Tag: ক্রিকেট

  • ৮ ম্যাচ খেলেও একাদশে নেই ধোনি

    ৮ ম্যাচ খেলেও একাদশে নেই ধোনি

    এবিএনএ:চলমান আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস একের পর এক ম্যাচ খেললেও দলে দেখা যাচ্ছে না মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, টুর্নামেন্টের প্রথম দুই সপ্তাহ তিনি খেলবেন না। কিন্তু এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তার না ফেরায় সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন বাড়ছিল। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন দলের প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং।

    মাংসপেশির চোটেই বিলম্ব

    ফ্লেমিং জানান, ধোনির পায়ের মাংসপেশিতে আবারও টান পড়েছে। এই কারণেই তাকে ঝুঁকি নিয়ে একাদশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। একটি অনুশীলনমূলক ঘাম ঝরানো ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় নতুন করে চোট বাড়ে বলে জানান তিনি। ফলে তার প্রত্যাবর্তন আরও পিছিয়ে গেছে।

    কোচ বলেন, ধোনি খেলতে আগ্রহী থাকলেও একই জায়গায় পুনরায় আঘাত পেলে পুরো মৌসুমই শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই দল তাড়াহুড়া না করে তার ফিটনেস পুরোপুরি নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। এ কারণে প্রত্যাশার তুলনায় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দীর্ঘ হচ্ছে।

    নেটে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন

    চোট কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে নিয়মিত অনুশীলন করছেন ধোনি। নেটে তাকে ব্যাটিং করতে দেখা গেলেও মূলত থ্রোডাউন ও হালকা অনুশীলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন। ফিজিওর তত্ত্বাবধানে দৌড়ানো, স্পিনারদের বিপক্ষে ব্যাটিং এবং ব্যাটিং কোচের সঙ্গে অনুশীলন—সবকিছুই চলছে পুনর্বাসন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে।

    ফ্লেমিং বলেন, ধোনি ফিট হতে কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং চিকিৎসক দলের নির্দেশনা মেনে চলছেন। তিনি উন্নতির দিকে আছেন, তবে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে মাঠে নামানো হবে না।

    চেন্নাইয়ের অবস্থান

    এদিকে আট ম্যাচে পাঁচটিতে হেরে পয়েন্ট টেবিলে মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। পরবর্তী ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে কিছুটা সময় পাচ্ছে দল। সেই ম্যাচে ধোনি ফিরবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত হলেও দল তার ফিটনেস পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

  • আইপিএলে সুদর্শনের ২০০০ রান, গেইলকে টপকালেন; কোহলির ৮০০ বাউন্ডারি

    আইপিএলে সুদর্শনের ২০০০ রান, গেইলকে টপকালেন; কোহলির ৮০০ বাউন্ডারি

    এবিএনএ: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এক ম্যাচেই দেখা গেল দুই ভিন্ন কীর্তি। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়লেন গুজরাট টাইটান্সের ওপেনার সাই সুদর্শন। একই ম্যাচে আরেকটি অনন্য রেকর্ড স্পর্শ করেন বেঙ্গালুরুর তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলি।

    সুদর্শনের ঝড়ো সেঞ্চুরি

    টুর্নামেন্টের শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না সুদর্শনের। প্রথম কয়েক ম্যাচে বড় ইনিংসের দেখা না মিললেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনি ঘুরে দাঁড়ান। বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে মাত্র ৫৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

    এই ইনিংস খেলতে গিয়েই আইপিএলে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। মাত্র ৪৭ ইনিংসে এই অর্জন গড়ে আগের রেকর্ডধারী ক্রিস গেইলকে ছাড়িয়ে যান। গেইল এই কীর্তি গড়তে খেলেছিলেন ৪৮ ইনিংস। ফলে দ্রুততম সময়ে ২০০০ রান করা ব্যাটারদের তালিকায় নতুন নাম যুক্ত হলো সুদর্শনের।

    বলের হিসাবেও দ্রুততম ভারতীয়দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। প্রায় ১৩৬১ বল খেলে দুই হাজার রান পূর্ণ করেন সুদর্শন, যা তাকে শীর্ষ দ্রুততমদের তালিকায় স্থান এনে দিয়েছে।

