Tag: ডেঙ্গু

  • নভেম্বরেই ডেঙ্গু মৃত্যু এবারের সর্বোচ্চ, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়ালো ৯০ হাজার

    নভেম্বরেই ডেঙ্গু মৃত্যু এবারের সর্বোচ্চ, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়ালো ৯০ হাজার

    এবিএনএ:  দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬৬ জনে। এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম।

    গত একদিনে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ৭০৫ জন। ফলে চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ৯০ হাজার ৯৬৯ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮৮ হাজার ২৫৮ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২ হাজার ৭১১ জন ডেঙ্গু রোগী।

    মৃত্যুর মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের নভেম্বরেই সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ৮৮ জনের। অক্টোবর মাসে মৃত্যু হয়েছিল ৮০ জনের, আর সেপ্টেম্বরে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৭৬ জন। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন ও ফেব্রুয়ারিতে মৃত্যু হয় ৩ জনের।

    মার্চ ছিল ডেঙ্গুমুক্ত। তবে এপ্রিল ও মে মাসে যথাক্রমে ৭ ও ৩ জনের মৃত্যু হলেও জুন থেকে পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। জুনে মৃত্যু হয় ১৯ জনের, জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪১ জনে এবং আগস্টে মৃত্যু হয় ৩৯ জনের।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়া পরিবর্তন, পানি জমে থাকা এবং পর্যাপ্ত সতর্কতা না নেওয়ায় ডেঙ্গু সংক্রমণ সীমাহীনভাবে বাড়ছে। সচেতনতা, দ্রুত চিকিৎসা এবং মশা নিয়ন্ত্রণই ডেঙ্গু মোকাবিলার মূল উপায়।

  • ডেঙ্গুতে আবারও মৃত্যু ৫ জনের, একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১১৬২ রোগী

    ডেঙ্গুতে আবারও মৃত্যু ৫ জনের, একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১১৬২ রোগী

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১১৬২ জন রোগীকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    শনিবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অ্যান্ড অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে বরিশাল বিভাগে ১৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৮ জন, ঢাকা বিভাগের বাইরে ৭৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২৬১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৭৫ জন, খুলনায় ১৫৪ জন, ময়মনসিংহে ৮৭ জন, রাজশাহীতে ৯৮ জন এবং সিলেটে ৮ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৬৮ হাজার ৪১০ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬৭৫ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেতনতা ও মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় হাজার রোগী

    ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় হাজার রোগী

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৩ জন রোগীকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩০ জনে।

    তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বাধিক ১৯৭ জন। এর মধ্যে উত্তর সিটিতে ১৪৭ ও দক্ষিণ সিটিতে ১২২ জন। এছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৪১, চট্টগ্রামে ১০৭, খুলনায় ৯৩, ময়মনসিংহে ৪৬, রাজশাহীতে ৬৯, রংপুরে ২৩ এবং সিলেট বিভাগে ৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫৪ হাজার ৫৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও জমে থাকা পানিতে মশার প্রজনন রোধ না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৭০০ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৭০০ রোগী

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা কমছে না। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন ২২০ জনে দাঁড়িয়েছে।

    একই সময়ে নতুন করে আরও ৭০০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

    তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এর মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় সর্বাধিক রোগী ভর্তি হয়েছে—ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৫৫ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১১০ জন।

    এ ছাড়া ঢাকার বাইরের বিভাগগুলোর মধ্যে বরিশালে ১০৫ জন, চট্টগ্রামে ৬১ জন, ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলায় ১৪৯ জন, খুলনায় ৪৫ জন, ময়মনসিংহে ৩৩ জন, রাজশাহীতে ৩১ জন, রংপুরে ৬ জন এবং সিলেটে ৫ জন ভর্তি হয়েছেন।

    চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৫২ হাজার ১০৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা ও মশা নিয়ন্ত্রণে অব্যবস্থাপনা ডেঙ্গুর বিস্তার আরও ত্বরান্বিত করছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    এবিএনএ:  সারা দেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন করে ৭৮২ জন রোগী।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তাদের হিসাবে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৫ জনে, আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৬৮৯ জনে।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৭৪ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন, ঢাকা বিভাগে ১৪৫ জন (এর মধ্যে উত্তর সিটিতে ১১৮ ও দক্ষিণ সিটিতে ৯০ জন), খুলনায় ৫৭ জন, ময়মনসিংহে ৩৫ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, রংপুরে ১১ জন এবং সিলেটে পাঁচজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    এ সময় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং একজনের খুলনা বিভাগে। একই সময়ে ৭৪৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৪৮ হাজার ১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস ডেঙ্গু বিস্তারের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এ সময় নাগরিকদের সতর্ক থাকা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও নিয়মিত মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

    তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। তার আগের বছর ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জন মারা যান এবং ৩ লাখ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরও ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নাগরিক সচেতনতা ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণই এ সংকট মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি।

  • অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আবহাওয়া ও পূজার ছুটির কারণে এডিস মশার বংশবিস্তার বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ বলে তারা মনে করছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছেছে এবং মৃত্যু ২১২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা গেছেন আরও ৯ জন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৪২ জন রোগী।

    সেপ্টেম্বর মাসে এককভাবে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৭৬ জন। আক্রান্তের হার অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসই ছিল বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ সময়। তবে অক্টোবরের শুরুতেই রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ছে।

    আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “এখন রোদ-বৃষ্টি মিলিয়ে যে আবহাওয়া চলছে, তাতে এডিস মশার বিস্তার রোধ করা কঠিন। বৃষ্টি থেমে গেলেও আগামী দুই মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি রয়ে যাবে।”

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, “অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিক থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়বে। পূজার ছুটিতে ফাঁকা বাসাবাড়ি ও জমে থাকা পানি থেকে মশা জন্ম নিচ্ছে। ফলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে।”

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল ধোঁয়া দিয়ে নয়—জনসচেতনতা ও স্থানীয়ভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

  • দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৪২ জন

    দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৪২ জন

    এবিএনএ: সারা দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) মশাবাহিত এই রোগে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১০৪২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২১২ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৯ হাজার ৯০৭ জন।

    রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকায় সর্বাধিক রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৯৮ জন, দক্ষিণ সিটিতে ১২১ জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে আরও ২০১ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এছাড়া বিভাগভিত্তিক হিসেবে বরিশালে ১৯৫ জন, চট্টগ্রামে ১০৪ জন, খুলনায় ৭২ জন, ময়মনসিংহে ৪১ জন, রাজশাহীতে ৮২ জন, রংপুরে ২৩ জন এবং সিলেটে ৫ জন নতুন করে ভর্তি হয়েছেন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৯৮ জন ডেঙ্গুরোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪৭ হাজার ২৫৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

    ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, মারা যান ৫৭৫ জন। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু ঘটে, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। বর্তমান বছরের পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবারও ডেঙ্গুর ভয়াবহতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

  • ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি, আরও ৪ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি, আরও ৪ জনের মৃত্যু

    এবিএনএ:  দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন করে ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে মারা গেছেন আরও চারজন। এ বছর একদিনে সর্বাধিক রোগী ভর্তির রেকর্ড এটি।

    এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর একদিনে ৭৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হওয়ার তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    মৃত্যু ও আক্রান্তের সর্বশেষ চিত্র

    গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন নারী ও দুজন পুরুষ। তারা চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কভিড-১৯ হাসপাতালে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গুতে ভর্তি রয়েছেন ২ হাজার ২৩০ জন রোগী। এর মধ্যে ঢাকার বাইরে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৪৮৪ জন এবং ঢাকার ভেতরে ৭৪৬ জন।

    বিভাগভিত্তিক পরিস্থিতি

    সর্বশেষ একদিনে নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে সর্বাধিক ১৬৬ জন। ঢাকার মহানগরে ভর্তি হয়েছেন ২০৯ জন, ঢাকার অন্য অংশে ১৬৪ জন, খুলনায় ১০১ জন, চট্টগ্রামে ৯১ জন, রাজশাহীতে ৫৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৭ জন, রংপুরে ১৭ জন এবং সিলেটে ৬ জন।

    চলতি বছরের পরিসংখ্যান

    ২০২৫ সালে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬ হাজার ৫১ জন, আর প্রাণ হারিয়েছেন ১৯২ জন। আক্রান্তের দিক থেকে বরিশাল বিভাগ শীর্ষে, আর মৃত্যুর দিক থেকে এগিয়ে ঢাকা মহানগর।

    বরিশালে আক্রান্ত ১৩ হাজার ৯৪ জন, মৃত্যুর সংখ্যা ২৮। ঢাকা মহানগরে আক্রান্ত ১২ হাজার ২৩৭ জন, তবে মৃত্যু হয়েছে সবচেয়ে বেশি—১১৯ জনের।

    মাসভিত্তিক সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান

    • জানুয়ারি: ১,১৬১ জন আক্রান্ত, ১০ জন মৃত্যু

    • ফেব্রুয়ারি: ৩৭৪ আক্রান্ত, ৩ মৃত্যু

    • মার্চ: ৩৩৬ আক্রান্ত, কোনো মৃত্যু হয়নি

    • এপ্রিল: ৭০১ আক্রান্ত, ৭ মৃত্যু

    • মে: ১,৭৭৩ আক্রান্ত, ৩ মৃত্যু

    • জুন: ৫,৯৫১ আক্রান্ত, ১৯ মৃত্যু

    • জুলাই: ১০,৬৮৪ আক্রান্ত, ৪১ মৃত্যু

    • আগস্ট: ১০,৪৯৬ আক্রান্ত, ৩৯ মৃত্যু

    • সেপ্টেম্বর (২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত): ১৪,৫৭৫ আক্রান্ত, ৭০ মৃত্যু

    আগের বছরের তুলনা

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০০০ সাল থেকে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২৩ সাল সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল। সে বছর ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে আসে ১ লাখ ১ হাজার ৯৯৭-এ, আর মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৫৭৫।

    চলতি বছরের পরিসংখ্যান দেখে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ২০২৩ সালের ভয়াবহতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে ২০২৫ সালের ডেঙ্গু সংকট।

  • ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর খবর নেই

    ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর খবর নেই

    এবিএনএ: ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২১৯ জন রোগী। তবে এদিন সৌভাগ্যক্রমে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩৯ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩ জন রয়েছেন।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪২ হাজার ৪৭৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৯৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ দশমিক পাঁচ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক পাঁচ শতাংশ নারী।

    চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত ১৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

    তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, ২০২৪ সালে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, আর মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল এক হাজার ৭০৫ জনে।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়াল ৩৯ হাজার

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়াল ৩৯ হাজার

    এবিএনএ: দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কমার কোনো লক্ষণ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই রোগে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬১ জনে। একই সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬২২ জন রোগী।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে দুইজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। অন্য তিনজন মারা গেছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন হাসপাতালে।

    একই সময়ে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ১৩১ জন। চট্টগ্রামে ৯৮ জন, ঢাকার বাইরের এলাকায় ১০৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১০০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৯৯ জন, খুলনা বিভাগে ১৪ জন, ময়মনসিংহে ১৯ জন, রাজশাহীতে ৫১ জন এবং রংপুরে ৬ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫০৮ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৩৭ হাজার ৬৮৮ জন রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।