Tag: নিরাপত্তা পরিস্থিতি

  • ড্রোন হামলায় আবুধাবির নৌঘাঁটিতে আগুন: উত্তপ্ত উপসাগরীয় অঞ্চল, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

    ড্রোন হামলায় আবুধাবির নৌঘাঁটিতে আগুন: উত্তপ্ত উপসাগরীয় অঞ্চল, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আরও চড়ল। ইরান থেকে ছোড়া ড্রোন আঘাতে আবুধাবির একটি নৌঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, আবুধাবির **আল সালাম নৌঘাঁটি**র একটি গুদামে দুটি ড্রোন আঘাত হানে। আঘাতের পর সেখানে সংরক্ষিত সাধারণ মালামাল বহনকারী দুটি কন্টেইনারে আগুন ধরে যায়। দ্রুত উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, শনিবারের ঘটনার পর রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো আবুধাবিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী নৌঘাঁটির আশপাশে সতর্কতা জোরদার করেছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে এমন হামলা বাণিজ্যিক ও সামরিক স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি হয়ে উঠছে।

  • তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: খামেনির সুরক্ষিত কমপাউন্ড ধ্বংস, স্যাটেলাইট ছবিতে বিধ্বস্ত চিত্র

    তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: খামেনির সুরক্ষিত কমপাউন্ড ধ্বংস, স্যাটেলাইট ছবিতে বিধ্বস্ত চিত্র

    এবিএনএ: তেহরানে চালানো সাম্প্রতিক হামলার পর স্যাটেলাইট ছবিতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের আবাসিক এলাকার ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর সুরক্ষিত কমপাউন্ডের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে এবং চারপাশে পোড়া দাগ রয়েছে—যা বড় ধরনের বিস্ফোরণের ইঙ্গিত দেয়।

    পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন-তেহরানের পরোক্ষ আলোচনার মধ্যেই ভোররাতে শুরু হওয়া অভিযানে তেহরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ অন্তত ৩০টির বেশি স্থানে আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে বলা হচ্ছে, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও কয়েকজন মন্ত্রীর আবাসিক এলাকার কাছেও হামলা হয়েছে।

    ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, তেহরানের শেমিরান এলাকায় প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের আশপাশ ও খামেনির কমপাউন্ডের নিকটে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এপি-এর প্রতিবেদনে খামেনির দপ্তরের আশপাশে বিস্ফোরণের তথ্যও উঠে এসেছে।

    বর্তমানে খামেনির অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁকে তেহরানের বাইরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাঁর জানা অনুযায়ী সর্বোচ্চ নেতা জীবিত আছেন। সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

  • রক্তাক্ত ভোর ইরানে: ৩১ প্রদেশের ২০টির বেশি অঞ্চলে ধ্বংসযজ্ঞ, শিশু নিহতের খবরে শোক

    রক্তাক্ত ভোর ইরানে: ৩১ প্রদেশের ২০টির বেশি অঞ্চলে ধ্বংসযজ্ঞ, শিশু নিহতের খবরে শোক

    এবিএনএ: ভোরের আলো ফোটার আগেই ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে জনপদ। শনিবার শুরু হওয়া সমন্বিত সামরিক অভিযানে দেশটির ৩১টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টির বেশি এলাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। ইরানের উদ্ধারকারী সংস্থা ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বহু স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

    দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে বহু শিশুর প্রাণহানির খবর দেশজুড়ে গভীর শোকের আবহ তৈরি করেছে। স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়াদের উদ্ধারে রেড ক্রিসেন্টের দলগুলো কাজ করছে।

    রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, যেসব স্থাপনা থেকে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে বা সহায়তা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোকে তেহরান বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করবে। তাঁর ভাষায়, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে ইরান প্রস্তুত।

    রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মুখপাত্র জানান, রাজধানী তেহরানসহ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক প্রদেশে একযোগে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকারীরা অনেক এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    দীর্ঘদিন ধরে চলা ইরান ও ইসরাইলের ‘ছায়াযুদ্ধ’ এবার প্রকাশ্য সংঘাতে রূপ নিয়েছে। তেহরান থেকে পাল্টা জবাবের কড়া বার্তা আসার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্রদের সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

  • ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা! বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের বিশেষ নির্দেশনা

    ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা! বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের বিশেষ নির্দেশনা

    এবিএনএ: বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্তেজনা, জনসমাগম ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিস জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে ২২ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। এ সময় রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও মিছিলের সংখ্যা বাড়তে পারে, যার ফলে বড় ধরনের জনসমাগম, নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত উপস্থিতি এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    এ অবস্থায় ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে লন্ডন। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প ভ্রমণ পরিকল্পনা রাখার কথাও বলা হয়েছে।

    নির্বাচনসংক্রান্ত সতর্কতার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। নিয়মিত সহিংসতা ও অপরাধমূলক ঘটনার প্রতিবেদনের কারণে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকাগুলোতে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সতর্কবার্তায় আরও জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ করলে ভ্রমণ বিমা বাতিল হতে পারে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ এলাকাগুলোতে ব্রিটিশ নাগরিকদের জরুরি সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতাও সীমিত থাকবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার।

  • ঢাকায় ভারতীয় ভিসা সেন্টারের নিয়মিত কার্যক্রম ফের শুরু

    ঢাকায় ভারতীয় ভিসা সেন্টারের নিয়মিত কার্যক্রম ফের শুরু

    এবিএনএ: ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারের নিয়মিত কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে ভিসা আবেদন গ্রহণসহ সব আনুষঙ্গিক সেবা চালু করা হয়।

    এর আগে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে এই ভিসা সেন্টারের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, ওইদিন দুপুর ২টা থেকে আইভেক–জেএফসির কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

    বার্তায় আরও বলা হয়, যাদের ভিসা আবেদনের সময় নির্ধারিত ছিল, তাদের সবাইকে পরবর্তীতে নতুন সময়সূচি বা স্লট দেওয়া হবে।

    এদিকে বাংলাদেশে ‘ক্রমাবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর কিছুক্ষণ আগেই ঢাকায় ভারতীয় ভিসা সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা আসে।

    উল্লেখ্য, বুধবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘জুলাই ঐক্য’ জোটের পক্ষ থেকে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ওই কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে দুপুরের পর ভিসা সেন্টারের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল।

    নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় আজ থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে ভিসা সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

  • বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যে বার্তা দিল ভারত, জানাল উদ্বেগ ও অবস্থান

    বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে যে বার্তা দিল ভারত, জানাল উদ্বেগ ও অবস্থান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার দুপুরে নয়াদিল্লিতে তাকে ডেকে পাঠানো হয়। পরে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ভারত জানায়, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ জানাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকের সময় বাংলাদেশে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি হাইকমিশনারকে অবহিত করা হয়। একই সঙ্গে ‘কিছু গোষ্ঠীর’ তৎপরতা নিয়েও তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

    ভারতের দাবি, ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন কার্যক্রমের পরিকল্পনা করছে কয়েকজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী। বিষয়টি নিয়ে নয়াদিল্লি যথেষ্ট সতর্ক বলে জানানো হয়।

    এ ছাড়া সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে ঘিরে একটি পক্ষ যে অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর বয়ান ছড়ানোর চেষ্টা করছে, ভারত তা নাকচ করেছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

    ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার যৌথ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক পরবর্তীতে উন্নয়ন সহযোগিতা ও জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগের মাধ্যমে আরও দৃঢ় হয়েছে। ভারত বাংলাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পক্ষে এবং অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে আসছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে রবিবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছিল বাংলাদেশ। সে সময় দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয় এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত দেওয়ার দাবিও উত্থাপন করা হয়।

  • সেন্ট্রাল রোডে উপদেষ্টা রিজওয়ানার বাসার সামনে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    সেন্ট্রাল রোডে উপদেষ্টা রিজওয়ানার বাসার সামনে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    এবিএনএ: রাজধানীর সেন্ট্রাল রোডে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বাসার সামনে রবিবার রাত ৯টার দিকে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। আকস্মিক এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, যদিও কেউ হতাহত হয়নি।

    রিজওয়ানা হাসান জানান, বাসার সামনে প্রচণ্ড শব্দ শুনে বাইরে এসে তিনি বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত হন। বাসার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুইজন অজ্ঞাত ব্যক্তি দ্রুত এসে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে মুহূর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরাও একই তথ্য দিয়েছেন। তারা বলেন, দুর্বৃত্ত দুইজনের তৎপরতা এতটাই দ্রুত ছিল যে ঘটনাস্থলে থাকা মানুষরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিস্ফোরণ ঘটে যায়। শব্দে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।

    ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য কী ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশের বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দুর্বৃত্তদের শনাক্তে কাজ চলছে।

    এর আগেই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড়েও দুই দফায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। সেখানেও কেউ আহত হয়নি, তবে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • কারওয়ান বাজারে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ: থানার সীমা নিয়ে তেজগাঁও-কলাবাগানের বিরোধ

    কারওয়ান বাজারে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ: থানার সীমা নিয়ে তেজগাঁও-কলাবাগানের বিরোধ

    এবিএনএ: রাজধানীর ব্যস্ত কারওয়ান বাজার মোড়ে রবিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সৌভাগ্যক্রমে কেউ আহত না হলেও ঘটনাস্থল কোন থানার অধীনে—এ নিয়ে তেজগাঁও ও কলাবাগান থানার মধ্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়, যা তদন্তে দেরি ঘটায়।

    কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান খান জানান, বিস্ফোরণের স্থান তাদের অধিক্ষেত্রে পড়ে না; এটি তেজগাঁও থানার এলাকার ভেতরেই। অপরদিকে তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশিক ইকবাল দাবি করেন, ঘটনাস্থল তাদের থানার এলাকার সীমানার মধ্যেও নেই। দুই পক্ষের এমন অবস্থানের ফলে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত তাৎক্ষণিকভাবে এগোয়নি।

    এদিকে আগামীকাল সোমবার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচারিক রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত সপ্তাহে নিষিদ্ধ ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ১০ নভেম্বর থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাস ও ট্রেনে অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা বাড়তে থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠেছে।

    সাম্প্রতিক এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে কারওয়ান বাজারের বিস্ফোরণটি নিয়ে রাজধানীতে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।