Tag: গণভোট

  • বড়দিনের বার্তায় সম্প্রীতির ডাক: ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময়

    বড়দিনের বার্তায় সম্প্রীতির ডাক: ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময়

    এবিএনএ: বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য বিনিময় করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়।

    অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশের ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলিপ পি অধিকারী, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ড. বেনেডিক্ট আলো ডি রোজারিও এবং জাতীয় চার্চ পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি খ্রিস্টোফার অধিকারীসহ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতারা তাঁদের বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সুনাম ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামগ্রিক স্থিতিশীলতায় তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাঁরা।

    আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ বড়দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, যিশু খ্রিস্টের ক্ষমা, মানবপ্রেম ও সেবার আদর্শ অনুসরণ করেই বিশ্বজুড়ে এ উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের পুনর্গঠনে জনগণের আস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্ব পালন করছেন এবং একটি সুন্দর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সে প্রচেষ্টা সফল হবে বলে তিনি প্রার্থনা করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে বড়দিন ও আসন্ন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমাজের আয়না; তাঁদের অবস্থান দেখেই সমাজের সার্বিক পরিস্থিতি অনুধাবন করা যায়।

    তিনি আরও বলেন, একটি সুস্থ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট আয়োজনের কথাও উল্লেখ করে তিনি জানান, জনগণের রায়ের ভিত্তিতেই পরবর্তী সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

    অনুষ্ঠানে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নেতারা বড়দিন উপলক্ষে আড়াই কোটি টাকা অনুদান দেওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তাঁরা জানান, দেশজুড়ে প্রায় ৮০০টি চার্চে ধাপে ধাপে এ অনুদান বিতরণ করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠান শেষে বড়দিন উদযাপনের অংশ হিসেবে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

  • নির্বাচন ঘিরে কঠোর অবস্থানে ইসি: দেশজুড়ে যৌথ বাহিনীর টানা অভিযান শুরু

    নির্বাচন ঘিরে কঠোর অবস্থানে ইসি: দেশজুড়ে যৌথ বাহিনীর টানা অভিযান শুরু

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যৌথ বাহিনীর অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযান নির্বাচনকালীন সময়জুড়ে অব্যাহত থাকবে।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এক ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এসব তথ্য নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

    এর আগে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে শুরু হওয়া এ বৈঠকে বিভিন্ন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান বা তাদের প্রতিনিধিরা, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), এনএসআই, ডিজিএফআই, র‍্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশন সচিবও অংশ নেন। এর আগে একই দিনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানদের পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা তফসিল ঘোষণার পর তিন বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে ইসির প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে এবং কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।

  • আইনশৃঙ্খলার বড় সংকট নেই, বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই পারে: নির্বাচন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সিইসি

    আইনশৃঙ্খলার বড় সংকট নেই, বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই পারে: নির্বাচন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সিইসি

    এবিএনএ: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, দেশে বড় ধরনের কোনো অবনতি ঘটেনি। সাম্প্রতিক কিছু সহিংস ঘটনাকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছেন।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে তরুণ ভোটারদের নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, এ ধরনের ঘটনা অতীতেও ঘটেছে এবং এগুলো নতুন কিছু নয়।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মাঝেমধ্যে বিচ্ছিন্ন খুনখারাবি বা হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এগুলো দিয়ে সামগ্রিক পরিস্থিতিকে খারাপ বলা যাবে না।” তিনি অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার উদাহরণ টেনে বলেন, বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা আগেও ছিল।

    নির্বাচন ঘিরে শঙ্কা প্রসঙ্গে সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচন কমিশনের কোনো দ্বিধা নেই। কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং সবার সহযোগিতায় নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন আয়োজন করা হবে। তিনি গণমাধ্যম ও জনমনে থাকা উদ্বেগ দূরে সরিয়ে রাখার আহ্বান জানান।

    সিইসি আরও জানান, সম্প্রতি শীর্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাহিনীগুলো নির্বাচনের আগ পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রস্তুত রয়েছে বলে কমিশনকে আশ্বস্ত করেছে।

    তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় হতে যাচ্ছে। কারণ প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশি, কারাবন্দি, দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নিজ এলাকায় না থাকা সরকারি কর্মচারীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

    একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় এটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন সিইসি। তরুণদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

  • নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি

    নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি

    এবিএনএ: বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। আসন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নির্বাচনকেন্দ্রিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দূতাবাসের পক্ষ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় জানানো হয়, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, রাজনৈতিক কর্মসূচি, সমাবেশ ও বিক্ষোভ তত বাড়তে পারে।

    দূতাবাসের সতর্কবার্তায় বলা হয়, শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হওয়া কর্মসূচিতেও হঠাৎ সংঘর্ষ বা সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের যেকোনো ধরনের বিক্ষোভ ও বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এ ছাড়া নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন নাগরিকদের আশপাশের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা, নিয়মিত স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসরণ করা, ভিড়পূর্ণ এলাকা পরিহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় চলাচল সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট: ১২ ফেব্রুয়ারিতে বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা

    একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট: ১২ ফেব্রুয়ারিতে বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা

    এবিএনএ: দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন এবং ২০২৫ সালের জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার বিষয়ে গণভোট।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে এ তফসিল প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ৩০০ আসনে ভোটগ্রহণের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

    মনোনয়ন, যাচাই-বাছাই ও প্রচারণার সময়সূচি

    সিইসি জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর
    মনোনয়ন যাচাই-বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।
    রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত, আর এসব আপিল নিষ্পত্তি করবে কমিশন ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি
    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি, এবং ২১ জানুয়ারি প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ।

    এ ছাড়া ২২ জানুয়ারি শুরু হয়ে প্রচারণা চলবে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত—অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত

    ভোটগ্রহণ ও ব্যালট বিবরণ

    ভোট নেওয়া হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত—এ বছর ভোটের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।
    জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদাকালো, আর গণভোটের ব্যালট নির্ধারিত হয়েছে গোলাপি রঙের। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম একটি দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তীতে ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সরকারের বর্ষপূর্তির আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা দেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই হবে জাতীয় নির্বাচন।

    পরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের সিদ্ধান্ত হয়। ১৩ নভেম্বর নিশ্চিত করা হয়—জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠিত হবে গণভোট।

  • জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট প্রস্তুতি: প্রধান উপদেষ্টাকে বিস্তারিত অবহিত করলেন সিইসি

    জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট প্রস্তুতি: প্রধান উপদেষ্টাকে বিস্তারিত অবহিত করলেন সিইসি

    এবিএনএ: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে অবহিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের অগ্রগতি, পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

    সিইসির নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদও। অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

    বৈঠকে সিইসি জানান, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের মতো সক্ষমতা অর্জন করেছে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে প্রশাসন—সব পক্ষের সহযোগিতায় নির্বাচনী পরিবেশ ইতোমধ্যেই অনুকূল হয়ে উঠেছে।

    ইসির প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সরকার কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “জাতির প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে ইসিই চালকের আসনে আছে। আমাদের লক্ষ্য একটি নিখুঁত নির্বাচন উপহার দেওয়া, যা দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক নজির তৈরি করবে।”

    এ ছাড়া সিইসি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতার জন্য প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, জনগণ ইতোমধ্যেই নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে শুরু করেছেন, যা নির্বাচনী পরিবেশে উৎসবমুখর আমেজ তৈরি করেছে।

  • ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের সম্ভাবনা, ইসির ইঙ্গিত চূড়ান্তের পথে

    ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের সম্ভাবনা, ইসির ইঙ্গিত চূড়ান্তের পথে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আগামী ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ভোটগ্রহণের একটি সম্ভাব্য সময়সীমাও তুলে ধরেন।

    ইসির এই ইঙ্গিত অনুযায়ী ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যেকোনো দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তিনি জানান, প্রয়োজন হলে এ সময়ের দু-এক দিন আগে বা পরে তারিখ নির্ধারণের সুযোগও রয়েছে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়টিই নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    আগামী ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের সভায় তফসিলসহ সব গুরুত্বপূর্ণ তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১ ডিসেম্বরের দিকেই তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে ইসির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে।

    একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের কারণে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কিছু কাঠামোগত পরিবর্তনের কথাও ভাবছে নির্বাচন কমিশন। আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভোটারদের সুবিধা বিবেচনায় গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ভোটগ্রহণের সময়ও এক ঘণ্টা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

    বর্তমান সূচি অনুযায়ী সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়। তবে নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী ভোট শুরুর সময় সাড়ে ৭টায় এগিয়ে আনা এবং শেষ হওয়ার সময় সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, একই দিনে দুটি বড় প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে গেলে ভোটারদের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের পরিবর্তন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

  • গণভোটে নতুন আইন আসলে শুরু হবে প্রস্তুতি: কী বললেন সিইসি

    গণভোটে নতুন আইন আসলে শুরু হবে প্রস্তুতি: কী বললেন সিইসি

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় গণভোট আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনা এলেও, এখনই কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি জানান, গণভোটের জন্য প্রয়োজনীয় আইন বা অধ্যাদেশ জারি হলে তবেই নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কাজ শুরু করতে পারবে।

    বুধবার নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিক সংলাপের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় পর্বের সমাপনী বক্তব্যে সিইসি এ কথা বলেন। তিনি জানান, গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে বারবার প্রশ্ন এলেও, আইন ছাড়া এখন এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা কিংবা সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।

    সংলাপে সিইসির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অন্য চার নির্বাচন কমিশনারসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ও বাসদ মার্কসবাদীসহ ছয়টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় এদিনের সংলাপ। চার দিনে মোট ৪৮টি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করে নির্বাচন কমিশন।

