Tag: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

  • জাতিসংঘ অধিবেশনে ড. ইউনূসের সফরসঙ্গী তালিকায় জামায়াত ও এনসিপির আরও দুই নেতা

    জাতিসংঘ অধিবেশনে ড. ইউনূসের সফরসঙ্গী তালিকায় জামায়াত ও এনসিপির আরও দুই নেতা

    এবিএনএ:  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী তালিকায় যুক্ত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির আরও দুই নেতা। তাঁরা হলেন— জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ড. নকিবুর রহমান তারেক এবং এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা।

    আজ রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন ড. ইউনূস। তাঁর সঙ্গে থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের এবং এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

    দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিনিধি দলে বিএনপির দুই নেতা অন্তর্ভুক্ত থাকায় সমানভাবে জামায়াত ও এনসিপি থেকেও প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দেওয়া হয়। তবে ভিসা জটিলতার কারণে আগে থেকে যাদের মার্কিন ভিসা ছিল, তাদেরই বেছে নেওয়া হয়।

    জামায়াত নেতা ডা. তাহের জানিয়েছেন, “সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ড. নকিবুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই তিনি প্রতিনিধি দলে যোগ দেবেন।”

    এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত জানান, ডা. তাসনিম জারা রোববার রাতেই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অতীতে জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি দলে মন্ত্রীরা ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারাই অংশ নিতেন। কিন্তু এবারই প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় না থাকা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা যুক্ত হচ্ছেন।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা বড় প্রতিনিধি দল নিয়ে অধিবেশনে অংশ নিয়েছিলেন। আর গত বছর ড. ইউনূস আট সদস্যের দল নিয়ে জাতিসংঘ সফর করেছিলেন। তবে এবার তাঁর প্রতিনিধি দলে সরাসরি রাজনৈতিক নেতারা যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি ঘিরে দেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • সমঝোতার ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    সমঝোতার ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    এবিএনএ: আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই নির্বাচন হবে সবার সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতেই।

    রোববার বিকেলে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। ড. ইউনূস বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার পাশাপাশি ঐকমত্য কমিশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।

    তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কোনোভাবেই স্বৈরাচারের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে। এজন্যই সংস্কার অপরিহার্য। ভবিষ্যতে স্বৈরাচার আসার সব পথ আমরা এ সংস্কারের মাধ্যমে বন্ধ করে দিতে চাই।”

    এর আগে দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনায় যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা। সেখানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’-এর বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রধান উপদেষ্টার এই ঘোষণা দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নতুন আস্থার বার্তা দিচ্ছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার পথকেও আরও সুসংহত করবে।

  • ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে: ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক অভিযোগ

    ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে: ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক অভিযোগ

    এবিএনএ:  জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থগিতকৃত উপদেষ্টা ফজলুর রহমান। তার দাবি, জামায়াত ইসলাম এখন দেশের অর্থনীতি থেকে প্রশাসন—সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে।

    সম্প্রতি এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না। এনসিপি আসলে তার নিজস্ব দল, আর রাতের আঁধারে তিনি জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। বাস্তবে জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে।”

    তিনি আরো বলেন, “সমস্ত ব্যাংক, বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক ও আর্থিক খাত জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে। শেয়ার বাজারেও তাদের কর্তৃত্ব স্পষ্ট। প্রশাসনে কর্মকর্তা বদলি পর্যন্ত তাদের ইশারায় হচ্ছে। বিএনপি যদি দ্রুত বিষয়টি অনুধাবন না করে তবে নিজেদের অস্তিত্বও ঝুঁকির মুখে ফেলবে।”

    লতিফ সিদ্দিকীর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফজলুর রহমান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে লতিফ সিদ্দিকীর অবদান অপরিসীম। ৮৭ বছরের একজন মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে গ্রেপ্তার করা দেশ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি চরম অবমাননা।”

    তিনি বিএনপিকে সতর্ক করে বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিরোধ ছাড়া এই দমননীতির অবসান হবে না। আজ লতিফ সিদ্দিকীর ওপর অন্যায় হলো, কাল তা বিএনপির ওপর আসবে।”

    বিএনপি থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার হলেও দল ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি। তার ভাষায়, “আমি এখনো বিএনপির মানুষ। তিন মাস পর হয়তো তারা আমাকে ফের নেবে, আবার আমিও থাকতে পারি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—এ দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার জায়গা ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে।”

  • জুলাই ঘোষণাপত্র ও ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ঘোষণাকে বিএনপির স্বাগত, জানাল রাজনৈতিক বার্তা

