Tag: জাতীয় দল

  • জাতীয় দলে ফিরেই আবেগঘন বার্তা রিপন মণ্ডলের—“সমালোচনাই আমাকে আরও শক্ত করে”

    জাতীয় দলে ফিরেই আবেগঘন বার্তা রিপন মণ্ডলের—“সমালোচনাই আমাকে আরও শক্ত করে”

    এবিএনএ: দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও জাতীয় দলে জায়গা পেলেন ডানহাতি পেসার রিপন মণ্ডল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচের স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

    ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথমবার জাতীয় দলের ডাক পেলেও একাদশে সুযোগ হয়নি রিপনের। এরপর দীর্ঘ সময় দলে জায়গা না পাওয়ার পর এবার নতুন করে সুযোগ পেলেন এই পেসার। দলে ফেরার খবর পেয়ে নিজের সন্তানের একটি ছবি শেয়ার করে আনন্দ প্রকাশ করেন তিনি।

    পোস্টে রিপন লেখেন, সন্তানের হাসিই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। পরিবারের মুখে এই আনন্দ সবসময় দেখতে চান তিনি। আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ক্রিকেট খেলতে পারা পর্যন্ত যেন পরিবারের মুখে এমন হাসি বজায় থাকে।

    সমর্থকদের উদ্দেশে রিপন জানান, প্রশংসা তাকে অনুপ্রাণিত করে, তবে সমালোচনাও তার জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সমালোচনা থেকে নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারেন এবং সেগুলো শুধরে নিতে আরও বেশি পরিশ্রম করেন। তার অর্জনের পেছনে সমর্থকদের অবদান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    রিপন আরও বলেন, ভালো খেললে যেমন প্রশংসা করা হয়, খারাপ খেললে তেমনি যুক্তিসঙ্গত সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি। এতে নিজের ভুল বুঝে উন্নতির সুযোগ তৈরি হয়। পরিবারের মতো সমর্থকরাও তাকে পথ দেখান—এমন বিশ্বাসের কথাও তুলে ধরেন এই পেসার।

    জাতীয় দলে ফিরে নতুন উদ্যমে নিজেকে প্রমাণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন রিপন মণ্ডল। সমর্থকদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সামনে সুযোগ পেলে দলের জন্য সেরাটা দিতে পারবেন।

  • ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে নতুন বার্তা বিসিবির, পুনরায় সূচি ও প্রস্তুতি নিয়ে যা জানা গেল

    ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে নতুন বার্তা বিসিবির, পুনরায় সূচি ও প্রস্তুতি নিয়ে যা জানা গেল

    এবিএনএ: ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে। সাম্প্রতিক কিছু ইস্যুতে দুই বোর্ডের মধ্যে তৈরি হওয়া অস্থিরতা কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। এ লক্ষ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক বার্তাও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার নাফীস। তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলো মূলত ভবিষ্যৎ সফর সূচি (এফটিপি)-এর অংশ হিসেবেই নির্ধারিত থাকে। ভারতের বিপক্ষে যে সিরিজটি গত বছর হওয়ার কথা ছিল, সেটি পুনঃনির্ধারণ করে এ বছর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য বোর্ডের মতো ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ চলছে বলে জানান তিনি।

    এদিকে আসন্ন সিরিজকে সামনে রেখে মিরপুরে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে চলছে ফিটনেস ক্যাম্প। নাফীস বলেন, ক্রিকেটাররা কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং অনুশীলনও ভালো হচ্ছে। গরম আবহাওয়া থাকলেও খেলোয়াড়রা দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছেন এবং প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছেন।

    তিনি আরও জানান, শুরুতে অনুশীলন ছিল মূলত ফিটনেস ও ফিল্ডিংকেন্দ্রিক। এখন সেখানে যোগ হয়েছে ব্যাটিং-বোলিংসহ স্কিল ট্রেনিং। সিরিজের আগে সাধারণত খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না, তবে এবার প্রস্তুতির জন্য তুলনামূলক বেশি সময় পাওয়া গেছে এবং কোচিং স্টাফ সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন।

    সব মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে সম্ভাব্য সিরিজ সামনে রেখে প্রস্তুতি জোরদার করছে বাংলাদেশ দল। বোর্ড কর্তারা আশা করছেন, সূচি চূড়ান্ত হলে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা।

