Tag: গণভোট

  • রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: একযোগে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু

    রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: একযোগে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু

    এবিএনএ: রাত পোহালেই বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি একযোগে ২৯৯টি আসনে সকাল ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে সাধারণ সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে ভোটাররা সংবিধান সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দেবেন। শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত রয়েছে।

    ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে এটি প্রথম সাধারণ নির্বাচন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে গঠিত শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা নির্ধারণ ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মনোনয়নপত্র দাখিল শেষ হয় ৫ জানুয়ারি, বাছাই শেষ হয় ৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় ছিল, পরে জোটের প্রার্থীদের জন্য কিছু ব্যতিক্রম অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে ৫০টি রাজনৈতিক দল এবং ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী, যার মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫ জন দলীয় ও ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। আসনভিত্তিক হিসেবে ঢাকা-১২ আসনে সর্বোচ্চ ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, পিরোজপুর-১ আসনে সর্বনিম্ন ২ জন। প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিএনপি ২৯১ জন প্রার্থী দিয়েছে, ১১ দলীয় জোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যথাক্রমে ২৫৮ জন প্রার্থী নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

    এই প্রথম বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করছে না। ছাত্র-জনতার বিপ্লব পরবর্তী মানবতাবিরোধী ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের কারণে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত।

    নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিটিভি ও বেতারে সব দলের শীর্ষ নেতাদের নির্বাচনী ভাষণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি, মিছিল ও জনসভা বন্ধ। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটের জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

    প্রবাসী ভোটাররা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রথমবার ভোট দিতে পারছেন। ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত। আধুনিক প্রযুক্তি যেমন ই-কেওয়াইসি ও ফেসিয়াল ভেরিফিকেশন ব্যবহার করে জাল ভোট রোধ করা হয়েছে।

    সরাসরি ভোটে অংশগ্রহণের জন্য ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ৪২ হাজার ৭৭৯ প্রিসাইডিং অফিসার, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৪ পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া পোস্টাল ভোটের জন্য ১৫ হাজার কর্মকর্তা নিয়োজিত।

    নির্বাচন কমিশন ২ হাজার ৯৮ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে, ভোট ও সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য। প্রতি উপজেলা ও থানায় অন্তত দুই জন করে মোট ১ হাজার ৪৭ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্টের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন।

    ৪২ হাজার ৭৭৯ কেন্দ্রের মধ্যে ৪০% ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। বিশেষ করে ঢাকার ১৫টি আসন ঝুঁকিপূর্ণ। নিরাপত্তার জন্য বাড়তি পুলিশ মোতায়েন, ড্রোন, সিসি ক্যামেরা ও বডিওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে।

    এবছর সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৫৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী মোতায়েন, যার মধ্যে সেনা, নৌসদস্য, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও র‍্যাব সদস্য অন্তর্ভুক্ত। ইউএভি, ড্রোন ও বডিওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে রিয়েল-টাইম নজরদারি করা হবে।

    দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ভোট পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব পালন করছেন। মোট ৮১টি দেশি সংস্থা ও ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন দেশি পর্যবেক্ষক এবং ৩৯৪ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও ১৯৭ বিদেশি সাংবাদিক অংশগ্রহণ করছেন।

    নির্বাচনকে ঘিরে যানবাহনের ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ভোটের সমস্ত সরঞ্জাম কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে গেছে এবং ভোট কর্মকর্তারা অবস্থান গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘ ১৮ মাসের সংস্কার ও প্রস্তুতির পর দেশজুড়ে ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অপেক্ষা করছেন। কালকের ভোটগ্রহণ নির্ধারণ করবে একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

  • ভোটের আগের রাতে ঢাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: চেকপোস্টে তল্লাশি, পথে পথে টহল

    ভোটের আগের রাতে ঢাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: চেকপোস্টে তল্লাশি, পথে পথে টহল

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে রাজধানী ঢাকাকে কার্যত নিরাপত্তার বলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে। ভোটের পরিবেশ শান্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানীর প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। বিশেষ রোবাস্ট ও মোবাইল টহলের পাশাপাশি ফুট পেট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকায় মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ি থামিয়ে যাচাই করা হচ্ছে; যুক্তিসংগত কারণ দেখাতে না পারলে যানবাহন জব্দও করা হচ্ছে।

    র‍্যাবের মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও কোনো ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ভোট জালিয়াতি, কেন্দ্র দখল কিংবা ফলাফল মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সহিংসতায় জড়াতে চাইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে পরিস্থিতি অশান্ত হলে প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের ঘটনা ঠেকাতে মাঠে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে যৌথভাবে টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

    রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বিজিবির টহল চোখে পড়ছে—সামনে পিকআপ, পেছনে এপিসি নিয়ে সাইরেন বাজিয়ে চলাচল করছে টহল দল। সেনাবাহিনীও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় দায়িত্বরত সেনা কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি ওয়ার্ড ও ভোটকেন্দ্রের আশপাশে নিয়মিত টহল চলছে, যাতে কেউ অবৈধ অস্ত্র বা বিস্ফোরক নিয়ে প্রবেশ করতে না পারে।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীতে বড় ধরনের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকির তথ্য নেই। তবু আগাম সতর্কতায় প্রায় ২৬ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। ডিএমপির মিডিয়া সেল বলছে, চেকপোস্টের পাশাপাশি মোবাইল ও ফুট পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহজনক চলাচলের ওপর নজরদারি চলছে।

    ভোটারদের উদ্দেশে ডিএমপি আশ্বস্ত করেছে—নিরাপত্তা বাহিনী পাশে আছে। নাগরিকরা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন, নির্বাচন ঘিরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রয়েছে।

  • আগামী দিনে সরকার হবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ : তারেক রহমান

    আগামী দিনে সরকার হবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ : তারেক রহমান

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠিত হলে রাষ্ট্র পরিচালনা হবে জনগণের কাছে জবাবদিহির ভিত্তিতে। তিনি জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং আইনের শাসন কার্যকরভাবে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটাই তাঁর ব্যক্তিগত অঙ্গীকার ও দলের প্রতিশ্রুতি।

    তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার বিকল্প নেই—কারণ জনগণই রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, প্রথম ভোট গণতন্ত্র ও জবাবদিহির পক্ষে দেওয়া হোক।

    ভোটের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এলাকার মানুষের দায়িত্ব নেবেন—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমপিরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না, তা নজরদারিতে রাখা হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায়বিচারকে মূলনীতি হিসেবে ধরে এগোনোর কথাও বলেন তিনি।

    দলীয় প্রস্তুতির প্রসঙ্গে তারেক রহমান জানান, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সমস্যা ও সম্ভাবনা বোঝার চেষ্টা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন। প্রবাসে থাকার সময়ও দেশের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার কথা তুলে ধরেন তিনি।

    অতীতের শাসনামলে বিএনপির কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুলত্রুটির জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে অর্জনগুলোকে ভিত্তি করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়াই লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আসন্ন নির্বাচনে জনগণের সমর্থন কামনা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

  • সরকার গঠন করলে প্রথমদিন ফজর পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করব

    সরকার গঠন করলে প্রথমদিন ফজর পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করব

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মানবিক, নিরাপদ ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে প্রথম দিন ফজরের নামাজ শেষে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করবেন। তাঁর ভাষ্যে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ভোগের বিষয় নয়—এটি আমানত ও জবাবদিহিতার বিষয়।

    ভাষণে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবার—ধর্ম ও পরিচয় নির্বিশেষে নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষাই হবে রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। নারী-পুরুষের নিরাপত্তা, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দিতে প্রশাসনিক সংস্কার জরুরি। তিনি জানান, নীতিনির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে দলীয় ইশতেহার ও নীতিকৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে; সুযোগ পেলে সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হবে সঙ্গে সঙ্গেই।

    তিনি অতীতের দমন-পীড়ন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সমালোচনা করে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী না হলে জনগণের অধিকার সুরক্ষিত হয় না। তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণকে ভবিষ্যৎ নির্মাণের চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে ঐক্যের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে সততা, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি করার কথা বলেন।

    রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, কাঠামোগত পরিবর্তন সময়ের দাবি—এ কারণেই সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের মতামতের মাধ্যমে সংস্কারকে টেকসই করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়া, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষার প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরেন।

    ভাষণের শেষে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন, আচরণবিধি মানা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, রাষ্ট্র সবার—সরকার হবে জনগণের। ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার নীতিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকারেই তাঁর বক্তব্য শেষ হয়।

  • ভোটের আগেই নামবে প্রচারের পর্দা—মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় থামছে সব প্রচারণা

    ভোটের আগেই নামবে প্রচারের পর্দা—মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় থামছে সব প্রচারণা

    এবিএনএ: গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার বন্ধ করতে হয়।

    এবার ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে। সে হিসেবে ৪৮ ঘণ্টা আগের সময়সীমা দাঁড়ায় ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা। ওই সময়ের মধ্যেই পোস্টার, মাইকিং, সভা-সমাবেশসহ প্রার্থীদের সব প্রচার কার্যক্রম শেষ করতে হবে। গত ২২ ডিসেম্বর থেকে প্রায় ২০ দিন প্রচারের সুযোগ পেয়েছিলেন প্রার্থীরা।

    নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। নিয়ম ভাঙলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র।