    সমাপনী বক্তব্যে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘গণভোটের বিষয়ে ঘোষণা এলেও, আইন না হলে ইসির আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শুরু হয় না। আইনের মাধ্যমে বলা হবে—কী বিষয়ে ভোট হবে, কতগুলো ব্যালট বাক্স লাগবে, কীভাবে ভোট গ্রহণ হবে, এগুলো সবই নির্ধারণ করবে সেই আইন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা কম নয়। তবে আমাদের চলতে হবে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থসামাজিক বাস্তবতার আলোকে। তাই ধীরে সুস্থে, কম কথায় বেশি কাজ করার নীতি নিয়েই আমরা এগোচ্ছি।’

    সিইসি আরও ইঙ্গিত দেন যে, ইসি প্রস্তুত রয়েছে দক্ষতার সঙ্গে যে কোনো নতুন দায়িত্ব পালনের জন্য, তবে আইনি কাঠামো ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

    তিনি বলেন, ‘বাস্তবতার আলোকে আমরা স্লো অ্যান্ড স্টেডি অগ্রযাত্রায় আছি। এখন পর্যন্ত সফলভাবেই এগোতে পেরেছি, ইনশাআল্লাহ সামনে আরও এগোবো।’

  • ‘ভুল পথে চালানো হচ্ছে সরকার’— তিন উপদেষ্টার অপসারণ দাবি আট দলের

    ‘ভুল পথে চালানো হচ্ছে সরকার’— তিন উপদেষ্টার অপসারণ দাবি আট দলের

    এবিএনএ:  জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি রাজনৈতিক দল অভিযোগ করেছে, সরকারের তিনজন উপদেষ্টা সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে ভুল পথে পরিচালিত করছেন। তাদের দাবি, এ উপদেষ্টারা বিএনপির পক্ষে ঝুঁকে কাজ করছেন এবং সরকারের অবস্থান ‘মিসগাইড’ করছেন।

    শুক্রবার রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘‘সরকারকে বিভ্রান্ত করছে এমন কমপক্ষে তিনজন উপদেষ্টা আছেন। আমরা তাদের অপসারণ চাই। প্রধান উপদেষ্টাকে নামগুলো জানাবো। এরপরও ব্যবস্থা না নিলে নাম প্রকাশ্যে আনা হবে বিবেচনা করছি।’’

    আগের দিন জারি হওয়া জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে দলগুলোর অবস্থান ব্যাখ্যা করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় আট দল তিনটি দাবি তোলে—
    ১) নির্বাচনের আগে গণভোটের আয়োজন,
    ২) প্রশাসনে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ,
    ৩) সরকারকে বিভ্রান্তকারী তিন উপদেষ্টার অপসারণ।

    ডা. তাহের অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচনকে ঘিরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। কিন্তু বিএনপি হঠাৎ করে সংস্কারের বিষয়ে মতবিরোধ দেখিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। তার মতে, সরকার বিএনপির সঙ্গে সমন্বয় করে জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করেছে, যা জনগণের স্বার্থকে উপেক্ষা করে একটি বিশেষ দলের সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

    তিনি বলেন, আদেশে সনদের সাংবিধানিক ভিত্তি দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানালেও পুরো সনদ একইভাবে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। গণভোটে মাত্র চারটি বিষয় রাখা নিয়েও তিনি আপত্তি জানান।

    ডা. তাহের দাবি করেন, বিএনপির আপত্তিকে প্রশ্রয় দিতেই সনদকে চার ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে গণভোট না চাওয়ার কারণ হলো— তার ফল বিএনপির বিরুদ্ধে যেতে পারে। আট দলের ভাষ্য, তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে; অথচ সংস্কারবিরোধী একটি দলের কারণে গণভোটকে দুর্বল করা হচ্ছে।

    তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘রোজার আগে নির্বাচনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। কিন্তু সরকারের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে নির্বাচনের মাঠ সমতল রাখা হবে না। কিছু উপদেষ্টা প্রশাসনকে দলীয়ীকরণের চেষ্টা করছেন। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে এবং দেশীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঢেকে যেতে পারে।’’

    সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাগপা ও বিডিপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • গণভোট ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর: সিইসি

    গণভোট ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর: সিইসি

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একযোগে আয়োজনের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব কমিশনে আসেনি। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেই বিষয়টি কমিশনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য আমি সরাসরি শুনিনি। বিষয়টি যদি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, তখন কমিশন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কাজ করছি। এজন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অপরিহার্য। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই।”

    সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সভাটি সঞ্চালনা করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ বলেন, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই দায়িত্বশীল হলে শতভাগ সুষ্ঠু ভোট সম্ভব।”

    অন্যদিকে কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো বড় প্রতিবন্ধকতা দেখছি না। রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা করলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।”

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সতর্ক করে বলেন, “কোনো রাজনৈতিক দলের কারণে ভোট স্থগিত বা বাতিল হলে তার দায়ভার সেই দলকেই নিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন।”

    বৃহস্পতিবারের সংলাপে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জেএসডি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বিএনএফ ও বিএনএম–এর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।