম, সংখ্যা ও পূর্ণ ঠিকানা প্রয়োজন। আগামী ১১ জানুয়ারির মধ্যে সব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ই-মেইলে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে।

    মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মজুমদারের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী নির্দেশনার আলোকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া তালিকা প্রেরণের ক্ষেত্রে সমন্বয় নিশ্চিত করতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদেরও নির্দেশনার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ‘ভুল পথে চালানো হচ্ছে সরকার’— তিন উপদেষ্টার অপসারণ দাবি আট দলের

    ‘ভুল পথে চালানো হচ্ছে সরকার’— তিন উপদেষ্টার অপসারণ দাবি আট দলের

    এবিএনএ:  জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি রাজনৈতিক দল অভিযোগ করেছে, সরকারের তিনজন উপদেষ্টা সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে ভুল পথে পরিচালিত করছেন। তাদের দাবি, এ উপদেষ্টারা বিএনপির পক্ষে ঝুঁকে কাজ করছেন এবং সরকারের অবস্থান ‘মিসগাইড’ করছেন।

    শুক্রবার রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘‘সরকারকে বিভ্রান্ত করছে এমন কমপক্ষে তিনজন উপদেষ্টা আছেন। আমরা তাদের অপসারণ চাই। প্রধান উপদেষ্টাকে নামগুলো জানাবো। এরপরও ব্যবস্থা না নিলে নাম প্রকাশ্যে আনা হবে বিবেচনা করছি।’’

    আগের দিন জারি হওয়া জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে দলগুলোর অবস্থান ব্যাখ্যা করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় আট দল তিনটি দাবি তোলে—
    ১) নির্বাচনের আগে গণভোটের আয়োজন,
    ২) প্রশাসনে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ,
    ৩) সরকারকে বিভ্রান্তকারী তিন উপদেষ্টার অপসারণ।

    ডা. তাহের অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচনকে ঘিরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। কিন্তু বিএনপি হঠাৎ করে সংস্কারের বিষয়ে মতবিরোধ দেখিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। তার মতে, সরকার বিএনপির সঙ্গে সমন্বয় করে জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করেছে, যা জনগণের স্বার্থকে উপেক্ষা করে একটি বিশেষ দলের সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

    তিনি বলেন, আদেশে সনদের সাংবিধানিক ভিত্তি দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানালেও পুরো সনদ একইভাবে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। গণভোটে মাত্র চারটি বিষয় রাখা নিয়েও তিনি আপত্তি জানান।

    ডা. তাহের দাবি করেন, বিএনপির আপত্তিকে প্রশ্রয় দিতেই সনদকে চার ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে গণভোট না চাওয়ার কারণ হলো— তার ফল বিএনপির বিরুদ্ধে যেতে পারে। আট দলের ভাষ্য, তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে; অথচ সংস্কারবিরোধী একটি দলের কারণে গণভোটকে দুর্বল করা হচ্ছে।

    তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘রোজার আগে নির্বাচনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। কিন্তু সরকারের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে নির্বাচনের মাঠ সমতল রাখা হবে না। কিছু উপদেষ্টা প্রশাসনকে দলীয়ীকরণের চেষ্টা করছেন। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে এবং দেশীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঢেকে যেতে পারে।’’

    সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাগপা ও বিডিপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • র‍্যাব বিলুপ্তি প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত সরকারের: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পূর্ণ প্রস্তুত ডিজি

    র‍্যাব বিলুপ্তি প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত সরকারের: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পূর্ণ প্রস্তুত ডিজি

    এবিএনএ:   সাম্প্রতিক সময়ে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্তি নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে, বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমান জানিয়েছেন—এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের, র‍্যাব এ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করছে না।

    ১১ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন বিরোধী অভিযানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা এখন ব্যস্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দস্যুতা বা অপহরণের মতো অপরাধ ঠেকাতে আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।”

    তিনি আরও জানান, বড় ধরনের অপরাধ সংঘটিত হলে র‍্যাব তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মিটফোর্ডের ব্যবসায়ী হত্যা, গাজীপুরের সাংবাদিক হত্যা এবং আট টুকরা লাশের রহস্য উদ্ঘাটনসহ একাধিক ঘটনায় দ্রুত আসামি গ্রেপ্তারের উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি।

    কক্সবাজার এলাকায় চলমান মাদক বিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে ডিজি জানান, বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। নির্বাচনের জন্য সরকারের বা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পেলে র‍্যাব প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে অবশিষ্ট অস্ত্র উদ্ধারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেওয়া হবে।

    পলিথিন বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ নিয়ে এ কে এম শহিদুর রহমান বলেন, “পলিথিন শুধু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নয়, বরং পুরো পরিবেশ ও প্রাণীজগতের জন্য ক্ষতিকর। আমরা উৎপাদন, পরিবহন ও খুচরা পর্যায়ে পলিথিন ব্যবহারে বাধা দিচ্ছি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছি।”

    তার মতে, জনগণ সচেতন হলে পলিথিনের ব্যবহার অনেকটাই কমে যাবে, যা পরিবেশ রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে।