Tag: ত্বকের যত্ন

  • ঈদের আগে মেহেদির রং গাঢ় করতে চান? জেনে নিন ঘরোয়া সহজ ৭টি কার্যকর টিপস

    ঈদের আগে মেহেদির রং গাঢ় করতে চান? জেনে নিন ঘরোয়া সহজ ৭টি কার্যকর টিপস

    এবিএনএ: ঈদের সাজে মেহেদির ভূমিকা অনস্বীকার্য। হাতভর্তি নকশায় রাঙা মেহেদি না হলে উৎসবের আনন্দ যেন অপূর্ণ থেকে যায়। তবে অনেকেই অভিযোগ করেন, মেহেদি দেওয়ার পর প্রত্যাশিত গাঢ় রং পাওয়া যায় না। কিছু সহজ ঘরোয়া কৌশল জানলে খুব সহজেই মেহেদির রং করা যায় টুকটুকে লাল ও দীর্ঘস্থায়ী।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে পাওয়া টিউব মেহেদির তুলনায় ঘরে তৈরি মেহেদি অনেক বেশি নিরাপদ। কারণ টিউব মেহেদিতে প্রায়ই কেমিক্যাল থাকে, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে কালো মেহেদি ত্বকের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

    মেহেদির রং গাঢ় করার ঘরোয়া উপায়:
    প্রথমে তাজা মেহেদি পাতা ভালোভাবে বেটে নিন। এরপর এতে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে নিতে পারেন। যেমন—চায়ের লিকার, লবঙ্গ গুঁড়া, অল্প কফি ও সামান্য খর (চুনের বিকল্প উপাদান) মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন, যাতে উপাদানগুলো ভালোভাবে মিশে যায়।

    মেহেদি লাগানোর আগে হাত পরিষ্কার রাখা খুব জরুরি। লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে হাত ধুয়ে নিলে ত্বক মেহেদি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয় এবং রং আরও গাঢ় হয়।

    ডিজাইন করার সময় খেয়াল রাখুন, নকশা যেন একটু মোটা হয়। এতে রং বেশি জমে। মেহেদি লাগানোর পর কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা পানি থেকে দূরে থাকুন। তাই রাতে মেহেদি দেওয়া সবচেয়ে ভালো।

    মেহেদি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধোয়ার চেষ্টা না করে স্বাভাবিকভাবে ঝরে যেতে দিন। এরপর হাতে সরিষার তেল লাগালে রং আরও গাঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।

    সঠিক নিয়ম মেনে মেহেদি ব্যবহার করলে সহজেই পাওয়া যাবে আকর্ষণীয় গাঢ় রং, যা ঈদের আনন্দকে করবে আরও রঙিন।

  • মাত্র ৩ উপাদানের ফেসপ্যাকেই দূর হবে ত্বকের কালো দাগ, ঈদের আগেই পাবেন উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক

    মাত্র ৩ উপাদানের ফেসপ্যাকেই দূর হবে ত্বকের কালো দাগ, ঈদের আগেই পাবেন উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক

    এবিএনএ: ঈদ সামনে রেখে অনেকেই চান ত্বককে দাগহীন, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে তুলতে। ব্যস্ততার কারণে পার্লারে যাওয়ার সুযোগ না থাকলেও ঘরেই তৈরি করা একটি সহজ ভেষজ ফেসপ্যাক ত্বকের যত্নে দারুণ কার্যকর হতে পারে।

    ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি কিছু ফেসপ্যাক নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের কালো দাগ ধীরে ধীরে হালকা হয় এবং ত্বকে আসে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। বিশেষ করে গরমের সময়ে অতিরিক্ত ঘাম, তৈলাক্ত ভাব বা ব্রণের সমস্যা থাকলেও এই ফেসপ্যাক উপকারী হতে পারে।

    এই ফেসপ্যাক তৈরি করতে প্রয়োজন মাত্র তিনটি উপাদান—শসা, চন্দন গুঁড়া ও গোলাপ জল। এগুলো ত্বকের জন্য খুবই উপকারী এবং সহজেই ঘরে পাওয়া যায়।


    যেভাবে তৈরি করবেন ফেসপ্যাক

    প্রথমে একটি তাজা শসা থেকে এক চামচ রস বের করে নিন। এরপর একটি পাত্রে দুই চামচ চন্দন গুঁড়া নিন এবং এর সঙ্গে এক চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। সব উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।


    ব্যবহারের পদ্ধতি

    তৈরি করা পেস্টটি প্রথমে মুখে হালকা হাতে প্রায় পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর পুরো মুখে ফেসপ্যাকটি একটু পুরু করে লাগিয়ে দিন।

    ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন যাতে ফেসপ্যাকটি মুখে শুকিয়ে যায়। শুকিয়ে গেলে তুলা ও পানি দিয়ে ধীরে ধীরে ফেসপ্যাক তুলে ফেলুন এবং ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপর ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ভালো মানের একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে ত্বকের দাগ কমতে শুরু করবে এবং ত্বক ধীরে ধীরে উজ্জ্বল ও সতেজ হয়ে উঠবে।


    কেন উপকারী এই ফেসপ্যাক

    শসা ত্বককে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বকের ক্লান্ত ভাব দূর করে। চন্দন গুঁড়া ত্বকের কালচে দাগ কমাতে কার্যকর, পাশাপাশি ত্বককে শান্ত রাখে। অন্যদিকে গোলাপ জল ত্বকে প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং ত্বককে উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে।

    তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—ফেসপ্যাক ব্যবহার করার পর সঙ্গে সঙ্গে সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত নয়। এতে ফেসপ্যাকের উপকারিতা কমে যেতে পারে।

  • শীতের ঠান্ডায় ছেলেদের ত্বক রক্ষার সহজ উপায়: জানুন কার্যকরী স্কিন কেয়ার টিপস

    শীতের ঠান্ডায় ছেলেদের ত্বক রক্ষার সহজ উপায়: জানুন কার্যকরী স্কিন কেয়ার টিপস

    এবিএনএ: শীত আসলেই ছেলেদের ত্বকে ভাঙন ধরা শুরু করে। ত্বক হয়ে যায় রুক্ষ, খসখসে ও নিস্তেজ। বিশেষ করে গোসলের পর ত্বকে টান পড়ে ও ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সঠিক যত্ন না নিলে শুধু ত্বক শুষ্ক হয় না, চোখের নিচে দেখা দিতে পারে কালো দাগ ও অকাল বলিরেখা।

    তাই শীতকালে ছেলেদের ত্বককে রক্ষা করতে কিছু সহজ অথচ কার্যকরী স্কিন কেয়ার নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা জরুরি।

    🔹 কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন
    শীতে অনেকেই খুব গরম পানিতে গোসল করেন, যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে দেয়। তাই অল্প সময় নিয়ে কুসুম গরম পানিতে গোসল করাই ভালো।

    🔹 ময়েশ্চারাইজারযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করুন
    শীতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ক্রিম, লোশন ও সাবান সবই হতে হবে ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ। গোসলের পর সঙ্গে সঙ্গে লোশন লাগালে সেটি ত্বকে ভালোভাবে শোষিত হয়।

    🔹 শেভের পর ত্বকের যত্ন নিন
    শেভিংয়ের পর ত্বক থাকে সংবেদনশীল। তাই শেভের পর অবশ্যই আফটারশেভ ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে, যাতে ত্বক ফাটল বা জ্বালাপোড়া না হয়।

    🔹 রোদে বের হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
    যারা নিয়মিত সূর্যের আলোতে থাকেন, তারা অবশ্যই সানস্ক্রিন লাগিয়ে বাইরে বের হবেন। এটি ত্বককে রোদে পোড়া ও দাগ থেকে রক্ষা করে।

    🔹 তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বিশেষ যত্ন
    যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তারা অয়েল-ফ্রি ফেসওয়াশ ও সাবান ব্যবহার করবেন। কারণ অতিরিক্ত তেলে মুখে ধুলা-ময়লা সহজেই জমে যেতে পারে।

    🔹 দিনে কয়েকবার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন
    দিনে কমপক্ষে দুই থেকে তিনবার মুখ ধোয়া উচিত। এতে মুখের ময়লা পরিষ্কার থাকে এবং ত্বক সতেজ থাকে।

    🔹 ময়েশ্চারাইজার অবশ্যই ব্যবহার করুন
    মুখ ধোয়ার পর অথবা স্নানের পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এটি ত্বকের কোমলতা বজায় রাখে এবং ত্বককে ফাটল থেকে রক্ষা করে।

    🔹 পর্যাপ্ত পানি পান করুন
    অনেকে শীতে কম পানি পান করেন, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। ত্বকের আর্দ্রতা ও সতেজতা ধরে রাখতে শীতেও পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন।

    🔹 শাকসবজি ও ফল খান বেশি করে
    শীতকালে ভিটামিন সমৃদ্ধ শাকসবজি ও মৌসুমি ফল খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও স্বাস্থ্য বজায় থাকে।

    শীতের তীব্র ঠান্ডায় ছেলেদের ত্বক যেন রুক্ষ ও শুষ্ক না হয়, সেজন্য নিয়মিত যত্ন নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মগুলো মেনে চললে ত্বক থাকবে কোমল, উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর।