Tag: ক্রিকেট

  • ছক্কার ঝড়ে ইতিহাস! টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের নতুন বিশ্ব রেকর্ড, কিষাণের প্রথম সেঞ্চুরি

    ছক্কার ঝড়ে ইতিহাস! টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের নতুন বিশ্ব রেকর্ড, কিষাণের প্রথম সেঞ্চুরি

    এবিএনএ: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ সাঞ্জু স্যামসন। মাত্র ৬ রান করে আবারও হতাশ করলেন তিনি। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ জুড়ে ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্বকাপ দলে তার জায়গা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

    তবে থিরুভানান্থাপুরামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে একেবারে ভিন্ন চিত্র দেখাল ভারত। ইশান কিষাণ ও সূর্যকুমার যাদবের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে কিউই বোলারদের রীতিমতো অসহায় করে দেয় স্বাগতিকরা।

    এই ম্যাচে নিজের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন ইশান কিষাণ। মাত্র ৪৩ বলে ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় ১০৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। অন্য প্রান্তে সূর্যকুমার যাদব ৩০ বলে চারটি চার ও ছয়টি ছক্কায় করেন ঝড়ো ৬৩ রান। তৃতীয় উইকেটে ১০ ওভারের কিছু বেশি সময় খেলেই ১৩৭ রানের বিশাল জুটি গড়ে তোলেন এই দুই ব্যাটার।

    এই ম্যাচে ভারত মোট মেরেছে ২৩টি ছক্কা, যা কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে যৌথভাবে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৪ সালে ভারতের বিপক্ষেই দক্ষিণ আফ্রিকা সমান সংখ্যক ছক্কা হাঁকিয়েছিল।

    পুরো পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ভারতের মোট ছক্কার সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৯টি। এর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে ছক্কার নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ে রোহিত শর্মার দল। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের করা ৬৪ ছক্কার।

    এই ম্যাচে ভারত সংগ্রহ করে ৫ উইকেটে ২৭১ রান। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দলের বিপক্ষে এটি পঞ্চম সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের করা ৩০৪ রান।

  • বিশ্বকাপে দল না থাকলেও বাংলাদেশের পতাকা উড়বে: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দায়িত্ব পেলেন দুই আম্পায়ার

    বিশ্বকাপে দল না থাকলেও বাংলাদেশের পতাকা উড়বে: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দায়িত্ব পেলেন দুই আম্পায়ার

    এবিএনএ: ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকলেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের উপস্থিতি থাকছে ভিন্ন এক পরিচয়ে। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি ঘোষিত ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ আম্পায়ার—গাজী সোহেল ও শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।

    এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বকাপের জন্য রেফারি ও আম্পায়ারদের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি। সেখানে বাংলাদেশের এই দুই আম্পায়ারের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়েছে।

    এবারের আসরে ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে থাকবেন ছয়জন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। এই তালিকায় রয়েছেন ইংল্যান্ডের ডিন কস্কার, অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড গিলবার্ট, শ্রীলঙ্কার রঞ্জন মাদুগালে, জিম্বাবুয়ের অ্যান্ড্রু পাইক্রফট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের রিচি রিচার্ডসন ও ভারতের জাভাগাল শ্রীনাথ।

    অন্যদিকে আম্পায়ার প্যানেলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিচিত মুখদের সঙ্গে রয়েছেন গাজী সোহেল ও শরফুদ্দৌলা সৈকত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবেই এই দায়িত্ব পেয়েছেন তারা।

    আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর সিংগলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। উদ্বোধনী ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কুমার ধর্মসেনা ও ওয়েন নাইট।

  • ৯ কোটির চুক্তি বাতিল, তবু এক টাকাও নয়! মুস্তাফিজ ইস্যুতে আইপিএলের ব্যাখ্যা কী?

    ৯ কোটির চুক্তি বাতিল, তবু এক টাকাও নয়! মুস্তাফিজ ইস্যুতে আইপিএলের ব্যাখ্যা কী?