    দলভিত্তিক হিসেবে বিএনপির প্রার্থী সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—‘ধানের শীষ’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ‘হাতপাখা’ প্রতীকে প্রার্থী ২৫৮ জন। জামায়াতে ইসলামী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে লড়ছে ২২৯ জন প্রার্থী। জাতীয় পার্টির ‘লাঙ্গল’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৯৮ জন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে রয়েছেন ৩২ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ‘ফুটবল’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭৬ জন।

  • ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিলে আটক! নির্বাচনের দিন ইসির কড়া নিষেধাজ্ঞা

    ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিলে আটক! নির্বাচনের দিন ইসির কড়া নিষেধাজ্ঞা

    এবিএনএ: আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে মোবাইলফোন বহনে কড়াকড়ি আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা নির্দেশনায় রোববার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিষয়টি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের চারশ গজ ব্যাসার্ধের ভেতরে সাধারণভাবে কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।

    তবে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে কয়েকটি পক্ষকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে। প্রিসাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী অঙ্গীভূত আনসার, সাধারণ আনসার ও ভিডিপির দুই সদস্য মোবাইল বহন করতে পারবেন।

    নির্বাচন কমিশনের মতে, কেন্দ্রের পরিবেশ শান্ত রাখা, গুজব ও অনিয়ম ঠেকানো এবং ভোটগ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই বিধিনিষেধ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা কঠোরভাবে কার্যকরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ভোট ও গণভোটকে ঘিরে কড়া নির্দেশনা, নির্বাচনের সময় মিশন ছাড়তে পারবেন না বাংলাদেশের কূটনীতিকরা

    ভোট ও গণভোটকে ঘিরে কড়া নির্দেশনা, নির্বাচনের সময় মিশন ছাড়তে পারবেন না বাংলাদেশের কূটনীতিকরা

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশের কূটনীতিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময় এবং এর পরপরই কোনো মিশন প্রধান কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।

    সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশনে (অনারারি কনস্যুলেট ব্যতীত) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। এতে রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও স্থায়ী প্রতিনিধিদের নির্ধারিত সময়জুড়ে মিশনে উপস্থিত থাকার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহণ থেকে শুরু করে ব্যালট সুষ্ঠুভাবে দেশে পাঠানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করতেই মিশন প্রধানদের সরাসরি তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা আবশ্যক। এতে বিদেশের মাটিতে ভোট গ্রহণে স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।

    ঢাকার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিলম্ব এড়াতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। প্রবাসী ভোটারদের ভোট নিরাপদে গ্রহণ ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় দেশে পাঠানোই এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য।

  • নির্বাচনের আগে কড়া ইসি: পোস্টার ছাপালেই বিপদ, ছাপাখানাকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা

    নির্বাচনের আগে কড়া ইসি: পোস্টার ছাপালেই বিপদ, ছাপাখানাকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর অংশ হিসেবে মুদ্রণালয় ও ছাপাখানাগুলোকে নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত যেকোনো ধরনের পোস্টার ছাপানো থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।

    বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের সমর্থকেরা নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার করছেন। অথচ রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৭ (ক) অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, দলীয় মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে চাইলে অবশ্যই আচরণবিধি মেনে তা করতে হবে।

    এ কারণে নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃতব্য কোনো ধরনের পোস্টার যেন কোনো মুদ্রণালয় বা ছাপাখানা থেকে ছাপানো না হয়। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

  • গণভোটে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কঠোর ইসি: ভোটের দায়িত্বে থাকা কেউই প্রচারে নামতে পারবেন না

    গণভোটে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কঠোর ইসি: ভোটের দায়িত্বে থাকা কেউই প্রচারে নামতে পারবেন না

    এবিএনএ: গণভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভোটের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য কড়া নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠান।

    নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য জানাতে ও সচেতন করতে পারবেন। তবে ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে উৎসাহিত করা বা কোনো পক্ষের পক্ষে অবস্থান নেওয়া আইনত নিষিদ্ধ।

    ইসি জানায়, এ ধরনের পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা বিদ্যমান আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং সব জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে একযোগে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

  • নির্বাচনী দৌড়ে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা: কাল শেষ হচ্ছে মনোনয়ন দাখিল, ফরম নিয়েছেন ২৭৮০ প্রার্থী

    নির্বাচনী দৌড়ে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা: কাল শেষ হচ্ছে মনোনয়ন দাখিল, ফরম নিয়েছেন ২৭৮০ প্রার্থী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ঘনিয়ে এসেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২ হাজার ৭৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ৩১ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে রোববার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এরপর ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

    মনোনয়ন যাচাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।

    উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ১৮ ডিসেম্বর সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে আপিল সংক্রান্ত সময়সূচিতে কিছু পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।