    কোহলির নতুন মাইলফলক

    একই ম্যাচে ইতিহাস গড়েছেন বিরাট কোহলিও। কাগিসো রাবাদার বলে মিড-অন দিয়ে চার মেরে আইপিএলে ৮০০ বাউন্ডারির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এই কীর্তি গড়া প্রথম ব্যাটার এখন কোহলি।

    মাত্র একটি বাউন্ডারির অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। সেই চার মেরে শুধু মাইলফলক স্পর্শই করেননি, আইপিএলের ইতিহাসে নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করেছেন ভারতীয় এই তারকা।

    একই ম্যাচে দুই রেকর্ড

    একদিকে সুদর্শনের দ্রুততম ২০০০ রান, অন্যদিকে কোহলির ৮০০ বাউন্ডারি—সব মিলিয়ে ম্যাচটি পরিণত হয় রেকর্ডবুকে জায়গা করে নেওয়া এক স্মরণীয় দিনে। আইপিএলের এই লড়াই ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এনে দেয় নতুন পরিসংখ্যান ও আলোচনার খোরাক।

  • জাতীয় দলে ফিরেই আবেগঘন বার্তা রিপন মণ্ডলের—“সমালোচনাই আমাকে আরও শক্ত করে”

    জাতীয় দলে ফিরেই আবেগঘন বার্তা রিপন মণ্ডলের—“সমালোচনাই আমাকে আরও শক্ত করে”

    এবিএনএ: দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও জাতীয় দলে জায়গা পেলেন ডানহাতি পেসার রিপন মণ্ডল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচের স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

    ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথমবার জাতীয় দলের ডাক পেলেও একাদশে সুযোগ হয়নি রিপনের। এরপর দীর্ঘ সময় দলে জায়গা না পাওয়ার পর এবার নতুন করে সুযোগ পেলেন এই পেসার। দলে ফেরার খবর পেয়ে নিজের সন্তানের একটি ছবি শেয়ার করে আনন্দ প্রকাশ করেন তিনি।

    পোস্টে রিপন লেখেন, সন্তানের হাসিই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। পরিবারের মুখে এই আনন্দ সবসময় দেখতে চান তিনি। আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ক্রিকেট খেলতে পারা পর্যন্ত যেন পরিবারের মুখে এমন হাসি বজায় থাকে।

    সমর্থকদের উদ্দেশে রিপন জানান, প্রশংসা তাকে অনুপ্রাণিত করে, তবে সমালোচনাও তার জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সমালোচনা থেকে নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারেন এবং সেগুলো শুধরে নিতে আরও বেশি পরিশ্রম করেন। তার অর্জনের পেছনে সমর্থকদের অবদান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    রিপন আরও বলেন, ভালো খেললে যেমন প্রশংসা করা হয়, খারাপ খেললে তেমনি যুক্তিসঙ্গত সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি। এতে নিজের ভুল বুঝে উন্নতির সুযোগ তৈরি হয়। পরিবারের মতো সমর্থকরাও তাকে পথ দেখান—এমন বিশ্বাসের কথাও তুলে ধরেন এই পেসার।

    জাতীয় দলে ফিরে নতুন উদ্যমে নিজেকে প্রমাণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন রিপন মণ্ডল। সমর্থকদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সামনে সুযোগ পেলে দলের জন্য সেরাটা দিতে পারবেন।

  • সাইফ–হৃদয়ের লড়াই বৃথা, শেষ দিকে ব্যাটিং ধসে নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হতাশাজনক হার

    সাইফ–হৃদয়ের লড়াই বৃথা, শেষ দিকে ব্যাটিং ধসে নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হতাশাজনক হার

    এবিএনএ: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের দোরগোড়ায় গিয়েও শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ২৬ রানের হার মেনেছে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়ের দুটি দায়িত্বশীল ফিফটি ম্যাচে আশা জাগালেও শেষদিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ছন্দ হারায় স্বাগতিকরা।

    এর আগে ব্যাট করতে নেমে হেনরি নিকলস ও ডিন ফক্সক্রফটের অর্ধশতকে ভর করে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ২১ রানেই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

    এরপর সাইফ হাসান ও লিটন দাস জুটি গড়ে ইনিংস মেরামত করেন। তাদের ৯৩ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। সাইফ ফিফটি স্পর্শ করলেও কিছুটা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আউট হন লিটন। এরপর তাওহীদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন।

    দুজনের ৫২ রানের জুটি ভাঙতেই ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। ৪১তম ওভারে আফিফ হোসেনকে ফেরান ব্লেয়ার টিকনার। তখনও বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল ছিল—৫৭ বলে দরকার ছিল ৬৪ রান, হাতে পাঁচ উইকেট।

    কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় ধস। টিকনারের আক্রমণে দ্রুত বিদায় নেন মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। শেষ দিকে চার ওভারে ৩৫ রান দরকার থাকলেও চাপ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ।

    শেষ জুটিতে তাওহীদ হৃদয় ছক্কা মেরে ৫৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। তবে ম্যাচ শেষ করার আগেই ৪৯তম ওভারে ক্যাচ হয়ে ফিরতে হয় তাকে। ৬০ বলে ৫৫ রানের ইনিংসে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা।

    বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৩৭ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানে অলআউট হয়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্লেয়ার টিকনার ১০ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। স্মিথ তিন উইকেট নিয়ে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

  • ঢাকা লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান, চলতি মাসেই দলবদল—মে’র শুরুতে মাঠে গড়ানোর প্রস্তুতি

    ঢাকা লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান, চলতি মাসেই দলবদল—মে’র শুরুতে মাঠে গড়ানোর প্রস্তুতি

    এবিএনএ: জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎসগুলোর একটি হলো ঢাকা লিগ। তবে চলতি মৌসুমে এই জনপ্রিয় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট সময়মতো আয়োজন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। লিগ আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে প্রশ্নও উঠেছিল ক্রিকেট অঙ্গনে।

    মূলত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ঘিরে সাবেক পরিচালনা পর্ষদ এবং ঢাকার ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে মতবিরোধের কারণে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন আটকে ছিল। এতে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন অনেক ক্রিকেটার, বিশেষ করে যারা জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন এবং এই লিগের ওপর নির্ভরশীল।

    পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে নতুন অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর। গত বুধবার ঢাকা লিগ আয়োজন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তার উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুত সমাধানের পথে এগোয় বিষয়টি।

    বৃহস্পতিবার বিসিবি কার্যালয়ে ঢাকার ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকে। এই বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রায় সব ক্লাবই লিগে অংশগ্রহণে সম্মতি জানিয়েছে। বিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় দলবদল ও লিগ শুরুর সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সূত্র মতে, চলতি মাসের মধ্যেই ঢাকা লিগের দলবদল সম্পন্ন করা হবে। এরপর আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে মাঠে গড়াবে বহুল প্রতীক্ষিত এই প্রতিযোগিতা। এতে করে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে ক্রিকেটার ও ক্লাব কর্মকর্তাদের।

    এদিকে বিসিএলের প্রথম দুই রাউন্ড শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ২১ এপ্রিল থেকে। ওই পর্ব শেষ হওয়ার পর ৫ মে থেকে ঢাকা লিগ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিসিবি। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়েই মাঠে গড়াবে দেশের অন্যতম প্রধান ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।

  • ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে নতুন বার্তা বিসিবির, পুনরায় সূচি ও প্রস্তুতি নিয়ে যা জানা গেল

    ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে নতুন বার্তা বিসিবির, পুনরায় সূচি ও প্রস্তুতি নিয়ে যা জানা গেল

    এবিএনএ: ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে। সাম্প্রতিক কিছু ইস্যুতে দুই বোর্ডের মধ্যে তৈরি হওয়া অস্থিরতা কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। এ লক্ষ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক বার্তাও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার নাফীস। তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলো মূলত ভবিষ্যৎ সফর সূচি (এফটিপি)-এর অংশ হিসেবেই নির্ধারিত থাকে। ভারতের বিপক্ষে যে সিরিজটি গত বছর হওয়ার কথা ছিল, সেটি পুনঃনির্ধারণ করে এ বছর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য বোর্ডের মতো ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ চলছে বলে জানান তিনি।

    এদিকে আসন্ন সিরিজকে সামনে রেখে মিরপুরে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে চলছে ফিটনেস ক্যাম্প। নাফীস বলেন, ক্রিকেটাররা কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং অনুশীলনও ভালো হচ্ছে। গরম আবহাওয়া থাকলেও খেলোয়াড়রা দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছেন এবং প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছেন।