    এবিএনএ: আইপিএল নিলামে বড় অঙ্কে দল পাওয়ার পরও এক ম্যাচ না খেলেই কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে চুক্তি বাতিল হলেও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে—এত বড় অঙ্কের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন কোনো ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না।

    নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিষয়টি আরও বিস্ময়কর কারণ, তার বিরুদ্ধে কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গ, ইনজুরি কিংবা পারফরম্যান্স-সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল না।

    আইপিএল সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই ঘটনার মূল কারণ আইপিএলের বিমা কাঠামো। প্রতিটি খেলোয়াড়ের চুক্তি বিমাকৃত হলেও বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা প্রযোজ্য হয় নির্দিষ্ট শর্তে। সাধারণত টুর্নামেন্ট চলাকালে বা ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরিতে পড়লে বিমা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ পাওয়া যায়।

    কিন্তু মুস্তাফিজের চুক্তি বাতিল হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই এবং সেটিও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে। ফলে এটি কোনো ইনজুরি বা ক্রিকেট-সংক্রান্ত কারণে নয়। এ কারণেই বিমা কোম্পানি কিংবা ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে অর্থ পরিশোধের কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়নি।

    আইনগতভাবে কেকেআর বা বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেটি সহজ নয়। আইপিএল ভারতীয় আইনের অধীনে পরিচালিত হওয়ায় এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনায় রেখে অধিকাংশ বিদেশি ক্রিকেটারই কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।

    সব মিলিয়ে, আইপিএলের বিমা নীতির জটিল কাঠামোর কারণেই বড় অঙ্কের চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ক্ষতিপূরণবঞ্চিত হচ্ছেন মুস্তাফিজুর রহমান—এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

  • শক্তির জানান দিয়ে বিপিএল শুরু রংপুর রাইডার্সের: চট্টগ্রামকে উড়িয়ে দিল ৭ উইকেটে

    শক্তির জানান দিয়ে বিপিএল শুরু রংপুর রাইডার্সের: চট্টগ্রামকে উড়িয়ে দিল ৭ উইকেটে

    এবিএনএ: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) এবারের আসর শুরু করেই নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিল রংপুর রাইডার্স। প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে সহজেই ৭ উইকেটে হারিয়ে দারুণ সূচনা করল নুরুল হাসান সোহানের দল।

    সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস। তবে রংপুরের বোলিং আক্রমণের সামনে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে তারা। ওপেনার নাইম শেখ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ২০ বলে ৩৯ রান করলেও, অন্য ব্যাটাররা টিকতে পারেননি। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১০২ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম।

    চট্টগ্রামকে স্বল্প রানে আটকে দেওয়ার নায়ক ছিলেন পাকিস্তানি পেসার ফাহিম আশরাফ। নিখুঁত লাইন-লেংথে বোলিং করে ১৭ রান খরচায় ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

    সহজ লক্ষ্য তাড়ায় রংপুরের দুই ওপেনার লিটন দাস ও ডেভিড মালান শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। উদ্বোধনী জুটিতে তারা দ্রুত রান তুলে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান। লিটন দাস ৩১ বলে ৪৭ রান করে ফিরলেও ডেভিড মালান করেন ৫১ রান।

    শেষ পর্যন্ত রংপুর রাইডার্স ১৫ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। বড় ব্যবধানে এই জয় বিপিএলের শুরুতেই রংপুরকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।

  • শান্তর বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ধসে পড়ল সিলেট, দুর্দান্ত জয়ে রাজশাহী

    শান্তর বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ধসে পড়ল সিলেট, দুর্দান্ত জয়ে রাজশাহী

    এবিএনএ: ধীর সূচনা হলেও ইনিংস গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভয়ংকর রূপ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম আট বলে মাত্র দুই রান করা এই ব্যাটার ষষ্ঠ ওভারে সাইম আইয়ুবকে টানা তিনটি চার হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। এরপর আর থামেননি তিনি। শেষ ওভারে হজরতউল্লাহ জাজাইয়ের একটি ক্যাচ মিসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ডাবলস নিয়ে পূর্ণ করেন দারুণ এক সেঞ্চুরি।

    অন্য প্রান্তে ছিলেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। চেনা ছন্দে ব্যাট করে শান্তর সঙ্গে গড়ে তোলেন ম্যাচ জেতানো জুটি। এই দুই ব্যাটারের শতাধিক রানের জুটিতে মাত্র দুই বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

    শান্ত ৬০ বলে করেন ১০১ রান এবং মুশফিক ৩১ বলে অপরাজিত থাকেন ৫১ রানে। ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এই দু’জন মিলে মাত্র ৭১ বলে যোগ করেন ১৩০ রান। শেষ পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী।

