Tag: ঘরোয়া টিপস

  • টয়লেটের বাজে গন্ধে বিব্রত? মাত্র ৫ উপায়ে দ্রুত মিলবে স্থায়ী সমাধান

    টয়লেটের বাজে গন্ধে বিব্রত? মাত্র ৫ উপায়ে দ্রুত মিলবে স্থায়ী সমাধান

    এবিএনএ: বাথরুম পরিষ্কার থাকা সত্ত্বেও যদি দুর্গন্ধ থেকে যায়, তা খুবই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে—বিশেষ করে যখন বাসায় অতিথি আসে। এই সমস্যা সাধারণত হয় অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচল, জীবাণুর বিস্তার কিংবা পাইপে জমে থাকা ময়লার কারণে। তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে খুব দ্রুত এই দুর্গন্ধ দূর করা সম্ভব।

    নিচে দেওয়া হলো টয়লেটের বাজে গন্ধ দূর করার ৫টি কার্যকর উপায়—


    ১. রিমের নিচের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন

    টয়লেট পরিষ্কারের সময় অনেকেই রিমের নিচের অংশটি এড়িয়ে যান। অথচ এই জায়গাতেই সবচেয়ে বেশি জীবাণু জমে থাকে। নিয়মিত শক্তিশালী ক্লিনার ব্যবহার করে এই অংশ পরিষ্কার করলে দুর্গন্ধ অনেকটাই কমে যায়। কিছুক্ষণ ক্লিনার লাগিয়ে রেখে ব্রাশ দিয়ে ঘষে ধুয়ে ফেলুন।


    ২. বেকিং সোডা ও ভিনেগারের ব্যবহার

    এই দুটি উপাদান একসঙ্গে ব্যবহার করলে তা প্রাকৃতিক ক্লিনার হিসেবে দারুণ কাজ করে। প্রথমে টয়লেটে ভিনেগার ঢালুন, এরপর বেকিং সোডা দিন। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে ফ্লাশ করলে দুর্গন্ধ দূর হয়ে যাবে। এটি সাশ্রয়ী এবং রাসায়নিকমুক্ত একটি পদ্ধতি।


    ৩. লুকানো পাইপ ও ট্যাংক পরিষ্কার রাখুন

    অনেক সময় গন্ধের উৎস থাকে পাইপের ভেতর বা এস-বেন্ডে জমে থাকা ময়লা। আবার টয়লেটের ট্যাংকেও জমে থাকতে পারে স্থির পানি ও আবর্জনা। তাই মাঝে মাঝে এসব জায়গা পরিষ্কার করা জরুরি। প্রয়োজনে ভিনেগার বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার করতে পারেন।


    ৪. বায়ুচলাচল নিশ্চিত করুন

    বাথরুমে যদি পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না করে, তাহলে আর্দ্রতা ও দুর্গন্ধ আটকে থাকে। এজন্য এক্সহস্ট ফ্যান ব্যবহার করা বা জানালা খোলা রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এতে বাথরুম শুকনো ও গন্ধমুক্ত থাকে।


    ৫. প্রাকৃতিক উপায়ে দুর্গন্ধ শোষণ করুন

    কৃত্রিম এয়ার ফ্রেশনারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপায় ব্যবহার করতে পারেন। একটি পাত্রে বেকিং সোডা, কফির গুঁড়া বা লেবুর টুকরা রেখে দিলে তা দুর্গন্ধ শোষণ করে এবং দীর্ঘ সময় সতেজতা বজায় রাখে। চাইলে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলও যোগ করতে পারেন।


    শেষ কথা

    নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে টয়লেটের দুর্গন্ধ সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ছোট ছোট অভ্যাসই আপনার বাথরুমকে রাখবে সবসময় ফ্রেশ ও স্বাস্থ্যসম্মত।

  • ঘরের গাছ বারবার শুকিয়ে যাচ্ছে? ৫টি সহজ নিয়ম মানলেই সবুজ থাকবে ইনডোর প্ল্যান্ট!

    ঘরের গাছ বারবার শুকিয়ে যাচ্ছে? ৫টি সহজ নিয়ম মানলেই সবুজ থাকবে ইনডোর প্ল্যান্ট!

    এবিএনএ:  ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে ইনডোর প্ল্যান্ট অনেকেই বেছে নেন। তবে দেখা যায়, কয়েকদিনের মধ্যেই গাছগুলো শুকিয়ে বা পচে মরে যাচ্ছে। এর পেছনে মূল কারণ হচ্ছে সঠিক পরিচর্যার অভাব। ইনডোর গাছ সুস্থ রাখতে চাই কিছু সহজ নিয়ম মেনে চলা।

    ১. পানি দিন নিয়ম মেনে, কিন্তু জমতে দেবেন না:
    ইনডোর গাছে অতিরিক্ত পানি দেওয়া মানেই ডেকে আনা গাছের মৃত্যু। প্রতিদিন একটু একটু করে পানি দিন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—টবের নিচে যেন পানি জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করুন।

    ২. আলো হতে হবে ‘হালকা’ ও ‘পর্যাপ্ত’:
    অনেকেই গাছকে একেবারে অন্ধকার কোণে রেখে দেন। আবার কেউ জানালার গা ঘেঁষে কড়া রোদে রাখেন। দুটি ক্ষেত্রেই গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাছ এমন স্থানে রাখুন, যেখানে পরোক্ষ আলো সব সময় পৌঁছায়।

    ৩. এসির নিচে গাছ নয়:
    বাতানুকুল কক্ষে গাছ রাখা গেলেও সরাসরি এসির নিচে নয়। ঠান্ডা হাওয়া গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধ করে। তাই এসি থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন।

    ৪. পাতায় ধুলা জমলে, গাছ নিঃশ্বাস নিতে পারে না:
    গাছের পাতা নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার। ভেজা নরম কাপড়ে হালকাভাবে পাতা মুছুন। এতে গাছ সুন্দর দেখাবে, সঙ্গে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।

    ৫. পোকামাকড় দূর রাখতে প্রাকৃতিক উপায়:
    টবে পোকামাকড় দেখা দিলে ব্যবহার করুন কাঁচা দুধে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে তৈরি একটি প্রাকৃতিক মিশ্রণ। এটি গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করলে পোকামাকড় দূর হয়।

    ইনডোর গাছের যত্নে এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে ঘরের সৌন্দর্য যেমন বাড়বে, তেমনই গাছও থাকবে সবুজ ও সতেজ। আর বাড়ির পরিবেশ হয়ে উঠবে আরও স্বাস্থ্যকর ও প্রশান্তিময়।