  • সাকিব ফিরলে বিশ্বকাপ পর্যন্ত বড় ভরসা পাবে বাংলাদেশ:আশরাফুলের জোরালো বার্তা

    সাকিব ফিরলে বিশ্বকাপ পর্যন্ত বড় ভরসা পাবে বাংলাদেশ:আশরাফুলের জোরালো বার্তা

    এবিএনএ: দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় দলে সাকিব আল হাসান–এর সম্ভাব্য ফেরা নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালে বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামার পর আর লাল-সবুজ জার্সিতে দেখা যায়নি তাকে। দেশে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েও শেষ পর্যন্ত মাঠে ফেরা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলে তার প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা ঘিরে জল্পনা জোরালো।

    এ বিষয়ে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল বলেন, বয়সের দিক থেকে এখনো সাকিবের দেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে। এক ফরম্যাটে মনোযোগ দিলে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশকে কার্যকর সার্ভিস দিতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন। অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার থাকলে ব্যাটিং-বোলিং—দুই দিকেই দল উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন আশরাফুল।

    দলের বর্তমান ঘাটতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টেস্ট দলে সেটআপ বেশ ভালো এবং টি-টোয়েন্টি দলও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিচ্ছে। তবে ওয়ানডেতে দীর্ঘদিন নিয়মিত খেলা না হওয়ায় সেখানে কিছুটা শূন্যতা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) খেলোয়াড়রা ধারাবাহিকভাবে ভালো করলে এই জায়গাগুলো পূরণ করা সম্ভব, তবে ম্যাচ জেতানোর মতো পারফরম্যান্স জরুরি।

    ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার লক্ষ্য নিয়ে আশরাফুল জানান, তিন ফরম্যাটের মধ্যে ওয়ানডেতেই বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে, যদিও একসময় এটাই ছিল দলের সবচেয়ে শক্তিশালী ফরম্যাট। মিডল অর্ডারে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ভূমিকা কমে যাওয়ার পর যারা খেলছেন, তারা চেষ্টা করছেন—তবে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না।

    তিনি আরও বলেন, ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার জন্য র‌্যাঙ্কিংয়ের টপ এইটে থাকতে হবে। তাই সামনে প্রতিটি সিরিজ ও প্রতিটি ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দল এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে কীভাবে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করা যায়।

  • আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    আজকের ভুল সিদ্ধান্তে এক দশক পিছিয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট—বিসিবিকে কড়া বার্তা তামিম ইকবালের

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান সময়কে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, এই সময়ে নেওয়া যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব আগামী ১০ বছর পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটে ভোগাতে পারে। তাই আবেগের বশে নয়, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা মাথায় রেখেই বিসিবিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম বলেন, হঠাৎ মন্তব্য বা তড়িঘড়ি পদক্ষেপ সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বরং পারস্পরিক আলোচনা ও কার্যকর সংলাপের মাধ্যমেই সংকট থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। তাঁর বিশ্বাস, সঠিক সময়ে সঠিক ডায়ালগ বড় বড় সমস্যারও পথ খুলে দেয়।

    বিসিবির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যৎ ভাবনার ওপর জোর দিয়ে তামিম বলেন, আজ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার প্রভাব শুধু বর্তমান নয়, পরবর্তী এক দশকের ক্রিকেট কাঠামোতেও পড়বে। তাই স্বল্পমেয়াদি চাপে না পড়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

    তিনি আরও মনে করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে একটি স্বাধীন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে হবে। সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় জরুরি হলেও, বোর্ডের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা থাকা দরকার। দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে প্রয়োজনীয় হলে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়াও বোর্ডের দায়িত্ব।

    জনমতের বিষয়টি তুলে ধরে তামিম বলেন, দর্শকদের আবেগ মাঠের খেলায় স্বাভাবিকভাবেই প্রতিফলিত হয়। তবে সেই আবেগের ভিত্তিতে কোনো বড় ক্রীড়া সংস্থার নীতি নির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত নয়। জনমত সময়ের সঙ্গে বদলায়, কিন্তু পরিকল্পনা হওয়া উচিত স্থির ও লক্ষ্যভিত্তিক।

    নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তামিম জানান, বর্তমানে তিনি বোর্ডের কোনো দায়িত্বে নেই। তাই নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য করাও তাঁর উদ্দেশ্য নয়। তবে বোর্ডের অংশ হলে তিনি সর্বাগ্রে দেশের ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের স্বার্থকেই গুরুত্ব দিতেন—এমনটাই জানান এই অভিজ্ঞ ওপেনার।

  • গুলির আঘাতে প্রাণ হারালেন ইকুয়েডরের সাবেক জাতীয় দলের তারকা ডিফেন্ডার মারিও পিনেইদা

    গুলির আঘাতে প্রাণ হারালেন ইকুয়েডরের সাবেক জাতীয় দলের তারকা ডিফেন্ডার মারিও পিনেইদা

    এবিএনএ: দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ইকুয়েডরের জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ডিফেন্ডার মারিও পিনেইদা দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হয়েছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৩৩ বছর।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বুধবার ইকুয়েডরের বন্দরনগরী গুয়ায়াকিলের উত্তরাঞ্চলের একটি দোকানের সামনে পিনেইদাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় মোটরসাইকেলে আসা দুই হামলাকারী। হামলার সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার মা এবং আরও এক নারী। ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান এই ফুটবলার।

    ইকুয়েডরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিশেষ তদন্ত ইউনিট গঠন করে পুলিশি অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে গুয়ায়াকিল শহরটি গ্যাং সংঘর্ষ ও মাদক চক্রের সহিংসতার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শহরটিতে প্রায় ১ হাজার ৯০০ মানুষ খুন হয়েছেন, যা দেশটির ইতিহাসে ভয়াবহ রেকর্ড।

    এই সহিংসতার প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। গত সেপ্টেম্বরেই ইকুয়েডরের দ্বিতীয় বিভাগের তিন ফুটবলার খুন হন। এরপর অক্টোবরে এক স্থানীয় ফুটবলার গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

    মারিও পিনেইদা ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ইকুয়েডর জাতীয় দলের হয়ে মোট নয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ক্লাব ফুটবলে তার যাত্রা শুরু হয় ইন্ডিপেন্ডিয়েন্তে ডেল ভালের হয়ে। পরে ২০১৬ সালে তিনি যোগ দেন গুয়ায়াকিলের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব বার্সেলোনা এসসিতে।

    এছাড়া ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে ব্রাজিলের ফ্লুমিনেন্সে এবং ইকুয়েডরের এল নাসিওনাল ক্লাবে ধারে খেলেছেন এই প্রতিভাবান ডিফেন্ডার।

  • বাংলাদেশ দলের নতুন ব্যাটিং পরামর্শক মোহাম্মদ আশরাফুল, আসন্ন আয়ারল্যান্ড সিরিজে দায়িত্বে সাবেক অধিনায়ক

    বাংলাদেশ দলের নতুন ব্যাটিং পরামর্শক মোহাম্মদ আশরাফুল, আসন্ন আয়ারল্যান্ড সিরিজে দায়িত্বে সাবেক অধিনায়ক

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিশ্চিত করেছে, আসন্ন আয়ারল্যান্ড সিরিজে জাতীয় দলের ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন দেশের সাবেক অধিনায়ক ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল। ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের টেস্ট ও তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে শান্ত-লিটনদের ব্যাটিং বিভাগের দেখভাল করবেন তিনি।

    বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ চলাকালে আশরাফুলকে কোচিং প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করার আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেই আলোচনার ধারাবাহিকতায় এবার তাকে জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

    অভিজ্ঞ এই ব্যাটার এর আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দল রংপুর রাইডার্সের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মূলত দলটির ব্যাটিং কোচ হিসেবেই কাজ করেন তিনি। এছাড়া এনসিএল টি-২০ টুর্নামেন্টে বরিশাল দলের প্রধান কোচের দায়িত্বও পালন করেছেন আশরাফুল।

    বোর্ডের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করে আশরাফুল বলেন, “বিসিবির পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে কথা হয়েছে। কাজ করার ব্যাপারে আমি ইতিবাচক। তবে চূড়ান্ত দায়িত্ব কী হবে, সেটি বোর্ড জানাবে।”

    বর্তমানে জাতীয় দলে কোনো স্থায়ী ব্যাটিং কোচ নেই। সহকারী সিনিয়র কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনই অনিয়মিতভাবে ব্যাটিং কোচের ভূমিকা পালন করে আসছেন। তবে সাম্প্রতিক ওয়ানডে সিরিজে দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্সে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় বিসিবি নতুন ব্যাটিং কোচ নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, “তিন ফরম্যাটে ব্যাটিংয়ের ধরন আলাদা। তাই বিশেষায়িত ব্যাটিং কোচের প্রয়োজন রয়েছে।”

    বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট সিরিজ শুরু হবে আগামী ১১ নভেম্বর সিলেটে। দ্বিতীয় টেস্টটি হবে ১৯ নভেম্বর মিরপুরে। এরপর ২৭ নভেম্বর চট্টগ্রামে শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ। এই সিরিজেই প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

  • এশিয়া কাপের আগে ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডস সিরিজ, ঘোষণা দিল বিসিবি

