Tag: গুলিস্তান

  • হঠাৎ আগুনে আতঙ্ক গুলিস্তানে, শপিং কমপ্লেক্সে নিয়োজিত ৯ ইউনিট ফায়ার সার্ভিস

    হঠাৎ আগুনে আতঙ্ক গুলিস্তানে, শপিং কমপ্লেক্সে নিয়োজিত ৯ ইউনিট ফায়ার সার্ভিস

    এবিএনএ: রাজধানীর ব্যস্ত এলাকা গুলিস্তানে একটি শপিং কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট।

    শুক্রবার বিকেল ৫টা ২৮ মিনিটের দিকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টসংলগ্ন খদ্দর বাজার শপিং কমপ্লেক্সের আটতলা ভবনের ছাদের ওপর অবস্থিত একটি গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশন থেকে পাঠানো মোট ৯টি ইউনিট আগুন নেভাতে একযোগে কাজ করছে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    এদিকে অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না বা ভবনের ভেতরে কেউ আটকে পড়েছেন কি না—এ বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফায়ার সার্ভিস পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী তথ্য জানাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

  • আওয়ামী লীগের পুরোনো কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নতুন রূপ, উঠল ‘ফ্যাসিজম ইনস্টিটিউট’ ব্যানার

    আওয়ামী লীগের পুরোনো কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নতুন রূপ, উঠল ‘ফ্যাসিজম ইনস্টিটিউট’ ব্যানার

    এবিএনএ: রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত আওয়ামী লীগের পূর্বতন কেন্দ্রীয় কার্যালয়টি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার পর এখন নতুন ব্যানার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে ফিরছে আলোচনায়। প্রায় এক বছর ধরে পরিত্যক্ত পড়ে থাকা ১০ তলা ভবনটির দেয়ালে এবার স্থান পেয়েছে ‘আন্তর্জাতিক ফ্যাসিজম ও গণহত্যা গবেষণা ইনস্টিটিউট’ নামের ব্যানার।

    গত বুধবার থেকে ভবনটি পরিষ্কার করার কাজ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ভবনটিতে অন্তত ১০-১২ জন শ্রমিককে বিভিন্ন তলায় পরিষ্কার করতে দেখা গেছে। তাদের ভাষ্য, পুরো ভবন পরিষ্কার করে হস্তান্তর করা হবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের হাতে।

    ভবনের সামনে বেশ কয়েকজনকে বসে থাকতে দেখা যায় এবং আগ্রহী পথচারীরা ভবনটির ছবি তুলছেন। তৃতীয় তলায় জমে থাকা ইটের খোয়া, দোতলার আবর্জনা ও অন্যান্য ময়লা পরিষ্কার করা হচ্ছে পর্যায়ক্রমে।

    পরিচ্ছন্নতার কাজে যুক্ত কয়েকজন জানান, ভবনটি গণআন্দোলনে অংশ নেওয়া আহত ও শহীদ পরিবারের দাপ্তরিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হবে। তবে ‘ফ্যাসিজম ইনস্টিটিউট’ বিষয়ে তারা কিছু জানাতে রাজি হননি, বলেন— কীভাবে ভবনটি ব্যবহার হবে, তা ছাত্র-জনতা ঠিক করবেন।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গুলিস্তানে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের দিন আওয়ামী লীগের এই কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালানো হয়। এরপর থেকে ভবনটি কার্যত বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিল। ভাসমান মানুষ ও রিকশাচালকদের শৌচাগার ও আড্ডাস্থল হয়ে উঠেছিল জায়গাটি।

    এরই মাঝে কিছু মাস আগে ‘জুলাই যোদ্ধাদের প্রধান কার্যালয়’ ব্যানার টাঙানো হলেও কার্যত কোনো পরিবর্তন আসেনি। এবার নতুন ব্যানার ও পরিচ্ছন্নতা শুরু হওয়ায় ভবনটির ভবিষ্যৎ নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

    জানা যায়, প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই আধুনিক কার্যালয়টি ২০১৮ সালের ২৩ জুন উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভবনটিতে ছিল সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা।

    পরিত্যক্ত ভবনের পরিবর্তন নিয়ে সাধারণ মানুষ যেমন কৌতূহলী, তেমনি রাজনৈতিক মহলেও এটি নতুন আলোচনা তৈরি করেছে— ভবিষ্যতে এই কার্যালয়ের ভূমিকা কী হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

  • ভোটারদের নিয়ে নিজেই শপথ নেব: মেয়র পদে হুঁশিয়ারি ইশরাক হোসেনের

    ভোটারদের নিয়ে নিজেই শপথ নেব: মেয়র পদে হুঁশিয়ারি ইশরাক হোসেনের

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রপদে শপথ গ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নতুন মোড় নিয়েছে। বিএনপি নেতা ও ডিএসসিসির নির্বাচিত মেয়র হিসেবে ঘোষিত ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, সরকার যদি দ্রুত শপথ গ্রহণের সুযোগ না করে, তবে তিনি নিজেই ঢাকার ভোটারদের নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করে চেয়ারে বসবেন এবং শপথ নেবেন।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন ইশরাক।

    তিনি বলেন, “নগর ভবন কিভাবে চলবে সেটা ঠিক করবে ঢাকাবাসী, কোনো অনির্বাচিত উপদেষ্টা বা নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক নয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবেই আমি দায়িত্ব পালন করবো।”

    ইশরাক আরও অভিযোগ করেন, “মেয়র পদে শপথে বিলম্ব করে সরকার জনগণের রায় অস্বীকার করছে। এটা নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি অবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।”

    এ নিয়ে নগর ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি সমর্থকরা। ফলে ডিএসসিসির হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তোলে বিএনপি। ইশরাক হোসেন সে সময় বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে চলতি বছরের ২৭ মার্চ নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করে এবং ২৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে।

    তবে ওই গেজেট ও রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়, যা আদালত খারিজ করে দেয় ২২ মে। পরে ‘লিভ টু আপিল’ দাখিল করা হলে ২৯ মে আদালত তা নিষ্পত্তি করে বলে নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে স্বাধীন।

    এই অবস্থায় বিএনপি ও ইশরাক হোসেনের দাবি—গেজেট প্রকাশের পর আর বিলম্বের সুযোগ নেই, অবিলম্বে শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।