    জুলাই ঘোষণাপত্র ও ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ঘোষণাকে বিএনপির স্বাগত, জানাল রাজনৈতিক বার্তা

    এবিএনএ:  প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র ও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার রাতে গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই প্রতিক্রিয়া জানান।

    তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা দুটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন—একটি হলো জুলাই ঘোষণাপত্র এবং অন্যটি আগামী নির্বাচনের ঘোষণা। বিএনপি উভয় ঘোষণাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করছে।”

    সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, “বিগত এক বছরে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যেসব শহীদ প্রাণ দিয়েছেন, তাদের জাতীয় বীরের মর্যাদা প্রদান যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রত্যাশার প্রতিফলন।”

    তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ দেশকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে দেবে। এ ঘোষণার মাধ্যমে জাতি একটি দোলাচলের অবসান ঘটাল।”

    বিএনপি নেতার মতে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে এবং তা হবে ইতিহাসের অন্যতম গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সালাহউদ্দিন বলেন, “আমরা আশা করি, জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেবে।”

    তিনি বলেন, “এক বছর আগে এই দিনে ফ্যাসিস্ট শক্তির পতন হয়েছিল। সেই রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলছি, এই অর্জন ধরে রাখতে হবে। বিগত ১৬ বছরের সংগ্রামের যে ফসল, এখন তা গণতন্ত্রের শিকড়ে রোপণ করতে হবে।”

    সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বিএনপির আলোচনা হয়েছে এবং জাতির ভবিষ্যতের কাঠামো কীভাবে হবে তা নিয়ে ঐকমত্য গড়ে উঠেছে।

    তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি, শিগগিরই এই ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সই সম্পন্ন হবে এবং তা বাস্তবায়নে বিএনপি সক্রিয় অংশগ্রহণ করবে।”

    এছাড়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সালাহউদ্দিন বলেন, “নির্বাচনের এই ঘোষণার ফলে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং নাগরিক জীবন আবার গতিশীল হবে।”

    এভাবেই জুলাই ঘোষণাপত্র ও নির্বাচনের প্রস্তুতির মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে একটি নতুন গণতান্ত্রিক দিগন্তের দিকে—এই বার্তাই দিচ্ছে বিএনপি।

  • উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা: পাশে থাকার অঙ্গীকার

    উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা: পাশে থাকার অঙ্গীকার

    এবিএনএ:  ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এফ-৭ বিজেআই প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত এবং ১৬৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনাটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক শোকবার্তায় জানান, ঢাকায় যে বেদনাদায়ক বিমান দুর্ঘটনায় বহু তরুণ শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (পূর্বে টুইটার) -এ তিনি লিখেছেন, “এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশবাসীর প্রতি আমাদের সমবেদনা রইল। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। ভারত বাংলাদেশের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সবধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।”

    ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকেও একই বার্তার সত্যতা নিশ্চিত করে একটি ফেসবুক পোস্ট প্রকাশ করা হয়েছে।

    এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় বলা হয়, “মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, তা জাতীয়ভাবে এক গভীর শোকের মুহূর্ত। এতে বিমানসেনা ও শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ অনেকের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।”

    প্রধান উপদেষ্টা আহতদের সুস্থতা কামনার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও প্রশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশ দিয়েছেন।

    এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা দেশের প্রতিটি স্তরকে নাড়া দিয়েছে। নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন মহল।

    এখন সকলের একটাই প্রত্যাশা—এই ধরনের দুর্ঘটনা যাতে আর না ঘটে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হয়।

  • অপতথ্যের বিরুদ্ধে জাতিসংঘকে সক্রিয় ভূমিকায় দেখতে চান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

    অপতথ্যের বিরুদ্ধে জাতিসংঘকে সক্রিয় ভূমিকায় দেখতে চান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে ভুয়া তথ্য এবং অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা মোকাবিলায় জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভাইজ এবং ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা’ বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা মেহদি বেনচেলাহ সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে ড. ইউনূস এ আহ্বান জানান।

    এই বৈঠকের সময় ইউনেসকো ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) যৌথ উদ্যোগে তৈরি একটি গণমাধ্যম সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগে তাদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমরা দেখতে পাচ্ছি—ভুয়া তথ্য একটি প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলোর উৎস কখনো বিদেশে, কখনো দেশের অভ্যন্তরে। এতে আমাদের গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ে যাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “শুধু সামাজিক মাধ্যম নয়, প্রথাগত মিডিয়াও মাঝেমধ্যে এমন ভুল তথ্যের উৎস হয়ে দাঁড়ায়। তাই জাতিসংঘকে কেবল সরকারের সঙ্গে নয়, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেও সরাসরি কাজ করতে হবে।”

    ড. ইউনূস জানান, “একটি স্বতন্ত্র ও ন্যায়ভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন আছে, যা ফেক নিউজ ছড়ানো মিডিয়াগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণে বাধ্য করতে পারবে। জাতিসংঘের আওয়াজ এখানে গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের আপনাদের সহায়তা দরকার।”

    ইউনেসকোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ জানান, “প্রতিবেদনটিতে আত্ম-নিয়ন্ত্রণ, সাংবাদিক নিরাপত্তা, এবং আন্তর্জাতিক মান রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। বিচার বিভাগ, পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”

    প্রকল্প কর্মকর্তা মেহদি বেনচেলাহ বলেন, “সাংবাদিকদের নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের জন্য। এসব সুপারিশ প্রতিবেদনটিতে থাকছে, যা সরকারের জন্য দিকনির্দেশক হতে পারে।”

    প্রতিবেদনটি ইউএনডিপির ‘এসআইপিএস’ প্রকল্পের আওতায় এবং ইউনেসকোর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নীতিমালার আলোকে তৈরি করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের গণমাধ্যম পরিবেশকে আরও স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল করে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কর্মকর্তারা।

  • বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হোন: কসোভোকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ আহ্বান

    বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হোন: কসোভোকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ আহ্বান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অংশ নিতে কসোভোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একইসঙ্গে শিক্ষা ও মানবসম্পদ খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নবনিযুক্ত কসোভো রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আহ্বান জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে কসোভোর বিনিয়োগ সম্ভাবনা বিশাল। তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া, পাটজাত পণ্য ও হালকা প্রকৌশল খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার অপার সুযোগ রয়েছে।”

    বৈঠকে ড. ইউনূস কসোভোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির সংখ্যা বাড়ানোর জন্য স্কলারশিপ ও ফেলোশিপ চালুর প্রস্তাবও দেন। একইসঙ্গে কসোভোর শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ বাড়াতে অনুরোধ জানান।

    ‘জুলাই বিদ্রোহ’-এর চেতনা স্মরণ করে ড. ইউনূস বলেন, “কসোভোর জনগণের স্বাধীনতা ও শান্তির জন্য প্রতিশ্রুতি এক অনুকরণীয় উদাহরণ। আমরা কসোভোয় গিয়েছিলাম যখন সবকিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল—সেখান থেকেই আমাদের সহযোগিতার শুরু।”

    রাষ্ট্রদূত প্লানা বলেন, “বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে কসোভোর স্বাধীনতা স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। গ্রামীণ কসোভোর মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন ড. ইউনূস। সেইসাথে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়েও বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা আমাদের পাশে ছিলেন।”

    ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কসোভো বর্তমানে দেশটির অন্যতম বৃহৎ মাইক্রোক্রেডিট প্রতিষ্ঠান। এর কার্যক্রম ২০টি মিউনিসিপ্যালিটি ও ২১৯টি গ্রামে বিস্তৃত এবং ৯৭% ঋণগ্রহীতা নারী।

    বৈঠকে উভয়পক্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানায়। রাষ্ট্রদূত বলেন, “উভয় দেশের চেম্বার অব কমার্স ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার করে পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা প্রয়োজন।”


    এই বৈঠক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উভয় দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা তৈরি হলো এই আলোচনার মাধ্যমে।

  • ইউনূস-তারেক বৈঠক কি হতে যাচ্ছে লন্ডনে? রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে নতুন জল্পনায়

    ইউনূস-তারেক বৈঠক কি হতে যাচ্ছে লন্ডনে? রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে নতুন জল্পনায়

    এবিএনএ :

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতির উত্তাপ যখন ক্রমেই বাড়ছে, ঠিক সেই সময়ই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন যুক্তরাজ্য সফর ঘিরে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে তারেক রহমানের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক। ঢাকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে এ নিয়ে চরম কৌতূহল ও হিসাব-নিকাশ চলছে।

    বিশেষ করে তারেক রহমানের ‘ডিসেম্বরে নির্বাচন’-এর জোরালো দাবি এবং টোকিওতে ইউনূসের ‘একটিমাত্র দল নির্বাচন চায়’ মন্তব্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে লন্ডনে দুই নেতার বৈঠক হলে তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতে বড় মোড় এনে দিতে পারে।

    ঢাকা ও লন্ডনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকটি এখনও চূড়ান্ত না হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বিএনপি চাইছে, বৈঠকের আগে নির্দিষ্ট এজেন্ডা এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে নীতিগত সম্মতি।

    তবে বিএনপি একাধিক শর্তে অনড়। তারা চায় আগে নির্বাচনকালীন সরকার, ভোটের সময়সূচি ও রোডম্যাপ নিয়ে ঐকমত্য। অন্যদিকে সরকার মনে করছে, ইউনূস-তারেক সাক্ষাৎ হলে আলোচনার একটি পথ খুলে যেতে পারে।

    বিশ্বজুড়ে সফরে ব্যস্ত ড. ইউনূস ৯ জুন লন্ডনে যাবেন। সেখানে তিনি রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন এবং ১২ জুন ‘কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করবেন। সফরকালে ইউনূস ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, কমনওয়েলথ ও আইএমও মহাসচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    তার সফরসঙ্গী থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, দুদক চেয়ারম্যান ড. এম এ মোমেনসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এছাড়াও তিনি চ্যাথাম হাউসে বক্তব্য দেবেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন, এবং বিবিসি, গার্ডিয়ানসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেবেন।

    তবে সফর ঘিরে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ পরিকল্পনার কারণে নিরাপত্তা ও সময়সূচি নিয়ে রয়েছে গোপনীয়তা।

    প্রসঙ্গত, ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী পরিস্থিতি এবং সরকারপ্রধানের বিদেশ সফরের প্রেক্ষাপটে বিএনপির মধ্যে এখনও আস্থা ফিরে আসেনি। তবুও, সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ঈদের পর লন্ডনে এই আলোচিত বৈঠকটি হলে দেশের রাজনীতিতে তা বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।

  • আগামী বছরের জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে: টোকিওতে প্রতিশ্রুতি প্রধান উপদেষ্টার

    আগামী বছরের জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে: টোকিওতে প্রতিশ্রুতি প্রধান উপদেষ্টার

    এবিএনএ,টোকিও, জাপান:


    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ২০২৫ সালের জুনের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার জাপানের রাজধানী টোকিওতে জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লীগের (জেবিপিএফএল) সভাপতি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    ড. ইউনূস বলেন, “কোনো ধরনের অজুহাত বা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আগামী জুনের মধ্যেই দেশে নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। এ লক্ষ্যেই অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার বাস্তবায়ন এবং নির্বাচন প্রস্তুতিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।”

    তিনি আরও জানান, “আমাদের তিনটি অগ্রাধিকার—সংবিধানসম্মত সংস্কার, বিচারহীনতার অবসান এবং একটি সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন আয়োজন। এগুলোর প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা অগ্রগতি অর্জন করেছি।”

    জাপান সফরে পৌঁছে তিনি আরও বলেন, “গত দশ মাসে জাপান আমাদের পাশে থেকেছে। আমি এ সফরকে কৃতজ্ঞতা সফর হিসেবে দেখছি। জাপানের সহায়তা আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।”

    তারো আসো বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য আবশ্যক উল্লেখ করে বলেন, জাপান সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

    এ সময় জাপানি সংসদ সদস্যরা জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) স্বাক্ষর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। আগামী আগস্টের মধ্যে আলোচনা শেষ করে সেপ্টেম্বরে চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করা হচ্ছে। এতে জাপান হবে বাংলাদেশে ইপিএ স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ।

    রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। ড. ইউনূস বলেন, “রোহিঙ্গারা অন্য দেশে যেতে চাইছে না। তারা মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়, এটাই সংকটের অনন্য দিক।” তিনি তাদের প্রত্যাবাসনে জাপানের সক্রিয় সহায়তা কামনা করেন।

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সফরে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং এসডিজি মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।

  • দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রোডম্যাপ চাইল জামায়াত

    দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রোডম্যাপ চাইল জামায়াত

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিষ্কার ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ চেয়েছে তার দল। আজ শনিবার রাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছি এবং আমাদের পক্ষ থেকে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত রোডম্যাপ চাওয়া হয়েছে। একটি হলো আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের নির্ধারিত সময়সূচি ও কার্যকরী প্রস্তুতি এবং অন্যটি হলো প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।”

    তিনি বলেন, দেশের মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন এবং প্রশাসন—এই দুই ক্ষেত্রেই স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    এ বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন আমির ডা. শফিকুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তারা রাত ৮টার দিকে যমুনা ভবনে প্রবেশ করেন।

    প্রসঙ্গত, এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে একই ভবনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ।

    জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সুসংহত করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিরপেক্ষ আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান আসতে হবে। সেই লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছে দলটি।