Tag: তাপমাত্রা

  • সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সারাদেশে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও স্বল্প সময়ের জন্য রাত ও দিনের তাপমাত্রায় সামান্য ওঠানামা হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে বিমান চলাচল, সড়ক ও নৌ যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমানে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু এলাকায় এই শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব ধীরে ধীরে কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    পরবর্তী কয়েক দিনে নদী অববাহিকা ও খোলা এলাকায় কুয়াশার প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার নাগাদ রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের শীত ও কুয়াশাজনিত ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

  • হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এবিএনএ: দেশজুড়ে চলমান হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন করে দুশ্চিন্তার খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

    ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপথ এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময় সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে কুয়াশার প্রভাবে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।

    বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কুয়াশার প্রকোপ অব্যাহত থাকবে। এ সময় দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়লেও শীতের অনুভূতি পুরোপুরি কমবে না।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পরবর্তী দুই দিন তাপমাত্রা প্রায় স্থির থাকতে পারে। এরপর আবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপট: রাতে ঢাকায় আরও বাড়তে পারে শীত

    কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপট: রাতে ঢাকায় আরও বাড়তে পারে শীত

    এবিএনএ: গত কয়েক দিন ধরে সারা দেশের মতো রাজধানী ঢাকাতেও শীতের দাপট স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকেই কুয়াশার আস্তরণে ঢেকে যায় আকাশ, সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়ে স্বাভাবিক জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

    সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময় আকাশ প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করতে পারে, যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলবে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৯১ শতাংশ।

    দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে।

  • রাত বাড়লেই বাড়বে শীতের কামড়, উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

    রাত বাড়লেই বাড়বে শীতের কামড়, উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে রাতের শীত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা পড়তে পারে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে কোথাও কোথাও ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাব বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি মৌসুমী স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় দেশের আবহাওয়ায় শুষ্কতা বজায় থাকলেও কুয়াশা ও তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটতে পারে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রথম দিন সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমার আশঙ্কা রয়েছে।

    ২৬ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী কয়েক দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দিতে পারে। কিছু দিনে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও সামগ্রিকভাবে শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, ফলে শীতের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে শীতের প্রভাব। সন্ধ্যার পর থেকেই ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে, আর রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী কয়েক দিন সারাদেশেই শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে, তবে ভোরের দিকে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রাও সামান্য কমবে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সারাদেশে আপাতত বৃষ্টি নেই, তবে রাতের তাপমাত্রা ক্রমেই নিচের দিকে নামছে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী চার দিন শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। প্রতিদিন ভোরে উত্তরাঞ্চলে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। ১০ নভেম্বর থেকে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ১১ নভেম্বর রাতের তাপমাত্রা আবারও সামান্য নামতে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। পাঁচ দিনের শেষ দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের অনুভূতি টিকে থাকবে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় থেকেই ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের আমেজ শুরু হচ্ছে। উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত পুরোপুরি প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    শীতপ্রবণ অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের এখন থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

  • আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, সামান্য কমবে তাপমাত্রা

    আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, সামান্য কমবে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের আটটি বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, আগামীকাল (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বহু স্থানে, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

    তিনি বলেন, “কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। পাশাপাশি সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পাবে।”

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বহু স্থানে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায়ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে তাপমাত্রা আরও ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    পরবর্তী দিনগুলোতেও একই প্রবণতা থাকবে। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে শনিবার (১ নভেম্বর) পর্যন্ত দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার (২ নভেম্বর) পর্যন্ত ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বহু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিও দেখা যেতে পারে।

    তবে রবিবারের পর আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাতের ধারা বজায় থাকবে। এ সময় কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়লেও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।