Tag: তামিম ইকবাল

  • ঢাকা লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান, চলতি মাসেই দলবদল—মে’র শুরুতে মাঠে গড়ানোর প্রস্তুতি

    ঢাকা লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান, চলতি মাসেই দলবদল—মে’র শুরুতে মাঠে গড়ানোর প্রস্তুতি

    এবিএনএ: জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎসগুলোর একটি হলো ঢাকা লিগ। তবে চলতি মৌসুমে এই জনপ্রিয় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট সময়মতো আয়োজন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। লিগ আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে প্রশ্নও উঠেছিল ক্রিকেট অঙ্গনে।

    মূলত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ঘিরে সাবেক পরিচালনা পর্ষদ এবং ঢাকার ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে মতবিরোধের কারণে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন আটকে ছিল। এতে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন অনেক ক্রিকেটার, বিশেষ করে যারা জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন এবং এই লিগের ওপর নির্ভরশীল।

    পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে নতুন অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর। গত বুধবার ঢাকা লিগ আয়োজন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তার উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুত সমাধানের পথে এগোয় বিষয়টি।

    বৃহস্পতিবার বিসিবি কার্যালয়ে ঢাকার ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকে। এই বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রায় সব ক্লাবই লিগে অংশগ্রহণে সম্মতি জানিয়েছে। বিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় দলবদল ও লিগ শুরুর সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সূত্র মতে, চলতি মাসের মধ্যেই ঢাকা লিগের দলবদল সম্পন্ন করা হবে। এরপর আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে মাঠে গড়াবে বহুল প্রতীক্ষিত এই প্রতিযোগিতা। এতে করে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে ক্রিকেটার ও ক্লাব কর্মকর্তাদের।

    এদিকে বিসিএলের প্রথম দুই রাউন্ড শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ২১ এপ্রিল থেকে। ওই পর্ব শেষ হওয়ার পর ৫ মে থেকে ঢাকা লিগ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিসিবি। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়েই মাঠে গড়াবে দেশের অন্যতম প্রধান ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।

  • তামিম ইস্যুতে সরব মিরাজ: নেতিবাচক মন্তব্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের ক্রিকেট

    তামিম ইস্যুতে সরব মিরাজ: নেতিবাচক মন্তব্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের ক্রিকেট

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেটে চলমান বিতর্কের মধ্যে এবার সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যে জাতীয় দলের এই অলরাউন্ডার জানান, তামিমকে নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্য দেশের ক্রিকেটের জন্য মোটেও সহায়ক নয়।

    মিরাজের মতে, এ ধরনের মন্তব্য কেবল একজন ক্রিকেটারকে আঘাত করে না, বরং দেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক পরিবেশ ও ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে। তিনি মনে করেন, ক্রিকেটের মতো সংবেদনশীল একটি জায়গায় দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য সুস্থ ও সম্মানজনক পরিবেশ নষ্ট করে দেয়।

    ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে মিরাজ লেখেন, দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সবাইকে আরও সংযত ও সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

    তার ভাষায়, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ককে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো নেতিবাচক মন্তব্য দেশের ক্রিকেটের স্বার্থের সঙ্গে যায় না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ক্রিকেটের বৃহত্তর কল্যাণে ভবিষ্যতে সবাই আরও দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল অবস্থান নেবে।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এক পরিচালকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয় এই আলোচনা। ওই ঘটনার পর জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক একাধিক ক্রিকেটার প্রকাশ্যে ওই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। মিরাজের মন্তব্য সেই প্রতিবাদের ধারাকেই আরও জোরালো করেছে।

  • আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান সময়কে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, এই সময়ে নেওয়া যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব আগামী ১০ বছর পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটে ভোগাতে পারে। তাই আবেগের বশে নয়, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা মাথায় রেখেই বিসিবিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম বলেন, হঠাৎ মন্তব্য বা তড়িঘড়ি পদক্ষেপ সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বরং পারস্পরিক আলোচনা ও কার্যকর সংলাপের মাধ্যমেই সংকট থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। তাঁর বিশ্বাস, সঠিক সময়ে সঠিক ডায়ালগ বড় বড় সমস্যারও পথ খুলে দেয়।

    বিসিবির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যৎ ভাবনার ওপর জোর দিয়ে তামিম বলেন, আজ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার প্রভাব শুধু বর্তমান নয়, পরবর্তী এক দশকের ক্রিকেট কাঠামোতেও পড়বে। তাই স্বল্পমেয়াদি চাপে না পড়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    তিনি আরও মনে করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে একটি স্বাধীন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে হবে। সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় জরুরি হলেও, বোর্ডের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা থাকা দরকার। দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে প্রয়োজনীয় হলে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াও বোর্ডের দায়িত্ব।

    জনমতের বিষয়টি তুলে ধরে তামিম বলেন, দর্শকদের আবেগ মাঠের খেলায় স্বাভাবিকভাবেই প্রতিফলিত হয়। তবে সেই আবেগের ভিত্তিতে কোনো বড় ক্রীড়া সংস্থার নীতি নির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত নয়। জনমত সময়ের সঙ্গে বদলায়, কিন্তু পরিকল্পনা হওয়া উচিত স্থির ও লক্ষ্যভিত্তিক।

    নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তামিম জানান, বর্তমানে তিনি বোর্ডের কোনো দায়িত্বে নেই। তাই নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য করাও তাঁর উদ্দেশ্য নয়। তবে বোর্ডের অংশ হলে তিনি সর্বাগ্রে দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের স্বার্থকেই গুরুত্ব দিতেন—এমনটাই জানান এই অভিজ্ঞ ওপেনার।

  • মাশরাফি-তামিমের ফোনে অনুপ্রাণিত মিরাজ, সিরিজ জয়ে নেতৃত্বের দৃঢ়তা

    মাশরাফি-তামিমের ফোনে অনুপ্রাণিত মিরাজ, সিরিজ জয়ে নেতৃত্বের দৃঢ়তা

    এবিএনএ: ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজের সময়টা শুরুতে খুব একটা সুখকর ছিল না। শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা সিরিজ হেরে চাপে পড়েছিলেন তরুণ এই অধিনায়ক। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজই যেন বদলে দিয়েছে তার ভাগ্যরেখা। বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ১৭৯ রানের বিশাল জয় এনে দিয়ে বাংলাদেশকে ২–১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের স্বাদ দিয়েছেন মিরাজ।

    ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ জানান, কঠিন সময়টা পার করতে তাকে পাশে পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তামিম ইকবালকে। তারা ফোন করে দিয়েছেন নানা দিকনির্দেশনা ও মানসিক সাহস। মিরাজ বলেন, “বাংলাদেশের সফল অধিনায়কদের মধ্যে মাশরাফি ভাই ও তামিম ভাই দু’জনই আমাকে অনেক সমর্থন দিয়েছেন। তামিম ভাই ফোনে বলেছিলেন, কীভাবে খেললে ভালো হবে। এমন সহায়তা আমার কাছে দারুণ লেগেছে।”

    মিরাজ আরও বলেন, “আমি সবসময় ইতিবাচকভাবে খেলতে চাই। ঘরের মাঠে সব দলের বিপক্ষে ভালো করার সুযোগ থাকে। আমরা জানতাম মিরপুরের উইকেট কেমন আচরণ করবে, কারণ এখানে আমরা বহু বছর ধরে খেলছি।”

    মিরপুরের পিচ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি যোগ করেন, “আগে এখানে কিছুটা ঘাস থাকত, এখন নেই। তাই বল কিছুটা ধীরে আসে। তবে এটি আমাদের কাছে নতুন কিছু নয়।”

    নিজের নেতৃত্বে সিরিজ জয়ের পর আত্মবিশ্বাসী মিরাজ জানান, ভবিষ্যতে দলের পারফরম্যান্স আরও উন্নত করতে চান তিনি।

  • বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্তাপ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এ বিষয়ে খুব একটা সরব নন।

    সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
    “আমি তেমন কিছু ফলো করিনি। যারা দায়িত্বে আসবেন, আশা করব তারা বিসিবির উন্নতির জন্য কাজ করবেন। সবার জন্য শুভকামনা রইল।”

    এর আগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বিসিবি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এ বিষয়ে সাকিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,
    “নির্বাচনের খবর তেমন দেখি না বা পড়ি না। তাই মন্তব্য করাটা আমার জন্য কঠিন। যা জানি না, সে বিষয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না।”

    সাম্প্রতিক সময়ে সাকিবের সঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর সূত্রপাত হয় ২৮ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সাকিবের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। ওই পোস্টে সাকিব লিখেছিলেন, “শুভ জন্মদিন, আপা।”

    এর জবাবে আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন, “খুনিদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া কাউকে কেবল ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করা যায় না। আইন সবার জন্য সমান।”

    এই ভার্চুয়াল দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও সাকিব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং তিনি রাজনীতি এড়িয়ে বলেন,
    “রাজনীতি নিয়ে কিছু বলার মানে নেই। আমি ক্রিকেটেই থাকি।”

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সাকিব ছিলেন দেশের বাইরে। যদিও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর দেশে ফিরতে না পারলেও বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা চলছে।

  • বিসিবি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ: ‘আমি ক্রিকেটার, সন্ত্রাসী নই’—বুলবুলকে হুমকি অভিযোগে তামিমের জবাব

    বিসিবি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ: ‘আমি ক্রিকেটার, সন্ত্রাসী নই’—বুলবুলকে হুমকি অভিযোগে তামিমের জবাব

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ বাড়ছে প্রতিদিন। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এরই মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে একটি অভিযোগ—অজ্ঞাত নম্বর থেকে হুমকিমূলক ফোন পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন বুলবুল।

    বৃহস্পতিবার বুলবুল জানান, তাকে নির্বাচনে না দাঁড়ানোর জন্য ফোনে চাপ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গানম্যান চেয়ে চিঠি দিয়েছেন বিসিবির পক্ষ থেকে। যদিও চিঠিতে সরাসরি হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। পরে এক বেসরকারি টেলিভিশনে বুলবুল বলেন, ফোনে তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা তাকে উদ্বিগ্ন করেছে।

    এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন তামিম ইকবাল। টেলিভিশনের এক টকশোতে তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি খুব একটা ফলো করিনি। তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, এটা দুঃখজনক। আমি একজন ক্রিকেটার, সন্ত্রাসী নই। বুলবুল ভাই যখন কিছু বলেন, তখন সেটি স্পষ্টভাবে বলা উচিত। মাঝেমধ্যে উনার বক্তব্যে প্রশ্ন থেকে যায়।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “যদি সত্যিই হুমকির ফোন আসে, তাহলে নম্বর প্রকাশ করা উচিত। আমাদের দেশে পর্যাপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা আছে, সহজেই বের করা সম্ভব কল কোথা থেকে এসেছে। লুকোচুরি না করে আইনের আশ্রয় নেওয়াই সবচেয়ে ভালো। না হলে স্পষ্ট জানানো হোক যে এরকম কিছু ঘটেনি।”

    উল্লেখ্য, বুলবুল আগের মন্তব্যে সরাসরি “হুমকি” শব্দটি ব্যবহার না করে বলেছিলেন, ফোনে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়—“ইলেকশনে না গেলে হয় না?” না গেলে ভালো হয়। এতে তিনি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

    প্রসঙ্গত, বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ অক্টোবর। সভাপতি ও পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদসহ কয়েকজন প্রার্থী। এর মাঝেই হুমকির অভিযোগে নির্বাচন আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

  • বিসিবি সভাপতি নির্বাচন: বুলবুল বনাম তামিমের সম্ভাব্য লড়াই জমে উঠছে

    বিসিবি সভাপতি নির্বাচন: বুলবুল বনাম তামিমের সম্ভাব্য লড়াই জমে উঠছে

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে সভাপতির আসন ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। সাবেক ক্রিকেটার তামিম ইকবাল সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি বিসিবি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, তার লক্ষ্য সরাসরি বোর্ডের শীর্ষ পদটি।

    তবে নিয়ম অনুযায়ী, তামিমকে প্রথমে কাউন্সিলর হতে হবে। এরপর পরিচালক নির্বাচনে জিততে হবে। পরে পরিচালকদের ভোটেই সভাপতি পদ নির্ধারিত হবে। ইতিমধ্যে দুটি ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তামিম নিজেকে ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে গড়ে তুলেছেন, যা তার কাউন্সিলর হওয়ার পথে সহায়ক হতে পারে।

    অন্যদিকে, বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের ক্রিকেটে অবদান রাখতে তিনি আরও কাজ করতে চান। তবে বুলবুল সরাসরি ক্লাব পর্যায়ে যুক্ত না থাকায় তার কাউন্সিলরশিপের সুযোগ নেই। পরিবর্তে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা কিংবা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়ন থেকে পরিচালক হয়ে তিনি সভাপতি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

    বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন ক্লাব ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে, আর ২ জন আসেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনয়নে। এই ২৫ জন পরিচালকই সভাপতির জন্য ভোট দেন।

    ইতিমধ্যেই বুলবুল ও তামিম নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফলে ক্রিকেট অঙ্গনে জোরালোভাবে আলোচনা হচ্ছে—আগামী বিসিবি নির্বাচন কি বুলবুল বনাম তামিমের লড়াইয়ে পরিণত হতে যাচ্ছে?