    এশিয়া কাপের আগে ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডস সিরিজ, ঘোষণা দিল বিসিবি

    এবিএনএ:   এশিয়া কাপ শুরুর আগেই বড় প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আসন্ন এশিয়া কাপ ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হলেও তার আগে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সোমবার (৪ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হবে এই সিরিজ। সফরকারী নেদারল্যান্ডস দল ২৬ আগস্ট ঢাকায় পা রাখবে এবং প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়াবে ৩০ আগস্ট। বাকি দুটি ম্যাচ হবে ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর।

    বিসিবি জানায়, উভয় বোর্ড ই-মেইলের মাধ্যমে আলোচনা করে সিরিজের সূচি চূড়ান্ত করেছে।

    এশিয়া কাপের প্রস্তুতি শুরু ৬ আগস্ট

    এই সিরিজকে সামনে রেখে এবং এশিয়া কাপকে গুরুত্ব দিয়ে ৬ আগস্ট থেকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক ফিটনেস ক্যাম্প। মোট ২৫ জন ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছেন ক্যাম্পে, যা চলবে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত।

    ২০ আগস্ট দল যাবে সিলেটে, সেখান থেকেই নেদারল্যান্ডস সিরিজে অংশ নেবে ডাক পাওয়া ক্রিকেটাররা।

    এশিয়া কাপের প্রাথমিক স্কোয়াড

    প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছে নিয়মিত পারফর্মার থেকে উদীয়মান তারকাদেরও।
    স্কোয়াডে রয়েছেন:
    লিটন দাস, তানজিদ তামিম, নাঈম শেখ (এ), সৌম্য সরকার, পারভেজ ইমন, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ, শামীম হোসেন, নাজমুল হোসেন শান্ত, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম, নাসুম আহমেদ, হাসান মাহমুদ (এ), তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাহিদ রানা, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, খালেদ আহমেদ, নুরুল হাসান সোহান (এ), মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (এ), সাইফ হাসান (এ)।

    এই সিরিজের মাধ্যমে জাতীয় দলের মূল স্কোয়াড নির্বাচন আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন নির্বাচকরা।

  • আবার আলোচনায় সাকিব: জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে কী বললো বিসিবি?

    আবার আলোচনায় সাকিব: জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে কী বললো বিসিবি?

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম কিংবদন্তি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আবারও শিরোনামে। গ্লোবাল সুপার লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে আলোচনায় ফিরেছেন তিনি। জাতীয় দলে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। আর সে আলোচনায় এবার মুখ খুললো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

    গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় দেশ ছাড়েন সাকিব। যদিও পরে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে খেলতে দেশে ফিরেছিলেন। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে আবারও দেশের বাইরে চলে যান নিরাপত্তা ইস্যুতে। তার ওপর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সাময়িক নিষেধাজ্ঞাও ছিল। তবে সবকিছু পেরিয়ে তিনি ফিরে আসেন পাকিস্তান সুপার লিগ দিয়ে। বর্তমানে তিনি গ্লোবাল সুপার লিগে দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে খেলছেন।

    টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই সাকিব ঝলক দেখিয়েছেন। ৩৭ বলে ৫৮ রান এবং ৪ উইকেট—এই অলরাউন্ড নৈপুণ্য আবারও তাকে জাতীয় দলের আলোচনায় এনে দিয়েছে। যদিও পরের ম্যাচে হোবার্ট হারিকেনসের বিপক্ষে ব্যর্থ ছিলেন সাকিব, করলেন মাত্র ৭ রান ও ৪ ওভারে ৩৪ রান দিলেও উইকেট শূন্য থাকেন।

    এমন প্রেক্ষাপটে মিরপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি পরিচালক ইফতেখার আহমেদ মিঠু বলেন, “সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারদের একজন। জাতীয় দলের দরজা তার জন্য সবসময় খোলা রয়েছে। এখন সিদ্ধান্ত নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের হাতে।”

    তিনি আরও জানান, বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ক্রিকেট বিষয়ক সকল দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিটকে। তাই জাতীয় দলে কাকে রাখা হবে বা কাকে রাখা হবে না, সেটা এখন নির্ধারণ করবেন ক্রিকেট অপারেশনস ইউনিট ও নির্বাচকরা।

    সব মিলিয়ে সাকিবের ফর্ম এবং অভিজ্ঞতা বিবেচনায় জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচকরা কী সিদ্ধান্ত নেন দেশের এই অন্যতম সেরা ক্রিকেটারকে নিয়ে।