    এর আগে ব্যাট করতে নেমে পারভেজ হোসেন ইমনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেটে ১৯০ রান তোলে সিলেট টাইটান্স। পাওয়ার প্লেতে সাইম আইয়ুব দ্রুত রান তুললেও পঞ্চম ওভারে ১৫ বলে ২৮ রান করে বিদায় নেন। ৩৬ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর হজরতউল্লাহ জাজাই ২০ রান করে আউট হন।

    রনি তালুকদারের সঙ্গে এরপর ৩২ রানের জুটি গড়েন জাজাই। পরে পারভেজ হোসেন ইমন ও আফিফ হোসেন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। ইমন ২৮ বলে তিনটি চার ও চারটি ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন। আফিফ ১৯ বলে ৩৩ রান করে আউট হলেও শেষদিকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলীয় স্কোর সমৃদ্ধ করেন।

    রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে সন্দীপ লামিচানে ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট। এছাড়া বিনুরা ফার্নান্ডো ও তানজিম হাসান সাকিব একটি করে উইকেট তুলে নেন।

  • নেপালকে বিধ্বস্ত করে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে টানা দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের

    নেপালকে বিধ্বস্ত করে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে টানা দ্বিতীয় জয় বাংলাদেশের

    এবিএনএ: অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে দারুণ ছন্দে রয়েছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানকে হারিয়ে আসর শুরু করার পর নেপালের বিপক্ষেও শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন দল।

    সোমবার দুবাইয়ের আইসিসি সেভেন একাডেমি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নেপাল যুব দল বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি। মোহাম্মদ সবুজের তিনটি এবং সাদ ইসলাম, শাহরিয়ার ইসলাম ও তামিমের জোড়া উইকেটে ৩১.১ ওভারে ১৩০ রানেই গুটিয়ে যায় নেপাল।

    নেপালের দুই ওপেনার ৬.৪ ওভারে ৪০ রানের জুটি গড়লেও দ্রুত ভাঙে সেই প্রতিরোধ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। লোয়ার-মিডল অর্ডারে আশিষ লুহার ও অভিষেক তিওয়ারির লড়াকু ইনিংসে কোনোমতে তিন অঙ্কের স্কোরে পৌঁছায় তারা।

    সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতেই দুই উইকেট হারালেও জাওয়াদ আবরার ও কালাম সিদ্দিকির দৃঢ় জুটিতে আর কোনো বিপদ হয়নি। তৃতীয় উইকেটে ৯২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তারা।

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগের ম্যাচে বড় ইনিংস খেলা জাওয়াদ আবরার এদিনও ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন। ৬৮ বল মোকাবিলা করে অপরাজিত ৭০ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল সাতটি চার ও তিনটি ছক্কা। কালাম সিদ্দিকি ৩৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন।

    ২৫ ওভারেরও বেশি বল হাতে রেখে লক্ষ্য পূরণ করায় গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের অবস্থান আরও মজবুত হয়েছে।

  • ২৮৩ রানও থামাতে পারল না যুব টাইগারদের, আফগানিস্তানকে হারিয়ে দাপুটে শুরু

    ২৮৩ রানও থামাতে পারল না যুব টাইগারদের, আফগানিস্তানকে হারিয়ে দাপুটে শুরু

    এবিএনএ:  বিশাল লক্ষ্য দেখেও ভীত না হয়ে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ব্যাট হাতে জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে যুব এশিয়া কাপে প্রথম ম্যাচেই জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

    শনিবার দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমি মাঠে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল ৭ উইকেটে তোলে ২৮৩ রান। ওপেনার উসমান সাদান ও তিন নম্বরে নামা ফয়সালের ব্যাটে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে তারা। ফয়সাল ৯৪ বল মোকাবিলা করে ১০৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল চার ও ছক্কার দারুণ মিশেল। মিডল অর্ডারে উজাইরুল্লাহ নিয়াজাই ও আজিজুল্লাহ মিয়াখিল প্রয়োজনীয় রান যোগ করেন।

    বাংলাদেশের পক্ষে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন ইকবাল হোসেন ইমন ও শাহরিয়ার আহমেদ—দুজনেই নেন ২টি করে উইকেট। অন্যরা একটি করে উইকেট ভাগ করে নেন।

    লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করেন জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগ। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৫১ রান, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। রিফাত ৬৮ বলে ৬২ রান করে আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন জাওয়াদ। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে থামতে হয় তাকে—১১২ বলে ৯৬ রান করে ফেরেন তিনি।

    এরপর অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম ও কালাম সিদ্দিকি ম্যাচের লাগাম ধরেন। চাপের মধ্যেও তারা দলের স্কোর এগিয়ে নেন। শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট পড়লেও শেখ পারভেজ জীবন ও শাহরিয়ার আহমেদের ব্যাটে ৭ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

    এই জয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে যুব টাইগাররা।

  • টসে জিতে হংকংকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল শ্রীলঙ্কা, বড় জয়ের লক্ষ্য লঙ্কানদের

    টসে জিতে হংকংকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল শ্রীলঙ্কা, বড় জয়ের লক্ষ্য লঙ্কানদের

    এবিএনএ:  দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছে শ্রীলঙ্কা। প্রতিপক্ষ হংকং। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা। ফলে ব্যাটিংয়ে নামতে হয়েছে হংকংকে।

    আজকের ম্যাচ শ্রীলঙ্কার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচে জয় পেলে দলটি অনেকটাই এগিয়ে যাবে পরের রাউন্ডে। অন্যদিকে, দুই ম্যাচে হেরে আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত করা হংকংয়ের জন্য এই ম্যাচ কেবল আনুষ্ঠানিকতা।

    লঙ্কানদের প্রধান লক্ষ্য আজ বড় জয় তুলে নিয়ে নেট রান রেট আরও শক্তিশালী করা। কারণ এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাত্র ৩২ বল হাতে রেখে জয় পেয়েছিল তারা, যা তাদের অবস্থানকে করেছে সুবিধাজনক। ম্যাচ শেষে লঙ্কান অধিনায়ক জানিয়েছিলেন, নেট রানরেট নিয়েও তারা কৌশল সাজাচ্ছেন। তাই আজ হংকংয়ের বিপক্ষে বড় জয়ের চেষ্টা থাকবে স্পষ্ট।

    হংকং একাদশ: জিশান আলি, আনশি রাঠ, বাবর হায়াত, নিজাকাত খান, শাহিদ ওয়াসিফ, কিনচিত শাহ, ইয়াসিম মুর্তজা (অধিনায়ক), আইজাজ খান, এহসান খান, আয়ুষ শুক্লা ও আতিক ইকবাল।

    শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাথুম নিশাঙ্কা, কুশাল মেন্ডিস, কামিল মিশারা, কুশাল পেরেরা, দাসুন শানাকা, চারিথ আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), কামিন্দু মেন্ডিস, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুশমন্থ চামিরা, মাহিশ থিকশানা ও নুয়ান থুসারা।

  • আইপিএলের প্লে-অফে বৃষ্টি হলে কী হবে? জানুন বিসিসিআইয়ের নিয়ম ও সম্ভাব্য ফলাফল

    আইপিএলের প্লে-অফে বৃষ্টি হলে কী হবে? জানুন বিসিসিআইয়ের নিয়ম ও সম্ভাব্য ফলাফল

    এবিএনএ :

    শেষ হলো আইপিএলের উত্তেজনাপূর্ণ লিগ পর্ব। আগামীকাল (২৯ মে) শুরু হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত প্লে-অফ রাউন্ড। তবে বর্ষার আগমনে বৃষ্টির আশঙ্কা আয়োজকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিসিসিআই (ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড) জানিয়েছে, ফাইনাল ম্যাচ ছাড়া প্লে-অফের অন্যান্য ম্যাচে ‘রিজার্ভ ডে’ রাখা হয়নি। ফলে বৃষ্টির কারণে যদি ম্যাচ বাতিল হয়, তবে জয়ী নির্ধারণ করা হবে লিগ পর্বের পয়েন্ট টেবিল অনুযায়ী।

    কীভাবে নির্ধারিত হবে জয়ী দল?

    • কোয়ালিফায়ার ১: যদি ম্যাচ না হয়, তবে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা দল সরাসরি ফাইনালে পৌঁছাবে।

    • এলিমিনেটর: বাতিল হলে পয়েন্টে এগিয়ে থাকা দল খেলবে কোয়ালিফায়ার ২-এ; অপর দল ছিটকে যাবে।

    • কোয়ালিফায়ার ২: একই নিয়ম প্রযোজ্য। ম্যাচ না হলে এগিয়ে থাকা দল ফাইনালে যাবে।

    • ফাইনাল ম্যাচ: একমাত্র ফাইনালের জন্য ৪ জুন একটি রিজার্ভ ডে নির্ধারিত আছে।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী কী জানা গেছে?

    • মুল্লানপুর (কোয়ালিফায়ার ১ ও এলিমিনেটর): বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার এলিমিনেটরের দিন ২৫% সম্ভাবনা থাকলেও ম্যাচের সময় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    • আহমেদাবাদ (কোয়ালিফায়ার ২ ও ফাইনাল): আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে, বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই।

    প্লে-অফ সূচি (২০২৫):

    • কোয়ালিফায়ার ১: পাঞ্জাব কিংস বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু – ২৯ মে, মুল্লানপুর

    • এলিমিনেটর: গুজরাট টাইটান্স বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স – ৩০ মে, মুল্লানপুর

    • কোয়ালিফায়ার ২: কোয়ালিফায়ার ১-এর পরাজিত দল বনাম এলিমিনেটর জয়ী – ১ জুন, আহমেদাবাদ

    • ফাইনাল: কোয়ালিফায়ার ১ ও ২-এর জয়ী দল – ৩ জুন, আহমেদাবাদ (রিজার্ভ ডে: ৪ জুন)

    এই নিয়মে, কোনো ম্যাচ ভেসে গেলে সিদ্ধান্ত হবে সম্পূর্ণ লিগ টেবিলের উপর ভিত্তি করে। ক্রিকেটপ্রেমীদের আশা, বৃষ্টি যেন ম্যাচগুলোর সৌন্দর্য নষ্ট না করে।

  • ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন! টম বেইলির ‘পকেট কান্ডে’ তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন! টম বেইলির ‘পকেট কান্ডে’ তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    এবিএনএ:  ইংল্যান্ডের ওল্ড ট্রাফোর্ডে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটেছে, যা হতবাক করেছে ক্রিকেটপ্রেমীদের। ল্যাঙ্কাশায়ার ও গ্লস্টারশায়ারের মধ্যকার খেলায় টম বেইলির পকেট থেকে খেলার সময় হঠাৎই পড়ে যায় একটি মোবাইল ফোন!

    ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে, যখন ল্যাঙ্কাশায়ার ব্যাটিং করছিল। অষ্টম উইকেট পতনের পর ব্যাট করতে নামেন টেলএন্ডার টম বেইলি। রান নেওয়ার সময় তার পকেট থেকে একটি আয়তাকার বস্তু পড়ে যায়, যা পরে দেখা যায় আসলে একটি মোবাইল ফোন। ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচারে ধরা পড়ে এবং মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    ধারাভাষ্যকাররাও এই দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে যান। একজন তো বলে ফেলেন, “এমন কিছু আগে কখনো দেখিনি!”

    এই ঘটনার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একজন খেলোয়াড় খেলার সময় পকেটে মোবাইল ফোন রাখেন? বিশেষত তখন যখন আইসিসির ও কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী মাঠে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ, যদি তা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    ৪১.৫ ধারা অনুযায়ী, খেলোয়াড়রা শুধু নির্দিষ্ট অনুমোদিত প্রযুক্তিই মাঠে ব্যবহার করতে পারবেন। যদিও এখনো জানা যায়নি বেইলি ফোনটি ব্যবহার করছিলেন কিনা, কিন্তু শুধুমাত্র তার সঙ্গে থাকা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

    ইতোমধ্যেই কর্তৃপক্ষ ফোনটি মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এই ভুলের জন্য কি টম বেইলিকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে?

    উল্লেখযোগ্যভাবে, ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। কিংবদন্তি আম্পায়ার ডিকি বার্ড একবার বলেছিলেন, ইংল্যান্ডের অ্যালান ল্যাম্ব একবার ভুল করে মোবাইল নিয়ে মাঠে চলে এসেছিলেন।

    টম বেইলির এই ঘটনা ক্রিকেট ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী অধ্যায় হয়ে থাকবে—যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে ক্রিকেট ভক্তদের কাছে।