    তিনি আরও জানান, শুরুতে অনুশীলন ছিল মূলত ফিটনেস ও ফিল্ডিংকেন্দ্রিক। এখন সেখানে যোগ হয়েছে ব্যাটিং-বোলিংসহ স্কিল ট্রেনিং। সিরিজের আগে সাধারণত খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না, তবে এবার প্রস্তুতির জন্য তুলনামূলক বেশি সময় পাওয়া গেছে এবং কোচিং স্টাফ সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন।

    সব মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে সম্ভাব্য সিরিজ সামনে রেখে প্রস্তুতি জোরদার করছে বাংলাদেশ দল। বোর্ড কর্তারা আশা করছেন, সূচি চূড়ান্ত হলে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা।

  • বিপিএলে বকেয়া ঝুলে! ঢাকার ক্রিকেটারদের প্রাপ্য টাকা কবে মিলবে?

    বিপিএলে বকেয়া ঝুলে! ঢাকার ক্রিকেটারদের প্রাপ্য টাকা কবে মিলবে?

    এবিএনএ: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)-এর সর্বশেষ আসর শেষ হলেও এখনো বকেয়া পারিশ্রমিক হাতে পাননি ঢাকা ক্যাপিটালস দলের অনেক ক্রিকেটার। বিষয়টি নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং একাধিক ক্রিকেটার তাদের পাওনা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

    বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে এখনো তিন কোটিরও বেশি টাকা বকেয়া রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বোর্ড বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।

    গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানিয়েছেন, বর্তমানে তাদের মূল লক্ষ্য ঢাকার বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, বিপিএলের সামগ্রিক হিসাব চূড়ান্ত করার আগে এই বকেয়া পরিশোধ জরুরি।

    তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে পাঁচটি দলের আর্থিক হিসাব সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা দলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে এবং খেলা শেষ হওয়ার পর তাদের তিনটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। প্রতিবারই তারা দ্রুত অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে।

    বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা দলের ক্রিকেটাররা এখনো প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা পাওনা রয়েছেন। খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও পৃথকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে সঠিক অঙ্ক নিশ্চিত করা যায়।

    মিঠু বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ব্যাংকের মাধ্যমে এই অর্থ পরিশোধ করা হতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আর সময় দেওয়ার সুযোগ নেই।

    এদিকে, ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তারা কিছুটা সময় চাইলেও বোর্ডের অবস্থান কঠোর। বোর্ড বলছে, দ্রুত অর্থ পরিশোধ না হলে তারা বিকল্প ব্যবস্থা নেবে।

    তিনি আরও বলেন, খেলোয়াড়দের পূর্ণ পাওনা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ক্রিকেট বোর্ড, এবং সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

    এখন দেখার বিষয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঢাকা ক্যাপিটালস তাদের বকেয়া পরিশোধ করতে পারে কি না—নাকি বিষয়টি আরও জটিল রূপ নেয়।

  • ভারত-নিউজিল্যান্ড মহারণে কারা থাকছেন মাঠের দায়িত্বে? টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের আম্পায়ার তালিকা প্রকাশ

    ভারত-নিউজিল্যান্ড মহারণে কারা থাকছেন মাঠের দায়িত্বে? টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের আম্পায়ার তালিকা প্রকাশ

    এবিএনএ: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ লড়াই সামনে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে রোববার ভারতের আহমেদাবাদে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এই মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার জন্য ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

    ফাইনালে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইংল্যান্ডের দুই অভিজ্ঞ আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ ও অ্যালেক্স ওয়ার্ফ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের।

    রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ এর আগেও বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালেও তিনি অন-ফিল্ড আম্পায়ার ছিলেন। পাশাপাশি ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল ম্যাচও পরিচালনা করেন তিনি।

    চলতি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচেও অন-ফিল্ড আম্পায়ারের দায়িত্বে ছিলেন ইলিংওয়ার্থ ও ওয়ার্ফ।

    ফাইনাল ম্যাচে তৃতীয় আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করবেন দক্ষিণ আফ্রিকার আল্লাউদ্দিন পালেকার। এর আগে ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

    এছাড়া চতুর্থ আম্পায়ারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টককে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে তিনি তৃতীয় আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    ফাইনাল ম্যাচের ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন জিম্বাবুয়ের অ্যান্ডি পাইক্রফট। দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচেও ম্যাচ রেফারি ছিলেন তিনি।

    ভারত-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ অফিসিয়াল

    • অন-ফিল্ড আম্পায়ার: রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ, অ্যালেক্স ওয়ার্ফ

    • তৃতীয় আম্পায়ার: আল্লাউদ্দিন পালেকার

    • চতুর্থ আম্পায়ার: অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টক

    • ম্যাচ রেফারি: অ্যান্ডি পাইক্রফট

    ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর এখন আহমেদাবাদের এই শিরোপা লড়াইয়ের দিকে, যেখানে একদিকে শক্তিশালী ভারত, অন্যদিকে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা নিউজিল্যান্ড।

  • মন্থর পিচেও পাকিস্তানকে কাবু: জয়ের নায়ক কী বললেন ম্যাচ শেষে?

    মন্থর পিচেও পাকিস্তানকে কাবু: জয়ের নায়ক কী বললেন ম্যাচ শেষে?

    এবিএনএ: কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়াম–এ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ব্যাট করা ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। মন্থর পিচে পাকিস্তানের বোলাররা শুরুতে চাপে রাখলেও পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের রং বদলে দেন ঈশান কিশান। ওপেনার ব্যর্থ হলেও দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে ৪০ বলে ৭৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার এবং ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন।

    ম্যাচ শেষে ঈশান বলেন, উইকেটের গতি কম থাকায় শুরুতে মানিয়ে নিতে সময় লেগেছে। তবে নিজের সামর্থ্যের ওপর ভরসা রেখেই খেলেছেন তিনি। অফ-সাইডে শট খেলার অনুশীলনের সুফল ম্যাচে কাজে লেগেছে বলে জানান এই বাঁহাতি ব্যাটার।

    বড় মাঠে ফিল্ডিংয়ের ফাঁক গলে রান নেওয়াই ছিল ভারতের কৌশল। চার-ছক্কার পাশাপাশি এক-দুই রানকে বড় রানে রূপ দেওয়ার দিকেও নজর ছিল দলের। ঈশানের ভাষ্য, লক্ষ্য ছিল এমন পিচে ১৬০–১৭০ রান তোলা—যা প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জিং স্কোর।

    ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের চাপ নিয়েও কথা বলেন তিনি। ঈশানের মতে, পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ ছিল শক্তিশালী, তবু এই জয় দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। পরের ম্যাচগুলোতে এই আত্মবিশ্বাসই ভারতের বড় শক্তি হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন ম্যাচের নায়ক।

  • বিশ্বকাপে বাজিমাত জিম্বাবুয়ে! ওমানকে উড়িয়ে উড়ন্ত শুরু রাজার দল

    বিশ্বকাপে বাজিমাত জিম্বাবুয়ে! ওমানকে উড়িয়ে উড়ন্ত শুরু রাজার দল

    এবিএনএ: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসর শুরুতেই নিজেদের শক্তির বার্তা দিল জিম্বাবুয়ে। কলম্বোতে ওমানের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় জয়ে টুর্নামেন্টে দাপুটে সূচনা করল আফ্রিকার দলটি। আগে ব্যাট করে ওমান থামে মাত্র ১০৩ রানে। লক্ষ্য তাড়ায় ৩৯ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে।

    টস জিতে ওমানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। শুরু থেকেই টাইগার বোলারদের চাপে পড়ে যায় ওমানের ব্যাটিং লাইনআপ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত লড়াই গড়ে তুলতে না পেরে তিন অঙ্কের ঘর পার করাই তাদের সান্ত্বনা হয়ে দাঁড়ায়।

    ওমানের হয়ে ভিনায়েক শুক্লা করেন সর্বোচ্চ ২৮ রান। সুফিয়ান মাহমুদ যোগ করেন ২৫ ও নাদিম খান ২০ রান। বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।

    জিম্বাবুয়ের বোলিংয়ে সমান তালে ধ্বংসযজ্ঞ চালান রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্রাড ইভান্স—তিনজনই নেন তিনটি করে উইকেট।

    লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৩০ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তাদিওয়ানাসে মারুমানি ২১ রানে ও ডিওন মেয়ার্স শূন্য রানে ফেরেন। এরপর ব্রায়ান বেনেট ও অভিজ্ঞ ব্রেন্ডেন টেইলর মিলে ৬৮ রানের কার্যকর জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। ৩১ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন টেইলর। পরে অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে সঙ্গে নিয়ে সহজেই ম্যাচ শেষ করেন বেনেট। অপরাজিত থাকেন বেনেট ৪৮ ও রাজা ৫ রানে।